Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com

চা সংখ্যা: চায়ের রাজস্ব বিরোধী আন্দোলন থেকে আমেরিকান বিপ্লব

Reading Time: 6 minutes
মো: ফাহিম খান  

সংখ্যায় প্রায় ১০০ জনের মতো তরুণ রাতের আঁধারে পা টিপে টিপে এগিয়ে যাচ্ছে বোস্টন বন্দরের দিকে। তখন নিঝুম রাত্রি। রাতের আঁধারে সমস্ত শহরের সাথে তাল মিলিয়ে বোস্টন বন্দরের শত শত জাহাজ গভীর ঘুমে নিস্তেজ। এই ১০০ তরুণ কারা তা কেউ সঠিকভাবে জানে না। তবে পত্রিকার অনেকেই এদের ‘অটল দল’ হিসেবে সম্বোধন করে থাকে। এদের পরনে রেড ইণ্ডিয়ানদের পোশাক। তবে সেটি শুধু ছদ্মবেশমাত্র।

বন্দরের উত্তর পয়েন্টে সারি সারি করে নোঙর ফেলা ব্রিটিশ বাণিজ্য জাহাজ। জাহাজগুলো তখন এশিয়া থেকে বেশ কয়েক টন চা বোঝাই করে নিয়ে এসেছে। একে একে ১০০ তরুণ সেই জাহাজগুলোর উপর চড়াও হলো। জ্যোৎস্নার আলোয় পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে চায়ের বস্তাগুলো। তারা এগিয়ে গেলো সেই চায়ের বস্তাগুলোর দিকে। পালের গোদা যুবক হাতের ছুরি দিয়ে বস্তার মুখ খুলে ফেললো। এরপর পুরো বস্তা নিজের কাঁধে তুলে এগিয়ে গেলো জাহাজের রেলিঙের ধারে। তারপর পুরো বস্তা সজোরে নিক্ষেপ করলো ঘুমন্ত আটলান্টিকের জলে।

ঝুপ করে সেই চায়ের বস্তা অন্ধকার সমুদ্রে তলিয়ে গেলো। তার দেখাদেখি বাকিরাও তখন চা বিসর্জনের এই যজ্ঞে মত্ত হয়েছে। হঠাৎ ঝুপঝাপ ধ্বনিতে বোস্টন বন্দর মুখরিত হয়ে উঠলো। আশেপাশের জাহাজগুলোর নাবিকরা মৃদু আলো জ্বালিয়ে সেই দৃশ্য দেখতে লাগলো। কিন্তু কেউ কিছু বললো না। পাছে তার জাহাজে এসে চড়াও হয়! মাত্র দুই ঘণ্টায় প্রায় ৩৪২ বস্তা চা সমুদ্রে ফেলে দিলো অটল দলের সদস্যরা।

আটলান্টিক-পৃষ্ঠে তখন ভেজা চায়ের বস্তা ভেসে বেড়াতে থাকলো। খানিকক্ষণ ভেসে থাকার পর প্রায় সবগুলো বস্তাই ডুবে যেতে থাকলো। সেদিন ছিল ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ, ১৭৭৩ সাল। ওজনে হিসেব করলে মোট ৪৬ টন চা সেদিন বোস্টন বন্দরে বিসর্জন দেয়া হয়েছিলো। এই চায়ের সর্বমোট বাজারদর তখন ছিল প্রায় ১০ হাজার পাউণ্ড। এক টন চা বিক্রির টাকা দিয়ে তখন একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা যেত।

এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, সেদিন ৪৬ টন চা বিসর্জনের মাধ্যমে তরুণরা কী বুঝাতে চেয়েছিল? কী ছিল তাদের উদ্দেশ্য? পৃথিবীর ইতিহাসে সেদিনের এই ঘটনাকে ‘বোস্টন টি পার্টি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর পূর্বের এই ঘটনার মাধ্যমে ঔপনিবেশিক আমেরিকানরা ব্রিটিশ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির অর্থনীতিতে চরম আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছিলো।

রেড ইণ্ডিয়ানের সাজে আন্দোলনকারীরা; Source: General history

পেছনের ঘটনা

অষ্টাদশ শতাব্দীর পৃথিবীতে ব্রিটিশদের আধিপত্য ছিল ঈর্ষণীয় পর্যায়ে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অধিকাংশ দেশ তখন ব্রিটিশদের উপনিবেশ ছিল। এই উপনিবেশগুলো ছিল ব্রিটিশদের রাজস্ব আদায়ের কারখানা। ব্যবসার উদ্দেশ্যে আগমন করা ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির তত্ত্বাবধানে উপনিবেশগুলোতে আরোপ করা হতো নানা রকম কর। স্থানীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দিনের পর দিন ব্রিটিশ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিন্তু উপনিবেশগুলোতে প্রায়ই বিদ্রোহ, যুদ্ধ লেগে থাকতো। বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর কোম্পানির সাথে প্রায়ই এদের যুদ্ধ লাগতো। আর যুদ্ধ মানেই খরচ।

একেকটি যুদ্ধে ব্রিটিশদের অস্ত্র এবং সেনাবাহিনীর পেছনে প্রচুর পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হতো। আর সেই অর্থের জন্য ব্রিটিশ সরকার তার বন্ধু রাষ্ট্র থেকে ঋণ নিতো। ১৭৬০ সালে ব্রিটিশদের ঋণের পরিমাণ বহুমাত্রায় বৃদ্ধি পেলো। সরকার পড়লো মহা বিপাকে। দ্রুত এই ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে হয়তো একচেটিয়া বাণিজ্যের অধিকার হারাতে হবে। তাই তারা উপনিবেশগুলোর উপর রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করে দিলো।

১৭৬৫ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্টাম্প আইন পাশ করা হয়; Source: New Historian

১৭৬৫ সালে স্টাম্প আইন অনুযায়ী সব ধরনের কাগজের উপর কর আরোপ করা হয়। কিন্তু তারপরও ঋণের বোঝা কমছিলো না। তাই ১৭৬৭ সালে নিত্য প্রয়োজনীয় রঙ, গ্লাস, শিশা এবং চায়ের উপর কর আরোপ করা হলো। উপনিবেশগুলোর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত পড়লো। বিশাল করের বোঝা মাথায় নিয়ে অনেকেই দেউলিয়া হয়ে পথে বসলো। কিন্তু ব্রিটিশদের ওদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। ‘জোর যার মুল্লুক তার’ মন্ত্রে বিশ্বাসী কোম্পানি জোর করে কর আদায় করতে থাকে।

তখন উত্তর আমেরিকার সিংহভাগ ব্রিটিশদের দখলে ছিল। তারাও করের আওতাভুক্ত ছিল। কিন্তু এভাবে আর কয়দিন সহ্য করা যায়? ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলিবর্ষণ করা শুরু করলে প্রায় ৫ জন নিহত হয়। আহত হয় ৬ জন। এই ঘটনাকে বোস্টন গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করা হয়। এর ফলে দ্রুত ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্রিটিশ বিরোধী ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।    

চা আইন এবং সন্স অফ লিবার্টি

ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ এবং চাপের মুখে পড়ে ব্রিটিশ সরকার ১৭৬৭ সালে প্রণীত কর নীতি বাতিল ঘোষণা করে। কিন্তু তারা একটি শর্ত জুড়ে দেয়। নতুন আইন অনুযায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং কাগজের উপর কর দেয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমেরিকানদের চায়ের উপর কর পূর্বের নিয়মে প্রদান করতে হবে বলে আইন করা হয়।

তখন আমেরিকাতে বার্ষিক প্রায় ১২ লক্ষাধিক মানুষ চা পান করতো। তাই এত সহজে ব্রিটিশরা এই বিশাল অংকের কর হাতছাড়া করতে রাজি হয়নি। চা ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ ছিল। এর বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদস্বরূপ ব্রিটিশ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানিকে বর্জন করা শুরু করে। ব্রিটিশদের পরিবর্তে তারা ডাচ কোম্পানি থেকে চা অবৈধভাবে পাচার করা শুরু করে। ব্রিটিশ কোম্পানি পড়লো মহাবিপাকে। দ্রুত তাদের লাভের অংক শূন্যের কোটায় নেমে আসলো। এমনকি দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পড়লো তারা। তার উপরে ১৭৭৩ সালে চা আইন অনুযায়ী ব্রিটিশ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানিকে শুল্কমুক্ত চা বিক্রি করার অধিকার প্রদান করা হয়। কিন্তু উপনিবেশের ব্যবসায়ীদের ঠিকই কর প্রদান করতে হতো। কর প্রদান করার পূর্বে বন্দরে চায়ের বস্তা নামানোর অনুমতি মিলতো না। তাই উত্তরোত্তর চা চোরাচালান বাড়তে থাকে।

কোম্পানির অত্যাচারকে উপজীব্য করে আঁকা তৈলচিত্র; Source: History 

ব্রিটিশরা মনে করতো, আমেরিকানরা আর যা-ই করুক না কেন, কখনো চায়ের স্বাদ ভুলতে পারবে না। তাই যেভাবে পারে তারা চায়ের কর প্রদান করবেই। তাই নিয়মমতো চা বোঝাই করা জাহাজ ফিলাডেলফিয়া এবং নিউইয়র্ক বন্দরে ভিড়তে থাকে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। তারা কর প্রদান করতে অপারগ থাকলে বন্দরে আটকা পড়ে চা বোঝাই করা বেশ কয়েকটি জাহাজ। তেমনি বোস্টন বন্দরেও তিনটি চা বোঝাই করা জাহাজ পাঠানো হয়। এই ঘটনায় বোস্টনের ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। প্রায় ৭ হাজার বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী বোস্টনে প্রতিবাদ সভায় অংশ নেয়। ঠিক তখন বোস্টনে ‘সন্স অফ লিবার্টি‘ নামক একটি দলের আবির্ভাব ঘটে। ঔপনিবেশিক ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত সেই সংগঠনটি স্টাম্প আইন এবং চা আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। এই গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে বেনেডিক্ট আরনল্ড, পেট্রিক হেনরি, পল রিভিয়ার, হ্যানকক প্রমুখ রাজনীতিবিদ ছিলেন। ১৫ ডিসেম্বর দিনে হাজার ব্যবসায়ী সদস্যদের নিয়ে তারা সমাবেশ আয়োজন করে এবং একটি গণভোটের আয়োজন করে। গণভোটে ব্যবসায়ীরা কর প্রদানের বিরুদ্ধে ভোট প্রদান করে। কিন্তু গভর্নর থমাস হাচিসন তাদের দাবি মানতে নারাজ। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, “কর না দিলে একটি জাহাজ থেকেও চা বোস্টনে নামবে না।”

সন্স অফ লিবার্টির বৈঠক; Source: Benjamin L Carp

বোস্টন টি পার্টি

“আমাদের কমাণ্ডার নির্দেশ দিলেন যেন আমরা বস্তাগুলো খুলে চা নিয়ে সমুদ্রে ফেলে দেই। আমরা আদেশ পাওয়া মাত্র কাজে লেগে গেলাম। একে একে সবগুলো বস্তা খালি হয়ে গেলো। আমাদের জাহাজটি ব্রিটিশদের সামরিক জাহাজ দ্বারা ঘেরাও করা ছিল। কিন্তু সেদিন তারা আমাদের একবারও থামাতে আসেনি। তাদের সেই সাহস ছিল না।”

জর্জ জেমস হক্স নামক এক আন্দোলনকারী তার নিজের ভাষায় বর্ণনা করেন সেই রাতের ঘটনা। স্থানীয় রেড ইণ্ডিয়ান এবং মোহকদের সাজে সন্স অফ লিবার্টির অটল দলের সদস্যরা সেই রাতে প্রায় ৩৪২ বস্তা চা পানিতে ফেলে দিয়েছিলো। সেদিন রাতে মোট তিনটি দল তিনটি জাহাজে উঠে সেই সাহসী বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলো। মাত্র দুই ঘণ্টার বিদ্রোহে সবগুলো জাহাজ খালি হয়ে যায়।

জাহাজের চা তখন বোস্টনের সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছিলো। পরদিন সকালে বোস্টন বন্দরে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমালো। তারা সবাই বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকলো সাগরের পানে। সেখানে ভেসে আছে হাজার প্যাকেট চা। সন্স অফ লিবার্টির সদস্যরা তখন ছোট নৌকায় করে পানিতে নেমে যায়। বৈঠা এবং লাঠির সাহায্যে তারা ভেসে থাকা চায়ের প্যাকেটগুলো পানিতে ডুবিয়ে দেয়। এই ঘটনায় আমেরিকান রাজনীতিবিদদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়। জন এডামসের ন্যায় উঠতি রাজনীতিবিদগণ আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানালেও, জর্জ ওয়াশিংটন এবং বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন এর বিরোধিতা করেন। এমনকি তারা নিজে থেকে এর ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও চেষ্টা করেছিলেন। আন্দোলনকারীদের মাঝে মাত্র একজনকে আটক করতে সক্ষম হয় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। বাকিরা আত্মগোপন করে।

বোস্টন টি পার্টি; Source: Public Relation 101

টি পার্টি দ্বিতীয় খণ্ড

টি পার্টির অহিংস আন্দোলনের পরেও রাজা তৃতীয় জর্জ এই ঘটনার পাল্টা জবাব দিতে চাইলেন। তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অসহনীয় আইন পাশ করেন। এর মাধ্যমে চায়ের ক্ষতিপূরণ আদায়ের পূর্ব পর্যন্ত বোস্টন বন্দর বন্ধ ঘোষণা করে দেয়া হয়। আমেরিকানরা ব্রিটিশদের এই সিদ্ধান্তে হতবাক হয়ে যায়। কিন্তু তারাও দমে যাওয়ার পাত্র নয়। ১৭৭৪ সালের মার্চ মাসে তারা দ্বিতীয়বারের মতো টি পার্টি আন্দোলন শুরু করে। এবার ৬০ জন আন্দোলনকারীর সাহায্যে ফরচুন নামক একটি জাহাজের প্রায় ৩০ বস্তা চা পানিতে ফেলে দেয়া হয়। বোস্টনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিউইয়র্কেও টি পার্টি আন্দোলন শুরু হয়। ১৭৭৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনায় তারা বেশ কিছু বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন

  • অতিসত্বর অসহনীয় আইন বাতিল ঘোষণা করে বোস্টন বন্দরের কাজ শুরু করতে হবে।
  • সকল ব্রিটিশ পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।
  • আমেরিকা মহাদেশের সকল উপনিবেশকে স্বায়ত্ত্বশাসিত ঘোষণা করা হয়।
  • উপনিবেশের স্থানীয় সৈনিকদের নিয়ে স্বতন্ত্র সেনাবাহিনী গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
সেদিন এখানেই গড়ে উঠেছিল বোস্টন টি পার্টি; Source: Wicked Wines

ব্রিটিশরা আমেরিকানদের এই বিপ্লবকে তুচ্ছ করে অগ্রাহ্য করে। প্রতিনিধিদের নেয়া সিদ্ধান্তকে ব্রিটিশরা অবৈধ ঘোষণা করে। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আমেরিকানরা ব্রিটিশদের নির্লিপ্ততায় বুঝতে পারে, তাদের আর ব্রিটিশদের অধীনে থাকা সম্ভব নয়। বোস্টনের একশত আন্দোলনকারীর টি পার্টি তখন রূপ নেয় গণমানুষের স্বাধীনতা যুদ্ধে। বোস্টন টি পার্টি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং এই আন্দোলন অধিকারবঞ্চিত, নিপীড়িত জনগণের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। একশত মানুষের সাহসী পদক্ষেপের ফলে পরবর্তীতে শুরু হয় স্বাধীনতা সংগ্রাম। আর এর ফলে জন্ম নেয় নতুন দেশ যুক্তরাষ্ট্র। 

ফিচার ইমেজ: Latin American Studies 

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত