কুর্ণিশ রাপূর্ণাকে

ছোট্ট মেয়ে রাপূর্ণা। শ্রী শিক্ষায়াতন স্কুলের ক্লাস টেনের ছাত্রী। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীত তার একমাত্র সাধনা। ইতিমধ্যেই নানা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গানের জন্য পুরস্কার তার ঝুলিতে। তবে রাপূর্ণার আরেকটি অভ্যাস বই পড়া। হ্যাঁ, রবীন্দ্রনাথের একাধিক লেখা তার মুখস্থ, তার পাশাপাশি সত্যজিৎ, শরদিন্দু, সুনীল, জয় গোস্বামী সকলের লেখারই ভক্ত সে। আর বিদেশী সাহিত্য ও তাঁর প্রিয়। এদের পাশাপাশি সে আরেকজন লেখকের ভক্ত এবং লেখককে সে প্রায়ই এমন সব মন্তব্য করে যে লেখক বাধ্য হয় তার কথা লিখতে, লেখকের একাধিক গল্পে সে হয়ে ওঠে চরিত্র ।

এ হেন রাপূর্ণা হঠাৎই ঘরে পড়ে গেল পা পিছলে।কোমর ও পায়ের জয়েন্ট গেল ভেঙে। ভর্তি হল আই এস এসে। আর অপারেশন টেবিলে ঢোকার প্রাক মুহূর্তে তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হল, ভয় করছে নাতো! সে গেয়ে উঠল, নচিকেতার একটা বিখ্যাত গানের কলি। ব্যাস! সেই গান ভিডিও করে তার মা আর তার প্রিয় মাসি রম্পি দিল পোস্ট করে। আর তারপর শেয়ার হতে হতে তা পৌঁছে গেল নচিকেতার কাছে। তারপর যা ঘটল তা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। স্বয়ং নচিকেতা তাঁর নিজের পেজে সাহসী ভয়শূন্য মেয়েটির গান পোস্ট করে দিল।ভিউয়ার দাঁড়ালো পাঁচ লাখেরও বেশি ২ দিনেই। আজকাল করল খবর।

কিন্তু মেয়েটি কে, কোথায় ভর্তি সে সব তথ্য রইল অজানা কিন্তু সেতো হবার নয়। আমি তার বম্মা।আমার লেখার চরিত্রর প্রতি, আমার পরামর্শ দাতার প্রতি আমি তো অবিচার করতে পারি না। হ্যাঁ ছোট্ট রাপূর্ণা, পাঁচলাখেরও বেশি ভিউয়ার রাপূর্ণার বড় মাসি মানে বম্মা আমি। রাপূর্ণা আমার মেজো বোন বিপাশার ছোটো কন্যা। আমরা কুর্নিশ করি তার হিউমার, তার, সাহসিকতাকে।

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত