কম পরিশ্রম করেও ফিট থাকুন

পেশাগত ভাবে প্রয়োজন না থাকলে উচ্চতা অনুযায়ী যা ওজন হওয়া উচিত তার চেয়ে ৫–৭ কেজি, এমনকী ৮–৯ কেজিও যদি বেশি থাকে মুষড়ে পড়ার কিছু নেই ৷ ওইটুকু বেশি ওজন কমানোর জন্য জীবনপণ করারও দরকার নেই ৷ কারণ তেমন কোনও রোগবালাই না থাকলে ও মন ও শরীর যদি ফিট থাকে, এটুকুতে কোনও ক্ষতি হয় না ৷ উল্টে লাভ হয় বিস্তর ৷ কিন্তু ওজনকে নিক্তির মাপে নিয়ে আসতে গিয়ে যদি ভুলভাল রাস্তায় চলে যান, তবে কিন্তু বিপদের আশঙ্কা প্রতি পদে ৷

ফিট থাকার উপায়

সব সময় ওজনের কথা না ভেবে শরীর সুস্থ রাখার চেষ্টা করুন ৷ লো ক্যালোরির সুষম খাবার মোটামুটি পেট ভরে খান ৷ ৩০–৪৫ মিনিট জোর পায়ে হাঁটা, সাঁতার বা সাইক্লিং ও ২৫–৩০ মিনিট যোগা করুন ৷ সঙ্গে মন শান্ত রাখতে মেডিটেশন ও ব্রিদিং এক্সারসাইজ করলে তো কথাই নেই ৷

মর্নিং ওয়াকের অভ্যাস থাকলে, খুব ভাল কথা। তবে সে ক্ষেত্রে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যেতে হবে বা ব্যবস্থা করতে হবে হালকা একটু দিবানিদ্রার ৷ না হলে ক্লান্তির চোটে বরবাদ হবেন ৷

পেট–কোমর ভারী হলে, সে দিকে আলাদা করে নজর দিন ৷ কোমরে ব্যথা থাকলে বা ৪০–এর উপর বয়স হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো চলুন ৷

সপ্তাহে এক দিন ব্যায়াম থেকে ছুটি নিন ৷ সে সময় ভাল করে ঘুমোন ৷ রিল্যাক্স করুন ৷ অল্পবিস্তর অনিয়ম করতে পারেন ৷ ওইটুকু অনিয়ম পুষিয়ে নিতে পরের কয়েক দিন এক মুঠো ভাত কম খাওয়া বা ৫–১০ মিনিট এক্সট্রা হাঁটাই যথেষ্ট ৷

টেনশন বাড়লে খুব তাড়াতাড়ি তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন ৷ কারণ টেনশনের হাত ধরেই অস্বাস্থ্যকর জীবনের সূত্রপাত হয় অনেক সময় ৷

লাইপোসাকশন করে পেট–কোমর কমালে কোনও ক্ষতি নেই ৷ কিন্তু তারপরও ব্যায়ামে ঢিলে দিলে হবে না ৷

.

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত