আজ কবি রফিক আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী

Reading Time: 6 minutes
রফিক আজাদ গত শতকের ষাট দশকের প্রথম প্রজন্মের কবি। তবে তার বহু কবিতাই দশকের গণ্ডি ডিঙিয়ে বাংলাসাহিত্যে জ্বলজ্বলে নক্ষত্রের মতো কালজয়ী হয়ে ওঠেছে। দ্রোহ আর প্রেমের কবি ২০১৬ এর এই দিনে চলে গেছেন জীবনের অনিবার্য গন্তব্যে। ইরাবতীতে কবি রফিক আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার কবিতা তুলে ধরা হলো।
  বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি রফিক আজাদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৬ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার জাহিদগঞ্জে ১৯৪৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি রফিক আজাদের জন্ম। তার বাবা সলিম উদ্দিন খান এবং মা রাবেয়া খান। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে কনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে খালি পায়ে মিছিল করেন রফিক আজাদ। প্রতিবাদী এই কবি তার দ্রোহকে শুধু কবিতা লেখনীতে আবদ্ধ না রেখে ১৯৭১ সালে জাতির ক্রান্তিকালে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গনের সৈনিক হিসেবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেন তিনি। কর্মজীবনে রফিক আজাদ বাংলা একাডেমির মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’-এর সম্পাদক ছিলেন। ‘রোববার’ পত্রিকাতেও কাজ করেছেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলের মওলানা মুহম্মদ আলী কলেজের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনাও করেন তিনি। রফিক আজাদের প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অসম্ভবের পায়ে, সীমাবদ্ধ জলে সীমিত সবুজে, চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া উল্লেখযোগ্য। এ কাব্যের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও ২০১৩ সালে একুশে পদক পান তিনি। সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন হুমায়ুন কবির স্মৃতি (লেখক শিবির) পুরস্কারসহ বেশ কয়েকটি পুরস্কার।  

স্মৃতি, চাঁদের মতো ঘড়ি


ঘড়ির কাঁটায় স্থির, সমর্পিত, হে আমার অন্তরঙ্গ অবিচ্ছিন্ন চাঁদ, তোমার যাদুতে মুগ্ধ এই আমি শতচ্ছিন্ন কাঁথার একায় হিরন্ময় নক্ষত্রের মেলা এক বসিয়েছি অবাস্তব স্বপ্নের বিন্যাসে: একটা বয়স আছে অবোধ শিশুর দল শতাধিক পুতুলে যখন জননীর মতো সোহাগ বিলোতে চায়,— ন্যাকড়ার টুকরোয় তারা কী উজ্জ্বল জামা তৈরি করে, চুমোয় আচ্ছন্ন করে সারি-সারি পুতুলের নির্বিকার মুখ! শিশুদের মতো আমি,— মুখাবয়বসর্বস্ব,—ভাঙা এই একটি পুতুলে আমারও আজন্ম খেলা, সারাবেলা—দুপুরে-রাত্রিতে। ঘড়ির কাঁটায় স্থির, সমর্পিত, হে আমার অন্তরঙ্গ অলীক লন্ঠন, সর্বক্ষণ জ্ব’লে যাও তুমি, তোমার মুখশ্রীখানি কী মসৃণ আলো ফ্যালে দুর্গন্ধে আমার! অবাস্তব উটপাখি, তোমার পিঠের ‘পরে চ’ড়ে জরায়ুতে চ’লে যাই, ভবিষ্যতে যাই… খটখটে মৃত্তিকায় শিকড় চারিয়ে দিই, কিংবা আইয়ো-র শিঙয়ের মতো বাঁকানো শৈশব ঘুরে আসি! শিখাহীন অলৌকিক তোমার আগুনে পুড়ে যায়— পরিত্যক্ত বাঁশঝাড়, গাছপালা, গোপন বাগান! ঘড়ির কাঁটায় স্থির, সমর্পিত, হে আমার অন্তরঙ্গ জীবনদেবতা, তালের শাঁসের মতো রাতে আনো অপার বেদনা; সাবানের মতো তুমি পিছলিয়ে যাও ব্যক্তিগত বাথরুম থেকে কোথা কোন্ স্বর্গলোকে! আমার বাস্তব-স্বপ্নে কখনো আসো না আর ফিরে। তবে অশ্রুজল ছাড়া ঐ-পদপল্লবে আর কী দেবার আছে? …কেবল চোখের জলে ভ’রে দিতে পারি একটু অদৃশ্য, শুষ্ক বঙ্গোপসাগর।। .       ভাত দে হারামজাদা …………… ভীষণ ক্ষুধার্ত আছি: উদরে, শরীরবৃত্ত ব্যেপে অনুভূত হতে থাকে- প্রতিপলে- সর্বগ্রাসী ক্ষুধা অনাবৃষ্টি- যেমন চৈত্রের শষ্যক্ষেত্রে- জ্বেলে দ্যায় প্রভুত দাহন- তেমনি ক্ষুধার জ্বালা, জ্বলে দেহ দু’বেলা দু’মুঠো পেলে মোটে নেই অন্য কোন দাবী অনেকে অনেক কিছু চেয়ে নিচ্ছে, সকলেই চায়ঃ বাড়ি, গাড়ি, টাকা কড়ি- কারো বা খ্যাতির লোভ আছে আমার সামান্য দাবী পুড়ে যাচ্ছে পেটের প্রান্তর- ভাত চাই- এই চাওয়া সরাসরি- ঠান্ডা বা গরম সরু বা দারুণ মোটা রেশনের লাল চাল হ’লে কোনো ক্ষতি নেই- মাটির শানকি ভর্তি ভাত চাইঃ দু’বেলা দু’মুঠো পেলে ছেড়ে দেবো অন্য-সব দাবী; অযৌক্তিক লোভ নেই, এমনকি নেই যৌন ক্ষুধা চাইনিতোঃ নাভি নিম্নে পরা শাড়ি, শাড়ির মালিক; যে চায় সে নিয়ে যাক- যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে দাও জেনে রাখোঃ আমার ওসবের কোনো প্রয়োজন নেই। যদি না মেটাতে পারো আমার সামান্য এই দাবী তোমার সমস্ত রাজ্যে দক্ষযজ্ঞ কাণ্ড ঘ’টে যাবে ক্ষুধার্তের কাছে নেই ইষ্টানিষ্ট, আইন কানুন- সম্মুখে যা কিছু পাবো খেয়ে যাবো অবলীলাক্রমেঃ থাকবে না কিছু বাকি- চলে যাবে হা ভাতের গ্রাসে। যদি বা দৈবাৎ সম্মুখে তোমাকে ধরো পেয়ে যাই- রাক্ষুসে ক্ষুধার কাছে উপাদেয় উপাচার হবে। সর্বপরিবেশগ্রাসী হ’লে সামান্য ভাতের ক্ষুধা ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে আসে নিমন্ত্রণ করে। দৃশ্য থেকে দ্রষ্টা অব্দি ধারাবাহিকতা খেয়ে ফেলে অবশেষে যথাক্রমে খাবো : গাছপালা, নদী-নালা গ্রাম-গঞ্জ, ফুটপাত, নর্দমার জলের প্রপাত চলাচলকারী পথচারী, নিতম্ব প্রধান নারী উড্ডীন পতাকাসহ খাদ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীর গাড়ী আমার ক্ষুধার কাছে কিছুই ফেলনা নয় আজ ভাত দে হারামজাদা, তা না হলে মানচিত্র খাবো।     যদি ভালবাসা পাই ……….. যদি ভালবাসা পাই আবার শুধরে নেব জীবনের ভুলগুলি যদি ভালবাসা পাই ব্যাপক দীর্ঘপথে তুলে নেব ঝোলাঝুলি যদি ভালবাসা পাই শীতের রাতের শেষে মখমল দিন পাব যদি ভালবাসা পাই পাহাড় ডিঙ্গাবো আর সমুদ্র সাঁতরাবো যদি ভালবাসা পাই আমার আকাশ হবে দ্রুত শরতের নীল যদি ভালবাসা পাই জীবনে আমিও পাব মধ্য অন্তমিল।     চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া ………….. স্পর্শকাতরতাময় এই নাম উচ্চারণমাত্র যেন ভেঙে যাবে, অন্তর্হিত হবে তার প্রকৃত মহিমা,- চুনিয়া একটি গ্রাম, ছোট্ট কিন্তু ভেতরে-ভেতরে খুব শক্তিশালী মারণাস্ত্রময় সভ্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। মধ্যরাতে চুনিয়া নীরব। চুনিয়া তো ভালোবাসে শান্তস্নিগ্ধ পূর্ণিমার চাঁদ, চুনিয়া প্রকৃত বৌদ্ধ-স্বভাবের নিরিবিলি সবুজ প্রকৃতি; চুনিয়া যোজনব্যাপী মনোরম আদিবাসী ভূমি। চুনিয়া কখনো কোনো হিংস্রতা দ্যাখেনি। চুনিয়া গুলির শব্দে আঁতকে উঠে কি? প্রতিটি গাছের পাতা মনুষ্যপশুর হিংস্রতা দেখে না-না ক’রে ওঠে? – চুনিয়া মানুষ ভালোবাসে। বৃক্ষদের সাহচার্যে চুনিয়াবাসীরা প্রকৃত প্রস্তাবে খুব সুখে আছে। চুনিয়া এখনো আছে এই সভ্যসমাজের কারু-কারু মনে, কেউ-কেউ এখনো তো পোষে বুকের নিভৃতে এক নিবিড় চুনিয়া। চুনিয়া শুশ্রুষা জানে, চুনিয়া ব্যান্ডেজ জানে, চুনিয়া সান্ত্বনা শুধু- চুনিয়া কখনো জানি কারুকেই আঘাত করে না; চুনিয়া সবুজ খুব, শান্তিপ্রিয়- শান্তি ভালোবাসে, কাঠুরের প্রতি তাই স্পষ্টতই তীব্র ঘৃণা হানে। চুনিয়া গুলির শব্দ পছন্দ করে না। রক্তপাত, সিংহাসন প্রভৃতি বিষয়ে চুনিয়া ভীষণ অজ্ঞ; চুনিয়া তো সর্বদাই মানুষের আবিষ্কৃত মারণাস্ত্রগুলো ভূমধ্যসাগরে ফেলে দিতে বলে। চুনিয়া তো চায় মানুষের তিনভাগ জলে রক্তমাখা হাত ধুয়ে তার দীক্ষা নিক্। চুনিয়া সর্বদা বলে পৃথিবীর কুরুক্ষেত্রগুলি সুগন্ধি ফুলের চাষে ভ’রে তোলা হোক। চুনিয়ারও অভিমান আছে, শিশু ও নারীর প্রতি চুনিয়ার পক্ষপাত আছে; শিশুহত্যা, নারীহত্যা দেখে-দেখে সেও মানবিক সভ্যতার প্রতি খুব বিরূপ হয়েছে।
চুনিয়া নৈরাশ্যবাদী নয়, চুনিয়া তো মনেপ্রাণে নিশিদিন আশার পিদ্দিম জ্বেলে রাখে। চুনিয়া বিশ্বাস করে: শেষাবধি মানুষেরা হিংসা-দ্বেষ ভুলে পরস্পর সৎপ্রতিবেশী হবে।     ভালোবাসার সংজ্ঞা …………. ভালোবাসা মানে দুজনের পাগলামি, পরস্পরকে হৃদয়ের কাছে টানা; ভালোবাসা মানে জীবনের ঝুঁকি নেয়া, বিরহ-বালুতে খালিপায়ে হাঁটাহাঁটি। ভালোবাসা মানে একে অপরের প্রতি খুব করে ঝুঁকে থাকা; ভালোবাসা মানে ব্যাপক বৃষ্টি, বৃষ্টির একটানা ভিতরে-বাহিরে দুজনের হেঁটে যাওয়া; ভালোবাসা মানে ঠাণ্ডা কফির পেয়ালা সামনে অবিরল কথা বলা; ভালোবাসা মানে শেষ হয়ে-যাওয়া কথার পরেও মুখোমুখি বসে থাকা।   নত হও, কুর্নিশ করো …………… হে কলম, উদ্ধত হ’য়ো না, নত হও, নত হতে শেখো, তোমার উদ্ধত আচরনে চেয়ে দ্যাখো, কী যে দু:খ পেয়েছেন ভদ্রমহোদয়গণ, অতএব, নত হও, বিনীত ভঙিতে করজোড়ে ক্ষমা চাও, পায়ে পড়ো, বলো: কদ্যপি এমনটি হবে না, স্যার, বলো: মধ্যবিত্ত হে বাঙালী ভদ্রমহোদয়গণ, এবারকার মতো ক্ষমা করে দিন… হে আমার প্রিয় বলপেন, দ্যাখো , চোখ তুলে তোমার সামনে কেমন সুন্দর সুবেশ পরিপাটি ভদ্রলোক খুব অভিমানে ফুলো-গালে দাঁড়িয়ে আছেন তোমার অভদ্র আচরনে, উচ্চারণ-অযোগ্য তোমার শব্দ- ব্যবহারে বড়োই আহত, সুরুচিতে তার দারুন লেগেছে তোমার ঐ অপ্রিয় কথন, ওরা কী ক’রে সইবেন বলো, অতএব, গড় হও, কুর্নিশ করো মধ্যবিত্ত সুরুচিকে: তারাই তো শাসন করছেন তোমার দেশ, তোমার কাল বলতে গেলে ওরাই তো দেশকাল। বলো হে কলম, হে বলপেন, হে আমার বর্বর প্রকাশ-ভঙিমা- এই নাকে খত দিচ্ছি আর কখনো গালমন্দ পারবো না, আপনাদের ভন্ডামিকে শ্রদ্ধা করতে শিখবো, আপনাদের অপমান হজম করার অপরিসীম ক্ষমতাকে সম্মান করবো, আর কোনোদিন এমনটি হবে না, হে মহামান্য মধ্যবিত্ত রুচিবোধ, আপনাদের মতো সব অপমান হজম ক’রে এখন থেকে, নাইট সয়েল বানিয়ে ফেলে দেবো শরীরের বাইরে- হে বন্য লেখনী, হে অমোচনীয় কালি, হে ইতর বলপেন, নত হও, নত হতে শেখো… শান্ত হও, ভদ্র হও ভদ্রলোকদের মতো আড়াল করতে শেখো অপ্রিয় সত্যকে, প্রিয় মিথ্যা বলা শিখে নাও, বিক্রি করে দাও তোমার বিবেক- উচ্চারন কোরো না এমন শব্দ, যা শুনে আহত হবেন তাঁরা- নত হও, নত হ’তে শেখো; তোমার পেছনে রয়েছে যে পবিত্র বর্বর মন ও মস্তিস্ক তাকে অনুগত দাসে পরিণত হ’তে বলো, হে আমার অবাধ্য কলম, ক্রোধ সংবরণ করো, ভদ্রলোকের মতো লেখো, ভদ্রলোকদের দ্বারে ধর্না দিও- শিখে নাও সাজানো-গোছানো প্রভুপ্রিয় বাক্যাবলি… হে অনার্য লেখনী আমার, সসম্ভ্রমে পথ ছেড়ে দাও, বলো, মহোদয়, গরীব চাষার ছেলে আমি বেয়াদবি হয়ে গেছে মাফ ক’রে দিন, ঘুমের ব্যাঘাত হয় আপনাদের এমন কর্মটি আর কক্ষনো ভুলেও করবো না … হে আমার ককর্শ কলম, ভদ্র হও, সুমসৃণ হও- এতোদিন ধ’রে এতো যে শিক্ষাদীক্ষার সুযোগ সমস্ত সমাজ তোমাকে দিলো, সব ব্যর্থ হ’য়ে গ্যালো? এতোটা বছর তোমাকে যে র‌্যাঁদা মারা হলো তবে তা কিসের জন্যে তোমার অভদ্র আচরণ সহ্য করবার জন্যে? এই চমৎকার সমাজ ও সময়ের যোগ্য হ’য়ে ওঠো, ভোঁতা হ’তে শেখো, হে অপ্রিয় উচ্চারণ, বোবা হয়ে যাও, কালা হ’য়ে যাও- প্রতবাদ কোরো না; মেনে নাও সবকিছু, মেনে নিতে শেখো, মেরুদন্ড বাঁকা ক’রে ফ্যালো, সোজা হয়ে দাঁড়ানোর আর চেষ্টা পর্যন্ত কোরো না, হে কলম, হে প্রিয় বলপেন, নত হও নম্র হ’তে শেখো আর স্বভাব পাল্টাও- যেমন চলছে তেমনটি চলতে দাও, খবর্দার প্রতিবাদ করবে না, কাপ করতে ব্লা হ’লে রা’টি কাড়বে না – হে অমোচনীয় কালিভরা প্রিয় কলম আমার, বড় বাড় বেড়েছে তোমার আজকাল, গত দশ বছরে তোমার আচরণ হয়েছে আপত্তিকর, আগে তো এমন তুমি কখনো ছিলে না, চমৎকার ছেলেমানুষি স্বভাব ছিলো; সামান্য জৈন্তা ছিলো তোমার লেখায়, সবাই তো মিষ্টি হেসে মেনে নিয়েছিলো, ভালোই তো ছিলো সেটা, হঠাৎ কেন যে হ’লো তোমার দুর্মতি ক্ষুধা পেলে ভাত চাও,হওয়া-খাওয়া পছন্দ করো না, শ্যামল বাংলাদেশে কর্মে মরুভূমি বিস্তারিত হচ্ছে ব’লে চীৎকার করো, পদ্য লেখা ভুলে গিয়ে প্রতিবাদ লেখো- এমনটি চলবে না, আর চলতে দেয়া যায় না… হে কলম, এইবার নত হও, নতজানু হও, শিখে নাও শিক্ষিত শিম্পানজিদের আচরন-বিধি, অতএব, নত হও, নত হ’তে শেখো, নতজানু হও।।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>