| 18 জুলাই 2024
Categories
গদ্য সাহিত্য

তোলা থাক

আনুমানিক পঠনকাল: 2 মিনিট

আপাতত স্বপ্ন নিয়ে কিছু বলছি না।
ওটা তোলা থাক,বরং। খাবার টেবিল আর ফোনের স্ক্রিন জানে, কত সযত্নে লুকিয়ে রাখা যায়, চেনাকে অচেনার ভঙ্গিতে! ওই যে রবিনবুড়োর ‘হঠাৎ দেখা’ কবিতার রেলগাড়ির ভেতরের যে-সিন ছিল, তেমন… ‘ চেনা লোককে দেখলেম অচেনার ভঙ্গিতে’! মায়াবী আলো অনেক আগেই ছুঁয়েছে তোমায়,আমার রক্তস্রাবে তখন মৃত ভ্রূণ আর কান্না! আহা! একে ‘আদিখ্যেতা ‘ বোলো না! দোহাই! যে যেমন বোঝায় আমি বুঝি তো! যে যখন যেমন খাওয়ায় খাই… কামড়ে, চেটেপুটে… সব সবরকমভাবে! মালতী বেণীমাধবকে ভাবে কিনা জানি না,আমি ভাবি। ভীষণ ভাবি! কালো স্ট্র‍্যাপ ঠিক করতে করতে, বার্গেন্ডি শ্যাডো লাগাতে লাগাতে, জ্যোৎস্নায় কামড় বসাতে বসাতে! আমি ভাবি! একুশদিনের ওরাল কন্ট্রাসেপটিভের মতো, একদিনও না-ভুলে! আসলে, অনেকটা বেবিকর্ণের মতো স্বাদিস্ট! আমার ইষ্ট দেবতাগণ আমায় পুড়াইতেছেন নিয়মিত। আমি পুড়িতে ভালোবাসি, তাই তাহাদিগের কাছে ইহাকে ‘অলৌকিক শক্তি ‘ বলিয়া মনে হইতেছে! মদমোয়াজেল দু’দিন আসিয়া মদনমোহনকে আদর করে ‘কার্টুন ‘ বলে ডাকছে! মদনমোহনের কাছে এ-বড়োই রম্য! আরবি আতর যেন! পানশালা উপচে যখন ড্রামের সাথে উদোম চিৎকার চলে… ‘গলা কাঁপানে ‘-র নাম যেখানে ‘শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ‘… বুঝে নিন এ-গান আপনি আমি বুঝবো না… বলতে পারি হলফ করেই! এ-গান বোঝা ও বোঝানোর জন্য উভয়পক্ষকেই অন্তত কিছুটা তানসেন হতে হয় বইকি! নইলে রং-নাম্বার! রং-রুট! রং- পেন্সিল! স্কেচটা জমবে না তাই-ওয়া কিংবা আলিশানের শানদার মেজাজের মতো! পুনর্পাঠে মন নেই কোনোকালেই। শুধু অংকে ভুল করতে করতে সে হয়ে উঠতে থাকলো ডিজিট-প্রিয়! অদ্ভুতভাবে তার কাছে ধরা দিল চুরিকরা খান-দশেক সংখ্যা! সমানে জাগলারি। “আননোন’ আলো-আঁধারীর মুখে সেই কবেইই তো ছুঁড়ে ছুঁড়ে দিয়েছি ডানে সবচেয়ে প্রিয়তম সংখ্যা বসানো অসংখ্য গান্ধী ছবি!
সিগারেট পুড়ছে ভুল আগুনে। নয় আর ছয়ের মাঝে ভুল করে বসে গিয়েছিল সেই সবচেয়ে প্রিয়তম সংখ্যা! চারচার দু’দুবার, একান্নপীঠ পিঠ ঠেকিয়ে, এখানেও মাঝে ‘নয়’! সব সব মায়া! থকথকে, গা-ঘিনঘিন করা মায়া! মাঝে নয়। শেষেও নয়… সকলকে চমকে দিয়ে গুলাম আলি জি গেয়ে উঠলেন…
‘ নয় এ নয় এ-মধুর খেলা…’

রিংটোনটা বেজেই যায়
বেজেই যাবে
পায়েস খাওয়া পর্যন্ত… জাস্ট “ডায়াল এম…’
আপাতত, স্বপ্ন নিয়ে কিছু বলছি না…
বেবিকর্ণ, সলটেড বাদাম, বিয়ার… পর্ণ নিয়ে কিছুই বলছি না। ডাল-মাখানিটা… এখনও বেঁচে আছে..আমাকে ঢেকে রাখা মার্কিনকাপড় থেকে চোখবুজে সব দেখছি। সারেতিনহাত জায়গার জন্য সাড়েতিন কোটিবার অন্তর্বাস খুললাম আর পরলাম। তবু সারেতিন হাত জায়গার জন্য আমি এখনও দীর্ঘ লাইনে… নয় আর ছয়ের ভেতর থেকে শূন্যটাকে পাবার জন্য ফড়িং-এর মতো লাফাচ্ছি…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত