Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com,lata mangeshkar

নক্ষত্রপতন চলে গেলেন সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর

Reading Time: 2 minutes

প্রয়াত লতা মঙ্গেশকর(lata mangeshkar)। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। রবিবার সকালে ৮.১২ মিনিটে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সুরের সরস্বতী’। 

দেশজুড়ে চলছে সরস্বতী বন্দনা। আর সেই আবহেই ‘সুরের সরস্বতী’ চিরতরে বিদায় নিলেন! প্রয়াত সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর(lata mangeshkar)। লড়াই চিকিত্সকদের লড়াই কাজে এল না, কোটি কোটি অনুরাগীর প্রার্থনা গেল বিফলে। ৯২ বছর বয়সে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘ ভারতের কোকিলকন্ঠী’। লতা মঙ্গেশকরের মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন সান্থানাম। কোভিড পরবর্তী জটিলতার জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকাল ৮.১২ মিনিটে প্রয়াত হন লতা মঙ্গেশকর।  চিকিত্সক প্রতীত সামধানি জানান, ‘মাল্টি অর্গ্যান ফেলিউরের জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, কোভিড আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২৮ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি’।  আপতত তাঁর পার্থিব দেহ শিবাজি পার্কে নিয়ে যাওয়ার আয়োজন করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, সেখানেই শেষশ্রদ্ধা জানানো হবে লতা মঙ্গেশকরকে(lata mangeshkar)।  জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ছিলেন বর্ষীয়ান গায়িকা, থামল তাঁর ২৯ দিনের লড়াই।করোনা ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে গত ৮ই জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর। করোনা-মুক্ত হলেও শনিবার তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়, ফের ভেন্টিলেশনেও দেওয়া হয়েছিল তবুও শেষরক্ষা হল না! শনিবার লতা মঙ্গেশকরকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে এসেছিলেন বোন আশা ভোঁসলে, পৌঁছেছিলেন নাতনি শ্রদ্ধা কাপুরও।  ১৯২৯ সালে ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন লতা(lata mangeshkar)। সঙ্গীত জগতের অবিসংবাদী সম্রাজ্ঞী হওয়ার আগে শিশু অভিনেতা হিসেবেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছিলেন এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী।
ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ১৯৪২ সালে, মারাঠি গান গেয়ে। ১৯৪৬ সালে তিনি প্রথম হিন্দি সিনেমার জন্য গান করেন। বসন্ত জোগলেকরের ‘আপ কি সেবা মে’ ছবিতে তিনি ‘পা লাগু কার জোরি’ গানটি গেয়েছিলেন। দুই বছর পর সুরকার গুলাম হায়দার তাঁকে প্রথম বড় সুযোগ দেন।
‘মজবুর’ ছবিতে ‘দিল মেরা তোরা’ গানটির পর লতাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। সংগীতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ডের ইতিহাস আশা ভোসলের। তিনি গেয়েছেন প্রায় ১০ হাজার গান। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এ রেকর্ড ছোট বোন আশার হওয়ার আগে ছিল লতা মঙ্গেশকরের(lata mangeshkar)। লতা গেয়েছেন প্রায় সাড়ে সাত হাজার গান। লতা মঙ্গেশকর ৩৬টি ভাষায় গান করেছেন। এর মধ্যে আছে বাংলাও। ‘প্রেম একবার এসেছিল নীরবে’, ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন’, ‘ও মোর ময়না গো’, ‘ও পলাশ ও শিমুল’, ‘আকাশপ্রদীপ জ্বেলে’সহ আরও অনেক বিখ্যাত বাংলা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ২০০১ সালে লতা মঙ্গেশকর ভারতের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ভারতরত্ন অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার লাভ করেন।
   

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>