| 29 ফেব্রুয়ারি 2024
Categories
এই দিনে কবিতা সাহিত্য

জুয়েল মাজহারের কবিতাগুচ্ছ

আনুমানিক পঠনকাল: 5 মিনিট

আজ ২০ জানুয়ারী কবি ও অনুবাদক জুয়েল মাজাহারের শুভ জন্মতিথি। ইরাবতী পরিবার তাঁকে জানায় শুভেচ্ছা ও নিরন্তর শুভকামনা।


জন্মাঞ্জলি

আমার বাবার ছবি মুছে দিল রাতের জঙ্গল;

আমার মায়ের মুখ এখনো বেড়াতে আসে
পাতাঝরা গাছের মিনারে!

গোলাপের জন্মকাহিনি

ধূলিধুসর অচেনা এক উপত্যকার ঢালুতে আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। জেগে উঠে দেখি, ফণিমনসার ক্যানোপির নিচে বিধবাদের রজোঃশোষক ত্যানার মতো নেতিয়ে পড়ে আছি; ভ্রমণক্লান্ত ক্ষুৎকাতর একা আর নিঃসহায় আমি।

কোন ভাষায় যে কথা বলতাম তা আর মনে নেই। মাথার উপর মৌমাছির মতো উড়ে বেড়াচ্ছে অচেনা কোনো ভাষার অবোধগম্য শব্দরাজি।

সহযাত্রীরা যেখানটায় আমাকে ফেলে রেখে গেছে তার চারপাশে ষাঁড়ের শিশ্নের মতো লাল লাল উঁইঢিবি আর মরীচিকার ঢেউখেলানো কুহক। আর যে বিভীষিকা আমাকে আদ্যন্ত ঘিরে আছে তার নাম জলবিভ্রম। আমার কাতর জিহ্ববাকে তা করে তুলেছে আরও তুষাতুর, বিশুষ্ক করুণ।

গর্ত থেকে বেরিয়ে এসে তিনটে আবলুশরঙ ধাড়ি ইঁদুর পেছনের পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়েছে কৌতূহলে; তারা আমাকে দেখছে অসীম কৌতুকে। তাদের তাচ্ছিল্যভরা দৃষ্টির চাবুক পীড়ন করছে আমাকে। আমার বিবশ স্নায়ু ঘিরে বেজে চলেছে হীনমন্যতার অরব কোরাস। ক্রুদ্ধ-কুপিত এক কাপালিকের খড়্গের নিচে রোরুদ্যমান আমার পিগমি-দেহ। তাতে গজিয়ে উঠছে উপদংশের কষগড়ানো বীভৎস লাল ক্ষত।

এখানে ক্যাকটাস ক্যাকটাসে অজস্র রঙের বিস্ফোরণ। ঈষাণে ফনিমনসার উদ্যত বিভীষিকা। নৈঋতে কর্কট ব্যাধির মতো নৈঃশব্দ্যের লাল তর্জনী। এরই নিচে চুপসে যাওয়া স্তনের মতো বয়ে চলেছে নরকের ক্ষীণতোয়া আবছা এক নদী।

পান্দোরার বাক্স থেকে আলগোছে আবির চুরি করে এনে একমনে নিজেকে রাঙাচ্ছে অস্তাচলগামী এক একচক্ষু দানব; এরপর সে তার প্রকাণ্ড লাল চোখটি টুপ করে ফেলে দিল পশ্চিমের পার্পল মেঘের নিচে; দীর্ঘ রাত্রিশেষে কাল সে একে ফের কুড়িয়ে নেবে উদয়-প্রহরে।

বাক্য ও মনের অতীত এক সন্ধ্যা নামলো তার বিষণ্ণ অক্ষিগোলকে; এর ভেতরের নৈঃশব্দ্য যেন কুণ্ডলি পাকানো এক র‌্যাটল স্নেক। এর কল্পিত হিসহিস যেন কোনো ষড়যন্ত্রের উদ্বোধন। এই ভাঁজময় বল্মীকূটময় বক্র উপত্যকার নিচে অজগরের মতো নিঃশব্দে নড়ে উঠছে এক আলকাতরার নদী। যার নাম রাত্রি।

এসবের মধ্যে বসে থাকতে থাকতে ভুলে গেছি সঙ্গীদের মুখ। বিহ্বল আর হতচকিত আমি। কেবল পাখার শব্দ আর খদ্যোতের আলো এফোঁড়-ওফোঁড় করছে এই রাত্রিকে। উপরে নিকষ কালো গালিচাটিও কোন ফাঁকে চলে গেছে সৌর-খদ্যোতের দখলে; আলকাতরায় আদ্যন্ত মলিন আর ফসফরাসে উদ্ভাসিত সেই গালিচা।

আর কিছু নয়; কেবলই মনে পড়ছে তোমার হারিয়ে ফেলা মুখের ডৌল। তাতে একটি তিলের সৌরভ; টোলপড়া গণ্ডদেশে প্রস্ফুটিত মদির হাসি। যা পার্থিব আর রহস্যময়; আর তা ব্যঞ্জনাময় আগামীকালের ইশারায়;

দ্যাখো, তোমার স্মরণে আমার ত্বকজুড়ে জেগে উঠছে অসংখ্য গুজপিম্প। কোনো ভাষার শব্দ উচ্চারণ করতে অপারগ আমি। আমাকে ঘিরে আছে ভাষাহীনতার নৈকষ্যকুলীন অরব অন্ধকার। কিন্তু আমি ঠিক্ই উচ্চারণ করতে পারছি তোমার নাম।

যতবার তোমার উচ্চারণ করছি ততোবার মাটি থেকে পাক খেতে খেতে উৎক্ষিপ্ত হচ্ছে একের পর এক লাল ঘূর্ণি। তা থেকে ছড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য অদৃশ্য পাপড়ি। তাতে চূর্ণ মেঘের কুচি। যেনবা সর্পের ফণার উপরে উড়ে এসো বসলো প্রজাপতি।

এভাবেই উপদংশের ক্ষত থেকে প্রতি ভোরে জন্ম নেবে শতশত আশ্চর্য গোলাপ!

মেগাস্থিনিসের হাসি

নিঃশব্দ কামানে তুমি একা বসে ভরছো বারুদ
শীতকাল গেল;

নিঃশব্দ কামানে তুমি একা কেন ভরছো বারুদ?

আমি ভাবছি : মেগাস্থিনিসের হাসিও কি মেগাস্থিনিস?

শক্তিচালিত এই তামাশার মধ্যে বহু
বাদামি ঘোটক উড়ে যায়;
—এঞ্জিনের শব্দ আর রোবটের কাশি শোনা যায়।

নিঃশব্দ কামানে তুমি এখনো কি ভরছো বারুদ?

 

পিগমি হেন এই টরসো আমার

এক.
কোন মিড়-তারানায় কোন সুর বেহালায়
ক্রমে পাচ্ছে ভাষা; পরা নীল চাঁদোয়ার
নীচে রাত্রি দীঘল। বুকে গলছে বরফ
আমি নাই আমি-তে আমি অন্য কারো
চুরি করছি ছায়া; তাকে সঙ্গোপনে নিয়ে ঘুরছি
এবং করি সম্প্রসারণ ছোটো,
পিগমি হেন এই টরসো আমার

দুই.
আজ কোন ঈগলে হৃৎপিণ্ড আমার
বসে দূর পাহাড়ে তার বক্র নখে
হায়, খুবলে নিয়ে তার ক্রূর দু’ঠোঁটে
এই ঘোর আঁধিয়ায় শুধু রক্ত মাখে!

আর পারছি না যে এই পিগমি-দেহের
ভার বইতে আমার আর পারছি না যে
এই পিগমি ছায়াও আজ দুর্বহ খুব

ওগো মাতৃরূপেণ ওগো ধাত্রী আমার
মোরে লও কোলে আর এই দুঃখদিনে
হও দুঃখহরা
এই জ্বর-কপোলে এসে পরম মায়ায়
দাও আলতো পরশ তব মন্ত্রপুত
তব এই নিদালির আজ দাও পরশন
এই পিগমি দেহে
আজ শান্ত করো আর দুঃখ ভোলাও
এসো, লও গো কোলে নাও বক্ষে তোমার

 

নিশিডাক

সর্পদুষ্ট এক মায়াবন থেকে
কে যেন ডাকছে নিস্বর ইঙ্গিতে;
সাড়া দিতে ভয়। নীরবে পালাই,
আর,
ঝাঁপ দিয়ে পড়ি অন্য ঘুমের ঘোরে।

এই পলায়ন তবু অসফল, বৃথা!
অতিকায়-ডানা গরুড় পেছনে ওড়ে
কুহক-জটিল জাল পাতে ডাইনিরা
প্রেতযোনীদের আচমকা খল হাসি
ছল্কে পড়ছে শ্রবণের পেয়ালাতে;

অনেক নখর, অগণিত বাঁকনল
আংটার মতো ঝুলছে ওপর থেকে।
দশ দিকে আর সব দিকে ভয়ানক
রজ্জুর মতো সাপ পড়ে থাকে পথে
বুনো ক্যাকটাস, মায়াফুল মাথা নাড়ে!
ডাইনির আঁকা শ্মশানে ঝিঙুর পোকা
ডেকে মরে আর পাগল পাতারা ওড়ে

মরণফুলের বিভ্রমে দিশেহারা
জীবিতরা সব মরে গেছে কতো আগে
বুনো ক্যাকটাস, মায়াফুল মাথা নাড়ে!
আংটায়, ফাঁদে, বল্লমে, আঁকশিতে

কে কাকে শিকার করবে আজকে রাতে?
আততায়ী ঘোরে সখার ছদ্মবেশে।
বুনো ক্যাকটাস, মায়াফুল মাথা নাড়ে!

ক্রমহননের পথ

অপাপবিদ্ধের মতো জোড়া জোড়া চোখ দেখে ভয়;
এই বুঝি রিরংসা নামের কোনো বিস্ফোরণ ঘটে।
তবু নিথরতা;
দূরে ট্রেন চলমান, ঝাউবনে স্রোতকল্প দোলা।

এসো, তোমাকে উদ্ভিন্ন করি রাতপরিদের নামে
ইন্দ্রিয়ের ক্ষমজলে, তরল ক্ষীরের মতো
গলমান নির্বেদের স্রোতে।

সহস্র তিরের শব্দ, শত হুল তোমার পেছনে;
তুমি একা। তাতে ভয়!

ভয় বুঝি সংবেদনের কোনো ডানা?

তাহলে উড্ডীন হও, উড়ে চলো বনের ভেতর।
ক্রমহননের পথ পাড়ি দিয়ে দ্যাখো:
ঘাসে ঘাসে সিঁড়ি চলমান।
পর্বতের ধাপে ধাপে মনুষ্যখুলির ছায়া প্ররোচনা আকারে সাজানো;

আর দ্যাখো, জলের আঙুলে আঁকা চিত্রময়
শুয়ে আছো তুমি।

তোমাকে ঘিরেই জাগে শত শত দেয়াল, প্রাকার;
ক্রমহননের পথ আমাকে বেষ্টন ক’রে
ঝুঁকে আছে তোমার উপর!

রাত্রি ও বাঘিনী

বাঘিনী আমারে শুধু ডেকে চলে ভরা পূর্ণিমায়
বারবার কাতর মিনতি করে আমি তারে বলি :
দয়া করো, আমায় খেয়ো না, আমি অসহায় অতি ছোটো জীব

বাঘিনী করুণা করে, আমাকে থাবায় পুরে কি ভেবে
ঘুমিয়ে পড়ে। এ-সুযোগে আমি তার মুঠো গ’লে নামি;

বুকে হেঁটে-হেঁটে তার গর্জনের সীমানা পেরোই
সন্তর্পণে ঢুকি পড়ি বনপ্রান্তে, পরিত্যক্ত ঘুমের গুহায়

ভাবি, বাঁচা গেল! ভাবি, আমাকে পাবে না আর তার
দাঁত-নখ, অত্যধিক প্রেমের আঁচড়।

অবশেষে এ-গর্ভগৃহের ছায়ায় বসে আমি নিরাপদ!

থ্যাঁতলানো অণ্ড-শিশ্ন, কালশিটে ঊরু ও জঘন, আর,
এই দুটি রক্তমাখা ঠোঁটে বিশল্যকরণী ঘষে ফিরে পাবো
অনাঘ্রাত আমাকে আবার।

আমাকে পাবে না আর বাঘিনীর অতিরিক্ত রতি-আক্রমণ!

কিন্তু হায়, প্রতিবারই স্বপ্নে বাঘিনী তবু পিছু নেয়;
তীব্র চোখে ফসফরাস জ্বেলে
এক লাফে সীমান্তের নদীটি পেরিয়ে
অতর্কিতে সামনে আসে; ভয়ানক দু’পায়ে দাঁড়ায়, আর
দু’বাহু বাড়িয়ে তার সে আমাকে কোলে তুলে নেয়;

ধীরে ধীরে চুমু খায়, ঠোঁটে ও গলায় তার দাঁত-নখ গেঁথে রক্ত চাটে
বেপরোয়া জ্বালামুখে আমাকে পুড়িয়ে শুধু কাবাব বানায়

শেষ রাতে মাতাল চাঁদের নিচে অ্যাম্বুলেন্স এসে
আমাকে উদ্ধার করে দ্রুত কোনো হাসপাতালে ছোটে

রুবিকন

আমার সামনে এক রুবিকন, পুলসিরাত, ভয়ানক ক্রূর অমানিশা
এর সামনে একা আমি;
কিস্তিহীন, নিরশ্ব, রসদহীন
পিগমিদের চেয়ে ছোটো আমি!

আর আমার ভাঙা হাড়, থ্যাঁতলানো খর্বকায় দেহের ভেতরে যতো
রক্ত-পিত্ত-কফ-থুথু-বীর্য-লালা সবই
অসীম বরফে-হিমে গ্রানিটের মতো ক্রমে হতেছে জমাট;

আর ওই থেকে-থেকে ফুঁসন্ত ব্লিজার্ড এক,
আর এক আনক্যানি করাল হিমানী
আমাকে আদ্যন্ত ঘিরে আছে।

সান্নিপাতিক হেতু নাসিকার ছিদ্র বেয়ে
চোখ বেয়ে যে-জল গড়ায় সে তো মাটিতে পড়ে না;
শূন্য থেকে বর্শা হয়ে সিগ্নি ঝুলে রয়—যেন নর্স দেবতার!

সারি সারি শতশত বল্মীকূট পেছনে আমার।
তাদের আড়াল হতে জুল্‌জুল্‌ চেয়ে থাকে লোম-কর্ণ শিবা।
লোলজিভ, অভ্রংলিহ জিভ নাড়ে মেদুসা-মনসা আর কালী।

আমার তরবারি নাই। তাই
দু’হাতে নখর আমার তরবারি!
আমি কি ডরাব?
না, আমি ডরাব না।
অসীম হিম্মত লয়ে এক পায়ে হয়ে আছি খাড়া ।

কিস্তিহীন, শস্ত্রহীন, নিরশ্ব, রসদহীন আমি একা;

আমি ফুঁ দিচ্ছি হাপরে আমার।
আমি আমাকে বলছি: ওঠো, জাগো!
আমার অশ্ব নাই।
এক দুর্বিনীতাশ্ব জন্ম নিচ্ছে ভেতরে আমার।

থ্যাঁতলানো ভাঙা পায়ে আমি লাফ দিচ্ছি। আমি সাঁতরে চলেছি
আমার আয়ুর চেয়ে দীর্ঘ এক গন্ধকের নদী।

আমি ভেদ ক’রে যাবো ক্রূর অমানিশা
আমি জয়ী হব,
আমি পার হব রুবিকন!!

বীতশোক ফিরে এসো

১.

বিকেলের করোটিতে সন্ধ্যারাগ ঢেলেছে আগুন;
জ্যোতিরথে চোখ রেখে চেনা পথ শান্ত পায়ে হেঁটে
নিজেকে শুনিয়ে কোনো গূঢ়কথা, গোপন মর্মর
বীতশোক, চলে গেছে। পশ্চিমের প্রত্যন্ত প্রদেশে।

আমার ‘সামান্য ক্ষতি’? বিপর্যয়! খসে পড়ে ফল!
বহুঘুম-রাত্রিব্যেপে অনৃত ঢেউয়েরা! তরী ডোবে!

২.

পুরাতন বিষণ্নতা, গোপনে যে আঙুরলতায়
ফল রূপে পেকে ওঠে, সারারাত তস্করের ভয়ে,
শুষ্ক তৃণে ঢেকে তারে সযতনে দিয়েছে প্রহরা।

৩.

প্রত্যহের দুঃখ-দৈন্য-বেদনা ও ক্লেশে—হয়তো সে
বসন্ত-রুধির এনে চেয়েছিল কিছুটা মেশাতে;

যেন নীল প্রজাপতি এসে তার কাছে চায় মদ;
অধীর মক্ষিকা শুধু দ্রাক্ষা মেগে উড়ে উড়ে চলে।

৪.

সন্তর্পণে একা বসে পানপাত্রে দিল সে চুমুক;
লম্বা ঢোঁক গিলে নিয়ে স্তনলোভী শিশুর নিয়মে
আলগোছে মৃগনাভী ভরেছে উদকে স্বার্থপর!!

‘শিশির-চোঁয়ানো রাতে, মধ্যদিনে দহনের শেষে’
অন্যরা ঘুমিয়ে ছিলো? এ-সুযোগে হলো সে কর্পূর?

৫.

হেমন্তের মঞ্চ থেকে গরুড়ের ছড়ানো ডানায়
অতর্কিতে চড়ে বসে শরীর সারাতে গেছে দূরে।
কত দূরে? কাউকে বলে নি; শুধু উপশমহীন
অনন্ত গোধূলিপথ ছেয়ে আছে হলদে পাতায়!

এই তবে গূঢ়লেখ? বৃথা তব নর্তকী ও মদ?

৬.

বীতশোক, তুমি আছো! অনন্ত পশ্চিমে নাকি পুবে?
অসম্ভব ভুলে থাকা; লিথিজলও স্মৃতিসমুজ্জ্বল!
অফুরান দ্রাক্ষা থেকে অন্ধকার প্রশীর্ণ আঙুলে
নিজের ভিতরে, চুপে, শমদায়ী পেড়ে আনো ফল?

৭.

বিকেলের করোটিতে সন্ধ্যারাগ! জ্বলছে আগুন!
ফিরে এসো সেই পথে;—ঝরাপাতা-মুখর সরণি—
কিছুটা যবের মোহে, কিছু প্রেমে, শর্করার টানে।

৮.

উপশম হলো ব্যথা? পিঞ্জিরার ভেতরে পাখির?
দ্রুত তবে চলে এসো, পরিত্যক্ত আঙুরের বনে;

অনন্ত গোধূলিপথ ভরে দিয়ে পাতায়, মর্মরে।

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত