শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন

কৃষ্ণ চিরকাল ই নরম পন্থী রোমান্টিক দিওয়ানা গোছের লোক। মেয়ে কষ্ট করে পটাতে হয় না পটেই থাকত। তার পর চেহারা পত্তর একটু শাহরুখ খান গোছের মেদুর স্বপ্নালু, ঢিলি ঢিলি বাইসেপ টাইসেপের রনবীর সিং মার্কা চোয়াড়ে গোছের নয়। বলরাম চোয়াড়ে গোছের বদরাগী মত। কথার বদলে হাতাহাতিতে বিশ্বাস রাখত। সহজেই দু চার ঘা বসানো কোন ব্যাপার ছিল না।

যাই হোক, এমন কৃষ্ণএর প্রেমে পাশের বাড়ির শ্রীরাধিকা বৌদি প্রেমে পড়ে গেলেন। তার স্বামী আয়ান ঘোষ বড়লোক স্বামী একটু স্বভাব গম্ভীর মত। মানুষ মন্দ নয়। নিজের প্রফেশনে প্রতিষ্ঠিত।  রাধার আকাশ দেখা, বৃষ্টি দেখা বসন্তের বাতাসে যমুনায় দোল খাওয়াতে হাওয়া দিতে পারত না। রাধার দোষ নেই, কৃষ্ণ কেস টি বুঝে ঘুর ঘুর করে রাধাকে টপকে নিলো। এই পজজন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু পরকীয়া হলে চুরি ধরা পড়বেই অতএব রাধা কেস খেল মনে হয়। কিন্তু কৃষ্ণ মামাকে শায়েস্তা করার অজুহাতে মথুরায় কেটে পড়ল যথা নিয়মে।

কিন্তু স্বভাব কি পালটায়! রুক্মিণী ভারি ভালো ভদ্র মহিলা, তেজি হলেও সুভদ্রা।  তিনি স্বামীকে পাল্টাতে চেষ্টা করলেন অনেক বুঝিয়ে। কৃষ্ণের বয়ে গেছে ভারি! ঘন্টা! কদিন একটু শুনলো, সে দেখালো প্রিয়ে আমি তোমারি! তারপর যে কে সেই। কিন্তু তলে তলে অনুরাধা বিশাখা চন্দ্রাবলী সব টিকে নিয়ে এখানে ওখানে কুঞ্জে বিহারে ঘুরে  চললেন। রুক্মিণী একা মথুরায় কাটান আর অপেক্ষা করেন তার নাথ কবে ফিরবে। নাথ হাওয়া হয়ে গেছে এদিকে। রাধার সাথেও মিলন ইচ্ছা প্রবল। রাধা আকর্ষনীয়া, কেউ ছাড়ে! ।

রাধাকে তুমি কিন্তু আমার সোনা বলে আটকে রাখল জনম ভোর। পাহারা দিল চব্য করে। রাধা বেচারি আর চার চাক্কুম চালাতেই পারলো না কারুর সাথেই। রাধা কে তো কম লোক চাইত না। সে তার স্বামী আয়ান ঘোষের কাছেই ফিরে গেল। হোক বাবা কুল, কিন্তু প্রতিকুল তো নয়!তাও,দেশে বিদেশে রাধা কৃষ্ণ হয়ে গেল প্রেমের সিম্বল! অথচ কৃষ্ণ কিন্তু একা রাধা না, রমা সোমা ক্ষমা অনেকের সাথেই লীলা করেছেন। কিন্তু ভাও পেলো পাব্লিকের কাছে রাধার প্রেমিক হয়েই! আর রুক্মিণী সে মথুরার রানী হয়ে ছেলে পিলে মানুষ করে ভালো বউ হয়ে কাটাতে বাধ্য হলো! বলরাম যথা নিয়মে বুড়ো হলো, হাড় মাস শিথিল হলো। কৃষ্ণ কিন্তু বেশ থেকে গেলো এ ভাবেই!  কৃষ্ণ রা এ ভাবেই আসলে থেকে যায়!!

ইয়ে সব চরিত্র কাল্পনিক কিন্তু!!

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত