শরৎ এর রূপ-অপরূপ ও রবীন্দ্রনাথ

জোবায়ের মিলন
রবীন্দ্রনাথের কবিতা গান প্রবন্ধ নিবন্ধ গল্প চিঠি অথবা উপন্যাসে ষড়ঋতুর ব্যঞ্জনা পাওয়া যায় নিপুণভাবে। কি গ্রীষ্ম, কি বর্ষা, কি শরৎ, কি হেমন্ত, কি শীত অথবা বসন্ত। সব ঋতুতেই রবীন্দ্রনাথ জীবন্ত। বাংলা সাহিত্যের ছোট, বড়, খ্যাত, অখ্যাত প্রায় সব কবি সাহিত্যিকরাই প্রকৃতির ঋতুচক্র নিয়ে কম বেশি মুগ্ধ ছিলেন আছেন। তারা রচনাও করেছেন, করছেন চিন্তাকর্ম। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের রচনায় অন্য অনেকের চেয়ে ভিন্ন সুর সুরারোপিত। ভিন্ন-চোখ দৃষ্টিত। ভিন্ন মন অবগাহিত। ভিন্ন চিন্তা কল্পায়িত। রবীন্দ্রনাথে ঋতু যেভাবে অঙ্কিত তা আর অন্য কোন পাতে দেখা যায় না। দেখা যায় না শরতের বন্ধনাও। কবিগুরু শরতের রূপে প্রায় যেন অন্ধের মতো! শরৎ বিভায় যেন তিনি তাঁর মন হারিয়ে ফেলছেন, শরীর হারিয়ে ফেলছেন, দ্বিধা বিন্যাস হারিয়ে ফেলছেন! শরতের এত রূপ কোথায় ধরবেন, কী করে ধরবেন তা কখনো কখনো তিনি নিজেও জেনে উঠতে পারেন না। কিছু রূপ- কবিতায়, কিছু রূপ- গানে, কিছু রূপ- প্রবন্ধে, কিছু রূপ- গল্প আর উপন্যাসে- তারপরও চোখে দেখা মনের কোণে লেপটে যাওয়া শাদা শরতের রূপ শেষ হতে চায় না। তারপরও কী যেন কী বাকি রয়ে গেল করে আবার বর্ণনায় ব্যাকুল। আবার কিছু রূপ তুলে আনা। কিন্তু প্রকৃতি যাকে রূপ দেয় মানুষ কি পারে তাকে ফতুর করতে? শরৎও জ্বলে থাকে আপন-মোহনীয়তায়, কবিও বাজি ধরে দ্বিগুন তিনগুণ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথই বোধ হয় শরতের কাছ থেকে নিয়েছেন সবচেয়ে অধিক আর শরতকে অলংকৃত করেছেন তাবত সাহিত্য বরদের চেয়ে নিখুঁত ভালোবাসায়।
 
‘শরৎ তোমার অরূপ আলোর অঞ্জলি/ ছড়িয়ে গেল ছাপিয়ে মোহন অঙ্গুলি।/ শরৎ তোমার শিশির-ধোওয়া কুন্তলে/বনের পথে লুটিয়ে পড়া অঞ্চলে/ আজ প্রভাতের হৃদয় ওঠে অঞ্চলি।/ মানিক গাঁথা ওই যে তোমার কঙ্কনে/ ঝিলিক লাগায় তোমার শ্যামল অঙ্গনে।/ কুঞ্জ-ছায়া গুঞ্জরণের সঙ্গীতে/ ওড়না ওড়ায় একী নাচের ভঙ্গিতে,/ শিউলী বনের বুক যে ওঠে আন্দোলি।’ (শরৎ তোমার অরূপ আলোর অঞ্জলি)
 
বর্ষার কালো মেঘের ঘন ঘোর কেটে গিয়ে যখন আকাশ গায়ে স্বচ্ছ কাঁচের মতো শাদা মেঘ দলা পাকিয়ে থোকায় থোকায় সারি বেঁধে উড়ে বেড়ায় এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে তখন কবির মনও বৃষ্টি ঘেরা বন্দীশালা থেকে মুক্তি পায়। তাঁর মন আয়নার মতো আকাশ দেখে চঞ্চল হয়ে ওঠে হঠাৎ। শরতের এই রূপোবেশে রবীন্দ্রনাথ যেন অস্থির। তিনি লেখেন-
 
 
‘অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া/ দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরণী বাওয়া/ কোন্ সাগরের পার হতে আনে কোন্ সুদূরের ধন/ ভেসে যেতে চায় মন,/ ফেলে যেতে চায় এই কিনারায় সব চাওয়া সব পাওয়া।/ পিছন ঝরিছে ঝরো ঝরো জল, গুরু গুরু দেয়া ডাকে,/মুখে এস পড়ে অরুণকিরণ ছিন্ন মেঘের ফাঁকে।/ওগো কা-ারী, কে গো তুমি, কার হাসিকান্নার ধন/ ভেবে মরে মোর মন/ কোন্ সুরে আজ বাঁধিবে যন্ত্র, কী মন্ত্র হবে পাওয়া।’ ( অমল ধবল পালে)
 
রবীন্দ্রনাথ কি শরতের শরীরে কেবল উচ্ছ্বাস দেখেন? আনন্দের উল্টো তো বেদনা। স্বচ্ছতার আরেক পিঠে তো মলিনতা। শরতে হাজারও স্মৃতিও তো মনে ভর করে নীল আকাশ দেখে, প্রিয় অথবা প্রিয়ার কথাও তো ভেসে ওঠে সুপ্ত মাছের মতো জলের স্পর্শ পেয়ে; মরা মন জেগে ওঠে দুপুর বা বৈকালীন আকাশ গায়ে কৈশোরীর মতো সেই অতীতে গিয়ে। সেও তো এক রূপ। তাও এড়িয়ে যায় না তাঁর বিচক্ষণ চোখ। তিনি কাব্যপয়ারে তা তুলে আনেন বিবিড় বয়ানে-
 
‘আজি শরততপনে প্রভাতস্বপনে/ কী জানি পরাণ কী যে চায়!/ ওই শেফালির শাখে কী বলিয়া ডাকে/ বিহগবিহগী কী যে গায়!/ আজি মধুর বাতাসে হৃদয় উদাসে,/ রহে না আবাসে মন হায়!/কোন্ কুসুমের আশে কোন্ ফুলবাসে/ সুনীল আকাশে মন ধায়!/ আজি কে যেন গো নাই, এ প্রভাতে তাই/ জীবন বিফল হয় গো!/ তাই চারি দিকে চায়, মন কেঁদে গায়/ ‘এ নহে, এ নহে, নয় গো’। কোন্ স্বপনের দেশে আছে এললাকেশে/ কোন্ ছায়াময়ী অমরায়!/ আজি কোন্ উপবনে বিরহবেদনে/ আমারি কারণে কেঁদে যায়!/ আমি যদি গাঁথি গান অথির-পরাণ/ সে গান শুনাব কারে আর!/ আমি যদি গাঁথি মালা লয়ে ফুলডালা/ কারে পরাব ফুলহার!/ আমি আমার এ প্রাণ যদি করি দান/ দিব প্রাণ তবে কার পায়!/ সদা ভয় য় মনে পাছে অযতনে/ মনে মনে কেহ ব্যথা পায়!’’ (আকাক্সক্ষা)
 
শরৎ এলে বাংলা এক অমল শোভায় জাগ্রত হয়। শাদা নীল শাড়ি পড়ে প্রকৃতি উদ্ভাসিত হয় দুনিয়ার আঙিনায়। যত দূর, যত দূরই হোক না কেন, খোলা আকাশের নিচ বা ইট দেয়ালে অবগুণ্ঠন হোক না কেন, গাঁও বা নগর, নগর বা শহর যাই হোক না কেন সে প্রকৃতি টোকা দেয় দেবীর আঙুলে। চারপাশ রূপে দাউদাউ করে অরূপ শুভ্রতায়। সে শোভা সবাই দেখে চোখ দিয়ে। কেউ কেউ তা দেখে চোখের চোখ দিয়ে। মনের আয়নায়। রবীন্দ্রনাথ সে মনের আয়নাওয়ালাদের একজন, শ্রেষ্ঠ। তিনি যে নয়নে শরৎকে দেখেন আর কেউ সে নয়নে দেখে কি-না জানা দুরূহ্ হলেও রবীন্দ্রনাথ যে প্রতিমুহূর্তের শরৎকে দেখে প্রতিমুহূর্তেই বিমোহিত হয়েছেন, মুগ্ধ হয়েছেন, বিস্মিত হয়েছেন তা তাঁর শব্দ বুননে নানান রচনায়ই ফুটে ওঠে স্পষ্ট।
 
 
‘আজি কি তোমার মধুর মুরতি/ হেরিণু শারদ প্রভাতে/ হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ/ ঝলিছে অমল শোভাতে।/ পারে না বহিতে নদী জলধার,/ মাঠে মাঠে ঘান ধরে নাকো আর/ ডাকিছে দোয়েল গাহিছে কোয়েল/ তোমার কাননসভাতে!/ মাঝখানে তুমি দাঁড়ায়ে জননী,/ শরৎকালের প্রভাতে।/ জননী, তোমার শুভ আহ্বান/ গিয়েছে নিখিল ভুবনে/ নতুন ধান্যে হবে নবান্ন/ তোমার ভবনে ভবনে।/ অবসর আর নাহিক তোমার/ আঁটি আঁটি ধান চলে ভারে ভার/ গ্রামপথে-পথে গন্ধ তাহার/ ভরিয়ে উঠিছে পবনে।/ জননী, তোমার আহ্বানলিপি/ পাঠায়ে দিয়েছ ভুবনে।’ (শরৎ)
 
কবিগুরু শুধু শরতের ভিতর দিয়ে বিমোহিত হেঁটে গেছেন তা বলার ধৃৃষ্টতা নেই। তিনি শরৎকে ধরতে চেয়েছেন। নিজের রঙে আঁকতে চেয়েছেন। তিনি হয়তো এও টের পেয়েছেন, যে বষ্মিক পরিবর্তনে একদিন ষড়ঋতুর রূপের শাণ তরল হয়ে আসবে কালের ক্রমে- সেদিন শরৎ প্রেমিরা যেন তাঁর লিপি থেকে জেনে নিতে পারে নিটোল ভাঁজের শরৎ কী ছিল, কেমন ছিল। সে কারণেই তিনি শরৎকে একটি খাপে ভরে দেখেননি। …শরৎ প্রকৃতির এক কন্যা, সে কন্যার আগমনে মা প্রকৃতির সুখ দুঃখ, আনন্দ বেদনা, রূপ রস অবলোকন করেছেন নিবিড়ভাবে। প্রকৃতি লিপিবন্ধ করে রেখেছেন সরল উক্তিতে-
 
‘‘অনেক দিন পরে কাল মেঘবৃষ্টি কেটে শরতের সোনার রোদ্দুর উঠেছিল। পৃথিবীতে যে রোদ্দুর আছে সে কথা যেন একেবারে ভুলে গিয়েছিলুম; হঠাৎ যখন কাল দশটা এগারোটার পর রোদদুর ভেঙ্গে পড়লো তখন যেন একটা নতুন জিনিস দেখে মনে অপূর্ব বিস্ময়ের উদয় হলো। দিনটি বড় চমৎকার হয়েছিল। আমি দুপুর বেলায় ¯œানাহারের পর বারান্দার সামনে একটি আরাম-কেদারার উপরে পা ছড়িয়ে দিয়ে অর্ধশয়ান অবস্থায় জাগ্রত-স্বপ্নে নিযুক্ত ছিলাম। আমার চোখের সামনে আমাদের বাড়ির কমপাউনডে কতকগুলো নারকেল গাছ- তার উদিকে যতদূর দৃষ্টি যায় কেবলই শস্যক্ষেত্র, শস্যক্ষেত্রের একেবারে প্রান্তভাগে গাছপালার একটুখানি ঝাপসা নীল আভাস মাত্র। ঘুঘু ডাকছে এবং মাঝে মাঝ গোরুর গলার নূপুর শোনা যাচ্ছে। কাঠবিড়ালি একবার ল্যাজের ওপর ভর দিয়ে বসে মাথা তুলে চকিতের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। খুব একটা নিঝুম নিস্তব্ধ নিরালা ভাব। বাতাস অবাধে হু হু করে বয়ে আসছে, নারকেল গাছের পাতা র্ঝর্ঝ শব্দ করে কাঁপছে। দু-চার জনা চাষা মাঠের এক জায়গায় জটলা করে ধানের ছোট ছোট চারা উপড়ে নিয়ে আঁটি করে বাঁধছে। কাজকর্মের মধ্যে এইটুকু কেবল দেখা যাচ্ছে। ( ছিন্নপত্র : ৩৪, তিরন, সেপ্টেম্বর ১৮১)
 
 
শরতে মাঠে মাঠে কৃষক নামে ধানের নেশায়। নবান্ন আসে। গাঁয়ে গ্রামে কৃষাণ কৃষাণীর মনোঅন্দরে জাগে নতুন আশা। গাছের নব পাতার মতো হাসে প্রকৃতির গ্রাম-গঞ্জ। সবুজে সবুজে ভরে ওঠে মাঠ প্রান্তর। এ দৃশ্য এক অপরূপ দৃশ্য। এ দৃশ্য যে কাউকেই পাগলের মতো উতলা করে তোলে ভিতরে বাহিরে। রবী ঠাকুর গাঁয়ের মানুষ, গঞ্জের মানুষ, কৃষকের মানুষ। তিনি দেখেছেন তাদের হাসি কান্না আনন্দ উল্লাস। তিনি দেখেছেন মাঠে ধান জাগলে কত আনন্দে নেচে ওঠে কৃষক। সে আনন্দ তাঁকেও যেন না নাচিয়ে থামে না। তিনি গীত রচনা করেন অনন্য আনন্দে-
 
‘আজ ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলা রে ভাই, লুকোচুরি খেলা/ নীল আকাশে কে ভাসালে সদা মেঘের ভেলা রে ভাই- লুকোচুরি খেলা/ আজ ভ্রমর ভোলে মধু খেতে উড়ে বেড়ায় আলোয় মেতে/ আজ কিসের তবে নদীর চওে চখা-চখীর মেলা।/ ওরে, যাব না আজ ঘরে রে ভাই, যাব না আজ ঘরে।/ ওরে, আকাশ ভেঙে বাহিরকে আজ নেব রে লুট করে/ যেন জোয়ার জলে ফেনার বাঁশি বাতসে আজ ছুটছে হাসি,/ আজ বিনা কাজে বাজিয়ে বাঁশি কাটবে সকল বেলা/’ (গীতিচর্চা ১)
 
কাশফুল, শাদা মেঘ, নীল বরণ যদি না’ই থাকে শরৎ শ্যামলা থেকে যায়। কাশফুল শরতের রূপমাধুর্যের তীর্যক তিল। এই শরতেই নদীর পাড়ে, বিস্তীর্ণ চরে, বালুর হোগলা ভেলায় শাদা শাড়ি পড়া কাশফুল ফুটে ওঠে। দোলানার মতো দোল খেতে থাকে দুলে দুলে। শিমুল তুলার মতন আকাশে গাড়ি চালায় মেঘ, নীল তার নিজস্বতা নিয়ে রং ছড়ায়। সে রং যদি এসে পড়ে ঠাকুর বাবুর দৃষ্টি কোণায় তা যেন আরও বর্ণিল হয়ে দ্যুতি ফলায় বাংলা রস সন্ধন ঘরের দশদিকে। সে আলোয় মুখ বুক ঝলসে যায় না রূপ দেখে অভ্যস্ত কবিগুরুর। তিনি নদীর কূলে কূলে ঘুরে ঘুরে ক্ষেতে ক্ষেতে ফিরে ফিরে বিশাল আকাশের নিচে মন মেলে প্রকৃতি পাঠ ছাত্র। পৃথিবীই তাঁর পাঠশালা। সে যা দেখেন তাই তাঁকে খুশি করে, উচ্ছ্বসিত করে। তিনি অন্তর চোখের চশমায় দেখে তুলে আনেন শাদা গায়ে কালো অক্ষরের অমলিন সাক্ষীতে। অলৌকিক সে সক্ষমতার বিচিত্র বান দেখি আমরা আর বিস্মিত হই; এতটা সরল সুন্দর কী করে হয় একজন মানুষ। যিনি সহজ করে বলতে পারেন সব-
 
 
‘শরতে আজ কোন্ অতিথি এলো প্রাণের দ্বারে।/ আনন্দগান গা রে হৃদয়, আনন্দগান গা রে।/ নীল আকাশের নীরব কথা শিশির-ভেজা ব্যাকুলতা/ বেজে উঠুক আজি তোমার বীণার তারে তারে।/ শস্যক্ষেতের সোনার গানে যোদ দে রে আজ সমান তানে,/ ভাসিয়ে দে সুর ভরা নদীর অমল জলধারা।/ যে এসেছে তাহার মুখে দেখ্ রে চেয়ে গভীর সুখে,/ দুয়ার খুলে তাহার সাথে বাহির হয়ে যা রে।’’ (স্বরবিতান ২)
 
ষড়ঋতুর সব ঋতুর সাথে শরৎ ঋতুও কবিগুরুকে অনন্য মাত্রায় আন্দোলিত করেছে। প্রকৃতি থেকে আলো এসে ঠিকরে পড়েছে তাঁর অন্তর উঠানে যেখান থেকে তিনি বিশ্বকে দেখেছেন শিশুর মতো এক সরলতায়। শুদ্ধতায়। শুভ্রতায়। তাই যখন যা তাঁর চোখের চোখে পড়েছে তখনই তিনি তা হাতের মুঠোয় পুরেছেন মমতায়। তারপর নিজের রঙে আঁকিয়ে অক্ষরের রূপে বের করেছেন জাগতিক পান্ডুলিপিতে। এই বাংলার শরৎ ঋতু তাঁকে প্রেমে পাগল করে ছেড়েছে তা আমরা তাঁর রচনায়ই দেখতে পাই। অসংখ্য কবিতা, গান, দৈনন্দিন রচনায় এই রবীবাবু শরৎকে টুকেছেন অমর সাহিত্য বয়ানে। ঋতুর রূপে বুঁদ না হলে এমন রচনা কোন কালেই সম্ভব না। রবীন্দ্রনাথ- শরৎ রূপের মুগ্ধতায় সত্যিই যেন বুঁদ হওয়া এক শরৎ কবি।
 

মন্তব্য করুন




আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত