সবুজ যেথা, অবুঝ করে মন-পল্লিশ্রী গাছবাড়ি         

                                                                                                  

গ্রীষ্ম মানেই প্রচন্ড দাবদাহ! সূর্যের রাঙা চোখের আগুনে পৃথিবী ঝলসে যাওয়ার মাস চলছে তখন। জৈষ্ঠ্যের শেষ সপ্তাহ। এমন দিনে ঘুরতে যাওয়া পাগলামি বৈ আর কিছু নয়, তবু মাঝে মাঝে এমন পাগল জীবন কাটাতে ভীষণ ভালো লাগে। মাঝে মাঝে প্রথা ভাঙার আনন্দটা একটা অদ্ভুত মুক্তির আস্বাদ জাগায়। কিন্তু এমন দিনে একমাত্র দার্জিলিং বা ডুয়ার্স ছাড়া আর কোথাও যাওয়ার কথা ভাবতেই ভয় লাগে,তবু ভেবে ফেললাম। কত্তার অফিসে অত ছুটি পাওয়া যাবে না, খুব বেশি হলে তিনদিন বরাদ্দ। অনেক দিন আগে আরামবাগ পল্লিশ্রী ট্রি-হাউসের গল্প শুনেছিলাম। খুব বেশি দূরও নয়। বর্ধমান থেকে ঘন্টাখানেকের রাস্তা। নেট থেকে নাম্বার নিয়ে যোগাযোগ করা হল। আরে বাহ্‌! দারুণ ব্যাপারটা আগে খেয়ালই করিনি। যেদিন যাচ্ছি,মানে নয় তারিখ জামাইষষ্ঠী,আর তারজন্য ট্রি-হাউসের ভাড়ায় একটা ডিসকাউন্টও জুটে গেল।



আমাদের বুকিং দু’দিনের নয় তারিখ যাওয়া দশ তারিখ থেকে এগারোতে ফেরা। আরামবাগ রোড ধরে গাড়ি যখন ছুটে চলেছে,দু’পাশের সরে সরে যাওয়া সবুজ খেত,গ্রামের পথ, পথের পাশে ছোট ছোট ঘুন্টি আর অজস্র কৌতূহলী গ্রাম্য চোখ দেখতে দেখতে ভাবছি সেই অজানা,অচেনা গন্তব্যের কথা। ঠিক কতটা সুন্দর সে? ঠিক কতটা নিজের করে পাব সেখানে প্রকৃতিকে? অজস্র কৌতূহল ভিড় করে আসছে যেন মনের আনাচেকানাচে। সফর যতই ছোট হোক, পথ চলার মাঝে ছোট্ট একটু থামা,মাটির ভাড়ে ঠোঁট ছুঁয়ে উষ্ণ মোটা দুধ চায়ের উষ্ণতা না নিলে একটা অদৃশ্য অপ্রাপ্তি যেন মন ছুঁয়ে থাকে। নেমে পড়লাম পথ ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটা চায়ের ঘুন্টির সামনে। সামনেই মাটির উনুনে গনগনে আঁচ যেন জলভরা কেটলির অপেক্ষায়।

– চা হবে ভাই?

– কি চা দিদি? দুধ চা না লাল চা?

– দুধ চা।

হ্যান্ডেলে কাপড় জড়ানো কেটলি চড়ে বসল গনগনে আঁচের মাথায়। দুধের মধ্যে চা-পাতা,চিনি দিতেই বললাম—

– ভাই, চিনি কিন্তু কম। মাথা নাড়ল সে। না, আগে থেকে তৈরি করা চা নয়, একেবারে টাটকা। সকাল সকাল বলে কিনা জানি না। আর মিনিট পঁচিশ পরেই পৌঁছে যাব গন্তব্যে। তারপরই নির্বাসনে কাটাব দিনরাত্রি। ভাবনাটেই যেন কত আনন্দ লুকিয়ে। শুনেছি সেখানে আগে থেকে না বললে, কোনো খাবারই পাওয়া যায় না। এমনকি চানাচুর বিস্কুটও না। দুপুরের মিল আগেই বলা আছে। না জেনে খাবার অর্ডার করেছি,তাই রিস্ক না নিয়ে একদম সাদামাটা নিরামিষ। আরামবাগ পল্লিশ্রী মোড়ে পৌঁছে একটু দাঁড়িয়ে ফোনে জেনে নেওয়া হল, এবার কোন পথে। ডানদিকে বেঁকে যাওয়া রাস্তাটা সোজা চলে গিয়েছে বাঁকুড়া। আমাদের গন্তব্য সোজা। আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডের আগেই ডানদিকে একটা সরু পাকা রাস্তা ধরে একটু এগোতেই দেখতে পেলাম গেটের গায়ে লেখা আছে। ‘আরামবাগ পল্লিশ্রী’। গেটের সামনে সিকিউরিটি দাঁড়িয়ে। গাড়ি গেট দিয়ে ভিতরে ধীরে ধীরে এগোতে লাগল। দু’পাশে গাছের সারি,পাখির বড় বড় খাঁচা। আসলে এটা একটা বৃহৎ নার্সারি। এখান থেকে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে গাছের সাপ্লাই যায়। আমরা সচরাচর নার্সারি বলতে যেটুকু আয়তন বুঝি এটাকে সেই হিসাবে ভাবলে কল্পনায় আনা সম্ভব নয়।



গাড়ি থেকে নেমে চারিদিকে চোখ ঘোরাতেই গাছের লোভে চোখ একেবারে চকচকে হয়ে উঠল। কিন্তু গাছবাড়িটা কোথায়? চোখ ঘুড়িয়েও খুঁজে পেলাম না। ফোন করতেই একটি লোক ভিতর থেকে সাইকেল নিয়ে হাজির। বলল—

-আসুন, আরও ভিতরে যেতে হবে। সাইকেলে আমাদের লাগেজ চাপিয়ে সে আগে আগে চলল,আর আমরা পিছনে। একটু এগোতেই প্রবেশ করলাম একটা খাটালের মাঝে। বিশাল আকারের খানআটেক গরু,পাতনায় মুখ ঢুকিয়ে খড় খাচ্ছে আর লেজ নেড়ে মাছি তাড়াচ্ছে। মাঝে মাঝে পিলে চমকানো স্বরে ডেকে উঠছে, ‘হাম্বা—হাম্বা’। একটা সরু সিঁড়ি দিয়ে উঠে এলাম সরু একটা পিচের রাস্তায়। চারিদিকে বড় বড় গাছের জঙ্গল। সরু রাস্তাটা নির্জনতাকে বুকে নিয়ে শুয়ে আছে। নদীর পাশে যেমন বাঁধের অংশ থাকে,রাস্তাটা সেই সেই বাধ। এপারের অংশে নার্সারি আর ওপারের অংশটা নার্সারির কোর অংশ। সাধারণের প্রবেশ নিষেধ। আমাদের গাছবাড়ি আসলে আছে ঐ কোর অংশের জঙ্গলের ভিতরে। বাঁধের গা-বেয়ে নেমে গিয়েছে সিমেন্টের সরু সিঁড়ি,পাশদিয়ে সাইকেল নামানোর রাস্তা। একটা ছোট্ট তারের গেট খুলে ভিতরে প্রবেশ করলাম। এখানেও ঢোকার মুখে সিকিউরিটি বসে। উফ্‌! কি অপূর্ব সুন্দর! সবুজ সুউচ্চ বৃক্ষরাজি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে আকাশের দিকে চেয়ে। একটা ঠান্ডা ভাব। ঐ গাছের ফাঁকে ফাঁকে পায়ে চলা পথে সাইকেলের পিছু পিছু এসে পৌঁছালাম সুন্দর ঝকঝকে বাগানের মাঝে। না, কোনো বাহারি ফুলে সাজানো বাগান নয়, এবাগান বৃক্ষের গান শোনায়,এবাগান পাখির গান শোনায়। বাগানের তারকাঁটার এরিয়ার ডানদিকে তালগাছের উপর দাঁড়িয়ে চারটি গাছবাড়ি। চাটাইয়ের দেওয়াল,কাঠের সিঁড়ি আর ফালি করা বাঁশের সরু বারান্দা। প্রত্যেকটা বাড়ির গা-ঘেষে দাঁড়িয়ে আমগাছ। বাগানের এই অংশে বেশিরভাগই আমগাছ।



বাড়ি গুলির সুন্দর নাম। আসলে তিনটি থাকার আর একটি রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম “হিমসাগর” পরের বাড়ি ‘আম্রপালি’ আমাদের আগামী দু’দিনের বাসস্থান। হিমসাগর আর আম্রপালির একটি কমন কাঠের সিঁড়ি। কিছুটা উঠে ডানদিকে আম্রপালি আর বামদিকে হিমসাগর। ঠিক একই ভাবে যুক্ত পরের বাড়ি দুটির নাম “গোলাপখাস” আর “তোতাপুরি”। সবই আমের নাম। রেস্টুরেন্টের বাইরে উম্নুক্ত আকাশের নিচে একটা কাঠের টেবিল ঘিরে রয়েছে কাঠের টুকরো দিয়ে তৈরি চেয়ার। একেবারের বন্য রূপ। আমরা পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনজনের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হল ডাব। গরমে তৃষ্ণা যথেষ্ট ছিল। মিষ্টি স্বাদু ডাবের জলে মন, প্রাণ দুটোই খুশ।

দেখলাম একটি পরিবার তোতাপুরি থেকে বেরিয়ে রেস্টুরেন্টে ঢুকে গেল। আমরা আম্রপালির অন্দরে ঢুকে চমকে গেলাম। সব সুযোগসুবিধা যুক্ত সুসজ্জিত রুম। কাচের ঘেরা জানালার ওপাশে দেখতে পেলাম সবুজ গাছের ডাল জানালা ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে। জানালা খুলে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে সে সবুজ। পাতার ফাঁকে চোখ আটকাল খুব কাছ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ক্ষীণকায় দারকেশ্বর নদ। দূর থেকেই বোঝা যাচ্ছে জল প্রায় নেই। বুকে জমে আছে ময়লা! স্নান সেরে বাইরে এসে বসলাম ঐ উম্নুক্ত কাঠের চেয়ারে। একরাশ প্রশান্তি মন জুড়ে খেলে বেড়াচ্ছে। এমন নির্জনতায় গা-ভাসাব বলেই তো এই গরমেও ছুটে আসা। সামনেই রান্নাঘর। একটা টেবিল ঘিরে দু-তিনজন স্টাফ নিজেদের মধ্যে কথা বলছে। এক’টা প্রায় বেজে গিয়েছে,পেটে ছুঁচোর ডন চলছে। খাওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করতেই স্টাফেদের একজনের মুখটা ছোট্ট হয়ে গেল। বলল

ম্যাডাম, আর একটু অপেক্ষা করতে হবে।

বললাম, এখনও খাবার হয়নি?

লোকটি কাচুমাচু মুখে জানাল, হয়েছে তবে, রেস্টুরেন্টে যাঁরা খাচ্ছেন,তাঁরা অন্য কোনো গেস্টকে ঐ মুহুর্তে সেখানে না পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।



মানে! এটা আবার কেমন আচরণ! রেস্টুরেন্টে একটা বিশাল বড় টেবিলে ছ-সাত জন খেতে বসতে পারে। একটাই টেবিল,তবে বাকি অংশে যে কেউ বসতে পারে। কিভাবে একটা পরিবার সেই কমন স্পেসকে পার্শোনাল করতে পারে! বিস্মিত হলাম, কিন্তু রাগ দেখালাম না। কারণ, এখানে যাঁরা কাজ করেন কেউ প্রফেশনাল নয়। সবাই গ্রামের মানুষ। তাঁদের সাহস কোথায় শহুরে বাবুদের প্রশ্ন করার বা আদেশ অমান্য করার। আমাদের সহযোগিতায় যেন লোকটি বড় করে শ্বাস নিল। বলল,মালিককে বলা হয়েছে, এই সমস্যার কথা। আপনারা সত্যিই ভালোমানুষ! ভালো মানুষ কিনা জানি না, তবে মানুষর অসহায়তা বোঝা মানুষেরই ধর্ম। কিছুক্ষণ পর সেই পরিবারের দুই মহিলা সদস্য ও এক পুরুষ সদস্য গটমট করে নেমে এল কাঠের সিঁড়ি দিয়ে। বাইরে বসার ইচ্ছায় আমরা যেখানে বসে আছি সেই দিকে একবার তাকিয়ে দেখেও নিল। ভাবলাম হয়তো এবার আঙুল নেড়ে বলবে –‘এই ওঠ ,ওখানে আমরা বসব’। না  আমাদের বলার সাহস বোধহয় জোটাতে পারেনি, তবে স্টাফেদের একটি ছেলেকে আঙুল নেড়ে তুই সম্বোধনে কাছে ডেকে কিছু একটা বলল। হায়রে…বাবুয়ানি! মনে মনে একরাশ করুণা ছুঁড়ে দিলাম ঐ পরিবারকে। রবিরার দুপুরের পর পুরো ফাঁকা জায়গাটা। পুরোটা জুড়েই যেন আমাদের রাজত্ব। একটি স্টাফ ফুচুদা বললেন, ‘স্যার, আর কোনো অসুবিধা হবে না। যা খাবেন শুধু আগে থেকে বলে দেবেন,না হলে জোগাড় করা মুশকিল। বললাম, শাঁস আছে এমন ডাব পাওয়া যাবে?

উঁনি জানালেন আনিয়ে রাখবেন। সন্ধের স্ন্যাক্স আর রাতের মেনুও দুপুরেই জেনে নিলেন। বেলার দিকে গরমের তীব্রতা উপেক্ষা করা দায়। এসিরুমে সারাটা দুপুর কাটিয়ে ঠিক বিকালে নেমে এলাম নিচে খোলা লনে। পায়ের নিচে ঘাসহীন মাটি। মাথার উপর গাছের ছায়া। সামনেই অবারিত উন্মুক্ত প্রকৃতি। সন্ধে হওয়ার আগেই ছোটু বলে ছেলেটি নার্সারি দেখে আসার কথা বলতেই পা বাড়ালাম ঐ দিকে। নার্সারির মালিকের অদ্ভুত সখ। অসংখ্য পাখির খাঁচা। ম্যাকাউ থেকে অনেক অজানা রঙিন পাখির প্রতিটি খাঁজা দেখার জন্য আলাদা লোক আছে। আমরা যেতেই একটা বিশেষ জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করে আমাদের খাঁচার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হল। এমন অভিজ্ঞতা নতুন আর বড় অদ্ভুত। হাতে পাখির খাবার নিতেই একসাথে অনেক পাখি এসে বসল হাতের উপর। হাত থেকে খুঁটে খুঁটে খেতে লাগল দানা। এক অদ্ভুত অনুভূতি!

ধীরে ধীরে সন্ধে নেমে এল। ফিরে এলাম আগের জায়গায়। অদ্ভুত মায়াময় লাগছে জায়গাটাকে। রান্নাঘরের সামনে একটা ছোট্ট আলোয় চারিদিকে এক আলো-আঁধারি খেলায় গা-ভাসিয়ে এক অনন্ত শূন্যের দিকে অলস ভাবে চেয়ে থাকা আর একটু একটু করে ক্ষয়ে যাওয়া সময়কে উপভোগ করার যে একান্ত অনুভূতি,তা বোধহয় শব্দে সঠিক প্রকাশ সম্ভব নয়! ঝিঝিঁর ডাকে নিস্তব্ধতার অস্তিত্ব প্রমাণ করছে প্রকৃতি। ঘরোয়া পকোড়ার সাথে,খাঁটি দুধের ঘন চা বিলাসিতার গায়ে যেন নক্সা চাদর! পরের দিনের জন্য তিন গ্লাস খাঁটি দুধ অর্ডার দিয়ে রাখলাম। রাধুনি প্রফেশনাল নন,কিন্তু অসাধারণ তাঁর হাতের রান্না! সম্পূর্ণ বাড়ির পরিবেশ যেন। টুকরো টুকরো হাসি ঠাট্টা,দোলনায় বসে গান শোনা,যেন ব্যস্ত জীবনের মাঝে স্বপ্নের বাস্তবতা। উপরের দিকে মুখ তুলে চাইতেই দেখলাম, ঝাঁক ঝাঁক জোনাকি আলো জ্বলিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছে। জোনাকির আলো আসলে সঙ্গীকে সঙ্গমে আকৃষ্ট করার জন্য। একটা ছোট্ট পতঙ্গের জীবনচক্র প্রকৃতির শোভা হতে পারে,তা জোনাকিকে এমন উন্মুক্ত ভাবে জ্বলতে না দেখলে কল্পনা করা সম্ভব নয়।

রেস্টুরেন্টটি কিন্তু ভীষণ সুন্দর! আর রোমান্টিক। পরেরদিন এই রোমান্টিক পরিবেশেই, জন্মদিনের কেক কাটলাম,ঐ গ্রাম্য মানুষগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ছোট্ট করে আনন্দে মাতলাম! জীবনকে এভাবেই ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখা। এখানে জীবন আর প্রকৃতি একে অপরের পরিপূরক যেন। দু’হাতে তোলো আর মেখে নাও। চাওয়া-নাপাওয়ার অতলে হারাতে হারাতে দুটি দিনের জীবনকে ছুঁয়ে দেখার আনন্দ আরোও দ্বিগুণ হল, যখন জানলাম আমাদের মতো ঘুরতে আসা অসংখ্য মানুষের বিলাস যাপনের টাকায় পরিচালিত হয় একটি অনাথ আশ্রম “ উত্তরায়ণ”।



হ্যাঁ, এটা একদম একশ শতাংশ সত্যি। এই তিনটি গাছবাড়ির ভাড়া, অতিথিদের খাওয়া থেকে যে উপার্জন হয়,সেই টাকায় একটি অনাথ আশ্রমের অসংখ্য বাচ্চার প্রতিপালন হয়। আঁকা হয় স্বপ্ন সেই অনাথ শিশুদের চোখে।

দোলনায় দুলতে দুলতে পার করতে ইচ্ছা করে রাত অথবা শতাব্দীর পর শতাব্দী। কালের নিয়মে ভোর আসে। শুরু হয় ব্যস্তটা রোজকার জীবনে ফেরার। লাগেজ গুছিয়ে নিচে নামি। বিদায় বলতে ভালো লাগে না। বেরোনোর আগে বললাম, ‘আবার আসব’ যদিও জানি কিছু পথ থাকে, যে পথে ফেরা হয়না আর,অথবা ফিরতে নেই,শুধু রেখে যেতে হয় পদচিহ্ন। গাড়ি আবার ছুটতে থাকে শহরের ব্যস্ততায়।

ছবি কৃতজ্ঞতা: লেখক

 

 

 

 

 

One thought on “সবুজ যেথা, অবুঝ করে মন-পল্লিশ্রী গাছবাড়ি         

  1. বাহ্! দারুণ? সব আমের নাম গুলোই খুব সুস্বাদু আম?
    সত‍্যিই, চা যদি খেতেই হয় মাটির ভাঁড়ে খাঁটি দুধের চা ??
    আচ্ছা জন্মদিনের কেকটাও কি ওখানেই কিনলে?

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত