ভাগ করে নেই ভালো লাগার জমিন

আজ এখনো রাত বারোটা বাজেনি, কিন্তু
এখনও  তো নারী দিবস, কাল এবং পড়শু এবং তার পরের পরের দিন। সবকটা দিন নারী দিবস শুধু, কারণ মেয়েরা একটু একটু করে ছেড়ে দেয় ভালোলাগার জমিন, না পাওয়াটাই স্বাভাবিক মনে হয় তার কাছে, হয়তো বা নির্লজ্জের মতো কিছু দাবি করতে চাওয়াটাও রুচিহীন মনে হয় কারো কারো কাছে।
সংসারে  এখন এটার  খুব দরকার, থাক আমারটা এখন, পরে না হয় …। অমুক অসুস্থ  , আমার এখন এসব চিন্তা করলে চলে, থাক থাক, পরে না হয়…কখনো।  ছেলেমেয়ের পরীক্ষা …ওখানে যাওয়াটা শুধু আনন্দ,  একটু আমার একান্ত …থাক, পরে না হয় …অন্য কোন সময়। আমার একটি শখ ছিল…একটু গুছিয়ে নেই সব, তারপর না হয় শুরু করবো, গোছাতে থাকি, গোছাতে থাকি …শুরু আর হয় না,
নিজস্ব ‘ শখ ‘টি  অভিমানে আত্মা থেকে দূরে চলে যায়, বিনিময়ে রেখে যায় ক্লান্তি, একটি আয়না, অদ্ভুত আমি, চিনি না, চিনি না তাকে…
এই সব ছেড়ে দেওয়া মাটির আরেকটি অংশে থাকেন পুরুষও। তাদের প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই, সংসার ভাগ করে নেন তারাও। বর্তমানে বহু পুরুষ,  সহধর্মিনীর, গার্লফ্রেন্ডের পাশেও দাঁড়ান, ত অজান্তেই বলে দেন, পথচলা পাশাপাশি, না হলে তো মিছিল, আন্দোলন, চিৎকার।
 তবে কখনো কখনো চিৎকারও করতে হয় বটে, যখন আমাদের দেশে ( ভারতে ) প্রতিদিন গড়ে বিরানব্বই জন মহিলা রেপ হোন,
পরিসংখ্যান ঠিক হলে কালও বিরানব্বইজন মহিলা রেপ হবেন।
বিরানব্বইটি পরিবার মাথা নীচু করে বাঁচবে তাদের কোন দোষ না থাকলেও।
বিরানব্বইটি মেয়ের মুখ অস্পষ্ট হয়ে যাবে।
এছাড়াও সেক্সুয়ালী হ্যারাসমেন্ট ভোগ করবেন বহু কর্মরতা, বাসে ট্রেনে যাতায়াতকারী মহিলা।
অ্যাসিড আক্রান্ত হবেন কোন হলুদ পোশাকের নারী দিবসের মেয়ে।
গভীর বিষাদ নিয়ে  নারী দিবসের মেয়েরা তাদের গৃহকোণে চুপচাপ বসে থাকবেন।
তবুও বলবো আজ রাত বারোটায়, কাল সারা পৃথিবীতে সর্বোচ্চ কন্যাসন্তানের জন্ম হোক।
যাদের কাছে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, অ্যাসিড ক্ষত, বিষাদ এসব শব্দগুলোর কোন মানে, কোন মানেই থাকবে না।
যাস্ট কষ্টটা সহ্য করবে, তারপরই ভুলে যাবে, শুরু করবে বাঁচতে, এই লড়াই প্রথমে তার একার হবে, পথে চলতে শুরু করলেই হাজারো হাত তাকে আঁকড়ে ধরবে।
Welcome the girl children of 8th March, 2019
নারী দিবসের শুভেচ্ছা সব মানুষদের।
ব্যালেন্স ফর বেটার অলওয়েজ।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত