যুগল কবিতা

নোনতা

শুধু শিকার ছিল সে।
শুধুই শিকার। এতটুকু প্রাণ ছিল না কোথাও।এতটুকু ভালোবাসা ছিল না কোথাও। ছিল হিসেব।ছিল চাতুর্য। ছিল অভিনয়। ছিল স্লো-পয়েজনিং। কেমোফ্লেজিং জোন জুড়ে শুধু দূষিত হৈ হৈ…

নাটক একদিন ফুরোবারই ছিল
কোন এক গোপন-কলাই শেষ লিখেছিল অগোচরে।
পাখির চোখের মতো উপড়ে নিয়েছিল তার চোখ!

শকুনের দৃষ্টি নিয়ে আবারও কোনো নতুন ছক
নতুন থাবা। নতুন ময়ূরপুচ্ছ।

কিন্তু এবারের খেলাটা ভয়ঙ্কর।
শিকার এবার শিকারির ভূমিকায়…

আনএডিটেড

অনন্ত যাত্রায় প্রস্তুত
সমস্ত সমর্পণ ঘ্রাণের কোরক
ধেয়ে আসা চূর্ণবিচূর্ণ বিচ্ছুরণ
আমাকে শুদ্ধ করো
আপামর নদী ভেঙে
পাহাড় দুমড়ে আমি আর পথ
শূন্যতার বুকেএকটু পরেই ঝাঁপ
টানছে… আমাকে কেউ ভীষণ টানছে
তোমার মতো

২.

অজান্তেই যদি কিছু বিষ ঢালি
যত্নে ধোরো যাপনে
কথাশিল্প বাড়ে চৌগুণে
আমারও চোখে তখন যমুনার খানিক জল,
ঠোঁটের বন্ধনীতে কিছু বিষ ও বিষয়
বুক রিফু করা স্বজন-যাপন…

৩.

পোয়াতি মেঘের কাছে বন্ধক রেখে এসেছি তামাম ঐশ্বর্য
ফিরে পেতে চাই না বলেই এ-উজার…
এর ভিতরই অন্য এক গানের চলাচল

৪.

ফেরারি বৃষ্টি হয়ে কবেই ভিজিয়ে দিয়েছে চোখের পাতা
পূ র্ণা ঙ্গ শোকের মতো আটপৌরে যাপন কথা
রাভ্লোণ ঢেকেছে পরম যত্নে
হৃদয় খোঁড়া কথাশিল্প ছিন্ন – ভিন্ন ,
বাঁধা পড়েছে দু – হাতের নির্মম চেটোতে
তবু বেজেই চলে ব্রাত্য দিলরুবা

৫.

উদাসী নদীটিও তো কঠিন ছিল না তেমন…
শুধু পড়ার ভুলে ভুল হল সব!

৬.

আমার সর্বাঙ্গে ঐশ্বরিক ধুলো
প্রাক- বৈশাখের প্রথম ঝড়ে
আমাকে খুঁজছি ছায়াপথে…
নির্বিকার বাতাস বিলি কেটে এগিয়ে চলছে সন্ধানী ডানা …
আঙুলের অনন্ত মুদ্রা … পাঁচ রঙা বৈভব …

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত