Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com

ভয়াবহ ভূমিকম্প চিনে

Reading Time: < 1 minute

করোনাভাইরাসে যতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল চিন, তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে তারা। কিন্তু এরই মধ্যে রবিবার চিনের উত্তরের শহর তাংশান-এ ভয়াবহ ভূমিকম্প ঘটে গেল। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৭। ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভ-এর তরফ থেকে বলা হয়েছে, ১৯৭৬ সালে চিনে যে ভূমিকম্প হয়েছিল, তার সঙ্গে তুলনা চলতে পারে এই ভূমিকম্পের।

রবিবার সকাল ৬.৩৮-এ তাংশানের কাছাকাছি জায়গায় ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। উল্লেখ্য, বেজিং থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে এই তাংশান। যদিও চিনের সেসমোলজিক্যাল অথরিটি জানিয়েছে, চিনের আজকের ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.১।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ২৮ জুলাই কয়লা খনির শহর তাংশানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ১০ লক্ষ মানুষ। সেইদিন ৭.৮ ও ৭.১ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প ঘটেছিল। প্রায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও রাজনৈতিক কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কম করে দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল।

উল্লেখ্য, মার্চ মাস থেকেই একের পর এক ভূমিকম্প ঘটেই চলেছে চিনে। মার্চে নেপাল সীমান্তের কাছে তিব্বতে হয় বিধ্বংসী ভূমিকম্প। চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টার জানায়, রিখটার স্কেলে ৫.৯ মাত্রার ওই কম্পনটির কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের ২৮ দশমিক ৬৩ ডিগ্রি উত্তর ও ৮৭ দশমিক ৪২ ডিগ্রি পূর্ব অক্ষাংশে। এরপরই মে মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের উন্নানে ভূমিকম্প হয়। তাতে অন্তত ২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন ১৩ জন।

মাটি থেকে আট কিলোমিটার গভীরে ছিল সেই কম্পনের উত্‍স্যস্থল। কুইজিং সিটি, হুইজে কাউন্টি, ঝাওটোং, জুয়ানেই এবং চুজিয়ং শহরে কম্পন অনুভূত হয়েছে। গত বছর চিনের সিচুয়ান ৫.৪ ম্যাগ্নিচিউডের কম্পনে মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ৩১ জনের।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ধকল সামলে উঠতে না উঠতেই একের পর এক ভূমিকম্প চিনে। এরই মধ্যে বেশ কিছু অঞ্চল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সীমান্ত নিয়ে নাজেহাল চিন। সেইসঙ্গে দেখা দিয়েছে প্লেগের হানা। ফলে করোনার ধাক্কার মধ্যেই একের পর এক ঘটনায় বেসামাল চিন। যদিও কোনও ক্ষেত্রেই বাকি বিশ্বের জন্যে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য প্রমাণ দেয় না চিনের কমিউনিস্ট সরকার। সেই অনুযায়ী, চিনের অন্দরে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, এদিনের ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি যে যথেষ্টই হয়েছে, তা নিয়ে নিশ্চিত অনেকেই।

   

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>