| 19 মে 2024
Categories
ভাসাবো দোঁহারে

ভাসাবো দোঁহারে: প্রেমের কবিতা । সব্যসাচী মজুমদার

আনুমানিক পঠনকাল: 2 মিনিট
 
জানেমন বাৎসল্যে ভেসে গেছে তন্তুবায়
আমাদের হাতে ছিল রোগা মানুষের হাড়
ভাঙিনি।আঁকুশিও…করিনি গণতাড়নায়
কেবল দূরের গঞ্জে যোনি ভেদ করে তার
খুলি ঢুকে গেছে যেন যৌন বেদনার রং।
এই সব ঝাপসা গান এই যূথহীন জুনি
ইতরের মতো মেঘ হলে এ শবারোহণ
তুঁহুঁ গাছ ছুঁয়ে যায়।যায় শব্দ চাঁদ খুনী
 
সাথে যাচ্ছে মিথ্যে জল, অপুষ্ট পাখির মাথা।
পাখিডিম পাখিলোক পাখি লেখাটির সুখ
ঠিক একটা ছোটো বাড়ি।একটা বক্ষ্যমান খাতা…
বাক্য হয় রান্না হয় গড়ে ওঠে আত্মভূক
 
 
ভেসে গেল বনতল,দ্রবণের মতো যায়
রোগা হাড় লিলিথের সম্মত শিশ্ন উপায়…
 
 
 
 
 
বাঁওড়ের জল
 
(অ)
 
এতবার ঘটে গেল বাঁওড়ের জল তবু
বটের তলায় বসে আছি নির্দ্বিধার মতো
এই অলক্তক কুঁকড়ে থাকার নিপুণ রেতঃ
দেখে জাগিয়েছি ছেলে ও সামগ্রিক রেচন
অন্তমিলহীন জাগা পুনর্বার জেগে ওঠা
—এসব পুনর্বসুতে আমি লজ্জা পেয়ে ঘোড়া
অলৌকিক ঘোড়াদের বস্তি এলাকায় গিয়ে
থাকি তবু অন্তরীপে কে তুমি কাফির মতো
না লেখার যে কারণের কাছে জল নিয়ে গেলে
সেও আসলে কৈতর। মাঠের ওদিকে উড়তে
উড়তে দেখেছিল নিজেদের ছেলে মরে গেছে
নরমুণ্ডগুলি নিয়ে ভারতের জবালার
স্বামী গেছে অস্তাচলে। তুমি ধড় সহবাস
যতটা পেয়েছ তারও চেয়ে কী অধিক নয়
এই অন্তঃরীক্ষময় মুক্তক শুধু মুক্তক
জীঘাংসার মতো মুক্তকেরা আকাশগঙ্গায়…
 
 
(আ)
 
রোদনের হাঁসগুলো অবাক জ্বলন্ত ভাসে
অনিশ্চিত জ্বলে ওঠাখানি শেয়ালের শেষ
ডাকবার ঠিক আগের পূর্বগামিনী আদল।
আদলের এত শেষ নেই যে তার ভেতরে
তুমি খুঁজে পাবে দারু উল্কা ডোবানো জল
খুঁজে পাবে অবিন্যস্ত মাংসে ফিরোজা সলকে
লেগে থাকা পোড়া নুন।এই হরিচরণের
বিহীন বাংলায় আমি হেম বেহাগের প্রেত
প্রজাতির মতো আছি মানে থাকতে চাই বলে
থেকেছি যতটা তার বেশ কিছু ঋতুহীন
মানুষের সঙ্গে বসে শোনা নিম প্যাঁচাটার
ডাকের মতন। কেন?একথা বলার জন্য
যেটুকু অরণ্য চাই তার কিছুই আমার
ছিল না।জরায়ুও না।প্রায়ান্ধকারে গমন
কতটা হাউল আর কতটা যুবনাশ্বের
যশোর রোড বুঝেছে বলে কী সন্ত-ফকির
আর একবার না খেয়ে মরে দেখাবে না সাদা
কালো ছবিদের মজা? দেখাবে না ভূমিমুক্ত
নদী নালা,ক্ষত প্রসিধের নানা চমৎকার!
 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত