| 20 জুলাই 2024
Categories
অনুবাদ অনুবাদিত গল্প

অনুবাদ উপন্যাস: সুবালা (পর্ব-৯) । হোমেন বরগোহাঞি

আনুমানিক পঠনকাল: 6 মিনিট

লেখক পরিচিতি-১৯৩২ সনে লখিমপুর জেলার ঢকুয়াখনায় হোমেন বরগোহাঞির জন্ম হয়। ১৯৫৪ সনে কটন কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যের স্নাতক। সাময়িকভাবে সরকারি চাকরি করে সাহিত্যচর্চা এবং পরবর্তীকালে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। ‘নীলাচল’, ‘জনক্রান্তি’, ‘নাগরিক’,’অসম বাণী’ইত্যাদি কাগজের সম্পাদনা করেন। ‘পিতাপুত্র’ উপন্যাসের জন্য ১৯৭৭ সনে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ‘আত্মানুসন্ধান’,‘বিভিন্ন নরক’,‘সুবালা’, ‘মৎস্য গন্ধা’, ‘সাউদর পুতেকে নাও মেলি যায়’ লেখকের অন্যতম গ্রন্থ। লেখকের ছোটো গল্প উপন্যাস প্রবন্ধ এবং আত্মজীবনী মূলক  রচনা অসমিয়া সাহিত্যকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করে তুলেছে। ১২ মে ২০২১ সনে এই মহান লেখকের মৃত্যু হয়। সুবালা লেখকের প্রথম উপন্যাস।


 

(১৪)

      পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পৃথিবীটা আমার চোখে নতুন বলে মনে হল। আমার হারিয়ে যাওয়া মাকে আমি ফিরে পেলাম, ফিরে পেলাম জীবনের প্রতি বিশ্বাস, আমার আর কীসের ভয়। অতীতের দুঃখের দিনগুলি দুঃস্বপ্নের মতো শেষ হয়ে গেল। এখন আর প্রতিমুহূর্তে মা আমাকে কারও কাছে বিক্রি করে দেবে বলে ভয়ে আধ মরা  হয়ে থাকতে হবে না। এখন আমরা নতুনভাবে জীবন শুরু করব, দৈহিক শক্তি দিয়ে, মানে পরিশ্রম করে পেটের ভাত জোগাড় করব, মায়ের সমস্ত বেদনা ধীরে ধীরে ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলব, হাজারটা নরেনকেও আর আমি ভয় করি না। মা যদি আমার পাশে এসে দাঁড়ায়, মায়ের আশীর্বাদের রক্ষাকবচ যদি আমার দেহে থাকে, পাপ এবং অমঙ্গলের কী সাধ্য আমাকে স্পর্শ করে?

      কী সাধ্য,হে হরি,কী সাধ্য!

      বিকেল বেলা মাকে একটা ঝোলা নিয়ে দোকানে বেরোতে দেখে আমি জিজ্ঞেস করলাম,’ এই বিকেল বেলা তুমি দোকানে কী আনতে যাচ্ছ?’

      ‘ নরেন যে আসবে, তুই ভুলে গেলি নাকি? কয়েকটা আলু এনে রাখি। সে আমাকে গতকালই টাকা দিয়ে গেছে।

      বিরাট তুফানে ঘরটা ভেঙ্গে যেন আমার মাথার ওপরে খসে পড়ল, একটা আকস্মিক প্রচন্ড আঘাতে আমি আর্তনাদ করে উঠলাম,’মা, তুমি আজও নরেনকে এই ঘরে জায়গা দেবে?’

      আমার চেয়ে বেশি আশ্চর্য হয়ে মা প্রশ্ন করল,’ না দেওয়ার কী হয়েছে? আমি তোকে বলেছিলাম নাকি, তাকে আমাদের বাড়িতে ঢুকতে দেব না বলে?’

      তাইতো! আমি অবশ হয়ে বসে পড়লাম। মা তো আমাকে কখনও বলেনি– নরেনকে আর জায়গা দেব না বলে! কীসের ভিত্তিতে তাহলে আমি আমার রাজপ্রাসাদ তৈরি করেছিলাম? বিশ্বাসের বিন্দুমাত্র জোর ছাড়া রুদ্ধ কণ্ঠে আমি মাকে বললাম,’ মা, তুমি যদি এভাবে আমার সর্বনাশ করতে চাও, তাহলে নিজের সতীত্ব বিক্রি করেও কেন আমার প্রাণ রক্ষা করেছিলে? সেদিনই আমাকে কেন মেরে ফেললে না? নরেন কী মতলবে আমাদের ঘরে মদের আড্ডা পেতেছে সে কথা তুমি বুঝতে পারছ না? এই নরেনের বাবাই একদিন মাত্র কয়েকটি টাকার জন্য তোমাকে পাপের পথে নামতে বাধ্য করেছিল, সেই নরেনকে আজ তুমি আমার জন্য আহ্বান জানাচ্ছ?’

      ‘শোন সুবালা, সংসারের পাকচক্রে ঘুরে ঘুরে মাথার চুল পাকিয়েছি, এখন আর তোর কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে না। নরেনের বাবা আমার ওপর করা অপমানের প্রতিশোধ নেবার জন্যই তো আজ আমি তার ছেলেকে আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু সাপ মারতে গিয়ে যদি লাঠিটাও ভেঙ্গে যায় তাতে আমার কোনো দোষ নেই।’

      ‘আমাকেই তো তুমি লাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছ!’

      হ্যাঁ।’

      ‘তোমার ওপরে করা অপমানের প্রতিশোধ নেবার জন্য তুমি নিজের মেয়েকে বলি দেবে? আমাকে যে বলি দিতে চাইছ, সে কথা ঠিকই। কিন্তু অপমানের শোধ তোলার জন্য কথাটা একেবারে মিথ্যা কথা। দিদিকে পাঞ্জাবির কাছে বিক্রি করার সময় তুমি কার ওপরে প্রতিশোধ নিতে চাইছিলে?’

      ‘তোর সঙ্গে তর্ক করার মতো আমার সময় নেই। প্রদীপটা জ্বালিয়ে উনুনে আগুন ধরিয়ে রাখ।’

      মা দোকানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেল।

      প্রদীপটা জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে বসেছি মাত্র দরজা খুলে নরেন ভেতরে চলে এল। আজ কীভাবে আমি তার মুখোমুখি হব সে কথা আগেই মনে মনে ঠিক করে রেখেছিলাম। তাকে দেখা মাত্র মুখে হাসি টেনে আমি বলে উঠলাম,’ ও নরেন কাকা, বস বস। তোমার জন্য পথ চেয়ে চেয়ে চোখ ব্যথা হয়ে গেল। ‘

      আমার এই অপ্রত্যাশিত সাদর- অভ্যর্থনায় নরেন এতটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল যে কয়েক মুহূর্ত সে কিছুই বলতে পারল না। সে হতবাক হয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। আমি ঠাট্টা করছি নাকি সেটাও হয়তো বোঝার চেষ্টা করল। আমার অভিনয় নিখুঁত করার জন্য আমি বিন্দুমাত্র ত্রুটি রাখিনি। অবশেষে সে বলে উঠল,’ সত্যিই তুই আমার জন্য পথ চেয়েছিলি?’

      ‘কেন পথ চেয়ে থাকব না? তুমি যে আমার জন্য পাটের মেখেলা আনবে। দাঁড়িয়ে আছ কেন,বস।’

      ‘ইস,কাল তুই আমাকে বেশ ভয় পাইয়ে দিয়েছিলি? প্রথমেই আমাকে বলে দিলে হত যে তোর পাটের মেখেলা চাই, সেটা পেলেই তুই আমার সঙ্গে মন খুলে কথা বলবি। তা না করে… যা হয়েছে হয়েছে, তোদের মেয়ে জাতটাকে আমার আর চিনতে বাকি নেই।হ্যাঁ, এই নে মেখেলা; তার আগে কিন্তু আমাকে……’

      হাত দুটো মেলে সে আমার দিকে এগিয়ে এল।

      ‘ দাঁড়াও দাঁড়াও, এত তাড়াহুড়ো কিসের। তুমি বস, আমি মেখেলাটা দেখি। কিন্তু তার আগে আমি আগুনটা ধরিয়ে নিই। নাহলে মা এসে আবার রাগ করবে।

      নিরুপায় হয়ে নরেনকে বসতে হল। কিন্তু আমার হাসি এবং অর্থপূর্ণ কথার ইশারায়  তার শরীরে যেন আগুন ধরিয়ে দিল, আমি দূরে বসেই তার শরীরের জ্বলন উপলব্ধি করতে লাগলাম। এদিকে আমি শুকনো খড়ি দিয়ে বেশ ভালো করে উনুন ধরিয়ে নিলাম। তারপরে পুটলিটা খুলে মেখেলাটা দেখতে লাগলাম।

      ‘বাহ কী সুন্দর কাজ করা মেখেলা। অনেক দাম পড়েছে নিশ্চয়?’ মুখে অফুরন্ত হাসি নিয়ে আমি নরেনের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলাম।

      ‘এটা আর কী এমন দামি? কিছুদিন যেতে দে। আমি তোর মন পেলেই হল, এর চেয়ে শতগুণে সুন্দর মেখেলা চাদর আমি তোকে এনে দেব। তবে তুই এখন মেখেলা পেয়ে আমার দিকে ফিরে তাকাচ্ছিস না  দেখছি। মায়ের চলে আসার সময় হল।’

      ‘প্রদীপের সামান্য আলোতে তোমার মুখটা ভালো করে দেখাই যাচ্ছে না নরেন কাকা। আমি আগুনটাকে আরও উশকে দিচ্ছি’– বলে আমি মেখেলাটা দপ দপ করে জ্বলতে থাকা আগুনের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলাম।

      ‘কী করলি তুই সুবালা?’ বসে থাকা অবস্থাতেই চিৎকার করে উঠল নরেন।

      ‘আগুনটা কী সুন্দর জ্বলছে দেখতো নরেন কাকা’— আমি হাসতে হাসতে বলে উঠলাম। এই মুহূর্তে আমার সামনে এসে হাজির হল মা।

      মেখেলাটা পুড়ে দপ দপ করে জ্বলে উঠা আগুনের দিকে তাকিয়ে মা এক মুহূর্তের জন্য অবাক হয়ে গেলেন। তারপরই তিনি চিৎকার করে উঠলেন,’কী হচ্ছে এসব?’

      ‘ দেখতো খুড়ি, তোমার মেয়ের অহংকারটা দেখ। ওকে আমি আদর করে একটা মেখেলা এনে দিলাম দামি পাটের মেখেলা , আমার মুখের সামনে সে মেখেলাটা আগুনের মধ্যে ঢুকিয়ে দিল। আমি কিন্তু এই অপমান কখনও সহ্য করব না । তোমরা আমাকে চিনতে পারনি …..।’

      নরেন ক্রোধে কাঁপতে লাগল।

      ‘ দাঁড়াও —দাঁড়াও বাবা, তুমি অধৈর্য হও না।ব্যাঙাচির জন্য গরম জলের প্রয়োজন হয় না। আমি এবার ওর কোমর ভাঙব। ‘যা আমার চোখের সামনে থেকে চলে যা’— মা সত্যিই কোমর ভেঙ্গে যাবার মতো আমাকে একটা লাথি মেরে দিলেন।

      আমি উনুনের  সামনে থেকে উঠে দাঁড়ালাম। মা আলু ভাজার জন্য কড়াইটা উনুনে  বসিয়ে দিলেন। নরেন মুখটা ক্রোধে কালো করে নীরবে একটা বাটিতে মদ ঢেলে নিয়ে খেতে শুরু করল। আমি কিছুক্ষণ ওদের কান্ড কারখানা দেখে আমার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হতে দেখে পুনরায় গত রাতের মতো বাইরে বেরিয়ে গিয়ে বারান্দার কোণে  বসে পড়লাম।


আরো পড়ুন: সুবালা (পর্ব-৮) । হোমেন বরগোহাঞি


      আগের রাতে ঠিক একই অবস্থায় পড়ে ভাবা কথাগুলি পুনরায় মনে পড়তে লাগল। বাড়ি থেকে পালিয়ে না গেলে নরনের হাত থেকে আমার রক্ষা নেই। তার সমস্ত অসৎ অভিপ্রায় জেনেও যার মা নরনের মতো একটি মাতাল লম্পটকে বাড়িতে আশ্রয় দেয় তার মান সম্মান রক্ষা করার জন্য সংসারের কোন মানুষ এগিয়ে আসবে ? কিন্তু বাড়ি থেকে পালিয়ে যাব কোথায় ? এভাবে বেরিয়ে গেলে তো তপ্ত খোলা থেকে গিয়ে জ্বলন্ত আগুনে পড়তে হবে । বাইরে বেরিয়ে যাবার কোনো উপায় নেই ঘরের ভেতরে ও থাকার কোনো উপায় নেই, আমি এখন কী করব?

      সেই দিক-চিহ্ন-হীন অন্ধকারে কতক্ষণ আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম ঠিক বলতে পারি না, হঠাৎ ভীষণভাবে চমকে উঠে আমার মুখের ওপরে অনুভব করলাম একটি বিশাল হাতের বজ্র কঠিন মুঠো। সঙ্গে সঙ্গে নরেন অন্য একটি হাতে আমাকে তুলে নিয়ে বাড়ির পেছনদিকের মাঠের দিকে হাঁটতে লাগল। কী হতে চলেছে ব্যাপারটা বুঝতে পেরে আমি নিজেকে মুক্ত করার জন্য নরেনের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে লাগলাম।সে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে আমাকে চেপে ধরল, সেই চাপে আমার হাড়গোড় ভেঙ্গে যাবার উপক্রম হল। আমিও প্রাণের মায়া ত্যাগ করে তার সঙ্গে লড়াই করতে লাগলাম। এভাবে কিছুটা পথ যাওয়ার পরে আমি হঠাৎ একবার ঝাঁকুনি দিয়ে নরেনের নাগপাশ থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিয়ে দৌড়াতে লাগলাম। সেও পেছন পেছন দৌড়ে এসে আমার আঁচলের সামনের দিকটা টান মেরে ধরল। আমি কোমরের কোঁচাটা খুলে কাপড়টাকে ছেড়ে দিলাম । তাতেও রক্ষা পেলাম না, সে লাফ মেরে আমাকে বগলদাবা করে ধরে পুনরায় টানাটানি করতে লাগল।এবার আমার মেখেলাটাও খুলে গেল সম্পূর্ণ নগ্ন দেহে আমি দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে পুনরায় দৌড়াতে লাগলাম । এভাবে কোন দিকে কতটা দূর এলাম আমি বলতে পারি না , আসতে আসতে  হঠাৎ হোঁচট খেয়ে আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। উঠে দাঁড়ানোর মতো আমার শক্তি ছিল না।

      অনেকক্ষণ পরে জ্ঞান ফিরে পেয়ে নরেন বা অন্য কাউকে দেখতে পেলাম না। আমি বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে মাঠের মাঝখানে পড়ে আছি। নিজের নগ্ন দেহটা দেখে আমার নিজেরই ভীষণ লজ্জা করতে লাগল। পৃথিবীতে মানুষের এমনও অবস্থা হয়! এই উলঙ্গ মূর্তি নিয়ে আমি কোন মুখে বাড়ি ফিরে যাব? কার কাছে ফিরে যাব? আকাশ পাতাল ভেবে আমি আরও কিছুক্ষণ এভাবেই পড়ে রইলাম । হঠাৎ একবার আমার মনে হল মানুষের পৃথিবীতে ফিরে যাবার সমস্ত পথ আমার জন্য চিরকালের জন্য রুদ্ধ হয়ে গেছে , আমার সামনে খোলা আছে কেবল একটি মাত্র পথ। সেই পথ মৃত্যুর। এত সহজ সমাধান আগে কেন আমার চোখে পড়েনি, সে কথা ভেবে আমি খুবই অবাক হয়ে গেলাম। রূপসী নদীটা এখান থেকে বেশি দূরে নয়। আমি উঠে দাঁড়ালাম এবং শীতের মধ্য রাতের সেই নীরব নির্জন অন্ধকার পথের মধ্য দিয়ে নগ্ন দেহে আমি রূপসী নদীর উদ্দেশ্যে যেতে শুরু করলাম। 

      ভাগ্য মানুষকে যে কত বিচিত্র উপায়ে ঠাট্টা করতে পারে তার সীমা- সংখ্যা নেই। মনের উত্তেজনায় আমি ভুলে গিয়েছিলাম যে মাঘ মাসের রূপসী নদীতে পায়ের গোড়ালি ডোবার জন্যও জল থাকে না, গ্রামের মানুষকে বালিতে কুয়ো খুঁড়ে জল সংগ্রহ করতে  হয়। নদীর তীরে পৌঁছে আমি দেখলাম নদী শুকিয়ে বালু হয়ে পড়ে আছে , কেবল এখানে সেখানে কিছুটা জল জমে আছে। বিধাতা আমাকে মানুষের মতো বেঁচে থাকতে তো দেবেই না মরণেও আমাকে আশ্রয় দিতে চায় না।পৃথিবীর অন্ধকার আমার দেহের কলুষিত নগ্নতার লজ্জা ঢেকে রাখতে পারেনি। ভেবেছিলাম মৃত্যুর অন্ধকারে তাকে আমি চিরকালের জন্য ঢেকে ফেলব। কিন্তু যা দেখলাম, মরণও আমাকে আশ্রয় দিতে চায় না। উদভ্রান্ত দৃষ্টিতে আমি চারপাশে তাকালাম । হঠাৎ দেখি , পূবের আকাশ ধীরে ধীরে আলোকিত হয়ে আসছে। আর কিছুক্ষণ পরেই ভোর হবে, সমগ্র সংসার দেখবে আমার উলঙ্গ বীভৎস রূপ। আর কিছু ভাবার মতো আমার সময় ছিল না। আমি পুনরায় পাগলির মতো দৌড়াতে আরম্ভ করলাম। এবার বাড়ির দিকে মুখ করে।

 

 

 

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত