চা তৈরির পর যে কাজে লাগাতে পারেন চা পাতা

চা বাঙ্গালির সারাক্ষণের সঙ্গী। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই সকাল শুরু হয় চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে। ঘুম থেকে উঠেই ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চা না পেলে দিন যেন থমকে যায়। আর সারা দিনে হাজারো কাজের ফাঁকে বারেবারে চায়ে চুমুক দেওয়া তো আছেই। তবে চা খাওয়ার পরে যে পাতাটা পরে থাকে, সেটা নানা কাজে ব্যবহত হতে পারে। তাই চায়ের ব্যবহৃত পাতা ফেলে দেবেন না। কী ভাবে চায়ের পাতাকে প্রতিদিনের নানা কাজে ব্যবহার করা যায়, তা জেনে নিন।

সার হিসেবে ব্যবহার

ব্যবহার করা চায়ের পাতা সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। অনেকেই গোলাপ গাছে চায়ের পাতা সার হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। আরও অনেক গাছে এটির ব্যবহার করা যেতে পারে। অফিসের টেবিলে টবে থাকা গাছের গোড়ায়ও এই পাতা ব্যবহার করতে পারবেন। বিশেষ করে ইনডোর প্ল্যান্চের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা চা পাতা সার হিসেবে অত্যন্ত উপযোগী।

এয়ার ফ্রেশনার

এয়ার ফ্রেশনার হিসাবেও চায়ের পাতা ব্যবহার করা যায়। বাজে গন্ধ দূর করতে অনেকেই কার্পেট বা ফ্রিজে টি ব্যাগ রেখে দেন, তাতে গন্ধ কিছুটা কমে। চায়ের যে সাধারণ সুগন্ধ রয়েছে, সেই অ্যারোমায় দুর্গন্ধ কেটে যায়। তাই এয়ার ফ্রেশনার হিসেবে সহজেই চা পাতা ব্যবহার করতে পারেন।

বাথ টি

ব্যবহার করার পর বাথটবে আপনার স্নানের জলে কয়েকটি টি ব্যাগ রেখে দেওয়া যেতে পারে। একে ‘বাথ টি’ বলে। সেই জলে স্নান করলে অনেক বেশি ফ্রেশ লাগবে। টি বাথ নিলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও অনেকটা বাড়ে। চুলের জন্যও এই বাথ টি বেশ ভালো। অনেকেই এখন এই বাথ টি নিচ্ছেন।

চোখের আরাম

দীর্ঘক্ষণ রাত জেগে পড়াশোনা করলে বা কম্পউটারের সামনে বসে কাজ করলে বা অন্য আরও অনেক কারণে কারোর কারোর চোখের তলায় কালি পড়ে যায়। এক্ষেত্রে ঠাণ্ডা জলে টি ব্যাগ ভিজিয়ে তারপর সেটি যদি চোখের পাতার ওপর রেখে দেওয়া যায়। মিনেট বিশেক এটি চোখের ওপর দিয়ে রাখলে অনেকটা আরাম পাবেন। এর ফলে ক্লান্ত চোখে প্রাণ ফিরে আসবে এবং নিয়মিত ব্যবহার করলে চোখের তলার কালি দূর হবে।

হেয়ার কণ্ডিশনার

শ্যাম্পু করার পরে চুল ধুয়ে নিয়ে চা পাতা ভিজনো জলে চুলটা শেষবার ধুয়ে নিন। এরপর চুলে আর জল দেবেন না। চা পাতা ধোওয়া জল আপনার চুলে ন্যাচরাল কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত