স্টিফেন হকিংঃ কল্পনাকে জয় করেছেন যিনি

তার জন্ম বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী,জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলির মৃত্যুদিনে, আর মৃত্যুবরণ করেছেন আরেক জন কিংবদন্তি পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জন্মদিনে।

মাত্র ২১ বছর বয়সে মোটর নিউরন নামে স্নায়ুর এক মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হন তিনি। তবে চিকিৎসকের ভবিষদ্বাণী আর সব অতীত ইতিহাসকে ভুল প্রমাণ করে ৭৬ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন তিনি।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সব শারীরিক অক্ষমতা জয় করে বিজ্ঞানসাধনা অব্যাহত রেখেছিলেন এবং মানবজাতিকে উপহার দিয়েছেন বিজ্ঞানের নতুন সব তত্ত্ব।

তিনি স্টিফেন হকিং।
জন্ম ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি, যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে। কৈশোরে তিনি ভালো ছাত্র ছিলেন না। যখন তাঁর বয়স নয় বছর, তখন ক্লাসে তাঁর স্থান ছিল শেষ দিকের প্রথম। বাবা তাঁকে চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়তে উদ্বুদ্ধ করলেও তিনি পদার্থবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা নেন। পরে কেমব্রিজে শিক্ষকতা করেন। অদম্য সাধনা ও অধ্যবসায় দিয়ে হকিং নিজেকে সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আইনস্টাইনের পর তাঁকেই সবচেয়ে প্রভাব সৃষ্টিকারী বিজ্ঞানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১৯৮৮ সালে প্রকাশিত ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ গ্রন্থে তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মহাবিশ্বের ইতিহাস বর্ণনা করেছেন, যুক্তি, তথ্য ও তত্ত্বের নিরিখে। এই বই বিজ্ঞানী তো বটেই, সাধারণ পাঠকের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়া ‘দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন’ ও ‘বেবি ইউনিভার্স’ ও তাঁর দুটি গুরুত্বপূর্ণ বই।

২০১৮ সালের ১৪ই মার্চ এই কিংবদন্তি বিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুদিবসে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত