তারপরও, রাণুদি

যা দ্যাখা যায়, যা শোনা যায় তারচেয়ে ঢের বেশি না- দ্যাখা ও না-শোনা হয়েই থেকে যায় সকলের আড়ালে। তাই তো রাণু’দিকে প্রশ্ন রেখেছিলাম শুরুতেই। এমন হওয়াটা কি খুব অস্বাভাবিক যে তাঁর এই উত্তরণ-অবস্থান-প্রাচুর্য অনেকে নিতে পারছে না! এর মধ্যে বড়ো কারণ ‘হঠাৎ হাওয়ায় ভেসে আসা ধন’… হয়তো তাঁকে বহুক্ষণ থেকেই অফ দ্য রেকর্ড লেন্সের সাটার অফ রেখে ধারাবাহিকভাবে উত্যক্ত করা হয়েছিল, হয়তো বারবার তাঁকে তাঁর অবস্থানটা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার জন্য তিনি ধরে রাখতে পারেননি তাঁর মানসিক স্থিতি ফল স্বরূপ এমন প্রতিক্রিয়া আর তখনই ক্যামেরা রোল অন-! হতেই পারে সে এতদিনের দূরত্বে থাকা সন্তানকে আবার কাছে পেতে তারই বলা-কওয়া কথা আওড়েছেন। হতেই পারে। বাৎসল্য-স্নেহ বলে কথা! হতে পারে ‘এমস টেলিগ্রাম’-এর মতো অর্ধ-সত্য,যা মিথ্যের চেয়ে ভয়ঙ্কর! হতে পারে তাঁর পারিবারিক ও শিক্ষার আবহ অনুযায়ী তাঁর কাছে তখন প্রকৃত শব্দ ধরা দেয়নি। হতেই পারে। হিন্দিতে একটা কথা আছে ‘আল্লা কা বান্দা’ ( বাক্য সংগঠনে ভুলও হতে পারি)। এর মানে কিন্তু সেই ঈশ্বরের সেবকই। অর্থাৎ তাঁর কথায় ‘ভগবানের চাকর’ এক জায়গায় বলেছি তো এই সামান্য ক’দিনে দ্যাখা রাণুদি’র সাথে কিছুতেই মেলাতে পারছি না আজকের ক্লিপিংয়ের রাণুদি’কে! শুরুতেই লিখেছিলাম যে রাণুদি কার বলা বুলি আওড়াচ্ছেন বা সুর-অসুরের এ বাস আদৌ কি হয় বা হতে পারে?! কথায়-কথায় উঠে এলো অনেক কথা।
অনেক-অনেকবার নিজের সাথে নিজের যুদ্ধ-শান্তি ভাবতে-ভাবতে, লিখতে-লিখতে লিখে ফেললাম ক’টি কথা। আসলে, আমরা কেউই বোধহয় চাইনি বা চাই না সুরের দেবীর কাঠামো ভাসুক জলে নির্মম পোশাকহীন। জানি না সত্যি বা মিথ্যে… আসুন, শুভ শক্তির মাথায় সত্যের ক্রাউন উঠুক, আর সব যা-নিয়ে এতক্ষণ আমরা ভাসলাম, ভাসতে- ভাসতে ভাবলাম … তা সব মিথ্যে হোক… মিথ্যে ভাসুক অলকানন্দা অথবা ইরাবতীর জলে…

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত