| 13 জুলাই 2024
Categories
গদ্য সাহিত্য

বড় শূন্য শূন্য লাগে

আনুমানিক পঠনকাল: 6 মিনিট
করোনা ভাইরাস আতঙ্কে অনেকদিন ঘরবন্দী হয়েই থেকেছি। একটানা দীর্ঘ বিরতির পর জীবন ও জীবিকার অন্বেষনে পুনরায় কাজে ফিরে গেলেও সবকিছু কেমন অস্বস্তিকর ঠেকছে। লম্বা সময় ধরে মাস্ক পরে কাজ করতে খুব হাসফাঁস লাগে। কাজের মাঝখানে একটু সময় পেলেই ঢুঁ মারি দরজার পাশে। খোলা আকাশ- মুক্ত বাতাস- প্রকৃতি আমাকে চুম্বকের মতো কাছে টানে। গ্রীষ্মের কাঠফাটা দিন। আবহাওয়া বার্তায় ৯২ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা দেখালেও, বোধহয় ৯৫ ডিগ্রীর উপরে তাপমাত্রা বিরাজ করছে। গাছের পাতাগুলিও নড়ছে না। দরজার পাশে অবসন্ন মনে উদাস দাঁড়িয়ে আকাশ দেখছি। আমাকে পাশ কাটিয়ে একজন শ্বেতাঙ্গ নারী তার শিশু পুত্রটিকে নিয়ে ভেতরে যায়। ভদ্রমহিলা ঘুরেঘুরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র শপিং কার্টে নিচ্ছে। ছোট শিশুটি ঘাসফড়িং এর মতো লাফিয়ে লাফিয়ে এটা ওটা ধরছে, দেখছে। আমি দাঁড়িয়ে ওকে দেখছি। শিশু এবং বৃদ্ধ খুব সহজে আমার মনোযোগ কেড়ে নেয়। তো অনেক কিছুর ভীড় হতে একটি ওয়াটার গান হাতে বাচ্চাটি থিতু হয়। ওয়াটার গান হাতে নিয়ে উল্টেপাল্টে গভীর ভাবে দেখছে সে। বাচ্চাটিকে দেখতে তখন আমার মনে হচ্ছিলো সে গভীর প্রার্থনায় রত। বাচ্চাটি এবার আমার সামনে এসে ওয়াটার গানটিকে বুকের সাথে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে দাম জানতে চায়। দাম বলে জানতে চাইলাম, তোমার নাম কি? বললো, ব্রায়ান। জিজ্ঞেস করলাম তুমি বুঝি মায়ের সঙ্গে এখন পার্কে যাবে খেলতে? গম্ভীরমুখে উত্তর দিল- না।  বললাম তাহলে ওয়াটার গান দিয়ে কি করবে? বাসায় গিয়ে তো পানি দিয়ে খেলতেও পারবে না ভালোভাবে। সব ভিজে যাবে যে। উত্তর দিল- তোমার কাছে বাতাস আছে? বাতাসের দাম কতো? আমি বাতাস কিনবো। ওয়াটার গানের ভেতরে বাতাস ঢুকিয়ে বাসায় নিয়ে যাব৷ অনেকদিন পর মায়ের সঙ্গে বেরিয়েছি। আবার কবে বের হতে পারবো জানিনা। মা ঘর থেকে একদম বের হতে দেয় না। ঘরে আমার যখন আর ভালো লাগবে না তখন বাতাস দিয়ে খেলবো। বাচ্চাটির এমন কথাগুলো শুনে আমি একেবারে চুপসে যাই। একদম অপ্রস্তুত হয়ে পড়ি। খুব ঘাবড়ে গেলে আমি তোতলাতে থাকি। কি বলবো উত্তর খুঁজতে থাকি। কোন উত্তর খুঁজে পাই না। তোতলাতে থাকি।আমরা দু’জন চুপ। ও আমার মুখের দিকে করুণ দৃষ্টিতে অনড় চেয়ে থাকে। কিছু সময় পর ওয়াটার গানটি জায়গামতো ঠিকঠাক রেখে দেয়। বাচ্চাটির কথা শুনে আমার আলোকিত চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। সব বড় শূন্য শূন্য লাগে।
 বাচ্চাটি মায়ের হাত ধরে পুনরায় আমাকে পাশ কাটিয়ে নীরবে বেরিয়ে যায়। আমি ওর চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে থেকে মনে হলো, একটি প্রাণবন্ত সবুজ ঘাসফড়িং ঝোপঝাড়ের গভীর অন্ধকারে হারিয়ে গেলো। আমি ঘাসফড়িংটির ইচ্ছে পূরণে ব্যর্থ হয়েছি। একটা বাচ্চা শিশুর এমন অন্যরকম চাওয়া আমাকে বাকরুদ্ধ করে দেয়। ব্রায়ান ধীরে ধীরে আমার দৃষ্টি সীমানার বাইরে চলে গেলে আমি পুনরায় আকাশের দিকে চেয়ে থাকি। উত্তর খুঁজি। আকাশও নিশ্চুপ চেয়ে থাকে আমার দিকে। তার কাছেও কোন উওর নেই। সবুজ গাছেদের বিদীর্ণ করে আকাশে বুক থেকে রোদের শরীর বেয়ে হাহাকার নেমে আসে। আমার ঘরবন্দী  সন্তানদের কথা ভেবে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। 
 
নিউইয়র্কের প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মকাল চলছে। উত্তর গোলার্ধের শীতপ্রধান দেশ আমেরিকার মানুষগুলো এ সময়টার জন্য গোটা বছরজুড়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এ সময় বন্ধ থাকায় বাবা-মায়েরা সন্তানদের  দূর-দূরান্তে বেড়াতে নিয়ে যায়। প্রকৃতির আলো বাতাসে ওরা প্রজাপতির মতো উড়ে উড়ে বেড়ায়। এ বছর করোনার তান্ডবে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই মানুষ গৃহে অন্তরীণ হয়ে আছে, সঙ্গে বাচ্চারাও। এই গ্রীষ্মে বাচ্চারা প্রকৃতির কোলে যেতে পারে নি। 
 
কয়েক সপ্তাহ আগের কথা। বাসার পথ ধরে হাঁটছি। আমার বাসার সামনেই বড় একটি এপার্টমেন্ট বিল্ডিং রয়েছে। বিশাল বিল্ডিংটির কাউকে কাউকে চিনি, বেশীরভাগ চিনি না। বাসার সামনে এসে অবসন্ন মন, ক্লান্ত দেহ বৈকালিক শীতল বাতাসের আদরে এলিয়ে দিয়ে বসে আছি। 
কি সুন্দর প্রকৃতি! পাখী ডাকছে! গাছের শাখা-প্রশাখায় সবুজ পাতারা দোল খাচ্ছে! জানা অজানা ফুলেদের ঘ্রাণ এসে নাকে লাগছে! মনোমুগ্ধকর মায়ের মত মমতাময়ী চারপাশ দেখছি। হঠাৎ চোখ আটকে যায় সামনের বিল্ডিং এর একটি এপার্টমেন্টে। একটা বাচ্চা মেয়ে চুলে দু’বেণী দুলিয়ে কাঁচের জানালায় মাথা ঠেকিয়ে বাইরের দিকে অপলক তাকিয়ে আছে। কি করুণ সে দৃশ্য। আমি ভালোভাবে ভাষায় প্রকাশ করতে পারছিনা, মেয়েটির বাইরের দিকে চেয়ে থাকার সে অসহায় চিত্র। কিছু কিছু দৃশ্য শুধু অনুভব করা যায়, প্রকাশ করা যায় না। ওর জানালার বাইরে আমি ভেতরে বন্দী মেয়েটি। ততক্ষণে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। সন্ধ্যার আবছা আলোয় বুঝতে পারি নি, ও আমাকে দেখছে নাকি প্রকৃতি। কিন্তু আমি শুধু নিষ্পলক মেয়েটির দিকেই তাকিয়ে ছিলাম। জানালার কাঁচে অসহায়ের মতো মাথা রেখে, বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকার সে চিত্র আমার বুকের জমিনে এসে আঘাত করে। মেয়েটির করুণ চাহনি আমার চোখের আলো ঝাপ্সা করে দেয়। মনের ঘরে অন্ধকার নেমে আসে। আমার সময় থমকে যায় মেয়েটির জানালায়। 
সেদিন বিকেলের পরেও আমার অনেকগুলো উজ্জ্বল দিন ফ্যাকাসে হয়ে থাকে মেয়েটির ভাবনায়। ওর বয়সে গোধূলির এমন আলোমাখা সন্ধ্যায় আমি পাহাড়ি ঝর্ণার মতো ছুটে যেতাম দিগন্ত বিস্তীর্ণ মাঠে। জোনাকীদের আলোর মিছিলে হারিয়ে যেতাম রাজকন্যার মতো। খোলা আকাশের নিচে ঘুড়ি উড়াতাম প্রজাপতির মতো উড়ে উড়ে। মেয়েটিকে আমি চিনি না, কিন্তু ওকে আমার করোনাক্রান্ত গৃহবন্দি রাজকন্যা মনে হতে থাকে। মেয়েটির বন্দী জীবনের কথা ভেবে আমি হাসতে পারি না। কোন মুগ্ধতা আমাকে স্পর্শ করে না। আমি কষ্টে ডুবে থাকি। মেয়েটির জন্য দুর্ভাবনা হয়। কিন্তু আত্মরক্ষার্থে অন্য কোন উপায়ও তো নেই। আমরা সবাই আজ বড় অসহায়। কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে, আমার শুধু শূন্য শূন্য লাগে। 
 
সেদিন ছিল রবিবার, আমার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। দিনটি বেশ আয়েশ করে উদযাপন করি। নিশ্চিন্তে কাটাই গোটা দিন। বেশ দেরি করে বিছানা ছাড়ি। নাশতা সেরে খাওয়ার টেবিলে উদ্দেশ্যহীন ভাবে বসে থাকি। অনলাইনে সংবাদপত্র পড়ি, ইউটিউব দেখি, ফেসবুকে ঘোরাঘুরি করি। যদিও কোথাও তেমনভাবে মনোযোগ নেই বললেই চলে। আসলে এই করোনা কালীন সময়ে বোধ করি জাতীয় রোগ হয়ে গেছে – কোনকিছু ভাল্লাগে না। ঘরের প্রচুর কাজকর্ম জমেছে। সেগুলোও করতে ইচ্ছে করছে না। রাজ্যের অলসতা ভর করেছে শরীর, মনে। একটা বই হাতে নিই, না পড়ে শুধু পাতা উল্টাই। পড়তেও ইচ্ছে করছে না। গতিহীন লাগে সবকিছু। মস্তিষ্কও যেন ব্লক হয়ে আসছে দিনদিন। 
আমার ছেলেমেয়ের কথা কানে আসে । ওরা আমার চারপাশে জলের মতো ঘুরেঘুরে নানান বিষয়ে কথা বলছে। ওরা দু’জন পিঠাপিঠি ভাইবোন। একই স্কুলে পড়ে। একজন আরেকজনের সঙ্গে গাব গাছের আঠার মতো লেগে থাকে সর্বদা, গল্প করে। বিষয়টি আমি খুব উপভোগ করি। ওদের গল্পে ডুবে আমি ফিরে যাই ফেলে আসা শৈশবে। ওদের স্কুল, সহপাঠীদের কথা শুনে মনে পড়ে আমার স্কুল, সহপাঠীদের কথা। 
স্কুলের কোন ঘরটিতে বসতাম, কটি বেঞ্চ ছিল, কোন স্যার কেমন করে পড়াতেন, কোন সহপাঠী কেমন ছিলো। সব মনে পড়ে যায়। কোনকিছু ভুলি নি। হয়ত আমার মতো আমার সহপাঠীরাও মনে রেখেছে জীবনের সেসব অমূল্য  মধুমাখা দিনগুলো। স্মৃতি মানুষের জীবনের এক মূল্যবান সঞ্চয়।    ওরাও হয়ত আমার মতো ক্লান্ত দিনের অলস ক্ষণে স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে সুখ সাগরে ভেসে যায়। যদিও আমি মনে করি স্মৃতি ভুলে যাওয়ার মধ্যে অনেক সুবিধা রয়েছে। যত ভুলে যাওয়া যায় তত ভালো থাকা যায়। স্মৃতির বুদবুদ অনেক সময় চোখ ঝাপ্সা করে দেয়। মনের শরীরে জ্বর জ্বর ভাব আনে। যন্ত্রণা দেয়। স্মৃতি কাঁদায়। ভাসিয়ে নিয়ে যায়। কোথা হতে যে কোথায় নিয়ে যায়, কেউ জানে না।
সেই ভালো ভুলে যাওয়া। 
 
তো যা বলছিলাম, আমার বাচ্চাদের গল্প করার কথা। স্মৃতির অরণ্যে বিলি কেটে কেটে অনেক দূরদূরান্ত থেকে ফিরে এসেও দেখছি, ওদের গল্প তখনো চলছিলো। 
 
‘ আমার বন্ধু এখন আর আমার টেক্সটের উত্তর দেয় না সময়মতো। অনেক পরে উত্তর দেয় ‘ – আমার বড় ছেলের এমন বেদনাদায়ক করুণ কন্ঠ নিমিষেই আমার সবটুকু মনযোগ কেড়ে নেয়। আমি এবার ওদের কথায় পূর্ণ মনোনিবেশ করি। ছোট ভাইএর কথা শুনে বড় বোন স্বান্তনা দেয় এইভাবে  ‘নেটে আর কত থাকা যায়? সোশাল মিডিয়া আমারো আর ভালো লাগে না। তোমার বন্ধুটিও হয়ত আমার মতো বোরড। সে হয়ত অনেক সময় পর তোমার টেক্সট দেখে বলে দেরিতে উত্তর দেয়। আমার বন্ধুরাও বলেছে ওদের আর প্রযুক্তি ভালো লাগছে না। নতুন কিছু নেই। করোনা কালে প্রথম দিকে আমরা বন্ধুরা মিলে একসঙ্গে গ্রুপে মুভি দেখতাম, পরস্পর গল্প করতাম, এসব এখন আর আমাদের টানছে না। আমরা এখন কেউ ছবি আঁকি, কেউ পিয়ানো বা গিটার বাজাই, কেউ বই পড়ি, কেউ লিখি। সবাই যে যার মতো প্রযুক্তির বাইতে থাকার চেষ্টা করি। কারণ একটাই – প্রযুক্তি আর ভালো লাগছে না। সুতরাং মন খারাপ করো না। আমি নিশ্চিত তোমার বন্ধুও তোমাকে আগের মতো ফিল করে, কিন্তু সেও হয়ত আমার বন্ধুদের মতো প্রযুক্তিতে বোরড হয়ে অন্য কিছুতে মনযোগ দিয়েছে । তাই দেরিতে উত্তর দিচ্ছে। একে ইতিবাচক ভাবে দেখো। ‘ 
 
আমার দু’সন্তানের কথোপকথন বুকের ভেতরে বড় বেদনার মতো বাজে। ওদের কথা শুনতে শুনতে ব্রায়ান এবং সন্ধ্যা বেলায় খাঁচার মতো বাসাবন্দী জানালার কাঁচে বন্দী পাখীর মতো মাথা ঠোকরানো মেয়েটির কথা মনে পড়ে যায়। খাঁচা মানেই তো কারাগার। তা সে বাসা হোক আর খাঁচা হোক। খাঁচা তো খাঁচা-ই। ওদের কথা ভেবে ভেবে চোখের বিল উপচে পড়ে। নিজের কান্না নিজেই গিলে ফেলি। ভীষণ অসহায় লাগে। ব্রায়ান এবং সন্ধ্যা বেলায় অচেনা মেয়েটিকে যেমন কিছু বলতে পারি নি, তেমনি আমার সন্তানদেরও কিছু বলতে পারি নি। ওদের দিকে বোবা চোখে চেয়ে থাকি। বুকের ভেতরটায় চিনচিন ব্যথা অনুভূত হয়। নিজের মধ্যে নিজে শামুকের মতো গুটিয়ে যেতে থাকি। আপনমনে ভাবছি, এই কেমন শাস্তি? কত চোখের জলে এর প্রায়শ্চিত্ত হবে? কবে কখন আমাদের সন্তানরা এই বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবে। কে ওদের বন্ধ ঘরের তালা খুলে দিবে? চতুর্দিকে শুধুই শূন্যতা।  অন্ধকার আরো গাঢ় হয়ে আসে। আমি  শূন্যতায় ডুবে  যাই। 
 
ঝিরিঝিরি বৃষ্টি নেমেছে। মেঘ ঘিরে আছে ঘরে বাইরে। মেয়ে ওর রুমে ফিরে গিয়ে পিয়ানো বাজাচ্ছে। ছেলে বসেছে গতানুগতিক কম্পিউটার স্ক্রিনে। মেয়ের ঘর হতে পিয়ানোর মধুর সুর ভেসে আসছে, কিন্তু আমি সে সুরের উজানে ভাসতে পারছিনা আগেকার মতো করে। শুধু আমি নয় পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষের দৌড় এখন জানালা পর্যন্ত। জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াই। গাছের সবুজ পাতাগুলো বৃষ্টিজলে আরো সবুজ হয়ে উঠেছে। আমার নিজেকে গাছ মনে হতে থাকে। সূর্য তাপ, বৃষ্টিজল, ঝড়-ঝঞ্ঝা সব অবস্থা গাছ চুপচাপ সহ্য করে যায়। ভেতরে অস্থিরতা বাইরে মুগ্ধতা – সবকিছুতেই আমি ওই গাছের মতো অবিচল দাঁড়িয়ে থাকি। 
 
মুমূর্ষু সময়ের উঠানামা দেখছি আর পৃথিবীর সমস্ত সন্তানের, মানুষের মুক্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছি। আমি যাদের ভালোবাসি তারা ভালো না থাকলে, কেমন করে ভালো থাকি? একা মরে যাওয়া যায় কিন্তু একা বেঁচে থাকা যায় না। সৃষ্টিলগ্ন থেকে মানুষ সঙ্গবদ্ধ হয়ে থাকতে পছন্দ করে। মানুষ একা ভালো থাকে না। একা একা ভালো থাকা যায় না। রাজ্যের চিন্তা মনে মুক্ত প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখি, সকল উদবেগ, উৎকন্ঠা কাটিয়ে আমরা এবং আমাদের সন্তানেরা অচিরেই ফিরে পাবো আমাদের অতি প্রিয় কাঙ্খিত স্বাভাবিক পৃথিবী। আমরা সকলে সে আলোকিত ভোরের অপেক্ষায় আছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত