| 5 মার্চ 2024
Categories
গল্প সাহিত্য

একই গন্তব্যে

আনুমানিক পঠনকাল: 6 মিনিট

সুতপার মা আসত ঘড়ির কাটায় যখন ঠিক সাতটা পয়তাল্লিশ। এক মিনিট নড়চড় নেই। যাকে বলে বায়োলজিকাল ঘড়ি। অপর্ণার মা বলত, সুতপার মা মানুষ নয়, ঘড়ি একটা; মানবঘড়ি। তবে শুধু যে এই নিয়মানুবর্তিতার কারণে সুতপার মা আলোচিত ছিল তা নয় বরং নানান গুণে গুণান্বিত তার স্বরুপটি অনেকের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে উঠেছিল। বলা যায় আসরটাকে মাতিয়ে রাখা একমাত্র ব্যক্তি। তার বাচন ভঙ্গি ছিল আকর্ষণীয়। আসরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকলকে সমানভাবে আকৃষ্ট করতে একমাত্র সুতপার মা-ই ছিল পারঙ্গম। ছেলে-মেয়েদের স্কুলে দিয়ে স্কুলের পাশের বটগাছের ন্যায় বিশাল এই আমগাছটার নিচে বসত সব মায়েরা। যারা চাকুরিজীবি তাদের বসার সুযোগ হত না। যারা গৃহিনী, এটাই ছিল তাদের চাকুরি। স্কুল ছুটি পর্যন্ত এখানে বসে আড্ডা জমাত সবাই। সবাই গোল হয়ে বসত। তারপর শুরু হত গল্প। সংসারের গল্পই ছিল মূল উপজীব্য। দেশের, দশের কিংবা সমাজের গল্পের চেয়ে কার স্বামী কেমন, কার স্বামী মাসে কয়টা শাড়ি দেয়, কার স্বামী একটু কিপ্টুস ধরণের, কার স্বামী কথামত কান ধরে উঠবস করে- সবমিলিয়ে সংসার নামক রাজ্যে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আখ্যানই এখানে প্রাধান্য পেত। সুতপার মা সাধারণত অন্য গল্প করতো। আসরের একঘেয়েমি দূর করতো। সংসারের গল্প উঠলে তার বাঙময় দীপ্তিতে উজ্জ্বল মুখটা পান্ডুর হয়ে যেত। কিন্তু কেউ তা বুঝতো না। বুঝবেই বা কেন? সুতপার মায়ের বর্ণনায় সুতপাদের যে রঙিন জীবনচিত্রটি সবার চোখের সামনে প্রতিভাত হয়েছিল, তা কখনোই সন্দেহের উদ্রেক করেনি বরং যারা সর্বদা পতির গুণ-কীর্তনে নিমগ্ন থাকলেও আদতে সংসার জীবনে সুখের ছোঁয়া খুব কমই পেয়েছিল তারা ঈর্ষা করত।

সুতপার মায়ের মতে, তাদের বিয়েটা ছিল লাভ ম্যারেজ। দুজনেই সংরক্ষণশীল পরিবারের সন্তান ছিল বিধায় একান্নবর্তী পরিবারে তাদের আর ঠাঁই হয়নি। তাদের নীড় পাততে হয়েছিল এই যান্ত্রিক নগরীর ছোট্ট এক ফ্লাটে। সেখানেই চলত তাদের সুখের ঘরকন্না । সুতপার মায়ের বর্ণনা মতে, সুতপার বাবা থাকে অ্যামেরিকায়। এই গাণিতিক ব্যবধান তাদের পরস্পরের মধ্যে কোনো দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারেনি। তিনি আসেন প্রতি বছরে মাত্র পনের দিনের জন্য। এই পনেরটা দিন তারা নানান জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। অপর্ণার মা, সুনিধির মা মাঝে মাঝে তাদের বাসা যেত। বাসায় ঢুকলেই তাদের আভিজাত্য সহজেই চোখে পড়ে । দামী সোফা সেট, আলমিরা, দেয়ালে পেইন্টিং, বিরাট বড় একটা একুরিয়াম আর সেই একুরিয়ামে টাইগার বার্ব, সিলভার শার্ক, গোল্ড ফিশ, ব্লাক ঘোস্ট নাইফ সহ আরো অনেক দামী মাছের সমাহার। সুতপার মা বেশ সৌখিন, তা বাড়িটা একনজর দেখলে সহজেই অনুমেয় । অনেক নামী শিল্পীর আঁকা ছবি, ঝিনুক, পোড়া মাটির পাত্র তার সংগ্রহে। হয়তো এমন আভিজাত্যের কারণেই অনেকে তার সাথে সখ্য গড়ার চেষ্টা করত। এই ছিল সুতপাদের জীবনের রঙিন চালচিত্র।
একদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় তাদের রিকশার সামনে দাঁড়ালো টেরা মজিদ। এই এলাকার সবাই যাকে একনামে চেনে। চোখ তার টেরা নয়, সে সবসময় বাঁকা চোখে তাকায় তাই এ নাম। সুতপার মা তখন ভয়ে কাঁপছে। টেরা মজিদ কী করে তা তার ভালো করেই জানা আছে।
– কিছু বলবেন ভাই? মাথা নিচের দিকে নামিয়ে জিজ্ঞাসা করে সুতপার মা। টেরা মজিদের সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলা মহা অপরাধ।
– ভালোবাসা চাই। কটু টাইপের একটা মুচকি হাসি ঠোঁটের কোণে এনে বলে টেরা মজিদ।
– আপনার সাথে আমি পরে কথা বলি? সুতপার মায়ের ভয়ার্ত কণ্ঠ।
– আপনারটা না মিসেস। আপনার দুলালীর।
– কী বলেন! মাত্র ক্লাস এইটে উঠল এবার। সুতপার মা চমকে ওঠে। হাতদুটো মিনতির মত করে তুলে ধরে।
– ঝামেলা করলে কিন্তু ঝামেলা হবে। টেরা মজিদ সুতপার মাকে লাইনে আনার চেষ্টা করে।
সুতপার মায়ের মুখটা সাথে সাথে রক্তবর্ণ ধারণ করে। রিকশা থেকে নেমে আবারো অনুনয়ের সুরে ক্ষমা প্রার্থনা করে। টেরা মজিদ বলে সে বাসায় আসবে। তারপর সুতপারা বাসায় চলে আসে। সুতপা মেয়েটার বাইরের জগত সম্বন্ধে জ্ঞান খুবই কম। এতকিছু হয়ে গেল সে তার মাকে কেবল জিজ্ঞাসা করল- লোকটা কে? তার মা বলল- তুই চিনবি না। আর কিছু বলেনি সুতপা। স্কুলে পড়ালেখায় ভালো হলেও বস্তুজীবন সম্পর্কে তার জ্ঞান ও আগ্রহ দুটোই কম।
সুতপার মায়ের আর রাতে ঘুম আসে না। কখন যে টেরা মজিদ তাদের বাসায় চলে আসে। কখন যে সে ভালোবাসার নামে তার কচি এই আদরের ধনটাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় তার বুকের নিচে। সারাক্ষণ তাকে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকতে হয়। সুতপার জন্য সে উঠেপড়ে লেগেছে কয়েকদিন থেকে। প্রায়শই রিকশার সামনে দাঁড়াচ্ছে। এরই মাঝে হয়তো একদিন বাড়িতে এসে পড়বে। এই মুহুর্তে বাসা চেঞ্জ করাও সম্ভব না। কী করবে সুতপার মা? সবকিছুর উপরে ঝামেলা করার হুমকিটা তাকে বড় বেশি ভয়ার্ত করে তোলে। মনে হয় সুতপার মা টেরা মজিদের কাছে জিম্মি। সুতপাকে কী বলে বোঝানো যায়? আর বলা মানেই তো সমস্যার সমাধান নয় বরং শুরু। সুতপা এসবের কিছুই বুঝছে না। যত ঝড় বয়ে যাচ্ছে তার উপর দিয়ে।

কলিং বেলের শব্দ শুনে দরজাটা খুলতে যায় সুতপা। তার মা বাঁধা দেয়। তুই তোর রুমে যা। আমি দেখছি । তার বুকটা ধুকধুক করে কেঁপে ওঠে। টেরা মজিদ নয় তো আবার। এমন সময় আর কে আসবে? বাড়িওয়ালার ছেলে ভাড়া নিতে আসার কথা। সুতপার মা প্রার্থনা করতে থাকে- ঈশ্বর দরজার ওপাশের ব্যক্তিটি যেন বাড়িওয়ালার বদমাশ ছেলেটাই হয়। কিন্তু না। টেরা মজিদই এসেছে। চোখে সানগ্লাস। মুখে হাসি। আর যাই হোক তার এই হাসিটা দেখলে তাকে এরকম লোক মনে হয় না। কিন্তু এটা তার মুখোশ। সে দরজার চৌকাঠে হেলান দিয়ে হাতদুটো পাঞ্জা করে বুকে নিয়ে বলে, কি যেন নাম ওর? সুতপার মা একটু অবাক হয়। টেরা মজিদের সম্বোধনটা বেশ ভদ্র ঠেকে। এমন ভাবে তার তো বলার কথা নয়। তার বলার কথা- কি যেন নাম মাগীটার? টেরা মজিদ বলে- সে সুতপাকে নিয়ে পার্কে বেড়াতে যাবে। ভয়ের কিছু নেই। মেয়েটা সারাদিন ঘরে পড়ে থাকে। তার মা তাকে কোথাও নিয়ে যায় না। যাবে কি করে? স্কুল থেকে ফিরে মা তো টিউশনির কথা বলে বেড়িয়ে পরে। মেয়েটা একলা পড়ে থাকে। এই কষ্টটা নাকি টেরা মজিদের সহ্য হচ্ছে না। তার বুকের মায়া উথলে পড়ছে। তাই এখন সে সুতপাকে নিয়ে পার্কে বেড়াতে যাবে। যেতে না দিলে গোমর ফাঁস করে দেবে। ততক্ষণে সুতপা এসে ওর মায়ের পাশ ঘেঁষে দাঁড়ায়। মজিদ সুতপার মাকে আশ্বস্ত করে। চিন্তার কোনো কারণ নাই। ওকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে আসি। আসো তো তুমি। টেরা মজিদ সুতপার হাত ধরে টানে। সুতপা সুবোধ বালিকার মতো দরজার ওপাশে চলে যায়। সুতপার মা বাধা দেয়ার চেষ্টা করেও পারে না। টেরা মজিদ যে তাকে জিম্মি করে রেখেছে। হায়েনার হাতে এমন করে কোনো মা-ই হয়তো মেয়েকে তুলে দিতে পারে না প্রাণ থাকতে। কিন্তু টেরা মজিদ কাউকে মারে না। অপরদিকে সুতপার মায়েরও বাঁচার বড় সাধ। সুতপা না ফেরা পর্যন্ত তার মা অস্থির হয়ে থাকে। এত অস্থিরতা! এত দুশ্চিন্তা! এত ভয়! তার মাথার ভিতরে যেন একটা পোকা ঢুকেছে। ঝিম ধরে দরজার পাশে বসে থাকে। চোখ বেয়ে নামে জল। কতদিন কাঁদে না সুতপার মা! একবার মজিদের প্রতি আস্থা খুঁজে পায়। অনেকেই বলে মজিদের একটাই দোষ। তাছাড়া মানুষ নাকি সে ভালো। দয়া-মায়া বলে একটা কিছু আছে। কী জানি হয়তো পার্কে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্যই মজিদ এসেছে। পরক্ষণে তার চোখের সামনে ভাসতে থাকে একটি সদ্য বয়ঃসন্ধিতে পড়া অসম্বৃত দেহ। তাজা লাল রক্ত। অসহায় আর্তনাদ। আর টেরা মজিদের ঘন ঘন তপ্ত নিশ্বাসের ফোঁস ফোঁস শব্দ। এই দৃশ্যটাকে কিছুতেই মন থেকে সরানো যাচ্ছে না।
কলিং বেল বাজতেই দরজা খুলে দেয় সুতপার মা। সুতপা ম্লান মুখে হাসি ফোটায়। তার মা তাকে নিরীক্ষণ করে। সুতপার চুলগুলি আঁচড়ানোই আছে। কাপড়েও তো কোনো ভাজ পড়ে নি। সুতপার মা একটু একটু করে সুতপাকে নিঁখুতরুপে আবিষ্কারের নেশায় মত্ত হয়ে ওঠে। একটু আগে চোখের সামনে ভাসা সব দৃশ্যকে এখন তার কাছে অলীক মনে হতে থাকে।
– মজিদ কি তোর হাত ধরেছিল?
– না।
– বুকে জড়িয়ে ধরেছিল?
– না।
– চুমু খেয়েছে ?
– না।
প্রতিটি প্রশ্ন করার সময় সুতপার মায়ের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হতে থাকে। আর প্রতিটি প্রশ্নের না-বোধক উত্তর পেয়ে পেয়ে তার মুখটা আনন্দ দীপ্ত হয়ে উঠতে থাকে। কিন্তু সুতপার মা বুঝতে পারে না তার মেয়ে অকপটে একটি সত্যকে আড়াল করল! এই প্রথম তার সামনে মিথ্যা বলল!
প্রতিদিনকার মত রাতে ফিরে কলিং বেল চাপে সুতপার মা। কিন্তু ভিতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ নেই। দরজাটা ঠেলতেই খুলে যায়। কি ব্যাপার সুতপা দরজা লাগায়নি কেন? সুতপার মায়ের বুকটা ছাত করে ওঠে। হন্তদন্ত হয়ে সুতপার রুমে ঢোকে। দেখতে পায় সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ঝোলানো সুতপার নিথর দেহটা। সুতপার মা শুধু একবার চিৎকার করে উঠেছিল। কেন এমন করল সুতপা? বাইরের জগত সম্পর্কে আনাড়ি এই বালিকাটি তখন বস্তুজীবনের স্বাদ ভোগ করা, জীবনের তিক্ততায় তিক্তময়ী, জীবনের নিগূঢ় তত্ত্বকে উদঘাটন করা, পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতা মোকাবেলাকারী অভিজ্ঞ এক পৌঢ়া!
বিয়ের পর দেড় বছরের মধ্যে সুতপার জন্ম। মানুষটা কেন যেন দ্রুত বদলাতে থাকে। ভালোবাসা একটু একটু করে জানালা দিয়ে পালাতে থাকে। সুতপার মাকে মারধর করে, নেশা করে। একদিন শোনা যায় আরেকটা বিয়ে করেছে। আর ফিরে না। সুতপার তখন তিন বছর বয়স। এই ছোট্ট মেয়েটাকে নিয়ে গলা জলে হাবুডুবু খায়। নিজেদের বাড়িতেও আর ফেরা সম্ভব নয়। একবার বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এসে ফেরার পথটি বন্ধ হয়ে গেছে। সে পথটি একমুখী তাদের পরিবারের জন্য। কী করবে না করবে ভাবতে ভাবতে জমানো টাকাটুকু শেষ হয়ে যায়। বাড়ি ভাড়া বাকি পড়ে। একদিন মনে হয় আর যাই হোক তার জন্ম তো হয়েছে নারী হয়ে। লোলুপ দৃষ্টি পড়ার মত দেহ-বল্লরীও তার আছে। বক্ষে হাত দিতে দিলেই মানিব্যাগে রক্ষিত সেকেন্ড গডকে পাওয়া সহজতর। তাই অত্যন্ত সচেতন ভাবেই একদিন সুতপার মা তার বুকের ওম পর-পুরুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছিল। প্রথমে শুরু করেছিল বাড়িওয়ালার বড় ছেলেটাকে দিয়ে, যে ভাড়া নেয়ার ছলে প্রায়ই আসতো আর মুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকতো তার বুকের দিকে। প্রতীক্ষায় থাকতো কখন শাড়ি সরে গিয়ে নাভিটা দেখা যাবে। সুতপার মাকে এই পথে বেশ পাকাপোক্ত করে তুললো সেই ছেলেটা। তারপর থেকেই ভালোভাবে চলতে লাগলো তার কল্পিত কাংখিত জীবন সংসার। টেরা মজিদের বুকের নিচে তাকে অনেকবার যেতে হয়েছে। তাই সেদিন গোমর ফাঁসের ভয়ে সুতপাকে মজিদের হাতে তুলে দিয়েছিল। কিন্তু পার্কে নয় সুতপাকে টেরা মজিদ নিয়ে গিয়েছিল পুরান গন্তব্যে। হয়তো এজন্যেই সুতপার এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু কেউ কেউ বলে সুতপা আসলে সবকিছু জানতো। সে বুঝেও না বুঝার ভান করতো। তার মা যে টিউশনির নামে রাতের আঁধারে কোন অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে ফেরে তার সবই জানতো সে। তার মা যাতে তার সামনে কখনো বিব্রত না হয়, অপদস্ত না হয় কিংবা কোনো কষ্ট না পায় তাই সে সব নিরবে সহ্য করতো। কিন্তু সেদিন টেরা মজিদের সাথে তার মা-ই যখন তাকে একপ্রকার যাওয়ার সম্মতি দিলো তখন সে ভেবেছিল মায়ের পেশাটি হয়তো তাকেও বেছে নিতে হবে। এটা সে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। একজন রুপোপজীবিনী হয়ে তাকে বাঁচতে হবে তা সে সহ্য করতে পারবে না। তাই এতটুকুন বালিকা এত বেশি অভিমানী হয়ে উঠল যে শেষপর্যন্ত অগ্রিম পরাজয় মেনে নিল।
তারপর থেকে সুতপার মাকে আর দেখা যায় না। কোথায় গেল সুতপার মা? কেউ বলে একমাত্র বাঁচার অবলম্বনকে হারিয়ে উন্মাদিনী হয়েছে। কেউ কেউ নাকি তাকে ট্রাফিক মোড়ে ভিক্ষা করতে দেখেছে। আবার কেউ বলে সুতপার দেখানো পথটিই বেছে নিয়েছে সুতপার মা।

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত