হিম (পর্ব-১১)

সকাল সকাল রুলির ঘুম ভেঙ্গেছে যদিও রাতে ঘুমিয়েছে দেরি করে। মার্ক্স এঙ্গেলসের পারস্পরিক চিঠি লেনদেন অনুবাদের চেষ্টা করছিলো। করতে গিয়ে দেখলো, এঙ্গেলস আর বিদ্যাসাগরের জন্ম একই বছর- দু’জন প্রায় একই ধরণের মানুষ কতোটা দূরত্ব থেকে বেড়ে উঠছেন! বিদ্যাসাগর বা এঙ্গেলস কেউ যদি জাহাজে চড়ে বসতেন কতো মজা-ই না হতো! অবশ্য, কেন-ই বা চড়বেন? কেউ তো কাউকে চেনেন না। কতগুলো ঐতিহাসিক সংঘটন নিয়ে বসে বসে ভাবতে ভারি মজা লাগে।  যেমন, হ্যারিসন রোডের এক বোর্ডিং এ একই সময়ে কিছুদিন বাসিন্দা ছিলেন সাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় আর জীবনানন্দ দাশ অথচ কারো সাথে কারো দেখা হয়নি। এই মুহূর্তে এক কাপ চা করবার জন্যে রান্নাঘর যেতে ইচ্ছে করছে না। বারান্দায় মায়ের বাগান। সকাল সকাল বসলে নানারকম ফুলের সুগন্ধ আর পাখির ডাক সঙ্গ দেয়। মানুষ যদি পাখির ভাষা বুঝতো তাহলে কখনো কখনো একলা হতো না। অন্তত একজন অঝোর কথা বলার লোক থাকলে মানুষ কখনো আত্মহত্যা করতো না। আহা এসব ফুলেদের কেউ কেউ ছিন্ন হয়ে খানিক বাদেই দেবদেবীর পায়ে নিবেদিত হবে। ছিন্ন হওয়ার সময় ফুলেদের চিৎকার ঈশ্বর শোনেন? দেবতাদের পায়ে সৃষ্টির আদিকাল থেকে মূলত ব্যথা ঝরে পড়ে। গতকাল বিকেলের একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো তার। 
মুষলধারে বৃষ্টি। তবু বেরিয়েছিলো বিকেলে। এইসময় পার্টি অফিস ফাঁকা থাকে৷ অফিসের লাইব্রেরি যা তারা সবাই মিলে বইপত্র দিয়ে ভরাট করে তুলেছে সেই লাইব্রেরি রুমটাও ফাঁকা। অরিন্দম দা বেঞ্চিতে লম্বা হয়ে শুয়েছিলেন। সম্প্রতি চুল কাটায় এবং ক্লিন শেভ করায় তাঁর কিশোরোচিত মুখ আবার বেরিয়ে এসেছে। জেলা পার্টি অফিসে যে কয়েকজন মানুষ বেশি কাজ করেন তার ভেতর তিনি একজন। রুলি আর তার ভাই সুধন্য তাঁর-ই রিক্রুট। একদিন দুই ভাইবোন পাবলিক লাইব্রেরির পাশে স্টুডিও থিয়েটারের  নিচে আড্ডা দিচ্ছিলো। একজন ছিপছিপে মানুষ, হাতে কাগজের বান্ডিল আর অনেকটা ভিজে যাওয়া শরীর নিয়ে নিয়ে বসলেন৷ খানিক পরে সিগারেট ধরিয়ে টানতে লাগলেন। খানিক ক্ষণ সহ্য করবার পরে, থিয়েটারের ঢোকার মুখের সিঁড়িতে পাশাপাশি বসে থাকা ভাইবোনের মধ্যে ভাই প্রথমে বললো-‘দাদা, সিগারেটটা দয়া করে সামনে গিয়ে টেনে আসুন। আমাদের অসুবিধা হচ্ছে। ‘ বিব্রত মানুষটি তাড়াতাড়ি ফেলে দিলেন। ভাইয়ের পাশের ফাঁকা জায়গায় তখন শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের  ‘হিম পড়ে গেল’, মানুষটি একটু কৌতুহলী হয়ে বললেন, ‘ একটু দেখতে পারি বইটা?’ ‘হ্যাঁ হ্যাঁ দেখুন না,’ বলেছিলো সুধন্য, অর্ধেকের বেশি সিগারেট অমন এক কথায় ফেলে দেয়ায় বেশ খারাপ-ই লেগেছিলো সুধন্যের। তিনি বইটা খানিক উল্টেপাল্টে দেখলেন। প্রথম পাতা খুলে পড়তে লাগলেন চুপচাপ। যেন বইয়ের ভেতরেই ঢুকে পড়েছে তাঁর সর্বস্ব।  ঘন্টাখানেক পর, ভাইবোন যখন উঠতে যাবে ততক্ষণে তিনি এক তৃতীয়াংশ পড়ে ফেলেছেন৷ বইটা বাড়িয়ে দিলেন৷ এক গাল হেসে বললেন, ‘ভারি ভালো বই। শ্যামলের বই তো এদিকে পাওয়াই যায় না৷ সে-ই কবে ‘স্বর্গে তিন পাপী’ পড়েছিলাম।’ থেমে একটু বললেন -‘ এখনো সে-ই ভালো লাগাটুকু মনে লেগে আছে৷ মনে করো, অনেকদিন আগে খাওয়া কোনো এক দুপুরের ভালো খাবারের মতো কোনো প্রিয় মানুষের হাতে। ‘ আবার থামলেন। তারপর বলেই ফেললেন দ্বিধা ঝেড়ে, ‘বইটা পড়তে পারলে হতো।’ সুধন্য জানে, পড়ার আনন্দ। সে অপরিচিত মানুষটাকে এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত করতে চাইলো না। বলে ফেললো, ‘ আপনি পড়েন তাহলে, আমরা দিন দুই পর আবার বিকেলে পড়তে আসবো। ‘ দৃশ্যত অবাক হয়েছিলেন এই ঔদার্যে তিনি। সময় জেনে নিয়ে চলে গেলেন৷ রুলি খানিক রাগ করেছিলো, বলেছিলো, ‘এভাবে দিয়ে দিলি?’, ভাই দিদিকে শান্ত করবার জন্যে বলেছিলো,’ উনি এমনভাবে পড়ছিলেন, মায়া হচ্ছিলো খুব।’ দিদি তখন ভাইয়ের চুল ঘেটে দিচ্ছিলো। আর হাঁটতে হাঁটতে ঘরে ফিরেছিলো। ওদের তেমন টাকাপয়সা নেই। বই পড়াতেই আনন্দ ওদের। 
দুইদিন পর আকাশ ভাঙ্গা রোদ৷ দিদি সেদিন বেরোতে পারেনি। মা’কে রান্নার কাজে সাহায্য করেছিলো আর ভাইয়ের মাথায় ঘুরছে অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের ‘বেদে’ উপন্যাসের শেষটুকু পড়বার চিন্তা। বিকেলের আলো আস্তে আস্তে মরে আসছিলো। সোনা রং রোদ জানালা দিয়ে যখন পাঠকের গায়ে পড়ে মনে হয় সে পাঠক সোনার মানুষ৷ আর সে হলুদ রং আস্তে কমতে থাকে যেন কেউ নব ঘুরিয়ে আলো কমাচ্ছে। বইয়ের পৃষ্ঠা আস্তে ঝাপসা হয়ে আসে। লাইব্রেরির টিউবলাইটগুলো আস্তে আস্তে জ্বলে ওঠে। সেদিন ‘বেদে’ শেষ করে সুধন্য যখন নিচে নামলো তখন সূর্য ডুবু ডুবু। স্টুডিও থিয়েটারের সামনে একা বসে থাকতে ভালো লাগে। সেদিনের মানুষটাকে এক গাল হাসি নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখা যায়। ‘কেমন আছো, ভাই?’ হাতে দু’টো বই৷ সুধন্য উঠে দাঁড়ায়৷ ‘আরে বসো বসো’, তারপর তিনি কথায় কথায় বলেন, ‘শ্যামলের বইটাতে সুকুমার দে সরকারের কথা আছে। পড়েছো তাঁর লেখা?’ সুধন্য মাথা নাড়ে। ‘মনে হয়েছিলো, হয়তো পড়োনি, তাই নিয়ে এলাম।’ বইটা হাতে নিয়ে দেখলো,  ছোটোদের অমনিবাস, এশিয়া পাবলিশিং। ‘আচ্ছা, নামটাই তো বলা হলো না। আমি অরিন্দম। তোমার নাম কি ভাই?’ সুধন্য নিজের নাম বলে। দু’জন আলাপে এমন মশগুল হয়ে যায় যে ওর সেলফোনে মায়ের ডাক আসলে টের পায় রাত প্রায় নয়টা ছুঁই ছুঁই। ততোক্ষণে সুধন্য জেনে গেছে, জনগণের জন্য সত্যিকার অর্থে একটি দল-ই আন্দোলন করছে, সেটিই সঠিক ধারার দল। বাকি অনেকগুলো দল জনগণের কথা বললেও তাদের রাস্তাটা ভুল। এবং একটি রাজনৈতিক দলের আয়ের উৎস কেমন হবে সে বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ কথাটি জানা হয়ে গেছে।
দিদি, ভাইয়ের কাছে শুনে সপ্তাহখানেক পর গিয়েছিলো পার্টি অফিসে। অরিন্দম দা ছিলেন, ছিলেন ঈষাণী দি- আরো কয়েকজন হৃদয়বান মানুষ৷ ইভান্স রোজারিও-র সাথে পরিচয় হলো। একটা কৌটোর মধ্য থেকে খুচরো পয়সা বের করে গুণছিলেন। মাথার উপর মার্ক্স এঙ্গেলস লেনিন স্ট্যালিন আর মাওয়ের ছবি- পরপর দেখে সুধন্যের প্রথমেই মনে হলো, ভালো সেলুনে এমন চুল দাড়ির কাটের নমুনা ঝোলানো থাকে। জলের ফিল্টার মেশিনের পাশে লেখা- ‘প্রতি গ্লাস এক টাকা’- কাছেই খোলা এক বাক্সে জল খেলেই মানুষজন কয়েন ফেলছেন। অরিন্দম দা ওদের লাইব্রেরি ঘরে নিয়ে গেলেন। বাবার সূত্রে বাংলায় অনূদিত রুশ বইয়ের সাথে ওদের পরিচয় অনেক আগের, এমনকি সিনেমা নিয়ে সোভিয়েতের মাসিক পত্রিকার বাঁধাই করা সংগ্রহ বাবার কাছে দেখেছিলো। সুধন্যের মনে হয়েছিলো, দুনিয়ার আর কোনো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি অশ্লীল অরুচিকর জিনিস এইভাবে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেনি৷ তবু এই লাইব্রেরির, পাশাপাশি ছয়টা আলমারিতে প্রচুর বই, যার অনেক নাম এরা শোনেনি। অরিন্দম দা ওদের বিস্কুট আর রং চা খাওয়ালেন। বললেন, ‘তোমরা চাইলে সদস্য হয়ে এখান থেকে বই নিয়ে পড়তে পারো।’ ভাইবোন খুবই আনন্দিত হয়েছিলো। ‘তবে আজ তোমরা প্রথমবার এসেছো, তাই তোমাদের দু’টি বই উপহার দিচ্ছি আমার পক্ষ থেকে। ‘ পাতলা দুই বই ভাইবোনের হাতে। ভাই পেলো শরদিন্দুর সেরা কিশোর গল্প আর বোন পেলো পূর্ণেন্দু দস্তিদারের ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’। দু’জনের মনে-ই পাঁচজন বড়ো মানুষের ছবির পর ঝোলানো লোকটাকে নিয়ে প্রশ্ন। কারণ, বাবার আলমিরার বইতে পাঁচজনকে দেখলেও বাকি লোকটাকে দেখেনি। নাম- শিবদাস ঘোষ। লোকটা কি সত্যিই পাঁচজনের সমান বড়ো? কিন্তু প্রথম দিনের সংকোচে ওরা প্রশ্ন করে না। ফিরে আসে। সন্ধ্যায় বাবা অফিস থেকে ফিরলে জিজ্ঞেস করে। দেখা গেলো, বিষয়টা বাবারও বিশেষ জানা নেই তবে এইটুকু বোঝা গেলো, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের মানুষগুলো মন্দ নয়। বাবার এক বন্ধু শুরু থেকেই ছিলেন যখন জাসদ থেকে বাসদ বেরিয়ে এলো। যদিও জাসদ কি জিনিস অত বিস্তৃত বিশ্লেষণ বাবা সেদিন দেননি। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত ছিলেন বলেই হয়তো। আরো কিছুদিন পর ভাইবোন পার্টি মেম্বারশিপ নিলো। আর দিন রাত এক করে দিতে লাগলো। ভ্যানগার্ড বিক্রি করা থেকে শুরু করে দলের জন্য জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ। বাবা দুই একদিন মৃদু অনুযোগ করেছিলেন পড়াশোনায় পুরো সময় না দিয়ে এসব করায়। ভাইবোন কানে তোলেনি। 
চায়ের তৃষ্ণা তীব্র হতে সুদূর অতীত থেকে সাম্প্রতিক অতীতে ফিরলো। গত বিকেলে তুমুল বৃষ্টি। বারো বছর হয়ে গেলো পার্টিতে এমন সময় দেয়ার বয়স। বিভিন্ন চাকরির জন্য এপ্লিকেশন সমান তালে চলছে। কিছু পয়সার ব্যবস্থা হলে বাবামায়ের কাছে হাত পাততে হয় না। অরিন্দম দা ওকে দেখে উজ্জ্বল হাসেন৷ ‘একটু চা করি কেমন? যা বৃষ্টি!’ দু’জনের জন্য চা করা হলো। চা খেতে খেতে এমনি আড্ডা। দু’দিন পর পাঠচক্রের বিষয়, দেশের চলমান ঘটনা- এসব শেষ হলে চা-ও শেষ হলো। ‘একটু পড়বো দাদা’, শুনে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন অরিন্দম দা। লাইব্রেরি ঘর  খুলে দিয়ে চলে গেলেন নিজের কাজে। মার্ক্স এঙ্গেলসের চিঠিপত্র সংকলন আর ডিকশনারী নিয়ে বসে পড়েছিলো রুলি। ঢাউস নোটবুকে টুকে নিচ্ছিলো। অন্তত দশটা চিঠি অনুবাদ হলে বন্ধুর ছোটোকাগজে দেয়া যাবে খানিকটা টীকা যুক্ত করে৷ আশ্চর্য নিরবতা চারদিকে। অল্প কয়েকদিন আগেই চাঁদা তুলে নতুন সিলিং ফ্যান লাগানো হয়েছে। তাই অসহ্য ক্যাচর ক্যাচর শব্দটা নেই। অনেক বছর আগের সময়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলো পরমানন্দে। দুই বন্ধু লিখছেন পরস্পরকে আর এদিকে বাংলা গদ্য তৈরি হচ্ছে, ইংরেজরা যাকে খুশি ওঠাচ্ছেন আর যাকে খুশি পটল ক্ষেতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।  বিদ্যাসাগরের মতো মানুষ নিজের নিয়মে সব নিয়ন্ত্রণ করছেন। রামকৃষ্ণ চাইলেও বিদ্যাসাগরের মন পাচ্ছেন না। না পেয়ে কটুক্তি করছেন অমন বড়ো মানুষ হয়েও।
এমন সময় হঠাৎ প্রবল চমকে উঠলো রুলি। অরিন্দম দা তার পাশে টুল টেনে বসেছেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি ঠিক কমরেড কিংবা দাদাসুলভ নয়। তিনি তার পিঠের দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন। ঝট করে দাঁড়িয়ে গেলো রুলি,’ আপনি এই মুহূর্তে বেরিয়ে যান কমরেড অরিন্দম’, নিজের গলার উঁচু স্বরে নিয়েই ভয় পেয়ে গেলো সে। অরিন্দম দা একবার বলার চেষ্টা করলেন, তুমি যা ভাবছো তা নয়।’ ‘প্লিজ বেরিয়ে যান’, রুলির দ্বিতীয় চিৎকারে টুলের মতো অরিন্দম দা-ও নড়বড়ে হয়ে গেলেন৷ বেরিয়ে গেলেন চুপচাপ।  মাথার উপর  রবীন্দ্রনাথ৷ এই মুহূর্তের আগে অরিন্দম দা এমনই তো ছিলেন এতোগুলো বছর ধরে। জেলায় জেলায় পার্টির কাজে ঘোরা, কোনোদিন তো এক ফোঁটা বেচাল দেখা যায়নি। রুলির অপমানিত লাগছে। চোখে জল নেই যদিও। নিজের উপর রাগ হচ্ছে। অল্প কয়দিন আগে অভিজিৎ রায়কে মেরে ফেলা হয়েছে। তাঁর শেষ বই রবীন্দ্র-ওকাম্পো সম্পর্ক নিয়ে। সেখানকার একটা জিনিস মনে পড়লো কোনো কারণ ছাড়া৷ ওকাম্পোর অপ্রকাশিত ডাইরির একাংশের অনুবাদ, ব্যাপারটা অনেকটা এমন, রবীন্দ্রনাথ টেবিলে বসে কিছু লিখছিলেন ওকাম্পো পেছন থেকে উঁকি দিয়ে দেখতে গেলেন গুরুদেব কি লিখছেন। কবিগুরু হাই তুলতে গিয়ে তাঁর হাত গিয়ে পড়ে ওকাম্পোর স্তনে। ওকাম্পো লিখছেন, যেন তিনি গাছের ফলের গায়ে আলতো হাত রাখছেন। তিনি কখনোই এমনটি করেননি।
সকাল পুরোপুরি ফুটে গিয়েছে। মা, বাবা উঠে পড়েছেন। আর রুলি’র দু’চোখ ঘুমে জড়িয়ে আসছে। সে অরিন্দম দা’কে ক্ষমা করে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। কেন না তার মনের ভেতরে পার্টি এতো বিশাল এক পরিসর যে অরিন্দম দার আচরণ ওখানে দাঁড়াতে পারে না৷

মন্তব্য করুন




আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত