| 5 মার্চ 2024
Categories
প্রবন্ধ সাহিত্য

আমেরিকার রবীন্দ্রনাথ

আনুমানিক পঠনকাল: 5 মিনিট

পার্থপ্রতীম ভট্টাচার্য


সঙ্ অফারিংগস্’ বা ‘গীতাঞ্জলি’। ইংরাজিতে অনূদিত কবিতাগুলি পড়া হল একদল ইংরেজ কবির সামনে। যাঁদের শিরোভূষণ ছিলেন উলিয়াম বাটলার ইয়েটস্। সময়টা ১৯১২ সালের গ্রীষ্মকাল।

গীতাঞ্জলির স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ সেই দিনই, বলতে গেলে, রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর ১৯১৩-তে সাহিত্যস্রষ্টা হিসেবে পেলেন প্রাচ্য-পৃথিবীর প্রথম নোবেল পুরস্কার এবং নাইটহুড (স্যার’ উপাধি)। তাঁর গীতাঞ্জলি ছড়িয়ে পড়ল পুথিবীর নানা দেশে।

কিন্তু এর আগে ১৯১২-র ডিসেম্বরে শিকাগো থেকে প্রকাশিত ‘পোয়েট্রি’ প্রত্রিকায় গীতাঞ্জলির আধ ডজন কবিতার আমেরিকান অনুবাদ প্রকাশিত হলো। পাশ্চাত্যের আবিষ্কার রবীন্দ্রনাথকে পরিচিত করার দাবি ইংল্যান্ড অপেক্ষা আমেরিকারই আগে।

আটলান্টিকের ওপারে রবীন্দ্রনাথের লেখনী পরিচিত হওয়ার সঙ্গ সঙ্গেই বিপুল সাড়া পড়ে যায়। ভারতবর্ষে তার জনপ্রিয়তা ও কার্যক্রমের নিরিখে আমেরিকানদের মধ্যে বিশেষ অনুভূতির সৃষ্টি হয়। নোবেল পুরস্কার পওয়ার আগেই রবীন্দ্রনাথকে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় শিকাগো, হার্ভার্ড ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ‘ফেডারেশন অব রিলিজিয়ান লিবারেলস’ (রচেস্টার, নিউ ইয়র্ক)-এ রবীন্দ্রনাথ বক্তৃতা করেন আমেরিকা ও ভারতের জাতিবিদ্বেষ সম্পর্কে। যে ‘পোয়েট্রি’ পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা মুদ্রিত হয়েছিল, তার সম্পাদক হ্যারিয়েট মনরো এর আগে রবীন্দ্রনাথের নামও শোনেননি। কিন্তু সেই পত্রিকার প্রতিনিধি এজরা পাউন্ড রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে লন্ডনে দেখা করেন। তাঁরই অনুরোধে কবিতাগুলি আমেরিকাতে পাঠান।

পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথের সত্তর বছর পুর্তিতে ‘দি গোল্ডেন বুক অব টেগোর’ প্রকাশ করেন মর্ডান রিভিউ-এর সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথের উদ্দেশে কবিতা, গল্প, ছবি ছাপা হয়েছিল। ২৬৭ জন লেখক কবি অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে পোয়েট্রি-সম্পাদক হ্যারিয়েট মনরো তো ছিলেনই, আরও ছিলেন জেন অ্যাডামস, উইল ডুরান্ট, হার্ভার্ড-এর অধ্যাপক উইলিয়াম ই. হকিং, নিউইয়র্ক কমিউনিটি চার্চের জন্য হেইনেস হোমস্, হেলেন কেলার এবং আপট্রন সিনক্লেয়ার। এই গোল্ডেন বুকটি আমেরিকার ওয়াশিংটনের লাইব্রেরি অব কংগ্রেসে ‘রেয়ার বুক’-এর তালিকাভুক্ত হয়ে সংরক্ষিত হয়েছে।


ছবিঃ হেলেন কেলারের হাত ধরে আবৃত্তি করছেন রবীন্দ্রনাথ।

দি গোল্ডেন বুক অব টেগোর-এ হ্যারিয়েট মনরো লিখেছিলেন— ‘ভারতবর্ষ এমনকি লন্ডন থেকেও বহুদূরে, শিকাগোতে ‘পোয়েট্রি’ প্রকাশিত হল। আমরা খুব উত্তেজনা বোধ করছিলাম যখন গীতাঞ্জলির কবিতাগুলি আমরা পেলাম। আধ্যাত্মিক কবিতায় সচরাচর কাব্যগুণ থাকে না, কিন্তু সেগুলো ছিলো সুন্দরতম আধ্যাত্মিক কবিতা, যাতে ধর্মীয় অনুভূতি ছড়িয়ে আছে বিশ্বমানব ও জীবনদেবাতার উদ্দেশে।
‘এর কিছুদিন পরে আমি একটা চিঠি পেলাম। যাতে আমার বিস্ময়ের বাঁধ ভেঙে গেল। ইরিয়ন বিশ্বাবিদ্যালয় থেকে কবিপুত্র রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন যে, তিনি তার কাছে আসছেন এবং পোয়েট্রির কয়েকখানা কপি সংগ্রহ করতে চান।
‘নিউইয়র্কে ঠিক পরপরই নোবেল পুরস্কার পায়োর বঝরখানেক আগে কবি তাঁর পুত্র ও পুত্রবধূকে নিয়ে এলেন। আমরা আমেরিকানরা, সারা পৃথিবী কৌতূহলী হওয়ার আগেই মিসেস বুডির বাড়িতে কবিকে ঘিরে বসলাম। সেখান তাঁর কণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণের মতো বাংলা ভাষায় কবিতাগুলি শুনলাম। পাশাপাশি ইংরাজি অনুবাদটাও। আমাদের মনে হচ্ছিল যে, আমরা কোন প্রাচীন জ্ঞানীর পদতলে বসে তাঁর রূপ ও গুণের প্রতি মুগ্ধতায় ভেসে যাচ্ছিলাম।’

১৯১৩-র মে মাসে ‘দি নর্থ আমেরিকান রিভিউ’ বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সমালোচক মে সিনক্লেয়ার ‘সঙ্ অফারিংগস্ অব রবীন্দ্রনাথ চেগোর’ শীর্ষক একটি আলোচনা করলেন। এছাড়া বসন্তকুমার রায় শিকাগো থেকে ১৯১৩-র জুলাইয়ে ‘দি ওপেন কোড’ পত্রিকায় ‘ইন্ডিয়াজ গ্রেটেস্ট লিভিং পোয়েট’ নামে রচনা প্রকাশ করলেন। এই রচনাটি আবার বহুল পরিচিত ‘দি আমেরিকান রিভিউ অব রিভিউস’-এ পুনমুদ্রিত হল। যা হাজার হাজার আমেরিকানের কাছে রবীন্দ্রনাথকে পরিচিত করিয়েছিল তাঁর নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আগেই।

বসন্তকুমার রায় আমেরিকানদের কাছে ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথের একটা পরিচয় দিয়েছিলেন এভাবে— ‘রবীন্দ্রনাথ ভারতবর্ষে তাঁর কবিতা এবং দৈহিক সৌন্দর্যের জন্য বহুকাল ধরেই বিখ্যাত। এই হিন্দু কবির কাঁধছোঁয়া কেশরাশি, চওড়া মসৃণ কপাল, উজ্জ্বল কালো আকর্ষণীয় চোখ, তীক্ষ্ন নাক, দৃঢ় চিবুক, সৃদৃশ্য হাত, মিষ্টি কণ্ঠস্বর, আনন্দপূর্ণ হাসি, সূক্ষ্ন রসবোধ এবং অন্তরের সুষমা তাঁকে বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী করেছে। তাঁর দিকে চোখ ফিরালেই এক সমগ্র শিল্পীকে দেখা যায়।’

এছাড়া রবীন্দ্রনাথের বহুমুখীতা সম্পর্কে শ্রী রায় লিখেছিলেন— ‘তিনি একজন দার্শনিক, একজন ধর্মীয় ও দেশপ্রেমীক নেতা, একজন ইতিহাস অনুসন্ধানী, গায়ক ও সুরস্রষ্টা, এক সফল সম্পাদক, দূরদ্রষ্টা শিক্ষাবিদ। তিনি তাঁর বিশাল জমিদারের প্রজাদের কাছে একজন দয়ালু প্রশাসক। কিন্তু সবার উপরে তিনি একজন কবি— প্রেমের কবি। এই প্রেম তাঁর হৃদয় থেকে উৎসারিত হয়ে বয়ে চলেছে অস্তিত্ব থেকে আত্মার দিকে, নির্দিষ্ট থেকে অনির্দিষ্টের দিকে।’

‘রিডার্স গাইড টু পিরিয়ডিকাল লিটারেচার’-এ ১৯১৩ এবং ১৯১৪ সালে কিছু পত্রপত্রিকার নাম সূচিবদ্ধ হল যেগুলোতে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্মের বিভিন্ন দিক নিয়ে কম করে চুয়াল্লিশটি রচনা মুদ্রিত হয়েছে। সেগুলোর শিরোনামেও আমেরিকানদের আবেগ টের পাওয়া যায়। যেমন— লিরিকাল ভয়েস অব টেগোর, মর্ডান বেঙ্গলি মিস্টিক, অকসিডেন্ট অনারস দি সোল অব বেঙ্গল, হিন্দু অব দি কেলটিক স্পিরিট— ইত্যাদি।


আমেরিকায় রবীন্দ্রনাথ চেজার উইলিয়ামসের সঙ্গে


নোবেল পুরস্কার পাওয়ার দশদিন বাদে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় একপাতা জুড়ে প্রকাশিত হল রবীন্দ্রনাথের সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জী, একটা পেন্সিল স্কেচ এবং এগারোটি কবিতা। এর এক সপ্তাহ বাদে রবিবারের গ্রন্থ সমালোচনা বিভাগে ‘দি-গার্ডেনার’-এর সমালোচনা বেরোল। যেখানে রবীন্দ্রনাথকে ওয়ালট হুইটম্যান-এর সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়েছিল— ‘তাঁর কবিতাগুলি সৌন্দর্যমণ্ডিত, বলিষ্ঠ এবং চিত্তাকর্ষক।’

নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরে তো আমেরিকায় রবীন্দ্রসাহিত্যের জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। গীতাঞ্জলি, দি গার্ডেনার এবং ক্রেসেন্ট মুন : চাইল্ড পোয়েম ছাড়াও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যলয়ে প্রদত্ত বক্তৃতামালা একত্রে ‘সাধনা— দি রিয়েলাইজেশন অব লাইফ’ নামে প্রকাশিত হল ১৯১৩-তে। ১৯১৪-তে রক্তকরবী— দি কিং অব দি ডার্ক চেম্বার ছাড়াও ডাকঘর এবং চিত্রা প্রকাশিত হল। রবীন্দ্রনাথ অনূদিত একশ’টি কবির কবিতা প্রকাশিত হল ১৯১৫-তে। এছাড়া একটি কাব্য সংকলন— ফ্রুটস গ্যাদারিং, ছোটগল্পের সংকলন— হাংরি স্টোন অ্যান্ড আদার স্টোরিজ প্রকাশিত হল ওই ১৯১৫-তেই । এগুলোর সবকটিই প্রকাশ করেছিলেন নিউ ইয়র্কের প্রখ্যাত প্রকাশভবন ম্যাকমিলান কোম্পানি। সবকটি বই-ই একাধিক সংস্করণের মুখ দেখেছিল।

১৯১৫ সালে রবীন্দ্রনাথের দুটি জীবনীগ্রন্থও প্রকাশিত হয়। ম্যাকমিলান থেকে আরনেস্ট রী লিখিত ‘রবীন্দ্রনাথ টেগোর’। এছাড়া বসন্তকুমার রায়-এর ‘রবীন্দ্রনাথ টেগোর— দি ম্যান অ্যান্ড হিজ পোয়েট্রি’ প্রকাশ করেন নিউইয়র্কের ডড্ মিড অ্যান্ড কোম্পানি। একথা বলা হয় যে, পাশ্চাত্যে রবীন্দ্রনাথকে সুপরিচিত করানোর লক্ষে ডব্লিউ বি ইয়েটস্ এবং এজরা পাউন্ড-এর সংঙ্গে বসন্তকুমার রায়ের নামও সমানভাবে উল্লেখনীয়। এই বই দু’টি রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আমেরিকান পাঠকদের উৎসাহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।
ফলে ১৯১৬-র ১৮ সেপ্টেম্বর যখন রবীন্দ্রনাথ দ্বিতীয়বারের জন্য আমেরিকা এসে সিয়টলে পদার্পণ করেন তখন তাঁকে ঘিরে একপ্রকার উম্মাদনা সৃষ্টি হয়েছিল। সেবার তিনি আমেরিকায় ছিলেন ১৭ জানুয়ারি ১৯১৭ পর্যন্ত। এই চারমাসে তাঁকে পোর্টল্যান্ড, সানফ্রান্সিসকো, সান্টা বারবারা, সল্টলেক সিটি, ডেনভার, ক্লিভল্যান্ড, ফিলাডেলফিয়া, বস্টন এবং নিউইয়র্কে থাকতে হয়েছিল। এইসব জায়গার এবং আশেপাশের কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে তাঁকে বক্তৃতা করতে হয়েছিল। সর্বত্রই প্রেক্ষাগৃহ ছিল ভিড়ে ঠাসা। কোথাও বা সিঁড়িতে, করিডোরেও শ্রোতাদের দাঁড়াতে দেখা গেছে। ওইসব সভায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, ছাত্র ও সাংস্কৃতিক কর্মীরাও সপ্রশংস আবেগে ভেসে যেতেন তাঁর মনীষায়, মোহিনী ব্যক্তিত্বে ও কণ্ঠলালিত্যে। সভাশেষে প্রত্যেকেই উদগ্রীব থাকতেন রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে একটু কথা বলার জন্য। কোথাও কোথাও জনতা তাঁকে অনুসরণও করত।



সম্পাদনার টেবিলে হ্যারিয়েট মনরো


সেই সময় নিউইয়র্ক টাইমস-এ রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমেরিকার কবি জোয়ী কিলমারের পাতাজোড়া সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। যাতে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের লেখকদের মধ্যে মত বিনিময়ের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছিল। কিলমার লিখেছিলেন— ‘তিনি যে কেবলমাত্র দার্শনিক ও আধ্যাত্মবাদী তা নয়, তিনি পাশ্চাত্য ভাবধারার একজন বাস্তববাদী সুচিন্তক’।

এরপরেও রবীন্দ্রনাথ আরও দু’বার আমেরিকায় যান। ১৯২০ সালে এবং ১৯৩০ সালে। বিশ্বভারতির জন্যই প্রধানত তাঁর যাওয়া। ১৯৩১-এ কয়েকজন আমেরিকান শিক্ষাবিদ ও ধনী ব্যক্তি মিলে স্থাপন করেন ‘আমেরিকান টেগোর কমিটি’। যার উদ্দেশ্য ছিলো বিশ্বভারতীকে সাংস্কৃতিক ও আর্থিক দিক দিয়ে সহায়তা করা।

১৯৬১- তে রবীন্দ্রনাথের শতবর্ষ। তার জন্য ১৯৫৯ সালে আমেরিকায় গঠিত হয়েছিল ‘দি রবীন্দ্রনাথ টেগোর সেন্টেনারি কমিটি’। ভারতবিদ্যা বিষয়ক আমেরিকার বিদ্বৎমাজকে নিয়ে গঠিত এই কমিটি ভারতীয় কবি, দার্শনিক, চিত্রকর এবং শিক্ষাবিদ রবীন্দ্রনাথের প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের যে উদ্যেগ নিয়েছিল তার মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও কলেজে রবীন্দ্র অধ্যাপক পদ সৃষ্টি করা এবং এশিয়ার সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ে পঠনপাঠনে তাঁর নামে বৃত্তি প্রদান করা। পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত সাহিত্যের অধ্যাপক ডব্লিউ নরম্যান ব্রাউন ছিলেন ওই কমিটির প্রধান। চেয়ারম্যান ছিলে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক পার্ল বাক। রবীন্দ্র সচিব শ্রী অমিয় চক্রবর্তী বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক ভাষাসাহিত্যের অধ্যাপক। তিনি হয়েছিলেন কমিটির সহ সভাপতি। রবীন্দ্রনাথের বেশ কয়েকটি নাটকের অভিনয় হয়েছিল এই শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে। যার মধ্যে ভারত-আমেরিকার কলাকুশলী সমন্বয়ে ‘দি কিং অব দি ডার্ক চেম্বার’ বহুল প্রশংসিত। বলতে গেল পেশাদার অভিনয় সংস্থা দ্বারা রবীন্দ্র নাটকের অভিনয় এটাই প্রথম।

এছাড়া রবীন্দ্র কবিতার উপরে আলোচনামালার আয়োজন করেছিল শিকাগোর ‘অ্যাসোসিয়েশন অব এশিয়ান স্টাডিজ’। আলোচকদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক পূণ্যশ্লোক রায়, অধ্যাপক নরেশ গুপ্ত। কবি-অধ্যাপক বুদ্ধদেব বসু প্রমুখ।

পুনরায় উল্লেখ করি সুধী পাঠকসমাজের কথা ভেবে যে, গীতাঞ্জলি’র নোবেল পাওয়ার অনেক আগেই আমেরিকর মানুষর সঙ্গে ঘটেছিল আত্মিক যোগ ও সুপরিচিতি। কারণ তাঁর স্বপ্ন তো তাই ছিল-বিশ্বমানবতার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য বন্ধন।

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত