ব্রেকআপের পরে (পর্ব-৫)

 

“দিল কেয়া করে যব কিসিসে কিসিকো পেয়ার হো যায়ে” … তীব্র অনুভবে পার হয় পথ।পাহাড়ি বাঁকে ফুলেদের নেশা।‌এইসব পথে প্রতিশ্রুতি পাথর হয়ে ছড়িয়ে আছে।এইসব পথে মনকেমন ঘাপটি মেরে বসে থাকে। পাহাড়গুলো আমি গেলেই কৌতুক চাহনিতে দোসর খোঁজে।’হা ম্যায় তেরি ইয়াদো মে সব কো ভুলা দু”… পাথরের ফাটলে ঘুমিয়ে থাকা দস্যুরাত জাগে। বুকের মধ্যে হু হু করে ঢুকে পড়ে কিছু মেঘ। স্মৃতিদের তাড়াতাড়ি গিলে ফেলি।এক মুহুর্তে গাড়ি বেসামাল। খাদের একেবারে কিনারায় গিয়ে কোনমতে সামলায় ড্রাইভার। মৃত্যুর থেকে একচুল দূরে দাঁড়িয়ে ছেলের হাত ধরি পরম আশ্বাসে।দশ মিনিট সময় লাগে অনন্ত থেকে গাড়ির সিটে ফিরতে। আনন্দ হয়। ‘বেঁচে আছি’ বরাবরই স্বস্তি দেয়। বিড়বিড় করি,” আরেকবার দেখতে পাবো, পাবো নিশ্চয়ই।” মৃত্যুর উদ্যত চুমুকে প্রত্যাখ্যান করে সস্তা-হাসি, হাসি। প্রতি টা খাদের পাশে নদীর হাত থাকেনা, অতল হাতছানি থাকে। মনে পড়ে,সেই যেদিন অনেক কান্নারা ভিড় করেছিল আমার বুকে,সেই যেদিন তুমি ছাড়া আর সব কারণে আমি কেঁদেছিলাম, পাড়ার কুকুর টা বাঁচবে না ব’লে , ছেলে সহবত শিখছেনা ব’লে, এত ক্লান্তি আর শরীরে দেয়না ব’লে আকুল কেঁদেছিলাম। সেইসব উতরোল জানে তোমার ঘৃণা আর আমার আঙুলের দূরত্বের শূন্যস্থানে আমি শুধু ‘সম্ভাবনা’ লিখতে চেয়েছিলাম।

কিশোর কুমার অবুঝ গেয়ে যান ” শোচো গে যব মেরে বারে মে তনহায়িও মে / গির যাও গে অউর ভি মেরে পরছাইও মে।” চেনা শব্দ, অচেনা আফসোসে বাজে।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত