ডিয়াগো ম্যারাডোনা

 

ফুটবল একটি আবেগের নাম,যে আবেগ ছুয়ে দেবার জন্য দরকার হয়না কোন বয়স-বন্ধনীর।
একটি বিপ্লবের নাম,যে বিপ্লব মানুষের ভিন্ন-ভিন্ন অধিকার আদায়ের অভিন্ন হাতিয়ার হয়ে আছে আজও।
একটি শিল্পের নাম,যে শিল্পে একটাই রং আর একটাই তুলি। রংটা সবুজ আর তুলিটা শিল্পির পা,কেউ শিল্পটাকে রাঙায় বা-পায়ে কেউ ডান-পায়ে আবার কেওবা দু’পায়েই ।
এই শৈল্পীক,বিপ্লবের ফুটবলকে যারা শিল্পের অভুত রঙে রাঙিয়ে গেছেন তেমন এক কিংবদন্তির নাম ডিয়াগো ম্যারাডোনা।

“…ahí la tiene Maradona, lo marcan dos, pisa la pelota Maradona, arranca por la derecha el genio del fútbol mundial, deja el tendal y va a tocar para Burruchaga. ¡Siempre Maradona! ¡Genio! ¡Genio! ¡Genio! Ta-ta-ta-ta-ta-ta-ta. ¡Gooooool! ¡Gooooool! ¡Quiero llorar! ¡Dios santo, viva el fútbol! ¡Golaaaaaazooo! ¡Diegoooool! ¡Maradona! Es para llorar, perdónenme. ¡Maradona, en recorrida memorable, en la jugada de todos los tiempos! ¡Barrilete cósmico! ¿De qué planeta viniste? ¿Para dejar en el camino a tanto inglés, para que el país sea un puño apretado gritando por Argentina? ¡Argentina 2 – Inglaterra 0! ¡Diegol, ¡Diegol! ¡Diego Armando Maradona! Gracias Dios, por el fútbol, por Maradona, por estas lágrimas, por este Argentina 2 – Inglaterra 0.”

জানি, এই কথার অর্থ হয়তো কেউই বুঝতে পারবেন না ! মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই দুর্বোধ্য কথাগুলো কে , কাকে, কখন বলেছিলেন? সময়টা ১৯৮৬ সালের ২২শে জুন তারিখ, মেক্সিকোর আজটেকা স্টেডিয়ামে চলছে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড এর খেলা, ম্যাচের ৫৬-৫৭ মিনিটে গোলপোস্ট থেকে ৬০ ইয়ার্ড দূরে থেকে একজন খেলোয়াড় বল পেয়েই দারুন গতিতে এক, দুই , তিন,চার,পাঁচ জন বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে বল পাঠিয়ে দিলেন জালে! মাত্র ১০ সেকেন্ডের এক আশ্চর্যময় ফুটবল যাদুকরের কারিশমা দেখে পুরো বিশ্ব যেন কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল! আর তখনি ধারাভাষ্যকারের মুখ থেকে বেরুলো এই বিখ্যাত কমেন্ট্রী!

তিনি আর কেউ নন,আর্জেন্টাইন মহাতারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনা।

ডিয়েগো ম্যারাডোনা

পুরো নামঃডিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা
জন্মঃ৩০ অক্টোবর ১৯৬০
বয়সঃ৫৫ বছর
উচ্চতাঃ১.৬৫ মিটার
পজিশনঃ এটাকিং মিডফিল্ডার, সেকেন্ড স্ট্রাইকার।

ডিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা,আর্জেন্টাইন ফুটবলে তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মনে করা হয়।৫.৮ ফিট উচ্চতার এই মানুষটি বলের নেতৃত্বগুণের জন্য বিশ্বখ্যাত ছিলেন । মারাদোনা ছিলেন একজন কৌশলী খেলোয়াড়। সীমিত জায়গার মধ্যে তিনি নিজেকে কার্যকরীভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারতেন। খাটো হওয়া সত্ত্বেও, দৈহিক দিক থেকে তিনি ছিলেন শক্তিশালী। তিনি একজন ডিফেন্ডারের সাথে লম্বা সময় ধরে বল নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারতেন, যতক্ষণ না তিনি দ্রুত শট নেওয়ার মত জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন বা কোনো সতীর্থ আক্রমণাত্মক দৌড় শুরু করছেন, যাতে তিনি তাকে বল পাস করতে পারেন।মারাদোনার জাদুকরি কিছু রণকৌশলের মধ্যে অন্যতম হল ডান উইঙ্গে পূর্ণ গতিতে ড্রিবলিং, প্রতিপক্ষের গোল লাইনে পৌছানো এবং সতীর্থদের সঠিক পাস প্রদান। তার আরেকটি জাদুকরি নৈপূন্য ছিল র‍্যাবোনা, যা হল পায়ের পিছনের অংশ ব্যবহার করে এক ধরণের রিভার্স-ক্রস পাস শট। এছাড়া মারাদোনা ছিলেন একজন বিপজ্জনক ফ্রি কিক গ্রহনকারী।ফুটবল ইতিহাসে ম্যারাডোনাই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ২ বার ট্রান্সফার ফির বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন।

 

ফুটবল ক্যারিয়ারঃ

পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে তিনি আর্জেন্টিনো জুনিয়র্স, বোকাজুনিয়র্স, বার্সেলোনা, নাপোলি, সেভিয়া এবং নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের হয়ে খেলেছেন।জাতীয় দলের হয়ে তিনি চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন।তন্মধ্যে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন এবং ১৯৯০ তে রানার্সআপ ।এছাড়াও একই ম্যাচে ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলের কথা কারোই অজানা নয়।১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের ৫ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে করা তাঁর অসাধারণ ওই গোলটি ‘গোল অফ দ্যা সেঞ্চুরি’নামে খ্যাত।এ গোল সম্পর্কে ম্যারাডোনা বলেছিলেন,”আমি এটা ভালদানোকে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু যখন আমি ওখানে আসি তখন সবাই আমাকে ঘিরে ধরেছিল এবং আমার জন্য কোনো জায়গা ছিলনা।কিন্তু,আমার খেলাটা শেষ করার ছিল”
১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর,বুয়েনোস আইরেস প্রদেশের লানুস শহরের পলিক্লিনিকো এভিতা হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন ডিয়েগো,ডিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা।কে ভেবেছিল এই ব্যাক্তিটিই হবে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক?জন্ম লানুস শহরে হলেও বুয়েন্স এইরেসেরই নগর ভিয়া ফিওরিতো তে তার বেড়ে ওঠা।ছয় ভাইবোনের মধ্যে ডিয়েগো ছিলেন চতুর্থ।

দারিদ্রতা তাঁর ফুটবল প্রতিভাকে গ্রাস করতে পারেনি।১০ বছর বয়সে এস্ত্রেয়ার হয়ে খেলার সময় এক স্কাউট তাকে খুজে বের করেন এবং ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্স ক্লাবের যুবদলে যোগদান করেন।এ সময়ে ক্লাবটি টানা ১৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে রেকর্ড করে।নিজের ১৬তম জন্মদিনের ১০ দিন আগে তিনি মূল দলের হয়ে অভিষেক করেন।সেখানে তিনি ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ছিলেন এবং ১৬৭ খেলায় ১১৫টি গোল করেন।১৯৮১ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি আর্জেন্টিনার আরেক বিখ্যাত ক্লাব বোকা জুনিয়র্সে যোগ দেন এবং পরের মৌসুমে প্রথম বারের মত লীগ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করেন।

১৯৮২ ফিফা বিশ্বকাপ ছিল জাতীয় দলের হয়ে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ।প্রথম বিশ্বকাপটি তাঁর জন্য ভাল যায়নি,দ্বিতীয় পর্বেই বাদ পড়ে যায় আর্জেন্টিনা।
১৯৮২ ফিফা বিশ্বকাপের পরই রেকর্ড ৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনায় যোগ দেন এই তারকা।কিন্তু বার্সার হয়ে তাঁর ক্যারিয়ার সুখকর ছিল না।১৯৮৩ সালে বার্সার হয়ে কোপা দেল রে এবং স্প্যানিশ সুপার কাপই ছিল বার্সার হয়ে তাঁর অর্জন। বার্সার ক্লাব পরিচালকদের সাথে ঘনঘন বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে তাকে ক্লাব ছাড়তে হয়।

নাপোলিই ছিল ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।বার্সা ছেড়ে যোগ দেওয়ার পর এ ক্লাবটিকে তিনি বিশ্বদরবারে পরিচিত করে তোলেন।তিনি খুব দ্রুত ক্লাবের সমর্থকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এবং সেই সময়টিই ছিল নাপোলির ইতিহাসের সফলতম যুগ। মারাদোনার অধীনে নাপোলি ১৯৮৬–৮৭ ও ১৯৮৯–৯০ মৌসুমে সিরি এ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে এবং ১৯৮৯–৮৮ ও ১৯৮৮–৮৯ মৌসুমে তারা রানার-আপ হয়। এছাড়া মারাদোনার সময়ে নাপোলি একবার কোপা ইতালিয়া জিতে (১৯৮৭) এবং একবার রানার-আপ (১৯৮৯) হয় এবং ১৯৯০ সালে ইতালীয় সুপার কাপ জিতে। ১৯৮৭–৮৮ মৌসুমের সিরি এ-তে মারাদোনা সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন।

ব্যাক্তিগত সমস্যা যেন তাঁর পিছু ছাড়ছিলই না।তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন।কোকেইনের প্রতি তাঁর নেশা বাড়তে থাকে,অনুশীলনে অনুপস্থিত থাকার কারণে ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে ৭০০০০ ডলার জরিমানা করা হয়।নাপোলির জনগন তাকে এতই ভালবেসেছিল যে নিজেরাই এত অর্থ জোগাড় করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল,কিন্তু ম্যারাডোনা আর ওই ক্লাবে থাকেননি।নাপোলি তাঁর প্রতি সন্মান রেখে ১০ নম্বর জার্সিটি দাপ্তরিকভাবে তুলে রাখে,উল্লেখ্য তিনি নাপোলিতে ১০ নম্বর পড়ে খেলতেন।

ফর্মের তুঙ্গে থেকে তিনি ১৯৮৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন।ওই দলে ছিলনা কোনো তারকা খেলোয়াড়,ছিলেন একজন ম্যারাডোনা।সম্পুর্ণ একক গুণে তিনি আর্জেন্টিনার ইতিহাসে ২য় বিশ্বকাপ জয় করেন।কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজেকে কিংবদন্তীর আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন।ওই ম্যাচে মিডফিল্ড থেকে ৫ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে সম্পুর্ণ একক প্রচেষ্টায় তিনি একটি গোল করেন,অপরটি করেছিলেন হাত ব্যবহার করে,এরপর থেকে সেই গোলটি হ্যান্ড অফ গড নামে পরিচিত।বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি তিনি গোল্ডেন বল জয় করেন।
১৯৯০ ছিল তাঁর তৃতীয় বিশ্বকাপ।ইঞ্জুরি সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় তিনি ঐ আসরে ১৯৮৬ এর মত নৈপুন্য দেখাতে পারেন নি।তবুও আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছায় এবং প্রতিপক্ষ থাকে পশ্চিম জার্মানী।বিতর্কিত পেনাল্টি লাভ করে জার্মানী ওই আসরের চ্যাম্পিয়ন হয়

আবারো চলে আসি ক্লাব ফুটবল ক্যারিয়ারে,বিশ্বকাপ ছাড়ার পর তিনি ডোপ টেস্টে পজিটিভ হন,মূলত এই কারণেই তিনি ১৯৯২ সালে ন্যাপোলি ছেড়ে দিয়েছিলেন।এরপর সেভিয়া,নিউওয়েজ ওল্ড বয়েজের হয়ে খেলে তিনি বোকা জুনিয়র্সে ফিরে আসেন।

১৯৯৪ সালে তিনি ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলেন,যদিও টুর্নামেন্টে মাত্র ২টা ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন তিনি। ড্রাগ টেস্টে এফিড্রিন ডোপিং-এর কারণে তাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কার করা হয়। নিজের আত্মজীবনীতে মারাদোনা ঐ টেস্ট সম্পর্কে বলেন যে তার ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক তাকে এনার্জি ড্রিংক রিপ ফুয়েল দেওয়ার কারণে তিনি ড্রাগ টেস্টে ধরা পড়েছেন। তার দাবি ছিল, পানীয়টির যুক্তরাষ্ট্রীয় সংস্করণ আর্জেন্টিনীয় সংস্করণের মত নয়, যার মধ্যে ঐ রাসায়নিক দ্রব্যটি ছিল এবং তার প্রশিক্ষক অনিচ্ছাকৃতভাবে তা ব্যবহার করে। ফিফা তাকে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কার করে এবং আর্জেন্টিনাও দ্বিতীয় পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। মারাদোনা আলাদাভাবে এও দাবী করেন যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের পূর্বে ওজন কমানোর জন্য ঐ রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারে ফিফার সাথে তার একটি চুক্তি হয়েছিল।

১৯৯৪ বিশ্বকাপের পর মারাদোনার ১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটে।

কোচিং ক্যারিয়ারঃ

তেক্সতিল মান্দিইউ ক্লাবের হয়ে ১৯৯৪ সালে ম্যারাডোনা কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন,সেখানে ১ মৌসুম থেকে রেসিং ক্লাবে যোগদান করেন ডিয়েগো,উভয় ক্লাবেই খুব কম সফলতা পান।

কোচিং ক্যারিয়ার অতটা সমৃদ্ধ না থাকা সত্ত্বেও তিনি ২০০৮ সালে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পান।ওইসময় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ধুঁকতে থাকা আর্জেন্টিনাকে মূল পর্বে নিয়ে যান ডিয়েগো।২০১০ বিশ্বকাপ আসরে আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানীর কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।

ম্যারাডোনা নিজে বলেছিলেন ভ্যানিজুয়েলার রাস্ট্রীয় অতিথি হিসেবে গিয়ে-

“এখনকার প্রজন্ম ফুটবলের চাইতে অর্থটাকে বেশি ভালবাসে,চারিদিকে গ্লামারসের আলোকছটায় ঢাকা পরে যায় ফুটবলের শৈল্পীক ছোয়া।কিন্তু আমি যখন ফুটবল খেলেছি তখন ভালবেসে ফুটবলটাকে খেলেছি তাই আমি হাত দিয়ে গোল করতে পেরেছিলাম এবং সেটা রেফারির চোখে বৈধ ঘোষনা করা হয়েছিল,আমি ঐ গোলের ব্যাপারে তখন কিছু প্রকাশ করিনি কেননা আমি জানতাম আমি যেটা করেছি সেটা প্রবল দেশপ্রেম থেকে এসেছে,ওটা আমার একার সিদ্ধান্ত ছিলনা ওটা ছিল বৃটিশদের বিরুদ্ধে গোটা ফকল্যান্ড বাসির আন্দোলন ।”

সংক্ষেপে এই লিজেন্ডের অর্জনসমূহঃ

ক্লাব খেলোয়াড়ঃ

@আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্স
#রানারআপ
• আর্জেন্টিনীয় প্রিমেরা দিভিশন: ১৯৮০ মেত্রোপলিতানো
বোকা জুনিয়র্স
#বিজয়ী
• আর্জেন্টিনীয় প্রিমেরা দিভিশন: ১৯৮১ মেত্রোপলিতানো
#রানারআপ
• আর্জেন্টিনীয় প্রিমেরা দিভিশন: ১৯৯৭ আপের্তুরা

@বার্সেলোনা

#বিজয়ী
• কোপা দেল রে: ১৯৮৩
• কোপা দি লা লিগা: ১৯৮৩
• স্পেনীয় সুপার কোপা: ১৯৮৩

@ নাপোলি

#বিজয়ী
• সিরি এ (২): ১৯৮৭, ১৯৯০
• কোপা ইতালিয়া: ১৯৮৭
• উয়েফা কাপ: ১৯৮৯
• সুপারকোপা ইতালিয়ান: ১৯৯০

#রানারআপ
• সিরি এ (২): ১৯৮৮, ১৯৮৯
• কোপা ইতালিয়া: ১৯৮৯
জাতীয় দল

@ আর্জেন্টিনা

#বিজয়ী
• ফিফা বিশ্ব যুব চ্যাম্পিয়নশিপ: ১৯৭৯
• ৭৫তম বার্ষিকী ফিফা কাপ: ১৯৭৯
• ফিফা বিশ্বকাপ: ১৯৮৬
• আর্তেমিও ফ্রাঞ্চি ট্রফি: ১৯৯৩

#রানারআপ
• দক্ষিণ আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশিপ: ১৯৭৯
• ফিফা বিশ্বকাপ: ১৯৯০

ক্লাব
ম্যানেজার
আল-ওয়াসল
#রানারআপ
• গাল্ফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নস লীগ: ২০১২

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত