ভিনগ্রহী কোনও যানের সন্ধান পেয়েছে পেন্টাগন

মহাকাশ এবং ভিনগ্রহের প্রাণীদের নিয়ে চর্চা এবং জল্পনা চলে আসছে বহু যুগ ধরেই। সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সাম্প্রতিক মার্কিন দাবি। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, ভিনগ্রহী কোনও যানের সন্ধান পেয়েছে পেন্টাগন। প্রসঙ্গত, মার্কিন নৌসেনার একটি গোপন শাখা UFO সম্পর্কিত বিষয়ে গবেষণা করে। রিপোর্টে উল্লেখ, সম্প্রতি বেশ কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে তথ্য হাতে পেয়েছে ওই মার্কিন ইউনিট। তার ভিত্তিতেই UFO সম্পর্কিত দাবি মার্কিন কংগ্রেসের ইন্টেলেজেন্স কমিটির কাছে জমা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

মহাকাশের অঘোষিত বস্তু সম্পর্কে গবেষণার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে এই বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছিল। UFO বা একই ধরনের গবেষণার পাশাপাশি মার্কিন সেনাকেও বিবিধ ভাবে সাহায্য করে এই সংস্থা। তাদের রিপোর্টও নিয়মিত জমা পড়ে পেন্টাগনের কাছে। মার্কিন গবেষকদের একটি বড় অংশ এখনও বিশ্বাস করেন, পৃথিবীতে পা রেখেছিল ভিনগ্রহীরা। মার্কিন সেনার প্রাক্তন বিশেষজ্ঞ লুই এলিজোন্দোর মতে, ‘এই বিষয়ে গবেষণা আর লুকিয়ে রাখার কোনও যুক্তি নেই। গবেষণায় স্বচ্ছতার প্রয়োজন রয়েছে।’ পেন্টাগনের এই প্রাক্তন কর্তা এর আগে দাবি করেছিলেন, ২০১৫ সালে আমেরিকার পূর্ব উপকূলের উপর আকাশে মার্কিন যুদ্ধ বিমানের সামনে চলে এসেছিল উড়ন্ত চাকি। UFO গবেষণা নিয়ে একই ধারণা মার্কিন মুলুকের প্রাক্তন সেনেটর হ্যারি রিডের। ক্ষমতায় থাকার সময় UFO গবেষণা নিয়ে জোর দিয়েছিলেন তিনি।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গত মার্চেই পেন্টাগনকে লিখিত তথ্যে UFO সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী তথা ২০০৭ থেকে মার্কিন মন্ত্রকের পরামর্শদাতা এরিক ডেভিস। তাঁর রিপোর্টে উল্লেখিত অজানা বস্তুকে ‘পৃথিবীতে নির্মীত নয় এমন মহাজাগতিক যান’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। এরপরই ওই বিষয়ে গবেষণাতেও জোর দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর থেকে UFO বিষয়ক আলোচনা এড়িয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

গোটা বিষয়ে আগ্রহী ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভারপ্রাপ্ত সেনেটর মার্কো রুবিও। তাঁর কথায়, ‘বহির্বিশ্বের কিছু নিয়ে কথা বলার আগে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। শেষে সেটা কোনও চিনা বা রাশিয়ান সেনার কাজ না হয়।’

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত