| 19 জুন 2024
Categories
ধারাবাহিক লোকসংস্কৃতি

নারী পুরুষের মিলন কাহিনী (পর্ব-১৬)

আনুমানিক পঠনকাল: 5 মিনিট

বিবাহ  মানব সমাজের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান। যুগে যুগে প্রতিষ্ঠানটি এর আদি রূপ থেকে বর্তমান কাঠামোয় উপনীত হয়েছে। বিবাহপ্রথাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে প্রধানত ধর্ম। বিয়েসংক্রান্ত সকল নিয়মকানুন বিধিবদ্ধ হয়েছে ধর্মীয় অনুশাসনে। প্রাচীনকাল থেকে বাংলায় ধর্মীয় শাস্ত্রের বিধানই ছিল সামাজিক আইন, ধর্মীয় আইনের দ্বারাই শাসিত হতো সমাজ-সংসার। ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইনের পাশাপাশি লোকজ সংস্কৃতিও বৈবাহিক জীবনকে প্রভাবিত করেছে নানাভাবে। মনুস্মৃতি এবং অর্থশাস্ত্রে আট প্রকারের হিন্দু-বিবাহ পদ্ধতির উল্লেখ আছে। ‘ব্রাহ্ম’, ‘দৈব’, ‘আর্য’, ‘প্রজাপত্য’, ‘অসুর’, ‘রাক্ষস’, ‘পৈশাচ’ ও ‘গান্ধর্ব’ এই আট ধরনের বিবাহের মধ্যে ব্রাহ্ম বিবাহই শুধু গ্রহণযোগ্য ছিল। দায়ভাগ গ্রন্থে জীমূতবাহন উল্লেখ করেছেন যে, ব্রাহ্ম, দৈব, আর্য, প্রজাপত্য এবং গান্ধর্ব বিবাহ অনিন্দনীয়। ধর্মশাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী নিজ বর্ণের মধ্যে বিবাহ ছিল সাধারণ নিয়ম। সবর্ণে বিবাহ উৎকৃষ্ট হলেও মনু ব্রাহ্মণ পুরুষকে নিজ বর্ণ ছাড়া নিম্নতর তিন বর্ণে বিবাহের অধিকার দিয়েছিলেন। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে, যেমন চন্ডীমঙ্গলে, মুসলমানদের নিকা বিবাহের কথা বলা হয়েছে। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, এমনকি বিশ শতকেও মুসলমানদের মধ্যে বহুবিবাহ ব্যাপক হারে প্রচলিত ছিল। উচ্চশ্রেণীর অবস্থাপন্ন মুসলমানদের একাধিক স্ত্রী থাকত। বিশ শতকের শুরুতে কুলীনদের বাইরে হিন্দু সমাজে বহুবিবাহ তেমন প্রচলিত ছিল না। বিয়ের এমন অনেক জানা অজানা বিষয়ে আলো ফেলেছেন ড. রোহিণী ধর্মপাল তাঁর এই ধারাবাহিক ‘নারী-পুরুষের মিলন কাহিনী’-তে। আজ থাকছে নারী-পুরুষের মিলন কাহিনীর ১৬ পর্ব।


Irabotee.com,irabotee,sounak dutta,ইরাবতী.কম,copy righted by irabotee.com
জমদগ্নি। পরশুরামের বাবা । জমদ্ মানে যে অবিরত খেয়ে চলেছে। তাহলে জমদগ্নি মানে কি দাঁড়ালো? যে আগুনখেকো। ওইরকমই প্রচণ্ড রাগ লোকটির । মহর্ষি  ভৃগুরই উত্তরপুরুষ । বেশ বয়সে বিয়ে করেন ইক্ষ্বাকু বংশের রাজা বিদর্ভরাজ প্রসেনজিতের মেয়ে রাজকন্যা রেণুকাকে। তপস্যী মানুষ, কোথায় আশ্রমকন্যা বিয়ে করবেন, তা না! বিয়ের বেলা যত রাজ্যের রাজকন্যা ধরে টানাটানি করা কেন রে বাপু!
 রেণুকার পাঁচটি পুত্র সন্তান হয়, সর্ব কনিষ্ঠ পরশুরাম । পাঁচটি সন্তানের হিসেব দিচ্ছি এই কারণে, যে বিয়ের বেশ কিছু বছর কেটে যাওয়ার পর একটি ঘটনা ঘটল। রেণুকা প্রতিদিনের মতোই স্নানে গেছেন আশ্রমের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীতে । সেদিন দূর থেকেই অস্পষ্ট হাসির আওয়াজ ভেসে এল কানে। নদীর ধারে গিয়ে দেখলেন মার্তিকাবত দেশের রাজা, চিত্ররথ তাঁর নাম, স্ত্রীদের সঙ্গে জলকেলি করছেন। বিলাস-ব্যসনে অভ্যস্ত রেণুকা এ সব ভুলেই গেছিলেন। আজ হঠাৎ এত বছর পর দেখে তাঁর সুপ্ত কামনা জেগে উঠল। চিত্ররথ আর তাঁর সঙ্গিনীদের দেখে তিনিও যৌন উত্তেজনা অনুভব করলেন, তাঁর বেশবাস এলোমেলো   হয়ে পড়ল। স্ত্রীকে ওইভাবে ফিরতে দেখে রাগে ফেটে পড়লেন জমদগ্নি। মনে হয় নিজে জানতেন যে একের পর এক সন্তানের জন্ম দিলে কি হবে, রেণুকাকে সেই শারীরিক সুখ তিনি দিতে পারেন নি, দেওয়ার ক্ষমতাই ছিল না তাঁর । সেই হীনমন্যতা থেকে রাগের পারদ আরো চড়ল, আর তা এতটাই যে ছেলেদের ডেকে বললেন এই দুশ্চরিত্র মাকে হত্যা করো! ভাবুন, কোনো পরপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া নয়, কাউকে মন দেওয়া তো দূর– পছন্দের ব্যাপার পর্যন্ত নয়। শুধু একদিন একটু বেসামাল হয়েছিলেন। তাতেই জমদগ্নির এমন ঈর্ষা তৈরি হল! নারী পুরুষের মিলন মানে তো শুধু প্রেম আর কাম নয়,ভয়ানক ঈর্ষা আর লোভও। আর এই ঈর্ষা আর লোভ অনেকটাই পুরুষের একচেটিয়া ।
এবার একটু অন্যরকম একটা গল্প শোনাই। রেণুকার জীবনকাহিনীটা মনে বড্ড তিক্ততা এনে দেয় । এই গল্পও নারী পুরুষের মিলন প্রসঙ্গেই। তবে এই গল্পে প্রেম কাম যৌনতার পরিবর্তে লড়াইটা সংসারধর্মের আর বিদ্যাবত্তার মধ্যে । স্বামীর প্রিয় হওয়ার উপায় কি? সুভদ্রা জিজ্ঞাসা করেছিলেন দ্রৌপদীকে। এর উত্তরে দ্রৌপদী কি বলেছিলেন, সংক্ষেপে তাও বলব; কিন্তু তার আগে এই কাহিনীতে আসি।
বৃহদারণ্যক উপনিষদে আছে এক মহাজ্ঞানী ব্রহ্মজ্ঞ ঋষি আর তাঁর দুই স্ত্রীর কথা। শতপথব্রাহ্মণের রচয়িতা যাজ্ঞবল্ক্য এবং তাঁর দুই স্ত্রী কাত্যায়নী আর মৈত্রেয়ীর কথাই বলছি। বিরাট এক আশ্রম যাজ্ঞবল্ক্যের । কত জিজ্ঞাসু মানুষ আসেন প্রতিদিন । কত শিক্ষার্থী ধন্য হয়ে যায় যাজ্ঞবল্ক্যের শিষ্যত্ব গ্রহণের সুযোগ পেলে। বিদেহরাজ জনক স্বয়ং তাঁর শিষ্য, ক্ষত্রিয় হয়েও যিনি ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করেছিলেন নিজের প্রজ্ঞাবলে। এমন ঋষির জমজমাট আশ্রম দিবারাত্র গমগম করছে। মন্ত্রোচ্চারণের শব্দে যজ্ঞের চন্দনগন্ধসুরভিত গন্ধে যজ্ঞের জন্য কুড়িয়ে আনা কাঁচা কাঠের সুবাসে গোশালার গরুদের হাম্বারবে পাকশালা থেকে উঠে আসা পরমান্নের স্বাদু সৌরভে পরিপূর্ণ আশ্রম। সেই আশ্রম পরিচালনার দায়িত্ব কাত্যায়নীর। কোনো কাজে এতটুকু ত্রুটি নেই। সবাই জানে, কাত্যায়নী মা আছেন। এমন কী, আশ্রমের পশুপাখিরাও জানে। বাছুরগুলোও জানে, তাদের পেট ভরলে তবেই বাকি দুধ দোওয়া হবে। যাজ্ঞবল্ক্য তো ফিরে তাকানই না। নিজের পড়াশোনা যজ্ঞ লেখালেখি নিয়ে মেতে আছেন অন্য এক জগতে। মৈত্রেয়ীও নন। তিনিও বিদ্যার পিয়াসী, জ্ঞানের তৃষ্ণা তাঁর মধ্যেও সমান। যাজ্ঞবল্ক্যের সঙ্গে এই নিয়ে তাঁর কত আলোচনা চলে! আত্মার অনুসন্ধানের পথে যাঁরা এগিয়ে চলেছেন, তাঁদের কি আর প্রতিদিনের ভাততরকারি নিয়ে মাথা ঘামালে চলে! তাছাড়া তাঁরাও জানেন কাত্যায়নী আছেন। চিন্তা কীসের!!
বৃহদারণ্যক উপনিষদের চতুর্থ অধ্যায়ের পঞ্চম ব্রাহ্মণে (এক একটি উপ অধ্যায়কে এখানে ব্রাহ্মণ নাম দেওয়া হয়েছে,  তার আবার প্রতিটির আলাদা নাম। যেমন এই ব্রাহ্মণটির নাম মৈত্রেয়ী ) কাত্যায়নী আর মৈত্রেয়ীর কথা শুরুতেই। সেখানে মৈত্রেয়ীকে বলা হচ্ছে ব্রহ্মবাদিনী। হ্যাঁ, দেখে খুব আহ্লাদ হল। সত্যি । একজন নারী, তিনি নিজের যোগ্যতায়, নিজের বুদ্ধিবত্তায়, নিজের প্রতি দিনের চর্যায় এই উপাধি লাভ করেছেন, উত্তর-নারী হয়ে সেই গরবে আমিও গর্ব অনুভব করছি বইকী! 
কিন্তু তার পরেই থমকে যাচ্ছি। কাত্যায়নীকে কি বলা হচ্ছে? কি নাম কি উপাধি তাঁকে দেওয়া হচ্ছে? না যিনি স্ত্রীপ্রজ্ঞাযুক্ত অর্থাৎ মেয়েলী বুদ্ধিসম্পন্ন!!!! এই ব্রাহ্মণটির শেষে যাজ্ঞবল্ক্য সন্ন্যাস নিচ্ছেন, আশ্রম ছেড়ে চিরকালের মত বাণপ্রস্থে যাচ্ছেন; যাওয়ার আগে মৈত্রেয়ীকে জিজ্ঞাসা করছেন, হে মৈত্রেয়ী, আমি তো চললাম। তুমি কি চাও তা বল। কাত্যায়নীর সঙ্গে যাতে কোনো অস্পষ্টতা না থাকে! মানে তিনি তো জানেনই কাত্যায়নী মেয়েলী বুদ্ধি নিয়ে সংসারের অধিকারই চাইবে, বরং মৈত্রেয়ীর এসব নিয়ে কোনো ধারণাই নেই, তাই জিজ্ঞাসা ওঁকেই করা দরকার । মৈত্রেয়ী যা উত্তরে বললেন, তাও নিঃসন্দেহে বড় উঁচুমাপের কথা, গর্ব অনুভব করার মত কথা! কে বলে মেয়ে মানেই সংসার নিয়ে মাথা ঘামানো!!! মৈত্রেয়ী চাইলেন এমন কিছু যা তাঁকে অমরত্ব দেবে, তার বাইরে ইহলৌকিক কোনো ধনে তাঁর কোনো আগ্রহ নেই। এই উত্তর তাঁর প্রতি যাজ্ঞবল্ক্যের প্রেমকে আরোও শ্রদ্ধাকুল করে দিল। তিনি সবার সামনেই বললেন, তুমি পূর্বেও আমার আদরের ছিলে, এখন প্রিয়তর হলে। এই বলে মৈত্রেয়ী যা চেয়েছিলেন, সেই কথা বলতে আরম্ভ করলেন। তাঁকে অমৃতত্বের সন্ধান দিয়ে তবেই আশ্রম ছাড়লেন। বড় সুন্দর সেইসব কথা। আর সঙ্গে বারবার প্রিয়ে, এই সম্বোধন! বড় ভালো লাগে!
কিন্তু কাত্যায়নী!!! তার মুখটা যেন এত যুগ পরেও দেখতে পাচ্ছি । হ্যাঁ,  পড়াশোনা নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামান নি তিনি। মৈত্রেয়ীর মত অত বুদ্ধিও তাঁর কই! তাছাড়া তিনিও যদি পড়তে বসতেন, এই বৃহৎ সংসারটি চলত কিসে! তাঁর স্বামীটি, সহপত্নীটি কি জানেন! কোন ভোরে তাঁর দিন শুরু হয় আর কোন মাঝরাতে তা শেষ!!! বছরের কোন দিনটি বিশ্রাম পেয়েছেন তিনি! চানও নি অবশ্য । সবকটা মা বাবা ছেড়ে আসা বাচ্চাগুলোকে দেখতে তো তাঁকেই হয়। তাদের অসুস্থতা থেকে আবদার, সব তো তিনিই দেখেন। স্বামীর যজ্ঞের সব উপকরণ তো তিনিই সাজিয়ে গুছিয়ে রাখেন । বাইরের এত কাজের মধ্যে এই কাজে কখনো ভুল হয় নি তাঁর। স্বামী এসে সব দেখে একটু হাসতেন, তাইতেই ভরে থাকতেন তিনি। প্রিয় হতে আর কী লাগে জানতেন না তো! আজ এই শেষ বয়সে এসে শুনলেন মৈত্রেয়ী তাঁর প্রিয় ছিল, তিনি নন। তাঁর জন্য স্বামীর কোনো ভাবনা নেই, তিনি তো সাধারণ । মৈত্রেয়ীর জন্যই তাঁর যত চিন্তা। সেই শেষ পর্যন্ত স্বামীর প্রিয়তমা হল!!! আশ্রমের গাছপালা পাখির ডাক গরুগুলোর খিদের জানান দেওয়া রবের মধ্যে তিনি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। দাঁড়িয়েই রইলেন।
কেন জমদগ্নির পরেই কাত্যায়নী মনে পড়ল? কেন বলুন তো? সারা জীবন তো জেনে এসেছেন মেয়েরা হিংসুটে! নারী আর পুরুষের হিংসের বহরটা একটু দেখালাম আর কী! যুগে যুগে মেয়েদর কী ভীষণ ভাবে সহপত্নীজ্বালা সহ্য করতে হয়েছে। কী নিদারুণ মর্মবেদনা একবারটি ভাবুন! আমার স্বামী আমার একার নন। শুধু তাই নয়, আমি তাঁর প্রিয়ও নই। তাঁর সমস্ত রকম সেবা করার পরেও কোনো একটি মুহূর্তের স্খলন আমার সব কিছুকে তছনছ করে দিতে পারে। আপনার সামনেই আপনার পতিদেবতা আরেকজন স্ত্রীকে নিয়ে শোবার ঘরে ঢুকে গেলেন । আপনাকে সহ্য করতে হবে। আবার হাসিমুখে । কিন্তু আপনার ইচ্ছে অনিচ্ছে? ভালো লাগা মন্দ লাগা? যদি মানতে মানতে মানতে একদিন আপনার ধৈর্য শেষ হয়ে যায়? আর কেউ যদি আপনার অভিমানকে মান দেয়? ভালোবেসে হাতটি ধরে? সাড়ে সর্বনাশ! শুধু জমদগ্নির মত স্বামীটি নয়, পুরো সমাজ-সংসারই জমদগ্নির মত হয়ে উঠবে। আর রেণুকার মত মৃত্যুর শাস্তি শুনিয়ে দেবে। শারীরিকে পারবে না । কিন্তু মানসিকে। নারী পুরুষের মিলন বড় সহজ নয়। ভালোবাসা বড় সহজ নয় । এখনকার আইনে সপত্নী আর নেই ঠিকই । কিন্তু এই মানসিকতাটি পূর্ণ মাত্রায় রয়ে গেছে। একটি মেয়ে, তাকে একনিষ্ঠ হতেই হবে। স্বামীটি যেমন হোক না কেন ।আর মা হলে তো যূপকাষ্ঠে তার সব আকাঙ্ক্ষা জলাঞ্জলি দিয়ে মাতৃত্বের পুণ্য অর্জনের প্রাণপণ চেষ্টা করতে হবে। সন্তান অবশ্যই জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ আর দায়িত্ব । কিন্তু আমার আমি? একটি মেয়ের নারীসত্তাটি? সেও কি অমূল্য নয়? হ্যাঁ, শুধু আমোদের জন্য, শুধু আরেকটি পুরুষসঙ্গ পাওয়ার লোভে, যা আবার পাল্টে পাল্টে যায় দ্রুত– একজন নারী, যে স্ত্রী আর মা-ও বটে; যদি এমন করে, তখন অবশ্যই তা নিন্দনীয়, সমর্থনের অযোগ্য । যদিও পুরুষ যুগে যুগে তাই করে এসেছে।কিন্তু একপক্ষ অন্যায় করেছে বলেই অন্যকেও অন্যায় করতে হবে, তা কখনোই নয়। তবে একটি মেয়ে, বিশেষ করে কারো স্ত্রী আর মা যে, যে দীর্ঘ দিন ধরে নিজের সংসারে মগ্ন হয়ে থেকেছে, শত বিপত্তি শত অত্যাচার সয়েও, সে যদি এমন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার বিচার করার অধিকার কি আমাদের আছে??
আগের সবকটি পর্ব পড়তে ও ড. রোহিণী ধর্মপালের অন্য লেখা পড়তে এখানে ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত