| 17 এপ্রিল 2024
Categories
ভাসাবো দোঁহারে

ভাসাবো দোঁহারে: তিনটি প্রেমের কবিতা । পঞ্চতপা

আনুমানিক পঠনকাল: < 1 মিনিট
দীর্ঘ কবিতা অথবা নবম পরিধান
 
বিন্দু বিন্দু রক্ত এবং রক্ত রক্ত বিন্দুতে
আত্মার নির্জনতায়,
ইতিহাস ধারণ করেছিলাম,
পাবক ছিল কি কোন!
কিংবা রোদ্দুর…?
শালিকঠোঁটের মতো শ্বাস,
কবিতা হয়ে উপশিরাময় বয়ে যেত শুধু,
অভ্যন্তরে যে নদীর বাঁক আছে, তাকেও ভিজিয়েছিল সেই শব্দের ভার,
ন’টি ঋতু পেরিয়ে আসা আখ্যান এক
টলোমলো যুগল পায়ে
কুয়াশা ভোর এঁকে দিয়েছিল
অথবা পরাগরেণু,
নদীরও শিকড় পুড়ে যায়,
অথচ কবিতারা ঘুমিয়ে আছে শরীরে এখনও…
দীর্ঘ শব্দরাশি অথবা সনেট
লেখা হয়ে উঠলো না আর…
আত্মায় জড়ানো গেল না নবম পরিধান
বেদানা অবয়ব নিয়ে সম্রাজ্ঞী স্বপ্ন আমার
আজীবন জেগে রইলো, রাপ্তির জলে…
স্থির অভ্যন্তরে…
 
 
 
 
 
বিষাদ, তোমাকেই..
 
পঞ্চগব্য, ধানের শীষ, ধুম জ্বর
আর কিছু অসতী যাপন
বাটায় রেখেছি ,
বিষাদ, ধারণ করো শরীরে আমায়
 
আদিম জোছনা চাই না অযথা,
ধূসর ফুটপাথ যেমন হেঁটে এসে,
পায়ে পায়ে ঢুকে যায় জীবনের ঘাসে,
মাঠের শ্রাবণ মাখবে বলে তেমনই,
লাবণ্য সন্ধ্যা থেকে কিছু গান যদি চুরি করে আনি,
লগ্নভ্রষ্টা আলোর মতো অচেনা বিষাদ, তাকে গ্রহণ করো তুমি…
 
 
 
 
 
 
 
ওই দু’টি চোখে আমি সহ্য লিখে দিই
ওই দুই হাতে দিই নিঃশব্দ বাঁধন
মাথায় পরেছি আদিম স্পর্শ মুকুট,
অমর উচ্চারণ করো জীবন এবার।
সে হাতের পাতা জুড়ে জীবন্ত বারুদ,
এসো সম্ভাবনা, অমর উচ্চারণ করি
একত্রে আবার।
ওই দুটি চোখের পাতা, আগুন দিয়েছে এঁকে গর্ভজুড়ে
অমর উচ্চারণ করো জীবন এবার
এক জীবন থেকে দ্বিতীয় যাপনে,
ক্ষণিকের পলক ছোঁয়া অমরত্ব দিয়েছিল এনে,
সেই দুটি চোখেই আমি সংসার পেতেছি বারবার,
অমর উচ্চারণ করো জীবন আবার…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত