যেটুকু মৃত্যু লিখি

 

অভ্যাসবশত আজকাল আর মুখ দেখি না আয়নায়। ফসফরাসের কড়া গন্ধমাখা ঘরটায় আজকাল একা একাই বেঁচে থাকি। কতদিন যেন হল? ………… সেও বছর বিশ হবে বোধহয়।

.
প্রেমে আজকাল ভাসানের ছবি ভাসে প্রায়শই, তাই বুক থেকে ঠোঁট বরাবর সবটাই বাঁচিয়ে চলার চেষ্টা করি। স্যাকারিন সন্ধেগুলিতে চোখ মেপে নিই … একজন থেকে দুজন হই নির্দ্বিধায়।
.
নিয়তি ‘ নামের কোন ছায়ার আড়াল আজকাল রাখি না, তাই জ্বলতে থাকা কোমল অহংকারগুলি লালন করি সযত্নে। শূন্যতার ঘেরাটোপে তোমাকে বাঁচিয়ে রাখি অবিশ্রান্ত ভাঙনে।
.
লেবুপাতার গন্ধে রাত নামে, ঠিক যেমন নেমেছিলো বছর বাইশ আগেও। অন্ধকার মাড়িয়ে অনেকটা পথ হেঁটে গিয়েও পাইনি তোমায়, বরং প্রগাঢ় আশ্লেষে ক্লান্তিকে আলিঙ্গন করে কাটিয়ে দিয়েছি রাতের পর রাত।
.
আজ বুঝি , অন্ধকারের কাছে যেটুকু ঋণ ছিল আমার , সে সবই আসলে আয়ু বেঁধে দেওয়ার ছলমাত্র। প্রতিটি ভোর আদতে ফেলে আসা যন্ত্রণাকে চেনে। কবন্ধ ঘুম হয়ে বাস করে অতীত বিলাস।
.
আয়নার যে দিকটা ঝাপসা হয়ে গেছে, আজকাল জ্বরের ঘোরে তার সামনে গিয়ে দাঁড়াই। প্রকৃত বিস্তারটুকু দূরত্বের গায়ে মেলে দিয়ে , আমিও মৃত্যু’র নামে নির্জনতা সেলাই করে চলি।
.

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত