পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এক মহাদানবীয় গ্রহাণু

এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এমন অনেক কিছুই আছে যা আমাদের পক্ষে এখনো অজানায় রয়ে গেছে।তবে টেকনোলজি যত দিন দিন উন্নত হচ্ছে তার সম্পর্কে আমরা ধীরে ধীরে জানতে শিখেছি। এখন বিজ্ঞান এতটাই উন্নতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া হচ্ছে খোঁজ চলছে চাঁদে জল আছে কিনা মঙ্গলে কোন প্রাণী বসবাস করছে কিনা এসব নিয়ে। তবে এখন বিজ্ঞান মহল থেকে যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেটি সকলকে চমকে দিয়েছে।

ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানী মহল থেকে জানানো হয়েছে মহাকাশ থেকে এক মহাদানবীয় গ্রহাণু “গড অফ ক্যাওস” ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে।মহাকাশের নানা অজানা মহাজাগতিক ঘটনা মধ্যে এই ঘটনাটিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানী মহলে শোরগোল শুরু হয়ে গেছে। কারণ এই গ্রহাণুটি প্রতি ঘন্টায় ২৫ হাজার মাইল গতি নিয়ে তীব্র বেগে ধেয়ে আসছে। এই তীব্র বেগ নিয়ে আপাতত পৃথিবীর দিকে তাক করে এগিয়ে আসছে এই রহস্যময় গ্রহাণু।তবে এখন প্রশ্ন এই গ্রহাণুকে নিয়ে এত আশঙ্কা বা কৌতুহল কেন দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞানীমহলে?

কারণ এই গ্রহাণুটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় মগ্ন একটি মহল এই গ্রহাণুর ওজন আনুমানিক ২৭ বিলিয়ন কেজির ও বেশি, আর এই গ্রহটির আকার প্যারিসের আইফেল টাওয়ার এর থেকেও বেশি। গ্রহটি চওড়ায় ৩৭০ মিটার এই গ্রহটিকে নিয়ে আপাতত বিশ্লেষণে ব্যস্ত রয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। কারণ এই গ্রহটি একবার যদি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে তাহলে কেমন প্রকার ক্ষতি হবে তা নিয়ে চলছে তাদের খোঁজ।

আপাতত বিজ্ঞানীর মহল থেকে বিশ্লেষণের পর যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেখানে বলা হচ্ছে যদি এই গ্রহটি পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ে তাহলে এটি একটি নিউক্লিয়ার বোম এর চেয়েও প্রায় ৬৫ হাজার গুণ বেশি প্রভাব ফেলবে পৃথিবীপৃষ্ঠে। এর ফলে মুহুর্তের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে গোটা বিশ্ব।জানা গিয়েছে মহাকাশে যেখানে আবহাওয়া ও সংযোগ সংক্রান্ত স্যাটেলাইট গুলি রয়েছে সেই কক্ষপথ দিয়ে যাবে এই দানবীয় আকারের গ্রহাণুটি।তবে এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কখন আঁচড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এই গ্রহটির? তবে আপনাদের বলে রাখি প্রতিবছর এই গ্রহাণুটি ১৯ হাজার মাইল পার হচ্ছে।

এর ফলে বিজ্ঞানিক মহল থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীপৃষ্ঠের কাছাকাছি আসতে ২০২৯ সাল হয়ে যাবে।তবে সেই সময় এই গ্রহটি পৃথিবীপৃষ্ঠে আছড়ে পড়লে কি হতে পারে সে নিয়ে চলছে এখন বিজ্ঞানী মহলে বিস্তর গবেষণা আর এই নিয়ে এখন ব্যস্ত রয়েছে বিভিন্ন মহাকাশ বিজ্ঞানী গবেষণা সংক্রান্ত কেন্দ্র। তবে কী বা কীভাবে এই গ্রহটিকে পৃথিবীপৃষ্ঠে আড়ছে পড়ার আগেই ধ্বংস করা যেতে পারে সেই নিয়ে চলছে গবেষণা।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত