| 2 মার্চ 2024
Categories
কবিতা সাহিত্য

কবিতাগুচ্ছ

আনুমানিক পঠনকাল: < 1 মিনিট
হৃদয়
 
আচমকা যেন গর্তে পড়ে যায়-
এক আস্ত আনকোরা হৃদয়
বয়ে যায় রক্তের সর্পিল ধারা।
খুঁজে আনি তাজা টাটকা রক্ত,
কোথায় পাই, কোথায় পাই!
জন্মান্তরে যাই,শুধু খুঁজে যাই।
 
আমার চোখ দু’টি দিয়ে বয়ে যায়-
অশ্রুধারা, মুহূর্তে যেন চাহিদা মেটায়।
 
 
 
মালা
 
সেই কবে থেকে একটি ভোরকে-
গাঁথার চেষ্টা করছি মনের ভেতরে।
ধমনীর সুতো দিয়ে, মালার মতো ক’রে।
কিছুতেই পারছি না গাঁথতে,
কুণ্ডলী পাকিয়ে যায় এক লহমায়।
সেই জট ছাড়াতে গিয়ে আমার-
সকাল গড়িয়ে রাত হয়ে যায়।
আবার সেই ভোর আসে, গাঁথব বলে-
উঠে পড়ি হৃদয়ে রাখা সূচ নিয়ে;
তার গায়ে ধমনী পড়াব ব’লে।
 
 
ডিঙি
সূর্যের তেরছা আলোতে-
ক্রমশ ফুটে উঠছে নদীপথ,
এক এক করে খুলে যাচ্ছে
সব রুদ্ধদ্বার, গিরিখাতের স্লুইসগেট।
অদ্ভুত সুন্দর এক পথ যেন-
মোরামে বেঁধে দিচ্ছে এক রূপকার।
 
আর ডিঙিটা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত,
ভাসবে ব’লে জীবননদীর বুকে।
 
 
হাসি
তোমার প্রতিটি হাসিতে মিশে আছে-
এক দীর্ঘশ্বাস, গাছের মতো।
এক একটা পাতার মতো ঝরে পড়ছে,
না-বলা অনেক কষ্টকথা ,
না-ছাড়া অনেক কষ্টশ্বাস।
তবু তুমি হাসো, আর সেই হাসি
তোমার চিবুক বেয়ে পড়ে,
তোমার গলা বেয়ে পড়ে,
তোমার সারা গা বেয়ে নেমে আসে।
আর মিশে যায় মাটিতে
রোপিত হয় বীজের পর বীজ,
জন্মায় রাশি রাশি গাছ-
ধরনী হয় শস্যশ্যামলা ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত