বিভূতিভূষণ

ভাঙা পথঘাট, পাথরের সার বেরিয়ে পেরিয়ে যে সব পর্যটক এসেছিল তারা ফিরে যায়

শুধু শেষ পর্যটক থেকে যায় আরও কিছুদিন। তিব্বতি দম্পতি

সন্ধেবেলায় ঝাঁপি খুলে বসে; এই বিশাল বিশাল পাহাড়ের নীচে

এক সাগরের মৃতদেহ আছে। শুয়ে আছে এক বিশাল রাক্ষস

মাঝে মাঝে রাত্রিবেলায় তার মৃদু আর্তনাদ শোনা যায়

কারা যেন ছিঁড়ে দিয়ে যায় সাজানো লুং-টা

সে-ভয়ের প্রহরে বুদ্ধ’ই শেষ আশ্রয়

আমি সেই শেষ পর্যটক। শরতের শেষে নেমে যাচ্ছি পাহাড়ের থেকে

বুগিয়াল মেখে দু’টি ছেলে-মেয়ে নেমে যাচ্ছে মিশনারী স্কুলে

এ-সকাল বিভূতিভূষণ

ছেলেটি অপু। আজ দুর্গা তার বোন

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত