| 20 মে 2024
Categories
গীতরঙ্গ

সাপ্তাহিক গীতরঙ্গ: ময়ূরপঙ্খী গান । পলাশ চন্দ্র পোড়েল

আনুমানিক পঠনকাল: 6 মিনিট

দামোদর নদের নিজস্ব লোকসংগীত: ময়ূরপঙ্খী গান

পলাশ চন্দ্র পোড়েল 

 

‌গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনে নৌকার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। সুপ্রাচীন কাল থেকে লোকসংস্কৃতিতেও এই বিশেষ জলযানটি তার ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করেছে। এই ভাবেই দামোদর উপত্যকায়, বিশেষত দক্ষিণ রাঢ় অঞ্চলের বর্ধমান জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এবং বাঁকুড়া, হুগলি ও হাওড়া জেলার কোন কোন অংশে শ্রমজীবী মানুষের মৃনোরঞ্জনের মাধ্যম হিসাবে ময়ূরপঙ্খী গানের উৎপত্তি হয়। গরুর গাড়ির উপর বাঁশের কাঠামোয় তৈরি হয় নৌকার রূপ। সামনে ও পিছনে থাকে ময়ূরের মুখ ও লেজের আকৃতি। রঙিন কাগজ দিয়ে এই অবয়বটি সাজানো হয়। এইভাবেই তৈরি হয় লোকায়ত ময়ূরপঙ্খী নৌকা। অভিনব এই কাঠামো সজ্জা। সাধারণত পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তির দিন নদীর বালুকাময় চড়ায় অনুষ্ঠিত হয় ময়ূরপঙ্খী গানের লড়াই। দু’দলের মধ্যে চলে প্রতিযোগিতা। গানের বিষয় মূলত রাধা কৃষ্ণকে নিয়ে। কুশীলবেরা সকলেই গ্রামীণ শিল্পী- মূল গায়েন ও দোহারের দল। আর বাজনা বলতে ঢাক আর কাঁসি। এই গান অনেকটা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার কিছুটা লৌকিক প্রতিরূপ বলা যেতে পারে। এই গানে যে লড়াই হয় সেই লড়াইয়ের একটি দল কৃষ্ণের ভূমিকায়, তার বিপক্ষে থাকে রাধা বা গোপির দল। এই দু’দলের মধ্যে গানে গানে যে খণ্ড-খণ্ড নাট্যগীতির চাপান-উতোর, রঙ্গরস চলে তাতে খুব স্বাভাবিকভাবে মনে করা যেতেই পারে, এ গানের লড়াইয়ে বৈষ্ণব-রসধারার ছোপ অবশ্যই আছে।



‌ময়ূরপঙ্খী গানগুলির কোনওটি কৃষ্ণ উক্তি , কোনওটি গোপী উক্তি বা রাধা উক্তি। আবার মাঝে মাঝে বৃন্দা উক্তি, নারদ উক্তি – এসব পাওয়া যায়। এ গানের প্রতিযোগিতায় কৃষ্ণ, রাধা বা অন্য যে কোনো ভূমিকায় লৌকিক দিকটি প্রাধান্য লাভ করেছে। পৌরাণিক বিভিন্ন বিষয়বস্তু বা শাস্ত্রীয় উপাদানেরও প্রাচুর্য এখানে কম নয় । ময়ূরপঙ্খী গানে তাই বৈষ্ণবীয় ছাপ খুব বেশি দেখা যায়। ময়ূরপঙ্খী গানে বন্দনা গানে ভক্তিভাবের লক্ষণটি বেশ নজরে পড়ে।



‌ময়ূরপঙ্খী গানের লড়াই কিছুটা নাট্যগীতি পর্যায়ে পড়লেও দীর্ঘ ধারাবাহিক নাট্য কাহিনী এতে নেই। এগুলিকে খন্ড খন্ড নাট্যগীতি বলা চলে। ময়ূরপঙ্খী গানে কৃষ্ণ -উক্তি ও গোপী উক্তির চাপান-উতোর আদি রসের কিছু ছাপ লক্ষ্য করা যায়। যমুনার ঘাটে গোপীদের সঙ্গে কৃষ্ণের কথা কাটা কাটি কাটি তার প্রমাণ। ময়ূরপঙ্খী গানেও পৌরাণিক ও লৌকিক উপাদানে সিক্ত বাকবিতণ্ডা আমরা পাই। রাধা কৃষ্ণের প্রেমলীলা কে এখানে ততবেশি না দেখা গেলেও, মৌখিক লোকসাহিত্য এখানে নিজস্ব। এখানে যে খণ্ডচিত্র সেটিতে দেখা যায় শ্রমজীবীদের কথা।ময়ূরপঙ্খী তার সহজ সরল গানে শ্রমজীবী মানুষের আনন্দের উপাদান হয়ে দাঁড়ায়। মানুষের নিজস্ব সুখ-দুঃখ সোজাসুজি এ গানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। নিজস্ব রীতিতে আপন খেয়ালে ময়ূরপঙ্খী গান রচনা করে শ্রমজীবী লেখক গোষ্ঠী সেই গানের প্রসার কে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

সমগ্র দামোদর নদের প্রবাহপথের একমাত্র নিজস্ব লোকসংগীত ময়ূরপঙ্খী গান। হাওড়া জেলায় হারিয়ে গেছে। মাঝিদের মুখে আর শোনা যায় না। সামান্য কিছু টিকে আছে বাঁকুড়া, বর্ধমান ও হুগলি জেলায়। উৎসব উপলক্ষে সাজানো হয় কৃত্রিম ময়ূরপঙ্খী নৌকার আদলে শকট গাড়ি। তার পর চলে সংগীত। (হাওড়া জেলার কথা)

হাওড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে এই গানের সুর আজও খুঁজলে কিছু পাওয়া যায়। বাকসি হাটে মালপত্র নিয়ে যেত এমন ব্যক্তিদের কাছে শোনা যায় অস্পষ্ট দু এক কলি।দল ছিল গড়চুমুক, শিবগঞ্জ, ডিহিভূরশুট, পিয়ারাপুর, জয়নগর, রসপুর প্রভৃতি গ্রামে। হাওড়া জেলার দামোদর উপত্যকায় হাওড়া জেলার (এখন হুগলি জেলার) উদয়নারায়ণপুরের বকপোতা বন্দরে উল্টো দিকে চরায় মকরের মেলায়/যাঁতের মেলা/চরার মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ৫০/৬০ বছর পূর্বে ওখানে ময়ূরপঙ্খী গানের আসর বসত। হুগলি জেলার রাজবলহাট, আঁটপুর, রসিদপুর,গুটিসিংটি,দিলাকাশ প্রভৃতি গ্রামের দল আসতো, (হাওড়া জেলার কথা) আর হাওড়া জেলার জঙ্গলপাড়া, আকনা, পিয়ারাপুর হরালী, সীতাপুর, রামপুর, আসণ্ডা থেকে দল যেত। সারাদিন চলতো গানের লড়াই। বকপোতা পোনাবাজার লোকসমাগমে গমগম করতো পিয়ারাপুর থেকে অভিরাম মাল,গৌরমোহন পোড়েল, কাঙালি ঘোড়ুই,বেচারাম হাজরা, রনজিৎ সাউ প্রমুখ গানে অংশ নিতেন। সারা বছর চাষ আর বন্যার দেশের মানুষের বিনোদনের উপকরণ খুব কম ছিল। পিয়ারাপুরের ভূতভাঙায় খালের পাড়ে মেলাতে শুধুমাত্র গ্রামের উত্তরপাড়া ও দক্ষিণপাড়ার মধ্যে গানের লড়াই হতো। অনেকটা ছিল তর্জার মতো। তবে উগ্র আদি রসাত্মক ছিল না। মূলতঃ হরিনাম ও কৃষ্ণলীলা কেন্দ্রীক ছিল।



পুরাতন তথ্য থেকে জানা যায়, ডিহিভূরশুটে পৌষ সংক্রান্তির বা মকরসংক্রান্তির দিন দামোদর নদীর বালুচরে অনুষ্ঠিত হতো ময়ূরপঙ্খী গানের লড়াই। ডিহিদার উপস্থিত থাকতেন। পুরস্কার দিতেন। গানের লড়াই চলতো মূলতঃ রাধাকৃষ্ণ বিষয়ে। সকলেই ছিলেন কৃষিজীবী। রামপুর ও আসণ্ডা থেকে মূল গায়েন ও দোহারের দল আসতো। এই লড়াইয়ে ঢাক আর কাঁসি প্রধান ছিল। তবে শঙ্খ বাজিয়ে অভিনন্দন জানানো হতো। ফুলের মালা ও চন্দন দিয়ে বরণ করা হতো।

গরুর গাড়ির ওপর বাঁশের কাঠামোয় তৈরি হয় নৌকার রূপ। সামনে ও পিছনে থাকে ময়ূরের মুখ ও লেজের আকৃতি। রঙিন কাগজ দিয়ে এই অবয়বটি সাজানো হয়। এই ভাবেই তৈরি হয় লোকায়ত ময়ূরপঙ্খী নৌকা। অভিনব এই কাঠামো সজ্জা। (হাওড়া জেলার কথা) মূলত কৃষ্ণ, রাধা, গোপী, সুবল, নারদ ইত্যাদি ছিল মূল চরিত্র।একদল রাধা পক্ষে আর একদল কৃষ্ণ পক্ষের। চাপান উত্তর চলত কবিগান বা তর্জার মতো। শুরু হতো বাজনা বাজিয়ে। তারপর আসর বন্দনা ও হরি বন্দনা। এর পর মূল পালা। এই গানে তৎকালীন খেউর বা আদিরসাত্মক ব্যাপার ছিল। (হাওড়া জেলার কথা) উদয়নারায়ণপুরের পিয়ারাপুর গ্রামের গৌর মোহন পোড়েল (পিতা- শশীভূষণ পোড়েল) খঞ্জনী ও বেহালা বাজিয়ে গান করতেন। এবং গাইয়ে দলে যোগ দিয়ে বিভিন্ন স্থানে গান করতে যেতেন। লিখেছেন গান কিন্তু সেই খাতা ৭৮ সালের বড় বন্যায় নষ্ট হয়ে যায়। কিছু কিছু গান তিনি করতেন সেগুলো পরবর্তী সময়ে লেখার চেষ্টা হলেও উদ্ধার করা যায়নি সম্পূর্ণ। উদ্ধার করা তেমনি একটি গান বন্ধুদের জন্য দেওয়া হলো-

ওহে দয়াময় সবার প্রথমে তোমারে করি প্রণিপাত
প্রভু তুমি অনাথের নাথ ।।
সখা রূপে তুমি এসো হে ধরায়
উদ্ধারিতে জীবে হে কৃপাময়।
হেইয়া হে হেইয়ারে হেইয়া।।
তোমার পরশে যেন কাটে গো এ ঘোর অমানিশা রাত।।
বিপদতারণ তুমি নদী- সাগরে নাহি ভয়
হে দয়াময় ,হে কৃপাময়।
হেইয়া হে হেইয়ারে হেইয়া।।
নানা দিকে যাই তব নামে দিই জয়
হে দয়াময় ,হে কৃপাময় ।।
তব শ্রীচরণে গৌর মিনতি জানায়, শত প্রণতি জানায়
অধমজনে কৃপা করো কৃপাময়
হেইয়া হে হেইয়ারে হেইয়া।।
নৌকা চলে দামোদরে তুমি থাকো প্রভু সবাকার সাথ।
ও মাঝি সামলে চলো… হেইয়া হে হেইয়ারে হেইয়া।।

কথা ও সুর : গৌর মোহন পোড়েল

(২)
কোথায় আছো হে মধুসূদন।
অধম জনে দয়া ক’রে দাও রাঙা চরণ ।।
(হরি হে )আমার দেহতরি নাই কান্ডারি কী করি এখন।
(আবার) হৃদে ব’সে চালাও এসে ইচ্ছা হয় যেমন ।।
(হরি হে) আমার দেহতরি কান্ডারি যে আছয়ে ছয়জন।
( আবার )ঘূর্ণিপাকে ফেলে তারা করে জ্বালাতন ।।
(হরি হে) আমার দেহতরি নোঙর ভারি মায়ারই বন্ধন।
(আবার) নিজগুণে নাও হে তুলে পতিত পাবন।।

(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(৩)
হরি হরি বলো তোমরা সকলে ।
হরি ব’লে করো মজা আজকের মকরে ।।
(আরে ঐ) ভক্তাধীন নামটি হরির আছে চরাচরে।
( আবার) বিপদে পড়িলে ভক্ত উদ্ধার করে ,
হরি হরি বলো তোমরা সকলে।‌।

(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(৪)
(আরে ঐ) বাঁশের বাঁশি কালো শশী বলে রাধা রাই।
(আবার) কী বাঁশি তার জনম কোথায় সেইটি শুনতে চাই।।

(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(৫)
মাঝি ব’লে ঠাট্টা ক’রোনা।
তোমরা মাঝির গুণ তো জাননা ।।
(আরে ঐ) পূর্ব-দিক ফর্সা হ’ল চেয়ে দেখলি না।
(আবার) যমরাজা ঢুকেছে ঘরে রেখেও যাবেনা ।।
(আরে ঐ) যাবার সময় পারের ভাবনা ভেবে দেখ না।
(আবার )ঘাটে ব’সে কাঁদবি শেষে, ‘ও মাঝি এসো না ‘।।

(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(৬)
আমারে রেখো হরি যতনে।
আমার শেষের সে-দিনে।।
(আরে ঐ )যেদিন প্রাণ ছেড়ে যাবে লয়ে যাবে শ্মশানে।
(আবার) স্ত্রী পুত্র সবাই মিছে নিশার স্বপনে ।।
(আরে ঐ ) মিছে করো আপন আপন মায়ার বন্ধনে।
(আবার) ঘুম ভাঙলে হয় গো চেতন সকলে জানে ।।
(আরে ঐ) কতো বিভীষিকা দেখতে পাবে শুয়ে স্বপনে ।
(আবার) আমার এ সংসার মাঝে কেউ কাহার নহে ।।
(আরে ঐ) ডাকতে পারো সোনা তুমি যাবার দিনে ।
(আবার) কৃপা ক’রে ঠাঁই দিও গো ঐ শ্রীচরণে।।
(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(৭)
বদরপীরের জয় দিয়ে ছাড়লাম তরি।
(ও ভাই) ছাড়িলাম তরি।।
তোমার নাম নিলাম ওগো দয়াল হরি।
বন্দিলাম যত দেব দেবী স্মরণ করি।
পথে নেই বিপদ যদি তাদের পূজা করি।।
(আরে ঐ) জয় তারকেশ্বর ভোলা মহেশ প্রণাম করি।
(আবার) হরিনামে দিলাম রে ভাই ভব সাগর পাড়ি।।
( কথা ও সুর- গৌরমোহন পোড়েল)

(৮)
প্রেমের ছাড়লাম তরি এইবারে।
একবার সার বলো হরি বদন ভ’রে ।।
( আরে ঐ) হরি বলে পাল তুলে দিই তরির মাস্তুলে।
( আবার) হরি হবে সখা,দেবে দেখা সেই নিদান কালে।।
(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(৯)
তরি ভাসছে প্রেমের সাগরে।
তোরা কে পারে যাবি আয় ত্বরা করে।।
( আরে ঐ) আমার মতো রসিক নেয়ে নেইতো সংসারে।
(আবার) গোছে গোছে পার করে দিই রসের খোঁচ মেরে।।
(আরে ঐ) গোপীগণ ভজ মন বলি এবারে।
( আবার) ভবনদী পার করে দিই অকূল পাথারে।।
(কথা ও সুর – প্রচলিত )

(১০)
দামোদরে বান এলো ভাসলো ঘরখানা।
হরি হে, কৃপাময় পথ দেখাও না ।।
(হরি হে) নদী ভরে জল এলো , ফসল গেল ভেসে।
( আবার) কেমন করে বাঁচবে জীবন হিসাব করি বসে।।
(হরি হে) তরি ভাসালাম তাই এবার দরিয়ায়।
হাল ধরে পাল তুলেছি হরিবোলে নেচে নেচে আয়।।

( কথা ও সুর- গৌরমোহন পোড়েল)

 

 


 

লেখক পরিচিতি

 

পলাশ চন্দ্র পোড়েল, শিক্ষক, আঞ্চলিক ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি গবেষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ক্যুইজমাস্টার, ও সম্পাদক।জন্ম – পিয়ারাপুর, উদয়নারায়ণপুর, হাওড়া। পিতা ও মাতার নাম- ৺নিমাই ,৺ আল্পনা। শিক্ষাগত যোগ্যতা- ডবল এম এ( ভূগোল, এডুকেশন) , বি এড। পেশা- সহ শিক্ষক, বড়দা গঙ্গাধর হাইস্কুল। *সম্পাদক- হাওড়া জেলার কথা ও আন্তর্জাতিক সাপ্তাহিক পলাশ সাহিত্য পত্রিকা।* সাহিত্য চর্চা- পাঁচারুল শ্রীহরি বিদ্যামন্দিরে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়তে পড়তে লেখালেখি শুরু। বিভিন্ন ছোট পত্রিকা( মেটেফুল, অভিযান, পাঞ্চজন্য, শম্পা,সারঙ্গ আলো ভূমিজ ইত্যাদি), রং বেরং, দৌড়, আমি অনন্যা, তথ্যকেন্দ্র, কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান এর মতো কয়েকটি বড় বাণিজ্যিক পত্রিকায় লেখা প্রকাশ পায়।সারা ভারতবর্ষ এবং আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, বাংলাদেশ, নরওয়ে, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি বিভিন্ন দেশের পত্র-পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। রেডিও তে নিয়মিত কবিতা পড়া হয়। * FM Rainbow থেকে সেরা পলেসুর সম্মান লাভ। হাওড়া জেলা বইমেলা কমিটির সম্মান, হাওড়ার বঙ্কিম মেলার সম্মান, হাওড়ার সত্যজিৎ রায় জন্মোৎসব কমিটির সম্মান, এই সময় পত্রিকা সম্মান ছাড়াও অনেক ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান ও পত্রিকা থেকে সম্মান লাভ। *প্রকাশিত বই- গৌর দাসের আখড়ার বোষ্টমি,একতারার সুর, উদয়নারায়ণপুর জনপদ কথা ( ব্যক্তিগত ভাবে) , ভূমি (একটি আবাদের গল্প),বোষ্টমী ও বাউল কথা। হাওড়া জেলার ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতি নিয়ে নিরন্তর কাজ চলছে। *ওয়েবসাইটে হাওড়া জেলার কথা গ্রুপ ও পেজ নিয়ত জনপ্রিয় হচ্ছে।
বর্তমান ঠিকানা : কুলডাঙা, পাঁচলা, হাওড়া

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত