Site icon ইরাবতী

মুখার্জিদার বউঃ হিংসার বদলে বন্ধু হতে শেখায়

Reading Time: 2 minutes
ছবিঃ ইন্টারনেট
নারী দিবসে মহিলাদের এক অনন্য লড়াইয়ের কাহিনি বলেছে ‘মুখার্জিদার বউ’। মধ্যবিত্ত বাড়ির একটাই টিভিতে শাশুড়ি মেগাধারাবাহিক দেখলে বউমা তার পছন্দের কিছু দেখতে পারেন না। দু’ জনেরই পরিচয় মুখার্জী দার বউ। আমাদের বাড়িতে বা পড়শির বাড়িতে ঠিক যে মুহূর্তগুলো তৈরি হয়, সেগুলো নিঁখুতভাবে ছবিতে তুলে এনেছেন পরিচালক পৃথা চক্রবর্তী।  
ছবিঃ ইন্টারনেট
মান-অভিমান চরমে পৌঁছলে শাশুড়ি-বউমা সাইকোলজিস্টের কাছে যান… আপনার জীবনে একই সমস্যা থাকলে, ধরে নিন পৃথাই সাইকোলজিস্ট…কনীনিকা আর অনসূয়া শাশুড়ি-বউমার চরিত্রে বিশ্বাসযোগ্য। অপরাজিতা ভালো। তবে সাইকোলজিস্টের চরিত্রে ঋতুপর্ণাকেই সবচেয়ে ভালো লেগেছে এ ছবিতে। ‘মুখার্জী দার বউ’ এমন কোনও গল্পকে বড়পর্দায় আনেনি, যা অপরিচিত। তবে চিত্রনাট্যের বুনোট যেমন, তাতে অভিযোগ জমে না। কিন্তু এ ছবির রেস্তোরাঁয় ঢুকে শাশুড়ি-বউমার খাওয়া বা ওয়াইন গ্লাসে চিয়ার্স করা ধাঁচের দৃশ্য বা ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে বউমা যখন বেরিয়ে যায়, তখন শাশুড়ির মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা, আমার কী হবে, এসব কিন্তু বাঙালি আগে দেখেছে। তাতে ধুলো জমেনি এখনও।
ছবিঃ ইন্টারনেট

ভাল লাগে কনীনিকা, বিশ্বনাথের অভিনয়। তাঁদের অভিনয় আখ্যানকে সাবলীল ভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়। ছবির শেষে অতিথি অভিনেতা হিসেবে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে মঞ্চে দেখতেও ভাল লাগে। সেই মঞ্চেই শাশুড়ি ও বউমা মন খুলে কথা বললেন। বড় সুন্দর এই মুহূর্ত।

সত্যিই কি নারী দিবসে নারীদের এই ছবি কোনও মুক্তির কথা বলবে? জানি না। তবে এই ছবির মতো যদি আমরা হিংসার বদলে একটু বন্ধু হতে পারি, তা হলে, বাড়ি থেকে সমাজ, সব কিছু বদলে যাবে।অন্য রকম হতে পারে সব কিছুই।

  অভিনয়: কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসু, অনসূয়া মজুমদার, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, বাদশা মৈত্র    
Exit mobile version