Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com,puja-2021-special-article-sushanta-kumar

উৎসব সংখ্যা প্রবন্ধ: ভাওয়াইয়া গরু-গরুর গাড়ি ও বাঙালি সংস্কৃতি

Reading Time: 5 minutes

লোকসংগীতের অমীয় সাগরে প্রাণবন্ত একটি ধারা ভাওয়াইয়া যা আজও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল এবং ভারতের কোচবিহার, আসাম, জলপাইগুড়ি জেলার বৃহৎ এক জনগোষ্ঠীর অন্তরের গান। শিল্পীর উদাস করা সুরের মুর্ছণার মাঝে ভাংতি এ গানের সুরের বৈশিষ্ট্য। ভাওয়াইয়া গানের সাথে যে শুধু গরু, গরুর-গাড়ি, মহিষ ও মইষালই জড়িত তা নয়। অন্তর চক্ষুর দৃষ্টিতে তাকালে আমরা পুরো বিষয়টিকে কিছুটা হলেও অনুধাবন বা আঁচ করতে পারি প্রয়াত ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাস উদ্দিনের সেই ঐতিহাসিক গানের মাধ্যমে। ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই হাকাও গাড়ি তুই চিলমারীর বন্দরে’…। প্রাচীনকাল থেকে চিলমারী কুড়িগ্রাম জেলার একটি প্রসিদ্ধ নদী বন্দর হিসেবে পরিচিত। আব্বাস উদ্দিনের ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’ গানটি চিলমারী বন্দরকে অধিকতর তাৎপর্য্য মন্ডিত করেছে। প্রতি বছর চিলমারীর অষ্টমীর চরে অষ্টমী তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভীড় করেন গঙ্গা ( ব্রহ্মপুত্র ) স্নানের উদ্দেশ্যে। হাজার হাজার ভক্ত দর্শনার্থীদের ভিড়ে জমজমাট মেলা হয় যা চিলমারীর অষ্টমীর মেলা নামে সর্বাধিক পরিচিত। ভাওয়াইয়া মানে গরু-গরুর গাড়ি, ভাওয়াইয়া মানে আবহমান গ্রাম বাংলার চিরায়ত লোকসংস্কৃতি – কালের আবহে হারিয়ে যাওয়া সেইসব সোনালী সবুজ স্বপ্নময় রঙিন স্মৃতি যা আজও কালের সাক্ষী হয়ে আছে। সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা ফুলে-ফলে ভরা ছায়া-ঢাকা পাখি-ডাকা চিরসবুজ অজো পাড়াগাঁয়ের আঁকাবাঁকা মেঠোপথ।

যেখানে চারিদিকে শস্যে ভরা সবুজ শ্যামল মাঠ আর নানা বর্ণের পাখির সুমধুর কলতান। বটবৃক্ষের ছায়ায় কার অন্তর না জুড়ায়! তাইতো ‘ওকি ও বন্ধু কাজল ভোমরা রে/কোন দিন আসিবেন বন্ধু কয়া যাও কয়া যাও রে/বটবৃক্ষের ছায়া যেমন রে/মোর বন্ধুর মায়া তেমন রে’…। গানটিতে একদিকে যেমন বন্ধুর প্রতি অসীম ভালবাসা ও মায়া মমতার গাঢ়ত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তেমনি গ্রাম বাংলার চিরায়ত প্রাকৃতিক ও নৈসর্গিক দৃশ্যাবলী অঙ্কিত হয়েছে। বাংলার রূপ-সৌন্দর্যে কবি শিল্পীরা মুগ্ধ হয়ে কবিতা রচনা করেন। শিল্পী তাঁর তুলির আঁচড়ে ছবি আঁকেন অকপটচিত্তে অবলীলায়। তাইতো কবি জীবনান্দ দাশের ভাষায় বলতে হয়- ‘আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’…। অকুতোভয় বাঙালি ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধার দেশ, নদীমাতৃক বাংলার আঁকাবাঁকা মেঠোপথ আর সোনালী আঁশের দেশ, গাংচিল শঙ্খ-শালিকের দেশ, বিজ্ঞানী-শিল্পী, কবি-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদের দেশ, ব্রিটিশ শাসন-শোষণ, নিপীড়ন-নির্যাতন, লাঞ্চনা-বঞ্চনা ও গঞ্জনার দেশ, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা-ব্রহ্মপুত্র-ভাওয়াইয়া, কীর্ত্তন, আউল-বাউল, জারি-সারি, মুর্শিদী, ভাটিয়ালী, ভাটির দেশ-কৃষিপ্রধান দেশ-বাংলাদেশ। বাঙালির আত্মপরিচয়ের কথা আসলে ‘দুধে-ভাতে বাঙালি’ কথাটি মনে পড়ে যায়। ব্রিটিশ শাসনাধীন তৎকালীন ভারতবর্ষে ‘দুধে-ভাতে বাঙালি’ কথাটির প্রচলন শুরু হয়। ‘দুধে-ভাতে বাঙালি’ কথাটি একদিকে যেমন বাঙালির আত্মপরিচয়ের সাক্ষ্য বহন করে তেমনি বাঙালি খাদ্যাভ্যাসেরও।

খাঁটি দুধের খাঁটি কথা কার না মনে পড়ে ? সেই স্বাদ, সেই ঘ্রাণ আজও কি ভোলার মতো। হাতের মোগরা (কব্জি ) ডুবিয়ে বাঙালি দুধ-ভাত না খেলে আত্মতৃপ্তি বা পরিতৃপ্ত হতো না। এক্ষেত্রে একটি উপমা প্রচলিত আছে- ‘দুধও মিঠা দইও মিঠা আরও মিঠা ননী/তাহার চেয়ে অধিক মিঠা মা বাপ ও জননী’…। তাই আজও আবহমান গ্রামবাংলার মানুষের মুখে প্রবাদটি কালের সাক্ষী হয়ে আছে। এক্ষেত্রে ঈশ্বরী পাটনীর ‘ আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উদ্ধৃটি প্রণিধানযোগ্য। তখনকার দিনে পিতা মাতারা দুধ ভাত খাইয়ে তাদের সন্তানকে আশীর্বাদ করতো। তাই আজও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বিশেষ করে অজো পাড়াগায়ের বয়োবৃদ্ধ লোকমুখে ‘ পিতামাতার আর্শীবাদ খা বাচা দুধ-ভাত’ নামক খনার বচনটি শুনতে পাওয়া যায়। তখন বাঙালি কৃষক বা গেরস্থের ঘরে ছিল গোয়াল ভরা গরু, গোলা ভরা ধান আর পুকুর ভরা মাছ। আর গরু হিসেব করা হতো গন্ডায়। রাখাল গাঁয়ের আঁকাবাঁকা মেঠোপথ দিয়ে গরু মাঠে চড়াতে নিয়ে যেত। সেই সাথে দ্বরাজ গলায় ভাওয়াইয়া গান জুড়ে দিতো। আবার অনেক সময় রাখাল মহিষের পিঠে চড়ে মইষালের গান গাইতো। ‘ওকি মইষাল রে/ছাড়িয়া যান না মোক/কাগাশিয়ার ঘরে রে’…। ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই/কত রব আমি পন্থের দিকে চায়ারে’…। ‘ওরে গাড়িয়াল বন্ধুরে/বন্ধু ছাড়িয়া রইতে পারিনা রে’… (আব্দুল করিম) এবং ‘গড়তে মোদের সোনার বাংলা/জীবন করবো দান’…( কছিম উদ্দিন ), ‘বটবৃক্ষের ছায়া যেমন রে/মোর বন্ধুর মায়া তেমন রে’… (আব্দুল করিম) গানগুলো এখনও গ্রাম বাংলায় কালে ভদ্রে শুনতে পাওয়া যায়। ঢেঁকি, উরুন, গাইন, যাতা যেমন বাঙালি রমনীর আত্মঅহংকার ছিল তেমনি গরু, মহিষ, গরুর-গাড়ি, লাঙ্গল, জোয়াল ছিল বিত্তবান বাঙালি বা গেরস্থের অহংকার। আর একটি বিষয় মনে পড়ার মতো আর তাহলো কোন বিশেষ মুহুর্ত বা ক্ষণ অর্থাৎ ‘গোধূলী’। আসলে ঐ ‘গোধূলী’ শব্দটির উৎপত্তিও গরুর পায়ের ধূলি হতে। সূর্যাস্তের পূর্ব মুহুর্তে রাখাল যখন গরু ছাগল নিয়ে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরতো এবং পাখিরা সব আপন মনে ঝোঁপঝাড় ও বনজঙ্গলে নিজের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতো তখন প্রকৃতিতে চারিদিকে কেমন যেন ঘন ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন কুয়াশার মতো অবস্থা বিরাজ করে এবং ঠিক কোন এক মুহুর্তে সূর্য শেষবারের মতো উঁকি দিয়ে নিজেকে হঠাৎ হারিয়ে ফেলে। তখনকার দিনে গরুর গাড়ির চাকা শক্ত কাঠ দিয়ে তৈরি হতো। তৎপরবর্তীতে কাঠের পরিবর্তে টায়ারের চাকার প্রচলন শুরু হয়।


Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com


রং-বেরঙয়ের শাড়ি পরা নাইওরি না থাকলেও বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও জিনিসপত্র পরিবহনের ক্ষেত্রে গরুর গাড়ি ব্যবহৃত হচ্ছে এখনও। গাড়িয়াল তবু থেমে থাকার নয়-চলছে তার গরুর গাড়ি। ‘চলরে মোর গরুর গাড়িরে/পাকা রাস্তা দিয়া/নওদাড়ি নাইওরি গুল্যা দেখি থাকে চায়ারে’… (রবীন্দ্রনাথ মিশ্র)। তখনকার দিনে সমাজে পণপ্রথা (বিবাহের ক্ষেত্রে) প্রচলিত থাকায় অনেক বয়সে পুরুষদের বিবাহ হতো। সে কারণে মেয়েদের বিশেষ করে সুন্দরী মেয়েদের দেমাক বা কদর (দাম) ছিল গগনচুম্বী। অনেক যুবকের বয়স ঢের হয়ে যেতো। এ ধরনের বয়স্ক পুরুষদের ঢেনা বলে আখ্যায়িত করা হতো। তাই তারা প্রায়শই আবোর (দিদিমা/নানী) কাছে বিয়ের বায়না ধরতো। এই গানের মধ্য দিয়ে বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠেছে। ‘মুই হনুং মাওরিয়া ঢেনা আবো/কাঁয় দিবে বিয়াও/যেমন কইনার হইছে ভাও’…( হরলাল রায় )।

বেশি বয়সে বিয়ে হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসার গাঢ়ত্ব বেড়ে যায় তা নিচের গানটির মাধ্যমে চিত্রায়িত হয়েছে। ‘বয়স কালের কামাইরে দিয়া/তোক সুন্দরী করচং বিয়াওরে/ওকি সুন্দরী বাইর হও সুন্দরী’… (কছিম উদ্দিন)। যদি কোন কারণে স্ত্রীর অকাল মৃত্যু হতো তখন স্ত্রীর শোকে শোকাভিভূত স্বামীর করুণ আর্তি ফুটে উঠেছে এই গানে – ‘নও দাড়িটা মরিয়া মোর বোন হইছে হানি/আধার ঘরোত পরি থাকোং পরে চোখের পানি/আবো টাপ্পাস কি টুপ্পুস করিয়া’…(আব্দুল করিম)। স্বামীর মৃত্যুতে আবার স্ত্রী – ‘ওকি হায়রে নিদয়ার কাগা/দিন দুপুরে তুই আর কান্দিস না/পতি মরা শোক না যায় রে পাশুরা’…। মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে নাইওর যাওয়ার ক্ষেত্রে গরুর গাড়ি ও পাল্কিই ছিল ঐতিহ্যবাহী। নাইওর শব্দটি নববধূর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। ধীর গতির কারণে দূরের যাত্রায় অনেক সময় লেগে যেতো। নিধূয়া পাথারে নিঃশব্দ রাত্রে গরুর গাড়িতে চড়ে গাড়িয়াল ভাওয়াইয়া গান ছেড়ে দিতো (গাইতো)। জনবসতির কাছাকাছি আসলে গরুর পায়ের খট খট শব্দ ও গরুর গলার ঘন্টা বা ঘুঘড়ার শব্দ শোনা যেতো। বাপের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার সময় বেদনা-বিরহ ও বিচ্ছেদে মেয়ে ( নববধূ) কান্নায় ভেঙ্গে পড়তো। পাড়া প্রতিবেশি ছুটে আসতো শান্ত্বনা দেয়ার জন্য। সবশেষে সবার মায়া মমতা ভালবাসার বেড়াজাল ছিন্ন করে গরুর গাড়িতে চড়ে শ্বশুরালয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিতো। তখন কোন এক সময গাড়িয়াল গেয়ে উঠতো- ‘না কান্দেন না/কান্দেন কন্যা হে’…। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখনকার বৌ-ঝিরা আর গরুর গাড়িতে উঠতে চায় না। পশ্চিমা অপসংস্কৃতির বেড়াজালে আজ আমরা নিজেদেরকে পরিপুষ্ট করতে লেগে পড়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে অবতীর্ণ হচ্ছি। এখনকার বঙ্গ ললনারা লজ্জাবোধ করে গরুর গাড়িতে চড়তে। গাড়ির চাকার শব্দে মাথা ঘোরার কথা ও ছল চাতুরতার আশ্রয় নেয়। এক্ষেত্রে গাড়িয়ালের আক্ষেপ ফুটে ওঠেছে এই গানটির মধ্যে-‘ভাইরে আগের দিন আর নাই/ রিকশা ওয়ালায় তুলিয়া দিলো মোর গাড়িয়ালী কামাই/নাইওরিরা শোনেনা কাঁও গরুর গাড়ির কথা/গাড়ির চাকার ক্যার ক্যারিতে ওমার ঘোরে বলে মাথা’…। তখনকার দিনে গরুর গাড়িতে ছৈ টানানো থাকতো। পৌষ সংক্রান্তিতে গ্রাম বাংলায় নবান্নে পিঠা পায়েস খাওয়ার ধূম পড়ে যেতো। নানা বাহারি নঁকশী পিঠা তৈরিতে বাঙালি রমণীরা খুব পটু ছিলেন। বাঙালি রমণীরা শুধু পিঠা তৈরিতে ক্ষান্ত হতেন না যতক্ষণ না করে সেগুলো আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীদের খাইয়ে স্বাদ ভক্ষণ করাতেন। লোক পাঠিয়ে দিয়ে নতুন জামাইকে নিমন্ত্রণ করিয়ে নিয়ে আসা হতো। মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে নাইওর যাওয়ার সময় দুধ দই, চিড়া, মুড়ি, আম-কাঁঠাল ও মাছের ভাড় দেয়ার প্রথা প্রচলিত ছিল। যা আজও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অনেক অজো পাড়া গাঁয়ে দেখতে পাওয়া যায়। গরুর-গাড়ি, পাল্কি , উরুন, গাইন, যাতা, ঢেঁকি, হুকা, ঝাঁপি, লাঙ্গল, জোঁয়াল আজ সবই আমরা কালের আবহে হারাতে বসেছি। সবচেয়ে বড় যে কথাটি মানুষের মনের যে প্রশান্তি তা আর নেই। সামাজিক অশান্তি, হতাশা ও অমানিশার কালো অন্ধকার ভর করছে। আজকাল ভাওয়াইয়া আর মানুষ শুনতে চায়না। ‘ও মুই দেখিনু রে ভাবিয়া/ভাইরে নিরলে বসিয়া/নাইরে আগের যুগ যামানা ভাই/গেইছে রে বদলিয়া’… (নীলকমল মিশ্র)। সংগীত এখন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। সঙ্গীতের সঙ্গে মানুষের আত্মার সম্পর্ক নেই বললেই চলে। আত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংগীত পরিবেশিত হয়না এখন। সংগীতের মধ্যে তেমন কোনো ভক্তি ও আবেদন পরিলক্ষিত হয় না। এখন সংগীতের মধূময় মূর্ছণা, ভক্তি ও আবেগ অনেকটা বিবর্জিত।

উত্তর জনপদের ভাওয়াইয়া গানকে বিশ্বের সংগীত সভায় প্রতিষ্ঠিত করেছে প্রয়াত ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাস উদ্দিন আহমদ। তাঁর উত্তরসূরী   কছিম উদ্দিন, মহেশ চন্দ্র রায়, হরলাল রায় এবং ওপার বাংলার হরিশ চন্দ্র পাল, সুরেন্দ্রনাথ রায় বসুনিয়া, নায়েব আলী (টেপু) শ্রীমতি প্রতিমা বড়য়া (পান্ডে) প্রমূখ ছাড়াও দুই বাংলার অনেক খাতনামা অনেক ভাওয়াইয়া শিল্পী, গবেষক, সংগ্রাহক, সংগঠক, গীতিকার ও সুরকার যাঁরা ভাওয়াইয়া গানের প্রবহমান ধারাকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং করে চলেছেন। ভাওয়াইয়াকে যদি আমরা সংগীতের মযার্দার আসনে অধিষ্ঠিত করতে পারি তাহলে তা আঞ্চলিকতার গন্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব সংগীত দরবারে বিশ্বখ্যাতি বা আসন অলংকৃত করতে সচেষ্ট হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

     

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>