| 14 এপ্রিল 2024
Categories
উৎসব সংখ্যা’২০২১

উৎসব সংখ্যা গল্প: স্বপ্নের মত শেষটা । অপরাজিতা ঘোষ 

আনুমানিক পঠনকাল: 5 মিনিট

দৌড়তে দৌড়তে দৌড়তে ছেলেটা থেমে গেল। আর যাওয়ার উপায় নেই। ছুটতে ছুটতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে! আর সামনে  দেখছে অনন্ত সমুদ্র। কি করবে এখন ? হয় তাকে থেমে যেতে হবে। নয়তো সমুদ্রের চোখে চোখ রেখে এগিয়ে যেতে হবে… এরকম একটা স্বপ্ন প্রায়ই দেখে বিতান। স্বপ্নের শেষটা কোনোদিন দেখতে পায়না।তার আগেই প্রত্যেকবার ঘূমটা ভেঙে যায়। 

এবছর ক্লাস ইলেভনএ উঠেছে।পেকেছেও বেশ খানিকটা। তবে দুঃখের বিষয় তার কোনো বেষ্ট ফেন্ড নেই। বন্ধু যে ক’জন আছে, তা ওই ক্রিকেট মাঠেই। বাকি সময়টা সে একা। বিতানের মা মন্দিরা দেবীও আজকাল এটা  নিয়ে বেশ চিন্তা করেন।একটা সতের বছরের ছেলের কিনা বন্ধু নেই! খবরের কাগজে, টিভিতে তো আকছারই একাকিত্ব নিয়ে নানা আলোচনা হয়, সে সব পড়ে-শুনেই মন্দিরা দেবী একটু চিন্তায় পড়ে যান।

-‘‘মা, তোমার জিলকে মনে আছে? যাকে আমরা  “Jack and Jil/ Went up the hill” বলে রাগাতাম,’’ খাবার টেবিলে বসে মাকে জিজ্ঞাসা করল বিতান।

“মনে থাকবে না কেন?  ওই একটা মেয়েই তো তোর বন্ধু হয়েছিল। তা হঠাৎ জিলএর  কথা?’’ একটু অবাক হন মন্দিরা দেবী।

‘‘খুব মনে পড়ে জানো মা, ওর কথা। ও চলে গেল। আমাকে বলেও গেল না, কোথায় যাচ্ছে” আপন মনে কথাগুলো বলতে-বলতে খেতে শুরু করে বিতান।

ডাক নাম জিল। ভালো নাম অগ্নিহন্ত্রী গুহরায়। বিতানের  সঙ্গে ওর বন্ধুত্বটা শিশু নালন্দায় পড়ার সময় ক্লাস টু থেকে। জিল মালদা থেকে এসেছিল বেলঘরিয়ায়। ওর বাবা বেলঘরিয়া থানার বড়বাবু  হয়ে এসেছিলেন। জিল লেখাপড়ায় ভীষন ভাল । শিশু নালন্দায় টু থেকে ফোর পর্যন্ত ওই ফার্স্ট হত।

‘‘মা, জানো, জিল কিন্তু স্কুলে প্রথমদিন এসে আমার পাশেই বসেছিল। রোজ আমার পাশেই বসত।ফাইভে উঠে যেদিন বেথুন গার্লসে ভর্তি হল, আমাকে জড়িয়ে ধরে খুব কেঁদেছিল”  মাকে কথাগুলো বলে একটু উদাস হয়ে পড়ে বিতান।

‘‘প্রায় রোজই তো ওর কথা বলিস তুই। তা এতই যদি বন্ধু, তো সে তোকে বলে গেল না কেন কোথায় যাচ্ছে? নিশ্চয়ই তুই ওকে এমন কিছু বলেছিস, তাই তোকে না বলেই চলে গেল। তোর খারাপ লাগে না বাবান, এত ভাল একটা বন্ধুকে এভাবে চলে যেতে দিলি?’’ সস্নেহে ছেলের মাথায় হাত বুলোতে থাকেন মন্দিরা।

দোষটা আসলে বিতানের নয়। দোষটা পরিস্থিতির। কী করে ও মাকে বোঝাবে, যে এত বন্ধু তার হয়েছে।  কিন্তু জিল  ছাড়া অমন করে কেউ ওকে আপন করে নেয়নি। জিলের জন্যই বিতানের লেখাপড়ারও অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। ছুটির দিনে জিলদের ছোট্ট পুলিশ  কোয়ার্টারের ব্যালকনিতে চলত তীব্র অনুশীলন। বিতান কখনো অবাধ্য  হয়নি জিলের ।

‘‘বিতান, জানিস তো, জিলের বাবা বদলি হয়ে যাচ্ছেন? দিল্লি না কোথায় একটা চলে যাচ্ছে জিলরা!’’ দীপ্তেশের মুখ থেকে কথাগুলো শুনে  প্রচণ্ড রাগ হয়েছিল  বিতানের।

‘‘তাই?’’

খুব অভিমান হয়েছিল বিতানের।

জিল একবারটি নিজে এসে বলতে পারল না? আমি কি ওকে বাধা দিতাম?— এসব সাতপাঁচ ভাবতে-ভাবতে  ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করেছিল–‘যাক্ না, যাক্। ওখানে তো বিতানকে পাবেনা, যে ওর সব বকুনি শুনবে। আমিও আর কোনওদিন ওর মুখদর্শন করবোনা’’  বিতান সত্যিই তার আশ্রয়টুকু হারাতে বসেছিল। একমাত্র আশ্রয়। এর মধ্যে মোক্ষম শয়তানিটা করেছিল দীপ্তেশ।  জিলকে গিয়ে বলেছিল, ‘‘বিতান বলেছে, ও তোর মুখদর্শন করতে চায় না।’’

জিল তার নরম মুখটা  প্রাণপনে শক্ত করে বলেছিল, “আচ্ছা”

জিলের বন্ধু কলি বিতানকে জিলদের দিল্লীর  ঠিকানাটা দিয়েছিল। তারপর হঠাৎ একদিন, কাউকে কিছু না বলে স্কুল পালিয়ে বিতান সোজা চলে এল বেলঘরিয়া স্টেশনে। স্কুল ইউনিফর্মের শার্টটা  বদলে নিল স্টেশনের ওয়াশরুমে।ব্যাগে  নিয়েছিল দুটো টি-শার্ট আর দুটো জিন্স। খোঁজ খবর নিয়ে ‘রাজধানী’র টিকিট বাড়িতে বসে আগেই কেটেছিল রিজার্ভেশন কাউন্টারে। বিকাল চারটে চল্লিশের রাজধানী এক্সপ্রেস  পরদিন ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ এসে পৌঁছল নিউ দিল্লী।  শিবরাম চক্রবর্তীর ‘বাড়ি থেকে পালিয়ে’ গল্পের নায়ক কাঞ্চনের মতোই বিতান বেরিয়ে পড়েছিল অজানার উদ্দেশ্যে।

টাকা জমানোর স্বভাবটা বিতানের ছোটবেলা থেকেই।রাজধানী’র টিকিট কাটতে বেরিয়ে গেছে বেশ কিছু টাকা।তবে এই মুহুর্তে আগে- পিছে কোনোকিছু ভাবছেনা বিতান। সামনে ফাইনাল টার্ম,পরের বছর উচ্চমাধ্যমিক। অঙ্কে লেটার পেতেই হবে। জীবনবিজ্ঞান আর ভৌতবিজ্ঞানে!? আর ইংরাজি?এসব ভাবনা শিকেয় তুলে এখন “দিল্লী চলো”।

অগাষ্টের আবছা ভোরে হাঁটতে হাঁটতে এসে কলিং বেলের সুইচ টিপল বিতান। বেরিয়ে এল জিল। বেলঘরিয়া থেকে শিয়ালদা, সেখান থেকে সোজা রাজধানীতে চেপে দিল্লি!

 ‘‘মানে? তুতুতুই? তুই কী করে এলি?’’ এতটা সারপ্রাইজ়ড হবে, দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি জিল।

-“আমার কনফিডেন্স ছিল তোকে ঠিক খুঁজে পাব। নাহলে আর কিসের প্রিয় বন্ধু?” মাথা চুলকে উত্তর দেয় বিতান।

‘‘এসে তো পড়েছিস। কিন্তু তোকে  থাকতে দেবে কে?

-“কেন? তুই! এখানে আমার আর কে আছে বল?”

‘‘ঝগড়াটা যখন করতেই পারিসনা, করতে আসিস কেন?’’ জমে থাকা অভিমানগুলো ফুটে বেরিয়ে এল জিলের কথায়। হাজার হোক সেই ক্লাস সেভেন থেকে ইলেভন, চার বছর কেউ কারও মুখদর্শন তো দূর, ফোনেও একটা কথা বলেনি।

‘‘রাগ করিসনা। আমি পরে সবটা জেনেছি”

‘‘শোন, বিতান তোর এই পাকামিগুলোই না আমার ভাল লাগেনা। সবকিছুতেই ঢ্যাঁড়শ আর মুখে শুধু পাকা পাকা কথার ফুলঝুরি!  ফালতু কথা ছাড়, ভেতরে আয়”

সত্যি!এতদিন পর বকাঝকা করার একটা লোক পেয়েছে জিল।

‘‘বাবা ট্রেনিং এ ইন্দোর গেছে, মা এখন ঘুমোচ্ছে। চল তুই রেস্ট নে, বাকি কথা পরে হচ্ছে।’’

 ‘‘বিতান, তুই একা-একা এতদূর চলে এলি? বাড়ি থেকে আসতে দিল?’’ খাবার টেবিলে ব্রেকফাস্ট দিতে-দিতে জিজ্ঞেস করলেন জিলের মা। বিতান চুপ। উত্তরটা জিলই দিল, “বাড়ি থেকে পালিয়ে’র হিরো  হওয়ার চেষ্টা করছে, বুঝলে?” জিলের মায়ের প্রাণখোলা হাসিতে ভরে উঠল সকালটা।

দুপুরে জমিয়ে খাওয়াদাওয়ার পর জিল ফিসফিসিয়ে বলল, “এখন খেয়ে ঘুমিয়ে নে। আর শোন, রাতে বেশি গভীর ঘুম ঘুমোস না” জিলের এই কথাটার মধ্যে যে একটা গূঢ় অর্থ ছিল, তা যে আসলে অ্যাডভেঞ্চারের প্রথম ধাপ, সেটা বিতান  জানতে পারল ঠিক ভোর চারটেয়, একটা ঝাঁকুনিতে, ‘‘চটপট রেডি হ, আগ্রা যাব।’’

‘‘কাকিমাও যাবেন তো?’’ ঘুমচোখে জিজ্ঞেস করল বিতান।

‘‘মোটেই না, এটা আমাদের অ্যাডভেঞ্চার ট্রিপ, ’’ ওর দিকে একটা শূন্যে ঘুসি মারার ভঙ্গি করল জিল।

ক্লাস সেভেনে জিল দিল্লী চলে এসেছিল। নতুন স্কুল, নতুন বন্ধু। কিন্তু বিতানের মতো মাটির তাল সে পায়নি। যাকে গড়েপিটে নেওয়া যায় ইচ্ছে মতো। নো কমপ্লেন! শেষ দু’বছর যে কী কষ্টে কেটেছে এখানে। এদিকে গোঁ ধরেএকটা ফোনও করেনি জিল। অটোয় করে স্টেশনে পৌঁছে ইন্টারসিটি আগ্রার টিকিট কাটল জিল। ঘণ্টা দুয়েকের পথ দিল্লি থেকে আগ্রা।

‘‘শুনেছি, রাতের বেলায় নাকি তাজমহল দেখা যায়?’’ বিস্ময়  বিতানের চোখে।

‘‘ঠিকই শুনেছিস। কিন্তু তার আগে ক্যালেন্ডারে চেক কর, যে এখন পূর্ণিমা কি না।’’

‘‘ইউরেকা! ক্যালেন্ডার বলছে কালই পূর্ণিমা। তার মানে আজই টিকিটটা কেটে ফেলতে হবে?

‘‘জানি, তুমি তো আমার ভরসায় এসেছ বাছা। সেটা আমার উপর ছেড়ে দাও।’’

‘‘তোর কাছে পয়সা আছে?’’

‘‘হ্যাঁ , আছে। আমার স্কুলে ফার্স্ট হলে এক হাজার টাকা করে স্কলারশিপ দেয়। তিন বছর ধরে তিন হাজার টাকা জমিয়েছি।

“ওয়াও!”

টিকিট কাটা হল। পৌঁছেও গেল ওরা আগ্রা। কিন্তু তাজমহল তো রাতের বেলায়। তা-ও পরের দিন। সারাটা দিন কী করবে, সেই প্ল্যান বানাতে এক জায়গায় বসল। ফতেপুর সিক্রি..সিকন্দ্রা… আগ্রা ফোর্ট… খরচসাপেক্ষ! দাদুর দেওয়া হাজার টাকা আর পইতের সময় উপহার পাওয়া হাজারচারেক, এই সম্বল বিতানের। সব মিলিয়ে হাজারপাঁচেক তখনও পকেটে আছে। কিন্তু বাড়ি ফিরতে হবে তো!

‘‘ধ্যাত, অত ভাবিসনা তো। ঠিক ব্যবস্থা হয়ে যাবে,’’ ছোটবেলার এই স্বস্তিটাই যে আর পায় না বিতান। এই পরিস্থিতিতে পৃথিবীর যে কোনও মানুষ তাকে বলত, আসতে কে বলেছিল অ্যাডভেঞ্চার করতে? কিন্তু জিল সেটা বলবে না, হয়তো এই ভরসাতেই চলে এসেছে এতদূর।

‘‘ভাইয়া, ইয়াহাঁ সে ফতেপুর সিক্রি জানা হ্যায়। ক্যায়সে জায়ে বতা সকতে হ্যায়?’’ জিল স্পষ্ট হিন্দিতে জিজ্ঞাসা করল।

‘‘কাঁহা জায়ো গে বচ্চো?’’ দোকানি জিজ্ঞেস করেন।

‘‘হান্‌জি, ফতেহপুর,’’ উত্তর দেয় জিল।

‘‘শিউরাম..,’’ হাঁক পাড়েন দোকানি, ‘‘ইন লোগোকো সিক্রি ছোড় দেনা।

পঞ্জাবি দোকানি জিলকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘ঘর সে ভাগ কে আয়ে হো না? কোয়ি বাত নেহি, ম্যায়নে ভি তুমহারে উম্র মে কাফি ভাগমভাগ কি হ্যায়। অওর উয়ো জো তুমহারা দোস্ত হ্যায় না, বড়া হি নেক বন্দা হ্যায়।’’

জিল বিড়বিড় করে বলল, ‘হ্যাঁ, সেই! নেক না ন্যাকা!

এক ঘণ্টায় ফতেপুর সিক্রি। সে এক আশ্চর্য জায়গা। ইতিহাস সেখানে চলে হেঁটে বেড়ায়।

বইয়ে পড়া আইন-ই-আকবরি, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, সম্রাট আকবর,যোধাবাঈ শাহজাদা সেলিম, শাহজাহান সবকিছু জীবন্ত হয়ে  ভেসে উঠল। প্রায় ১৬ বছর নিঃসন্তান থাকার পর এই সিক্রি গ্রামেরই পীর, সেলিম চিস্তির কাছে দুয়া করে, মন্নত করে মুঘল সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি শাহাজাহা সেলিমকে পেয়েছিলেন জোধা আর  আকবর। কোথা দিয়ে চার ঘন্টা কেটে গেল। তখন

সন্ধে হয়ে এসেছে। সিক্রিতে সূর্যাস্ত দেখা একটা আলাদা অভিজ্ঞতাই বটে। বিতানের আচ্ছন্নতায় ধাক্কা দিল জিল-

“চল্! এবার বেরোতে হবে। কাল মিশন তাজমহল”

ঠিক সেই সময়ই একটা ফোন এল জিলের কাছে। বাবার ফোন, ‘‘তুই কোথায় জিল?  ঠিক আছিস তো তোরা…’’ বলতে-বলতে ফোনটা কেটে গেল। চার্জ শেষ।

এদিকে বিতানকেও ফোন করে চলেছে ওর মা ‘‘কোথায় তুই? ঠিক আছিস তো?’’

‘‘সব বলছি মা, চিন্তা কোরো না, ’’বলতে-বলতে বিতানেরও ফোনের চার্জ শেষ, কলটা ডিসকানেক্ট হয়ে গেল।

পরের সিনটা অবশ্য রীতিমতো বলিউডি সিনেমা।আগ্রা পুলিশের কাছে খবর যায়  কলকাতা থেকে একটি ছেলে কিডন্যাপ্‌ড হয়েছে। আর দিল্লি থেকেও একটি মেয়ের খোঁজ মিলছেনা। বাকি কাজটা জিলের বাবা করেন। ফতেপুর সিক্রি থেকে তখন দু’জনে বাসে ফিরছিল। হঠাৎ পুলিশ!

সিসি টিভি দেখে পুলিশ ঠিক ধরে ফেলেছিল দু’জনকে। এসব ক্ষেত্রে কি আর হয়? ফেরারিদের বাবা-মার কাছে ফেরত পাঠানোর বন্দোবস্ত করে পুলিশ। কলকাতা পুলিশের অফিসাররা আসে বিতানকে নিয়ে যেতে।

সবকিছু কি আর ওভাবে হয়, যেভাবে হবে বলে মনে হয়?

হঠাৎই দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পুলিশের ঘেরাটোপ ছাড়িয়ে ছুটতে শুরু করে বিতান। অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার পর, দূর থেকে শুনতে পায় মিষ্টি একটা ডাক, বিতান… অ্যাই বিতান..’’  কার ডাক? যত ছুটছে, ততই যেন মায়ের কথা মনে পড়ছে। আর জিল? জিল কোথায় ? থমকে দাঁড়ায় বিতান। তারপর কেমন যেন সব  ব্ল্যাক আউট। সব অন্ধকার।

‘‘বাঁদর ছেলে কোথাকার? বিছানা থেকে পড়ে গেলি কী করে, অ্যাঁ,’’ মায়ের ধ্যাতানি খেয়ে ঘুম ভাঙে বিতানের।  মানে? এগুলো স্বপ্ন ছিল??

“ওঠ ওঠ , দেখ কে এসেছে,’’ মায়ের কথা শুনে তাকিয়েই বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল বিতানের। সামনে জিল!

জিল বলল, দিল্লি চলে আয়, উচ্চ মাধ্যমিক শেষ হলেই। তাজমহল দেখতে যাব। রাতের বেলা।বুঝলি?আমি বেলঘরিয়ায় এসেছিলাম কাল। তোর কথা খুব মনে পড়ছিল। তাই দেখা করতে এলাম।’’

মাথা চুলকোতে থাকে বিতান। কোনটা স্বপ্ন, আর  কোনটাই বা সত্যি ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত