‘সূর্যাস্তের শহর’ অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়

অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর ডাকনাম অলীক, এখন বাংলা কবিতার কাগজের সম্পাদক, সংহত কবিতায় যাঁর অনায়াস যাতায়াত, কয়েকটি সংকেতে যিনি তৈরি করেন এক চলমান দৃশ্য। তাঁর সাম্প্রতিকতম কাব্যগ্রন্থ ‘সূর্যাস্তের শহর’ থেকে কিছু অনুবাদ।


Days of nickname

And Aleek has been announced while thinking all these…..

1.

You taught me the flute

No noon in my eyes then

Nothing about war

2.

Stars fell off from the horse’s tail

We crossed the barbed wire

to reach mothers’ country

3.

My sister’s doll was silent

Ocean was painted on the slate’s corner

Mom used to sew the sun

and mix with rice

the story of another dawn

4.

With lapsed letters

the man was talking about the temple only

We crossed the village to reach there 

to bring food

5.

Mom and dad have been sitting ever since  

Rain on its way to the aquarium

Fish couldn’t notice the girl

Only kite and spool left out at home

6.

Yarn doesn’t have any title

We remember only in winter

The survival of the wool

Mom taught us not to cross any shadow

We crossed air to come back

to the mirror.

7.

How long the oven without fire

I didn’t know

How long the way was wrong

I couldn’t remember

How long the courtyard was unlit

I couldn’t answer

Leaving home

I sang only

A butterfly  

in the corner of his eyes

8.

No more death written on the nails

Waistband only in mathematical calculation

Unhappiness could be still heard even without cold

We lost our village on that day

from Geetabitan

9.

The dark next to father’s name

Left-out wine still on the paper

We asked our mom

We unfastened sweaters of the pen

from saree’s hem of mom

10.

Fertile writing  was no more

Rectifying spectacle with all furniture

The man heading to his own room

Lighting the candles

Burning his favourite canvas

ডাকনামের দিনগুলি

আর এইসব ভাবতে ভাবতেই ঘোষিত অলীক

এক।।

তুমি শিখিয়েছিলে বাঁশি

আমার চোখে তখন দুপুর ছিল না

যুদ্ধের কোন কথা ছিল না

দুই।।

ঘোড়ার লেজ থেকে খসে পড়ল তারা

আমরা কাঁটাতার পেরিয়ে চলে গেছিলাম

মা’দের দেশে

তিন।।

বোনের পুতুল ছিল চুপচাপ

স্লেটের কিনারে আঁকা থাকতো সমুদ্র

মা সেলাই করে দিতেন সূর্য

ভাতের সাথে মেখে দিতেন

আরেকটা ভোরের কথা

চার।।

অক্ষরের লোপাট নিয়ে

লোকটা শুধু মন্দিরের কথা বলছিল

আমরা গ্রাম পেরিয়ে সেখানেই গেছিলাম

খাবার আনতে

পাঁচ।।

বাবা মা সেই কবে থেকে বসেই আছেন

বৃষ্টি হেঁটে যাচ্ছে অ্যাকোরিয়ামের কাছে

মাছেরা মেয়েটিকে দেখতে পায়নি

বাড়িতে শুধু লাটাই আর ঘুড়ি পড়ে আছে

ছয়।।

সুতোর কোনো শিরোনাম হয় না

শীত এলে আমাদের মনে পড়ে

পশমের টিকে থাকার কথা

মা শিখিয়েছিলেন ছায়া না মাড়াতে

বাতাস ভেঙে ভেঙে আমরা ফিরে এলাম

আয়নার কাছে

সাত।।

কতদিন উনুন জ্বলেনি

জানতাম না

কতদিন রাস্তা ভুল হয়েছিল

মনে নেই

কতদিন উঠোনে আলো আসে না

বলতে পারিনি

বাড়ি থেকে বেরিয়ে শুধু

গান গেয়েছিলাম

লোকটার চোখের কোণে বসেছিল

একটা প্রজাপতি

আট।।

নখের কোথাও আর মৃত্যু লেখা নেই

শুধু অংকের হিসেবে আছে কোমরের কুচি

শীত সরালেও শোনা যাচ্ছে অসুখ

গীতবিতান থেকে হারিয়ে গেছে সেদিন

আমাদের গ্রাম

নয়।।

বাবার নামের পাশে অন্ধকার

কাগজের মাথায় এখনো পড়ে আছে

কিছুটা মদ

মাকে আমরা জিজ্ঞেস করলাম

মায়ের আঁচল থেকে নামিয়ে রাখলাম

কলমের সোয়েটারগুলি

দশ।।

আর গাভিন লেখা হল না

যাবতীয় আসবাব দিয়ে চশমা সারানো

নিজের ঘরের দিকে চলে যাচ্ছে লোকটি

মোমবাতি জ্বালিয়ে

প্রিয় ক্যানভাস পুড়িয়ে

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত