১৯ লাখ ২০ হাজার গার্মেন্টস শ্রমিকের বেতন যাবে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে

বেতনের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খুলেছেন রফতানিমুখী গার্মেন্টস কারখানার ১৯ লাখ ২০ হাজার শ্রমিক। করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টস মালিকরা সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ২ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে শ্রমিকদেরকে বেতন পরিশোধ করবেন। গত ১৮এপ্রিল তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এ তথ্য জানিয়েছে।

সংগঠনটি বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে রফতানিমুখী গার্মেন্টসের ১৯ লাখ ২০ হাজার শ্রমিক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় এসেছেন। এর মধ্যে বিকাশে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন ৯ লাখ ৭০ হাজার, রকেটে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন ৫ লাখ ৫০ হাজার এবং নগদে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন ৪ লাখ জন শ্রমিক।

বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, ‘করোনার কারণে এখন পর্যন্ত ৩ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার সমপরিমাণ ক্রেতাদের অর্ডার বাতিল স্থগিত হয়েছে। মালিকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার প্রণোদনা দিয়েছে।’

বেতন না দেয়ায় ৩৭০ গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এদিকে নির্দিষ্ট সময়ে শ্রমিকদেরকে মার্চ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ না করায় ৩৭০টি গার্মেন্টসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছে সরকারের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর থেকে শনিবার পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৬ এপ্রিলের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পোশাক মালিকরা। নির্দিষ্ট সময়ে বেতন পরিশোধ করতে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। এসময়ের মধ্যে বেতন পরিশোধ না করলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে নির্দিষ্ট সময়ে বেতন পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক জানিয়েছিলেন ২০ এপ্রিলের মধ্যেই বেশিরভাগ কারখানার বেতন পরিশোধ হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময় আরও বেশি লাগতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩৭০টি কলকারখানার মালিকগণ ১৬ এপ্রিলের মধ্যে শ্রমিকদের মজুরি ও বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এসব কারখানাসমূহের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত