Categories
ইরাবতী উৎসব সংখ্যা: যুগল কবিতা । রাণা রায়চৌধুরী
আনুমানিক পঠনকাল: < 1 মিনিট 
লুকোচুরি খেলার রচনাবলী
সকাল থেকে আমার এতো রাগ হচ্ছে কেন?
অভিমান হচ্ছে? কেন?
কাল রাতে তো মাংস খেলাম?
শুনেছি মাংস খেলে রাগ কমে, দুংখ কমে।
কে বলেছিল? কে বলেছিলেন?
এইইই মনে পড়েছে। হ্যাঁ তিনি বলেছিলেন।
তিনি কে?
তিনি হলেন তিনি।
যিনি মিনিবাসে চড়েন।
মৃদূ রবীন্দ্রসঙ্গীত।
তিনি কাঁদেন করোমন্ডল এক্সপ্রেসের মতো।
তিনি কালাশনিকভে চেপে দরদি মানবিকতার
কথা বলেন, বলেছিলেন একদা, বিবেকানন্দ রচনাবলীর পাশে, বলেছিলেন, বসন্তসমাগমে।
ওমা আমার রাগ অভিমান কোথায় গেল?
এই দেখো, খাটের তলায় লুকিয়েছে।
আমার সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে…
এই ঝড় এই কামারশালা
এই ঝড় কোথায় থামবে? এই জাহাজ কোন বন্দরে পৌঁছবে? মা তুমি, নারী তুমি, গর্ভাশয় তুমি আমাকে চায়ের কাপে দুলতে দুলতে নিয়ে যাচ্ছ দূরের কোনো অচেনা আমির কাছে। আমি, আমি নয়, আমি আসলে তুমি। তোমার শোক? আমাকে দাও। আমি কষ্ট পেতে চাই। ওগো লেক কালীবাড়ির পুরোহিত, তোমার সব বৈরাগ্য আমি সাইকেলে গ্রামে গঞ্জে পৌঁছে দিতে চাই। ওগো দোপাটি ফুলের বোন এসো গান শিখি। ওগো সোনাগাছির ধুলো আমাকে জটিল অঙ্গের অঙ্ক শেখাও। কে কাশছে? কে কাঁদছে? কে সম্পাদনা করছে ভ্রূণ সংখ্যা? তাকে ডাকো। তাকে গান আর মা দাও বৈশাখ দাও তাকে। চলো পুড়ি। বৈশাখে পুড়তে পুড়তে চলো মা-বন্দরের কাছে যাই। যাই, মা-কামারশালার আশ্রয়ে।

কবি, গদ্যকার। পাশাপাশি লিখেছেন ছোটগল্প এবং উপন্যাসও।