Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com,At least Binoy Majumdar

যৎকিঞ্চিৎ বিনয় মজুমদার । আহমদ ছফা

Reading Time: 5 minutes

আমি যখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র আমার যিনি গৃহশিক্ষক ছিলেন আমাকে কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা গ্রন্থটি উপহার দিয়েছিলেন। এই কাব্যগ্রন্থ পাঠ করে আমি যেভাবে শিহরিত হয়ে উঠেছিলাম সে অনুভবটি আমার মনে এখনো তাজা রয়েছে। আমাদের বাড়ির পেছনে একটা পুকুর ছিল। চারপাশটা ছিল গাছগাছালি দিয়ে ঢাকা। বাড়ির মেয়েরাই এ পুকুরটা ব্যবহার করত। পুকুরের পশ্চিম পাড়ে ছিল একচিলতে জমি। সেখানে সুদিনের সময়ে মাচা করে করলা এবং শশার চাষ করা হত। এই শশাক্ষেতের পাশে বসেই এক বিকেলে আমি নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা পাঠ করেছিলাম। আমি তখন নিতান্তই ছোট। অনেক দুরূহ সংস্কৃত শব্দের মর্ম গ্রহণ করার ক্ষমতা তখনো আমার জন্মায়নি। তথাপি শব্দের পাশে শব্দ বসিয়ে একজন মানুষ অন্তরের প্রচÐ আবেগকে এমনভাবে মুক্তি দিতে পারে আমার জীবনে প্রথমবারের মতো সেরকম একটা অভিজ্ঞতা হল। এই কবিতার রেশ আমাকে প্রায় মাসখানেক ধরে চঞ্চল এবং উতলা চিত্ত করে রেখেছিল। আমি ১৯৬০ সালের দিকে কবি রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি পাঠ করে যে একটা চরাচরপ্লাবী শান্ত আবেগ আমার মনের চারধারে ঘনিয়ে উঠেছিল, যেভাবে আমি নিজেকে আকাশ-বাতাস, পাখ-পাখালি, তরুলতা চরাচরের অংশ বলে মনে করতে পেরেছিলামসেই উপলব্ধিটি আমার ধারণা মৃত্যুর ক্ষণটিতেও আমি বিস্মৃত হতে পারব না। রবীন্দ্রসাহিত্য এবং রবীন্দ্রকাব্য বিষয়ে নানা সময়ে অনেক অপ্রিয় এবং অশোভন মন্তব্য আমাকে করতে হয়েছে। আর সেজন্য আমার মনে কোনো ধরনের অনুশোচনাও নেই। তথাপি আমি বলব কিশোরবয়স পেরিয়ে যৌবনের সিঁড়িতে পা রাখার সময় রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্য আমাকে এমন একটা বিশুদ্ধ অনুভ‚তির জগতে পৌঁছে দিয়েছিল যে সেটাকে সমগ্র জীবনের একটা মূল্যবান সঞ্চয় হিসেবে গ্রহণ করতে আমি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। আমার স্কুল-কলেজের পড়াশুনা হয়েছে গ্রামে। সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্র খুবই সীমিত। হঠাৎ করে যখন প্রকাশ পেয়ে যায় কোনো লোক কবিতা কিংবা গল্প লিখছে সে বেচারার দুর্দশার অন্ত থাকে না। আমাদের চট্টগ্রাম অঞ্চলের মুসলমান সমাজে কবি আলাওলের প্রচÐ প্রভাব। যে বাড়িতে আলাওলের পদ্মাবতী-র পুঁথিখানি পাওয়া যেত সে বাড়িকে সম্ভ্রান্ত বাড়ি হিসেবে চিহ্নিত করা হত। আর যে ব্যক্তি পদ্মাবতী পুঁথির অর্থ আম-জনগণের কাছে বোঝাতে পারতেন, তাঁকে বলা হত পÐিত। এই অল্প কিছুদিন আগেও জনসমাজে এই ধরনের পÐিতদের খুব কদর ছিল। চট্টগ্রামে কবি বা লেখক মাত্রকেই বলা হত আলাওল। কোনো কৃষক যখন কবিতা বা গল্প লিখতে প্রবৃত্ত হত এবং সেটা যখন অন্য দশজন জেনে যেত, সে লেখক বা কবি দশজনের চোখে ঠাট্টা-বিদ্রƒপের পাত্র হয়ে উঠত। সকলে অঙ্গুলিনির্দেশ করে বলত, অমুকের ছেলে কিংবা অমুকের নাতি অমুক আলাওল হয়ে যাচ্ছে। আমার কৃতকর্মের গুণে আলাওল টাইটেলটা আমার ভাগ্যেও জুটেছিল। হাজার চেষ্টা করেও ঝেড়ে ফেলা সম্ভব হয়নি। আমার কিশোরবয়সের বন্ধু-বান্ধব এখনো যারা বেঁচে রয়েছে তাদের কেউ কেউ বাজারে আমাকে দেখলেই গলার স্বরটা লম্বা করে চিৎকার করে ডাক দিয়ে থাকে, এই আলাওল এদিকে আস। গ্রামের আলাওল পরিচয়টা ধারণ করে আমি শহরে এসেছিলাম। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দীন-এর বাইরে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কোনো লেখকের লেখা পড়া ছিল বাংলা সাহিত্য সম্পর্কে আমার জ্ঞান-গরিমার পরিধি। আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হলাম, আমার অবস্থা হল বাঁশবনে ডোমকানার মতো। বন্ধু-বান্ধবরা যেসমস্ত কবি-লেখকদের নিয়ে মাতামাতি করছে তাদের একজনকেও আমি চিনিনে। আমার স্কুল-শিক্ষক শিববাবু আমাকে মাইকেল, হেমচন্দ্র, নবীন সেন, কায়কোবাদএসমস্ত কবিদের কাব্য পাঠ করতে বাধ্য করেছিলেন। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্য এমনকি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সম্পর্কেও কোনো রকম উঁচু ধারণা পোষণ করতেন না। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, জসিম উদ্দীন, শরৎচন্দ্রের লেখা পাঠ করেছিলাম। আমরা যে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই, সে সময়টাও সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সময়। তরুণ যাঁরা লেখালেখি করছেন তাঁদের একদল জীবনানন্দ দাশ সম্পর্কে বিশেষ শ্রদ্ধাভক্তি পোষণ করতেন। অন্যদল যাঁরা বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন সুকান্ত তাঁদের চিন্তাভাবনার অনেকখানি অধিকার করে নিয়েছিলেন। আমি সেই গ্রাম থেকেই একটি রাজনৈতিক ঘরানার অনুসারী হিসেবে এসেছিলাম। তাই সুকান্ত আমার প্রিয় কবি হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু একটা ছোটখাটো অঘটন ঘটে গেল। রফিক আজাদ এবং শহীদুর রহমান আমার ক্লাসফ্রেন্ড। রফিক কবিতার প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ছিল এবং শহীদ লিখত গল্প। আমাদের সকলের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্য এই যে সে অল্পবয়সে মারা যায়। নানা কারণে মারা যাওয়ার অনেক কাল আগে থেকেই তার লেখালেখি বন্ধ হয়ে যায়। রফিক এবং শহীদেরা একসঙ্গে একটি নতুন সাহিত্যাদর্শ সন্ধান করেছিল। তার ফলে জন্ম নিয়েছিল স্বাক্ষর গোষ্ঠী। এই স্বাক্ষর গোষ্ঠীর কবি-লেখকেরা নিজেদের কখনো অ্যাংরি কখনো হ্যাংরি কিংবা কখনো স্যাড জেনারেশনের লেখক-সাহিত্যিক বলে নিজেদের চিহ্নিত করতে চাইতেন। অল্প কিছুদিন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমি তাদের সঙ্গে মেশামেশি করলেও তাদের মতবাদ গ্রহণ করতে পারিনি। তারপরেও রফিক এবং শহীদের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক আমার ছিল। রফিক আজাদ একদিন আমাকে একটি ছিপছিপে কবিতার বই পড়তে দেয়। মলাটে নাম দেখলাম রূপসী বাংলা-কবির নাম জীবনানন্দ দাশ। এই রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো পাঠ করার পর আমি অনুভব করতে থাকি আমার মধ্যে একটা নীরব বিস্ফোরণ ঘটে যাচ্ছে। নজরুলের অগ্নিবীণা কিংবা গীতাঞ্জলি পাঠ করে আমি যেরকম অভিভ‚ত হয়েছিলাম রূপসী বাংলা পাঠ করার পর আমার মধ্যে সে বিস্ময়বোধ জন্ম নিচ্ছিল। গুণগতভাবে অগ্নিবীণা এবং গীতাঞ্জলি পাঠ করার বিস্ময়বোধের সঙ্গে তার কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। অগ্নিবীণা পাঠ করার পর আমার ব্যক্তিসত্তার মধ্যে তাৎক্ষণিক একটা প্রতিক্রিয়া জন্ম নিয়েছিল, কিন্তু রূপসী বাংলা পাঠ করার পর আমার মনে হচ্ছিল একটা বোধ, এটা উপলব্ধি আমার মনে পাষাণের মতো নিরেট হয়ে জমছিল। রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ পাঠ করার মধ্য দিয়ে আমি জীবনানন্দে অনুপ্রবেশ করি। অদ্যাবধি জীবনানন্দ দাশ পাঠ করা আমার সমাপ্ত হয়নি। প্রতিবার পাঠ করার পর নতুন নতুন উপলব্ধি আমার মানসে জমে ওঠে। তথাপি জীবনানন্দ দাশের মধ্যে একটি প্রবহমাণ মর্বিডিটি রয়েছে, সেটা আমি পছন্দ করিনে। তাছাড়া জীবনানন্দ দাশ মূলত অবচেতনের কবি। আমার ধারণা জীবনানন্দ দাশের সমালোচকেরা তাঁর মূল্যায়নের বেলায় এদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেননি। এরপর আমি বিনয় মজুমদারের কথা বলব। ১৯৬৮ সালে শরৎকালে এক সন্ধ্যাবেলায় প্রয়াত তরুণ কবি আবুল হাসান বাংলাবাজারের বিউটি বোর্ডিং-এ আমাকে বিনয় মজুমদার রচিত ফিরে এসো, চাকা বইটি পড়তে দেয়। বিউটি বোর্ডিং ছিল শিল্পী-সাহিত্যিকদের জমজমাট আড্ডাস্থল। হৈ চৈ এবং চিৎকারের মধ্যেও আমি যখন বিনয় মজুমদারের কবিতাগুলো পড়তে আরম্ভ করি, আমার মনের ভেতরে অন্যরকম একটা দোলা অনুভব করতে থাকি। এইটা একটা ব্যাপার, অপেক্ষাকৃত স্পষ্ট করে বললে ভেতর থেকে ধাক্কা দেয়ার সঙ্গে তার তুলনা করা যায়। সাহিত্য-শিল্পে যখন কোনো লেখক কিংবা কবির লেখায় নতুন উপাদান ভর করে, পাঠকের মনে অনিবার্যভাবেই একটা ধাক্কা দিয়ে থাকে। তবে সব পাঠকের নয়। সব পাঠকের মন-মানসিকতা নতুন জিনিসের মর্ম গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকে না। যা হোক, বিনয় মজুমদারের কথায় আসি। আবুল হাসান আমাকে ফিরে এসো, চাকা বইটি এক সপ্তাহের মতো সময় রাখতে দিয়েছিলেন। আমি আধুনিক কবিতার ঠিক একনিষ্ঠ পাঠক ছিলাম না। অন্য অনেক বিষয়ে পড়াশুনার পাশাপাশি আধুনিক কবিতাও পাঠ করতাম। তাই কবিতার ভালো-মন্দ চুলচেরা বিশ্লেষণ করে কোনো সিদ্ধান্তে আসার মতো একরৈখিক মনোভাবও আমার জন্মাতে পারেনি। তারপরেও কমলকুমারের কবিতাগুলো পাঠ করার পর আমার মনে হতে থাকল আমার ভেতরে একটা দাহনক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই কবির রচনার শরীরে এমন একধরনের সুপ্ত আগুন রয়েছে যা আমার মনের ভেতর একটা মৃদু প্রীতিপদ অগ্নিকাÐের সৃষ্টি করে দিয়েছে। আমি বুদ্ধদেব বসুর কবিতা খুব খুঁতিয়ে খুঁতিয়ে পড়েছি। তাঁর কাব্যিক উচ্ছ¡াসের তারিফ করতেও আমার বাধেনি। বিষ্ণু দে’র কবিতার মর্ম গ্রহণ করার জন্য আমি চেষ্টার ত্রæটি করিনি, অন্যরকম নির্মাণপ্রক্রিয়ার জন্য একসময়ে কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের ভক্ত হয়ে পড়েছিলাম। ত্রিশের প্রধান কবিদের রচনা পাঠ করার পেছনে যে সময় এবং শ্রম আমি ব্যয় করেছি তার শতাংশের এক অংশ কমলকুমারের জন্য করিনি। দীর্ঘদিন পর যখন আমি কবিতা সম্পর্কিত ধ্যানধারণা নিয়ে নাড়াচাড়ার চেষ্টা করছি, আমি বুঝতে পারছি কমলকুমার আমার মনে একটি বড় জায়গায় অধিকার করে বসে আছেন। এটা কী করে সম্ভব হল? এই প্রশ্ন আমি নিজেকেই করেছি। নিজেই একটা উত্তর টেনে আনার চেষ্টা করছি। কতিপয় কবি রয়েছেন, যাঁরা কবিতার ধারার ভেতর থেকে জন্মান। তাঁদের সাফল্য অল্প হতে পারে কিংবা বেশি হতে পারে। সেটা বড় কথা নয়। পূর্বাপর কবিতার ধারাপরম্পরার মধ্যেই তাঁদের সাফল্য-ব্যর্থতা বিচার করতে হবে। আর কিছু কিছু কবি আছেন চেতনাগত দিক দিয়ে তাঁদের কবি হওয়ার প্রক্রিয়াটা সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম। এই ধরনের কবিরা কবিতার ধারার মধ্যে নিজেদের নিক্ষেপ করেন। তাঁদের স্বাতন্ত্র্য এবং মৌলিকত্ব এত প্রখর যে সেটাই তাঁদের চেনার নিশান হিসেবে গণ্য করা যায়। এই রচনাটি দীর্ঘ করার বিশেষ অবকাশ নেই। বিনয় মজুমদার সম্পর্কে আমার মনে যে কথাগুলো জমেছে বলে ফেলতে চাই। বিনয় নানা গুণে গুণান্বিত পুরুষ। তিনি যদি কবিতা না লিখে অন্যান্য বিষয়ের চর্চা করতেন, আমার ধারণা অনায়াসে সিদ্ধি অর্জন করতে পারতেন। তাঁর নানারকম যোগ্যতা এবং পারঙ্গমতা ছিল। তিনি সব বাদ দিয়ে শুধুই কবিতার সঙ্গে লটকে রইলেন। এটা একটা অবাক ব্যাপার। অথচ বিনয়ের ক্ষেত্রে এটাই সত্য হল। আমাদের মেনে নেয়া ছাড়া উপায় নেই। একজন মানুষ যখন প্রেমে পড়ে সেখানে ভালো-মন্দ বাছ-বিচারের প্রশ্নটা গৌণ হয়ে দাঁড়ায়। কবিতার প্রতি তাঁর আত্যন্তিক প্রেম এবং অনুরাগ বিনয় মজুমদারকে অনেকটা মানসিকভাবে আত্মহননের পথে ধাবিত করে নিয়ে গিয়েছে। অথচ বিনয় যদি পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়ে উঠতে পারতেন, তাঁর বিচিত্রমুখী প্রতিভার সম্যক বিকাশ যদি ঘটত, তাহলে বাংলা সাহিত্য একজন শ্রেষ্ঠ কবিকে পেত না শুধু, পাশাপাশি একজন মনীষী ব্যক্তিত্বের আবির্ভাবে ধন্য হতে পারত। যে সমাজের মধ্যে বিনয় মজুমদার বসবাস করে আসছিলেন, সে সমাজে সাংস্কৃতিক ষড়যন্ত্রের শিকার বিনয়কে হতে হয়েছিল, এটা আপাত সত্য, কিন্তু পুরো সত্য নয়। বিনয়কে নানা কারণে বারবার ঠাঁইনাড়া হতে হয়েছে, যা তাঁর সাহিত্যচর্চা নয়, জীবনটাই আগাগোড়া পাল্টে দিয়েছে। শুরুতেই যদি বিনয় একটি সংগ্রামী অবস্থান গ্রহণ করতেন, তাঁকে অভিমানী বালকের মতো জীবনের বৃহত্তর কর্মক্ষেত্র থেকে পালিয়ে বেড়াতে হত না। হ্যাঁ, বিনয়ের মনে একটা প্রবল অভিমান ছিল এবং এখনো আছে। আর সে অভিমান মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের একাংশের বিরুদ্ধে। প্রশ্ন হল তিনি কি তাঁদের বাইরে যেতে পেরেছেন? এখনো বিনয়কে যাঁরা অনুকম্পা সহকারে স্মরণ করেন, তাঁর কবিতার মূল্যায়ন করতে চেষ্টা করে নিজেদের অপরাধবোধের গ্লানি থেকে মুক্তি পেতে চান। তাঁরাও তো মধ্যবিত্ত প্রায় নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদেরই একটা অংশ।

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may use these HTML tags and attributes:

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>