আত্মহত্যা

চায়না সারাজীবন শুধু অবহেলায় পেয়ে এলো। বিয়ের পর স্বামীর অবহেলা পেয়ে পেয়ে শেষে একদিন স্বামীকে হুমকি দিলো তাকে যখন কেউ চায়না তবে সে বেঁচে থেকে কি করবে ! কিন্তু চায়নার স্বামী ভালোমতোই জানে এ মাল হলো জিওল মাছ হাজার অবহেলা করলেও মরবে না হয়তো পালিয়ে যাবার চেষ্টা করতে পারে তাই গয়না শাড়ি দিয়ে বেঁধে রাখতে চায়।
শেষে চায়না উপায় না দেখে বেচারি পরকীয়া শুরু করলো। বেশ কয়েকটা দিন চায়নার মন কাশ্মীরের উপত্যকা হয়ে রইলো বুকের মধ্যে মাঝেই মাঝেই বাজি ফেটে উঠছে পরকীয়ার সোহাগে , সঙ্গে  ভয় ওই বুঝি স্বামী জেনে ফেললো। কিন্তু কিছুদিন যেতেই চায়নার ভাগ্য আবার প্রেসার কুকার। অবহেলায় রান্নাঘরে সিটি বাজিয়ে চলছে আর প্রেমিক বেটা হাওয়া ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।শেষে চায়না ভাবলো নাহ এইবার সত্যি আত্মহত্যা করতে হবে। যেই ভাবনা অমনি কাজ।
ঘরে ঢুকে দরজা দিয়ে জিন্স আর টাইট গেঞ্জি পরে পায়ে দড়ি দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে পড়লো। স্বামী বাড়ি ফিরে দেখে চায়না ঝুলে আছে , হৈ  চৈ পড়ে গেলো , পাড়ার লোক দরজা দিয়ে উঁকি মেরেই গুঞ্জন শুরু করলো শেষে প্রেমিকের কাছে খবর গেলো , বেটা ভয়ে ফোনের সব মেমোরি ডিলিট মেরে দূরে বেড়াতে চলে গেলো। বাড়িতে পুলিশ এলো , দরজা খুলে ঘরে ঢুকে স্বামীকে জেরা করতে থাকলো। সব নোট করে নেবার পর লাশ নামাতে গিয়ে দেখে মাথা তো নিচে! চায়না হেসে বললো আজ্ঞে আমাকে কেউ চায়না!

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত