বৈজয়ন্ত রাহার কবিতাগুচ্ছ


৮ মে কবি,অনুবাদক বৈজয়ন্ত রাহার জন্মতিথি। ইরাবতী পরিবার তাঁকে জানায় শুভেচ্ছা ও নিরন্তর শুভকামনা।


ফুরানো 

নীচু হতে হতে মাটিকে ছুঁলাম,
আর মাটি হলাম,
মাটি উড়ে গেলো ধুলো হয়ে, মুহূর্তের মত–
…তুমি বললে–”যাহ! ফুরিয়ে গেলো!!”
…উড়ে গেলো শুকনো কয়েকটা পাতা
আর ,
ফিরে এল
‘জন্মের প্রথম শুভক্ষণ’।

উত্তর

চোখের ভিতর উত্তর লেখা থাকলে
কখনও কখনও অনায়াস প্রশ্ন উঠে আসে…
অবাধ্য হাওয়ারা অলৌকিক
পায়ের কাছে এলোমেলো হামাগুড়ি দেয়…
আর আমি,
অবলীলায় পেরিয়ে যাই রাস্তা
এপার থেকে ওপার,
প্রশ্ন করতে করতেই–
বিপ্লবের মলাটের আড়ালে
তুমিও কি সাংবিধানিক ছিলে?

প্যান্টালুনস এর ফুটে উড়তে থাকে সোনালি বুদবুদ…
আর আচমকা , আকাশ কালো করে আসে।

 

নেই
হারিয়ে যাবার চেয়ে অধিক ছিল পাখিদের মাতৃভাষা…
গাছেদের ওম
সম্ভোগের পরে ছিন্ন অবসাদ মাটি ছুঁয়েছিল আবাল্য অরণ্যে
কষ্টেরা স্বাধীনতা পেয়ে উড়ে গিয়েছিল সম্পর্কের পাতাগুলি থেকে
তোমারি আঘ্রাণে কুয়াশারা নেমে এসেছিল ডানা মোড়া দুপুর-রেলিঙ্গে…
ভুল
আলতো সে হাত ছুঁয়ে বলেছিল লেবুরং রোদ
বন্ধ দুচোখে , দেখাটুকু করে গেছে সব দেনা শোধ
অদেখাতে অতীতের সব ছবি সাজিয়েছে ভালবাসাবাসি দিন
সেলফোনে পুরোনো সে রিংটোন এঁকে গেছে ভুল রং ভুলেই রঙ্গীন
মেঘের আঁচলে বাঁধা দেওয়া কথা ঘুমিয়েছে , ছেঁড়া তমসুক
উড়ে গেছে, নদীতীর হেঁটে গেছে বহুদূর , রোদরং পিছনে আসুক…

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত