চার্লি চ্যাপলিন হেরে গেলেন


আজ ১৬ এপ্রিল। চার্লি চ্যাপলিনের ১৩০তম জন্মদিন। ইরাবতী পরিবার এই দিনে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে তাঁকে।


একটি শব্দও উচ্চারণ না করে দর্শককে হাসানোর এবং কাঁদানোর ক্ষমতা ছিল তার। ব্রিটিশ এই চলচ্চিত্র অভিনেতা পৃথিবী বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালকও বটে। তিনি চার্লি চ্যাপলিন। জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়া যায় কীভাবে, তা শেখাতে পারেন একমাত্র ইনিই। বুকের ভিতর কান্না চেপে হাসাতে পারেন যিনি, তাঁর থেকে বড় ‘জয়ী’ আর কে-ই বা আছেন? কিন্তু…

এহেন চ্যাম্পিয়নকেও হেরে যেতে হয়েছে! হার মানে, একেবারে গোহারান হার যাকে বলে।

সেটা ছিল ১৯১৫ সাল। আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোয় আয়োজন করা হয়েছে একটি প্রতিযোগিতার। কীসের প্রতিযোগিতা? চার্লি চ্যাপলিনের ‘‘ট্র্যাম্প’’ চরিত্রটিকে সবথেকে ভালভাবে যিনি ফুটিয়ে তুলতে পারবেন, তিনিই চ্যাম্পিয়ন। শুধু সান ফ্রান্সিসকোই নয়, সেই সময়ে দুনিয়াজুড়ে এমন প্রতিযোগিতা, আজকের ভাষায়, ভাইরাল হয়েছিল।

কিন্তু সান ফ্রান্সিসকোরটাই সকলে মনে রেখেছেন কারণ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন চ্যাপলিন নিজে। বাকিদের মতো তিনিও মঞ্চে আসেন, ট্র্যাম্প-কে নকল করে দেখান। বিস্তর হাততালিও পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার শেষে দর্শক এবং বিচারকদের ভোটে কে জিতেছিলেন জানেন? জিতেছিলেন অন্য একজন।

আর চ্যাপলিন নিজে? এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, তিন নম্বরে শেষ করেছিলেন চার্লি। কিন্তু বেশিরভাগ চ্যাপলিন গবেষকেরই দাবি, তিনি ফাইনাল রাউন্ডেই পৌঁছতে পারেননি!

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত