চুলের আমি চুলের তুমি চুল দিয়ে যায় চেনা

“মোর প্রিয়া হবে এসো রানী দেবো খোঁপায় তারার ফুল” নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত গান বা জীবনবাবুর বিখ্যাত পংক্তি “চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা” কোন কেশবতী নারী দেখলেই হয়ত আনমনেই বলে উঠি আমরা কিংবা যারা একটু মজার মানুষ তারা হয়ত একটু মজা করে বলেন-

চুলের আমি চুলের তুমি চুল দিয়ে যায় চেনা। কোনও দিন ভেবে দেখেছেন যে একটি মেয়ের চুলের স্টাইল বলে দিতে পারে সে বিবাহিত না অবিবাহিত! আমাদের এখানে এরকম প্রথা নেই। যদি চুলের স্টাইল দেখেই বোঝা যায় মেয়েটি বিবাহিত না অবিবাহিত? এরকম একটি গ্রাম রয়েছে মায়ানমারে। প্রায় দু’শো বছর ধরে সেই গ্রামের মেয়েদের চুলের স্টাইল দেখে বোঝা যায়, কে বিবাহিত আর কে অবিবাহিত। যারা বিবাহিত, তাঁরা সামনের চুল ব্যাক ব্রাশ করে একটি খোপা করেন।

যাঁরা অবিবাহিত, ডেটিংয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি ,তাঁরা তাঁদের ছোট চুল কানের পাশে নিয়ে আসেন এবং মাথায় একটি ঝুঁটি করেন। ১৮ বছর বয়স হলেই মা-রা মোটামুটি মেয়েদের চুলের স্টাইল শিখিয়ে দেন। গত ২০০ বছর ধরে চলে আসা এই প্রথা সত্যিই অভিনব। রায়মশায় লিখেছিলেন ‘গোঁফের আমি গোঁফের তুমি, গোঁফ দিয়ে যায় চেনা”। হালে এই গ্রামে গোঁফ দিয়ে না হলেও অন্তত চুলের আমি চুলের তুমি চুল দিয়ে যায় চেনা, এটা বলাই যায়!

 

 

.

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত