একজন বিনয় মজুমদার তাঁর কবিতালোক

।। আকাশ বিশ্বাস ।।

কবিতা তো সর্বভুক। তুলে দেওয়ার মতো করে তুলে দিতে পারলেই সে যে কখন পাঠকের হৃদয় ইচ্ছেমতো দোলাতে শুরু করে তার আপন হাতে! অজান্তেই খেয়ে ফেলে কখন! গ্রাস করে। অধিকার করে—মৌতাতে মজায়! অত:পর অনিদ্র রজনীর নিঃস্তব্ধ কোনো পাঠক যখন তার অভিজ্ঞতার আয়নায় মুখ নিয়ে দেখে :

সতত বিশ্বাস হয়, প্রায় সব আয়োজনই হ’য়ে গেছে , তবু
কেবল নির্ভুলভাবে সম্পর্কস্থাপন করা যায় না এখনো । ১
তখন বোধহয় সহবাস-অভ্যাসে অকস্মাৎ তারও মনে হয় :
কাগজকলম নিয়ে চুপচাপ বসে থাকা প্রয়োজন আজ ২ ।

সম্ভবত এইটুকু বিনয়ী অসহায়তাই যথেষ্ট ছিল বিনয় মজুমদার নামক জনৈক ইঞ্জিনিয়ারের যুগপৎ কবি ও কাঙাল হয়ে ওঠার অব্যর্থ আয়োজনেও।

তবু শুধু বিনয় মজুমদারের কবি-প্রবণতা একক বিচ্ছিন্ন আয়োজনে ও অবলোকনে আমাদের আলোচ্য নয়। যে জরাসন্ধ-স্বাধীনতা ধারাবাহিক ধাত্রী আমাদের, আর পাঁচটা নাগরিকের মতোই; খাবার নয় শুধু স্বাধীনতার খবরটুকুই বরাতে মেলায়, যাদের আক্ষরিক অর্থেই মনে হয়েছিল ‘কেউ কথা রাখেনি’, সেই কৃত্তি অথবা কীর্তিবাসীদের আত্মপ্রকাশের অল্পব্যবধানেই বিনয় যখন একটি – দু’টি কৃশকাব্য সম্বল করেই ঢুকে পড়ছেন বাংলা কবিতার গর্ভগৃহে, ‘কবিতার শহিদ’ জাতীয় এক ধরনের মরমী ইমেজ আর একান্ত অবিনশ্বর প্রতিভার প্রাচুর্যে তাঁকে চিনে নিতে বাধ্য করছেন সন্ধানী কবিতা-পাঠককে, পঞ্চাশের সাময়িক প্রবণতাকে অনেকখানি অস্বীকার করেই আবিষ্কার করছেন সৃজনের পৃথক মহাদেশে, বিনয়ের ব্যতিক্রমী বিশালত্ব বুঝতে এই সমকালীনতাকেও বুঝতে হয়।

যে সময় কলকাতার ট্রাম কোম্পানির মতোই ‘আধুনিক’ কবিদল তাঁদের ঝর্ণা কলমের নিবের গায়ে লেগে থাকা জীবনানন্দের রক্তের দাগ মুছতে তৎপর, চতুর্দিকে ছন্দগড়া ও ভাঙার বিপুল ব্যস্ততা, সমকালীন সময়ে সাড়া দেবার সংবেদ, সম্ভবত সেই অবিরল ভাঙনের ভগ্নাংশকে বিনয়ও একদা ধারণ করতে চেয়েছিলেন তাঁর যাপনে, জীবনে, কবিতায়।  যে সময় ‘…কমিউনিস্ট পার্টি যেন স্বপ্নের সওদাগর স্বপ্ন ফেরিকরছে দরজায় দরজায় আর মেতে  উঠেছে  একদলমজুরকৃষক– ছাত্র– লেখক– শিল্পী   । শিবপুর বি .ই .কলেজে পাঠরত বিনয়ও সেই স্রোতে রীতিমত বামপন্থী ছাত্রনেতা। ছাত্র-সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। প্রথমকাব্য ‘নক্ষত্রের আলোয়’, প্রথম কবিতায় তাঁর গলায় ‘উন্মোচনের গান ’ :

তুমি তো কথা বলো , জীবন প্রত্যহ
সকাল বিকেলের যে চেনা গদ্যে
লিখিত একরূপে , তুমি তো অহরহ
হাঁটছো রূঢ় সেই ভিড়ের মধ্যে। ৪

অথচ তারপর, প্রতি পৃষ্ঠা উন্মোচনে যেভাবে আমরা ঢুকতে শুরু কবি তাঁর কবিতার বিবরে, সেখানে অত:পর চেনা গদ্যের কোনো একরূপ, ভিড়ের মধ্যেকার অপরিচিত কোনো ঘামের গন্ধ আর খুঁজে  পাওনা যায় না কোথাও, কোনোদিন। বদলে যা পাই তা কেবল সেই কবিতাগুলি ,যেগুলি তাদের জন্মের অল্পকালের মধ্যেই গ্রন্থাকারে মুদ্রিত হবে আর তাদের মুদ্রণের কালো অক্ষরগুলি  ছাপা হবে যে ত্রিমাত্রিক  ব্লকে তার কালি প্রস্তুত হবে এক অসহায় প্রেমিকের অসহ্য যন্ত্রণার আর অমিমাংসিত অভিব্যক্তির একান্ত নিজস্ব অঙ্গারে ।

এবং ছন্দের বহুগামিতাতেও অতঃপর উদাসীন বিনয় স্থিতু হবেন, বাংলা কবিতার অনুবাদী অনুকরণের মধ্যযুগ থেকে জীবনান্দের অব্যর্থ অবলম্বনের সেই ‘পয়ারে’; যার ধারণ ক্ষমতা  সর্বাধিক। যে ছান্দিক অক্ষরের বৃত্তে সুষম এঁটে যায় মনপসন্দ্‌ উপমা , অলঙ্কার , রূপক, চিত্রকল্পগুলি। ধরে যায় গাণিতিক ‘অ্যাক্সিওমেটিক্‌ ট্রুথ’টিও।

এদিকে ততদিনে অগ্নি উদ্বমন করে যে গহ্বর তারাই ধীরে-ধীরে তাঁর চারিপাশে তুলে ফেলেছে ‘বর্তমান পর্বতের প্রাচীর’। সামাজিক জীবনকে প্রত্যাক্ষান করে চাকরি ছাড়ছেন শুধু কবিতা লিখবেন বলে। কবিতা লিখবেন বলে পকেটে নিয়ে ঘুরছেন নোটবই। চোখে পড়ছে যে প্রাত্যহিক দৃশ্যাবলি, যেগুলি বাজাচ্ছে তাঁকে, টুকে রাখছেন। প্রমাণ করে ছাড়ছেন কবিতা, কবিতা হয় তার নিজস্ব গুণে। সে রসায়নে কোনো সংজ্ঞাই ধ্রুবসত্য নয়। কবির মনোভূমিই শেষ সত্য কেবল।

যেখানে অগ্রজ কবিসুলভ (জীবনানন্দ-গন্ধী) শব্দ, শব্দ-বন্ধ থাকলে অসুবিধের নয়, জীবনানন্দের গুরুচণ্ডালিও গ্রাহ্য হতে পারে অনায়াসে। গৃহিত হতে পারে একেবারে অকবিতাসুলভ উপমাও।

জ্যোর্তিময় দত্ত যেমন তাঁর ‘বিনয় মজুমদার : কবিতার শহিদ’ শীর্ষক প্রবন্ধে উদ্ধৃত করেছিলেন ‘ফিরে এসো ,চাকা’ কাব্যের ১লা জুলাই ১৯৬১-তে লেখা কবিতাটি :

তোমাকে অস্তিত্বহীনা , অথবা হয়তো লুপ্ত , মৃত।
অথবা করেছো ত্যাগ, অবৈধ পুত্রের মতো , পথে।
জীবনের কথা ভাবি , ক্ষত সেরে গেলে পরে ত্বকে
পুনরায় কেশোদ্গম হবে না ; … … … ৫

প্রলেপ পড়া ক্ষতে রোমোদ্‌গম না হওয়ার নেহাতই জৈবিক উপলক্ষটিও যে কবিতার উপমা হতে পারে ,তারও ভিতর যে মুখ লুকিয়ে থাকতে পারে অদম্য আবেদনের কোনো রত্নদ্বীপ ; আশ্চর্যএতকালপৃথিবীতে কবিতা লেখা হচ্ছে কিন্তু এই কবির আগেকেউ লক্ষ করেননি যেআমরা যদিও ভাবি ক্ষত সেরেযায় কিন্তু সম্পূর্ণ সারে না; কই ক্ষতের স্থানে আর তো কোনদিন রোম জন্মায় না !

এই কবিতায় ‘হাসপাতালের থেকে ফেরার সময়কার মনে’ জাতীয় পঙ্‌ক্তিগুলি নিঃসন্দেহে শিথিল ও দুষ্পাঠ্য, এবং অপরাপর কবিতায় ব্যবহৃত ‘সমুদ্রেরা’বা ‘বিভিন্ন আকাশ’ বাংলা ব্যাকরণ বিরুদ্ধ । মাংস রান্নার মতো ঘটনার তুলনায় আপাত অর্থে ‘মাংসরন্ধনকালীন ঘ্রাণ’ বড়ো বেশি গম্ভীর, ‘শব্দগুলির ভিতরের অর্থের তুলনায় বাইরের বর্মের ঝনঝনানি বেশি কানে লাগে।’ তবু জ্যোর্তিময় দত্তের মতোই কে অস্বীকার করবেন যে, ‘এগুলি খাঁটি কবিতা , এবং ব্লেক যেমন তাঁর সকল অপটুতা সত্ত্বেও কবি, বিনয় মজুমদারও তাই। তাঁর কবিতার মেজাজে যাঁরা প্রবেশ করতে পারবেন তাঁরা লক্ষ্য করবেন এই সমস্ত অপটুতাই তাঁর কাব্যকে তার বিশেষ সুরটি দিয়েছে। তাঁর কবিতা মন্ত্রের মতো গম্ভীর ও সত্যউন্মোচনকারী ,আবার একই সঙ্গে , গোপনে-গোপনে আত্মবিদ্রূপময়।’ ব্যবহৃত যে তৎসম শব্দগুলি তাঁর কবিতাকেকাঙ্খিত গাম্ভীর্য দেয় , সেগুলিই বিচ্ছিন্নভাবে বহুলাংশে হাস্যকর।

পঞ্চাশের অপরাপর পাঁচ-ইয়ারি কবি-কুলের মধ্যে তাঁর ডিমেরিটস্‌ খোঁজা বেশ সহজ, অথচ এই ডিমেরিটস্‌গুলিই বিনয়ের কবিতার অন্যতম কারুকাজ। তাত্ত্বিক প্রকরণগত দুর্বলতাগুলিকেও কীভাবে সবল, সফল করে তুলতে হয়–তা আশ্চর্য জানে বিনয়ের কবিতা ! এবং জানে বলেই জ্যোর্তিময় দত্তকে বলতে হয় : গত একশো বছরে বাংলা কবিতাবড় বিদগ্ধ , আত্মসচেতন , জটিল হয়ে উঠেছিল । কবিরাও বড় বেশি শিক্ষিত , সুরুচিসম্পন্ন , সমাজের প্রতিষ্ঠাবান হয়ে যাচ্ছিলেন।এই চাতুর্যহীন ,সরল , অভিযোগহীন কবিটি , এই অনায়াস বিদ্রোহীটি শুধু কবিতার প্রতি নয় , কবিত্বের প্রতি আমার আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছেন।’

বিনয়ের কবিতায় যে ‘অ্যাক্সিওমেটিক ট্রুথ’ বা স্বতঃসিদ্ধ সত্যের কথা বলেছি আগে তা এক টুকরো হীরের ধুলোবালিতে অবলীলায় পড়ে থাকার মতো , পড়ে থাকে ‘আহার করার আগে স্নান করা করা তারই রীতি, প্রেম।’১০  -জাতীয় পঙ্‌ক্তিতে।

জ্যোর্তিময় দত্তের কথাই ধার করে বলা যায় ‘বিনয় মজুমদার  হতাশার , যন্ত্রণার ,বিচ্ছেদের কবি । দুঃখই তাঁর কবিতার একমাত্র উপকরণ …’১১ ।।এবং তিনি বিষণ্ন হলেও বিষাক্ত নন । ‘বাল্মীকির কবিতা ’ বা ‘ভুট্টাসিরিজ’ ব্যতিক্রম বলেই নন ।

শক্তি চট্টোপাধ্যায় ‘প্রসঙ্গ : গায়ত্রীকে ’ লিখতে গিয়ে বিনয়কে হাংরি জেনারেশনের পুরোধা বলে দাবি করলেও বিনয়ের ‘আত্মপরিচয়’ তা বলে না । রগরগে যৌনতা তাঁর কবিতার বিরল ব্যতিক্রম । পঞ্চাশের মাঝরাতে কলকাতা শাসন করা আর পাঁচ যুবকের মতো অ্যাংরি ইয়ংম্যান ইমেজ অন্তত তাঁর কবিতার পৃষ্ঠায় লম্বা ছায়া হয়ে পড়েনি কখনো । যে ব্যক্তিজীবনের ইলাস্‌ট্রেসন পঞ্চাশের কৃত্তিবাসী প্রকাশ্য প্রপাগন্ডা , বিনয়ের অন্তত  ‘অঘ্রানের অনুভূতিমালা ’ পর্যন্ত তার প্রতি বিন্দুমাত্র সচেতনতা নেই। নেই ‘আমাকে তুই আনলি কেন ফিরিয়ে নে’জাতীয় পঙ্‌ক্তির প্রবল শক্তিসুলভ প্রত্যাখ্যান। পরিবর্তে তিনি স্থিত নিতান্ত স্বভাবজ সুর্‌রিয়াল সম্বিতে । অথচ ততদিনে তিনি পুড়িয়ে এসেছেন –সুস্থির জীবনের সমূহ সম্ভাবনা।

‘ফিরে এসো,চাকা’র প্রভূত প্রতিভাবান কবিটি অতঃপর অল্প ব্যবধানেই পরিণত হয়েছিলেন ‘সার্টিফায়েড লুনাটিক’ রোগীতে । নাগরিক কলকাতা ছেড়ে পালিয়েছিলেন পৈর্তৃক ঠাকুরনগরের ভিটেয়। ঘরে ঘরে নিঃসঙ্গ প্রস্তুত করা লক্ষ্মী-উপাসনার সুযোগ হয়নি তাঁর আর সকলের মতো। অথবা ব্যক্তিগত জাতীয় সঙ্গীত গাইতে-গাইতে তিনি বাতাস সাঁতরে সেঁধিয়ে যেতে পারেননি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়, কোনো সরকারি অফিস অথবা পত্রিকা জগতের কোনো বিগ্‌ হাউসের নিভৃত অন্দরে । ততদিনে পৃথিবীর গভীর , গভীরতম অসুখগুলি চারিয়ে যাচ্ছে তাঁর মস্তিষ্কে। ১৯৩৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জন্মানো মানুষটিকে যে যন্ত্রণা নিয়েই অসহ্য বাঁচতে হল ১১ই ডিসেম্বর ২০০৬ সাল পর্যন্ত। আর মাঝখানের এই স্মৃতি-বিস্মৃতির সাদাকালো জীবনের দিব্যোন্মাদ অবস্থায় ; কখনো ঠাকুরনগরের পৈতৃক ভিটের ভাঙা খাট , কখনো-বা হাসপাতালের বেডে বসে কাঁপা-কাঁপা হাতে তুমুল প্রতিভা আর গাণিতিক বুৎপত্তির সম্বলে মাঝে-মাঝে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় বিনয় যা লিখলেন তা তাঁর প্রতিদিনের প্রাত্যহিকি । যতটা কবিতা ,ডায়েরি হয়তো তারও চেয়ে বেশি। তবু পাঠকের পক্ষে তাঁকে উপেক্ষা করা অসম্ভব, কেননা বেনারসির জরির মতো তাঁরও গায়ে জড়িয়ে থাকল অদম্য মেধার দ্যুতি । সূক্ষতম সংবেদ। আন্তরিক অনুভূতি।

হাতির দাতে খুঁত তবু হাতির দাঁত –বিনয়ের শেষতম কাব্যটিও থেকে-থেকে এই কথাই প্রমাণ করে বোধহয় !

তথ্যসূত্র :

১।বিনয় মজুমদার, চৈত্র১৪০৫ : ১৪ অক্টোবর ১৯৬০ , ফিরে এসো , চাকা , অরুণা প্রকাশনী ( প্রথমঅরুণাসংস্করণ : অগ্রহায়ণ১৩৮৩),কলকাতা, পৃঃ১২

২।ঐ

৩।অমলেন্দুসেনগুপ্ত, আগস্ট২০০৬: উত্তালচল্লিশ: চতুর্থপর্ব, অসমাপ্তবিপ্লব ,প্রতিভাস (প্রথম প্রতিভাস সংস্করণ ) ,কলকাতা , পৃঃ ২৭৫

৪।বিনয় মজুমদার, জানুয়ারি ২০০৬ : কাব্যসমগ্র ( প্রথম খণ্ড) , নক্ষত্রের আলোয়, ‘উন্মোচনের গান’, প্রতিভাস (তৃতীয় মুদ্রণ), কলকাতা,পৃঃ ২৭

৫।ঐ, চৈত্র ১৪০৫ : ১ জুলাই ১৯৬১ , ফিরে এসো,চাকা, অরুণা প্রকাশনী ( প্রথম অরুণা সংস্করণ : অগ্রহায়ণ ১৩৮৩),কলকাতা , পৃঃ ১৭-১৮

৬। জ্যোতির্ময় দত্ত : আগস্ট ২০০৩ : বিনয় মজুমদার : কবিতার শহিদ ,কৃত্তিবাস পঞ্চাশ বছর নির্বাচিত সংকলন(১): সম্পাঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ,বিংশ সংকলন,১৩৬৫ , আনন্দ পাবলিশার্স ( প্রথম সংস্করণ : আগস্ট ২০০৩),কলকাতা, পৃঃ ২৫৮

৭।ঐ :পৃঃ২৫৬

৮।ঐ

৯।ঐ  :পৃঃ২৬৩

১০। বিনয় মজুমদার, চৈত্র ১৪০৫ : ১৫ এপ্রিল ১৯৬২ , ফিরে এসো,চাকা , অরুণা প্রকাশনী ( প্রথম অরুণা সংস্করণ : অগ্রহায়ণ ১৩৮৩),কলকাতা, পৃঃ৪১

১১।জ্যোতির্ময় দত্ত : আগস্ট ২০০৩ : বিনয় মজুমদার : কবিতার শহিদ ,কৃত্তিবাস পঞ্চাশ বছর নির্বাচিত সংকলন(১): সম্পাঃ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ,বিংশ  সংকলন, ১৩৬৫ , আনন্দ পাবলিশার্স ( প্রথম সংস্করণ : আগস্ট২০০৩),কলকাতা, পৃঃ ২৫৭

 

One thought on “একজন বিনয় মজুমদার তাঁর কবিতালোক

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত