যুগল কবিতা

উল্টে মেলো
 
উল্টে মেলো। খুব কড়া রোদ।
তাছাড়া না-কাটা সুতো,নকশার পেছন
এদেরও মাঝে মাঝে রোদ খাওয়াতে হয়।
বগলতলায় আটকানো একটি নিঃসঙ্গ রোম,
সে এখন ছাদের আলসেয় মাথা রাখা
আমের মুকুলের সঙ্গে কথা বলবে।
 
উল্টে মেলো। রঙ একবার জ্বলে গেলে
এক,দুই, হাজার জন্ম চলে যায়
প্রথমে জলচর, তারপর উভচর, খুব ধীরে স্তনে দুধ আসে;
তারপর পিঠ টান করে দাঁড়াতে বহুকল্প রোদ হেলে যাবে ।
 
বেলা থাকতে থাকতে উল্টে নাও,
দুই বাহু, কাঁধ, পিঠ, পেট,সুশোভন নকশা,
টানটান করে মেলে দাও একান থেকে ওকান,
তারপর দোলো, হাওয়া আঁকড়িয়ে দোলো।
 
 
Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com
নক্ষত্রের জন্ম
 
ওই বড় বাড়িটায় তোমাকে কোনদিন ঢুকতে দেওয়া হয়নি,
তুমি সসম্ভ্রমে ভেবেছিলে ওখানে দেবতারা থাকেন,
আজ সেই বড় বাড়ির দরজা খুলে গেছে,
বেরিয়ে আসছে একের পর এক পচা গলা লাশ…
 
ওই পাহাড় চুড়োয় যাতে তুমি পৌঁছতে না পারো,
তাই অনেক অনেক কাঁচভাঙা ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল,
আজ তুমি দেখলে ওখানে কোন পাহাড়ই ছিল না,
একটা উইঢিপিকেই ওরা পাহাড় বলতে ভালোবাসত।
 
তোমাকে কোনদিন ওরা বড় টেবিলে খেতে ডাকেনি,
কারণ ওরা জানত তোমার আকণ্ঠ খিদে,
তুমি একদিন ব্রহ্মাণ্ড খেয়ে নেবে!
 
 
তোমাকে আসলে ওরা ভয় পেয়েছে চিরকাল,
তোমাকে আর তোমার শুখনো রুটিটাকে-
 
এই রুটিটা অর্জন করতে তোমাকে মাংস বেচতে হয়নি,
তোমার ঘাড় টনটন করেছে, কিন্তু ঝোঁকেনি
কোন লাশের সামনে ।
নক্ষত্রের মৃত্যু না, জন্ম হল আজ।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত