যুগল কবিতা

 

বর্ম

গাছের গল্প লিখে রাখছে অন্য কেউ
অক্ষর পড়ছ শুধু
রাগ খুলতে খুলতে মুছে যাচ্ছে গান
প্রজ্ঞাআগুনে থরো থরো ভুল বানানের চিঠিগুলো
ট্যাটু ঝলসানো বুক নেয় না কিছুই
‘ডেকো না’ বলে চলে গেছে যমুনা ক্যাম্পাস
সবিস্তারে এলোনা কিছুই- এমন আক্ষেপ দিয়ে ভাবার্থ সাজাও
সমস্ত ঘুরে তাকানো ফেরাও কৌশলে
বুদ্ধিজীবি লকার উঠে দাঁড়ায়
ভিক্ষাপাত্রে পুরস্কৃত আলো
মূর্খ ক্যানভাস ক্ষিদে শুষে নিলে
নিরাপদ দূরত্বে বোঝাও শিল্পের ব্যকরণ—

 

 

মূকশিল্প

শব্দ কিছু বলছে না। কথারাও। ঈর্ষনীয় ভ্রমণ শেষেও নিরুত্তর জরিপ। জমানো আতরগল্প, শুদ্ধিমন্ত্র, স্মৃতির সক্ষমতা বলছে না। উৎসবের রঙ করা চেয়ারে উচ্চবিত্ত বাতাস। ‘সবাই রাজার’ দিন। ফেলে আসা আয়নায় প্রস্তর যুগের শ্বাস। কুয়াশাকালীন নীরবতা, চোরাগোপ্তা সংলাপ থেমে গেছে। স্বপ্নের কালি পড়া চোখ নির্বিকার।
অথচ ‘দৃষ্টি দাও’ ছিল। ছিল দৃশ্যের কথাপ্রেম। রেকাবিতে বিশ্বাস সাজিয়ে জল ছিটোই। ইঙ্গিতে বৃষ্টি খোলে। ইঙ্গিত বলেনা, জলও…

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত