সবজে রুমাল রহস্য (পর্ব- ৫)

অপ্রত্যাশিত প্ল্যান থেকে জন্ম নেয়া একটি নভেলা। তৃষ্ণা বসাকের ভাবনা।
সেদিন কয়েকজন সৃষ্টিশীল মানুষ আড্ডা দিচ্ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে, আড্ডার শেষে একটি সবুজ রুমালের দেখা মিললো। একটি রুমাল কে বিড়াল করে দেবার জাদু তো প্রবাদের মত। এখানেও হলো তাই হঠাৎ পাওয়া সবুজ রুমাল টি পেয়েই সব ওলটপালট হয়ে গেল একদল সৃষ্টিশীল মানুষের ভাবনায়।জাদুর মতোই কোনো পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই ফেলে যাওয়া এক টুকরো রুমাল হয়ে গেলো ১২-ইয়ারি নভেলা ‘সবজে রুমাল রহস্য’।

পরপর লিখবেন ১২ জন। প্রথম পর্ব লিখলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং শেষ করবেন তৃষ্ণা বসাক। মধ্যে থাকবেন ১০ জন যথাক্রমেঃ 

সোনালি, তপশ্রী পাল, ব্রততী সেন দাস, নিবেদিতা ঘোষ মার্জিত, নন্দিনী সেনগুপ্ত, শ্যামলী আচার্য, কৃষ্ণা রায়, ইন্দ্রনীল বক্সী, সর্বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিতাভ দাস। আজ থাকছে নিবেদিতা ঘোষের লেখা রহস্য নভেলার পঞ্চম পর্ব।


 

পর্ব ৫

পায়ের পাতাটা বাথটবে ডুবিয়ে আরাম হল। মন খারাপ হল নীতার, বাম পায়ের কড়ে আঙুল তার নেই। বারো বছর আগের সেই ত্রাস তার এখনো কাটেনি। ঘটনাটির দহন তাকে  সারাজীবন বয়ে নিয়ে চলতে হবেসারা গায়ে ঘাম ঝরছে। বড় আয়নাতে সামান্য মেদওয়ালা পেটের দিকে তাকিয়ে অসন্তুষ্ট হল। কিছুতেই তলপেট আগের মত হয় না।স্পোর্ট ব্রা আর শর্টস, ছুঁড়ে ফেলে বাথটবের জলে নামে সে। এই সময়টা নিজেকে দিতে ভালোবাসে নীতাকিন্তু আজ একটু তাড়াহুড়ো আছে। রাহুল ভাবনানির কেসটার জন্যে পুলিশ এনকোয়ারী আছে। আলিপুর থানা যেতে হবে। “যত্ত ঝামেলা, রেভ পার্টি ট্যাকেল করতে পারে না, আসে কেন কে জানে।”নিজের মনে জোরে জোরে বলে ওঠে। ফোন বাজে। জল থেকে উঠে আসে নীতা। এই ফোন নম্বর তা খুব কম জন জানে। শুধু নম্বর টা উঠল। অজানা। ধরে না সে। একদম একা থাকতে পছন্দ করে নীতা।তার এতো বড় ফ্ল্যাটে কেউ তার সাথে থাকে না। কাজের মেয়েও না। মাঝে মাঝে হাউস কিপিং অ্যাপ দিয়ে লোক ডেকে নেয়। ব্রেকফাস্ট ছাড়া ঘরে কিছু খাওয়া হয় না। চামড়া কর্কশ হয়ে যাবে বলে সে গা মোছে না। ভিজে গায়ে ঘুরে বেড়ায় ফ্ল্যাটের মধ্যে। প্রচুর পোশাক স্তূপ হয়ে আছে, তার থেকে পছন্দ হয় না।শাড়ি নামায়। ব্লাউজ সব চোলি কাটের। থানাতে এরকম পরে যাওয়া টা অসুবিধা জনক। একটা ফুল হাতা ক্রপটপ পেল সে। আবার ফোন। সেই নম্বর থেকে।আবার ধরল না।ট্রু কলারে দেখল ,নম্বর টা সেভ করা আছে ‘GDB’ নামে।কালো ক্রপ টপ আর ম্যাট ফিনিশ কালচে নীল সিল্ক শাড়ি পরে সানগ্লাস হাতে নিল নীতা। আজ মিডিয়া থাকা স্বাভাবিক। বাংলা চ্যানেল কি সে দ্যাখে? মনে আদুরে জিজ্ঞাসা ওঠে। মনে মনে তৃষিত হয়। অনেক দিন দেখা হয়নি। গাড়িতে উঠে স্টিয়ারিঙে হাত রাখে নীতা আহমেদ।

          

সুচন্দ্রার আজকাল মাঝে মাঝে বড্ড দুর্বল লাগেমধ্য বয়স এসে থাবা বসাচ্ছে অনেকক্ষণ টানা পারে না।আজ রান্না বেশী ছিল।শাশুড়ি মা এর মধ্যে হুকুম করলেন ভারী ট্রাঙ্কটা খুলে পরিস্কার করে দিতে হবে। এতো অবুঝ হয়ে যান আজকাল। আজ ভালো লাগছে না। নিরুপায় লাগে সুচন্দ্রার। যত হাবিজাবি জিনিস আছে। আয়া আর কাজের বউ কে দিয়ে ট্রাঙ্কটা কে নিয়ে ছাদে যাওয়া হয়। খুব সাবধানে তার থেকে বার হয় গুরুদেবের জন্যে রাখা সাদা পাথরের বাসন,দিদি শাশুরির পানের বাটা, হাতির দাঁতের ছোট আয়না, কালো কালো লঙপ্লেইং রেকর্ড, দিদি শাশুরির মায়ের ঝুরঝুরে হয়ে যাওয়া বেনারসি…মাদুরে নামিয়ে রাখা হতে থাকলকাজের মেয়েটি গড়গড়া দেখে হাসতে থাকে। এছাড়া  ছোট বড় অনেক ভাস। সাদা রঙের এক সাইজের দুটো দেখে সুচন্দ্রার মনে হয়, এদুটো ব্যবহার করলে বেশ হয়। মোড়া পেতে বসে জিনিসগুলো পরিস্কার করতে বলেন আয়া মেয়েটি কে। ফোনে ছবি তোলেন লঙপ্লেইং রেকর্ডগুলোর। স্কুল বন্ধুদের গ্রুপে পাঠাবেন। ফোন আসে। আবার সেই স্প্যাম নম্বর। ফোন টা ধরেন। ওপাশ থেকে গাড়ির হর্ন, হকারের গলার আওয়াজ… হ্যালোর উত্তরে আজ আর কেউ কিছু বলল না।আবার মন টা চঞ্চল হল। বেশ ভুলে ছিল। ভালো লাগছে না। তাপস, টুবু দুজনেই বড্ড ব্যস্ত।তাছাড়া বাইরে এতক্ষন থাকে, কিছু বিপদ না হয়।কে রে বাবা, কেন ফোন করিস?  আয়া মেয়েটি আরো অনেকগুলো ছোট ছোট পাত্র বার করে মুছে রাখছে।আরে অদ্ভুত তো,সেই অদ্ভুত শেপের ভাস। যাক নিজে আজ নিশ্চিন্ত হল সুচন্দ্রা। সেদিনের স্বপ্ন টা অলীক কিছু নয়। এতোদিন ধরে প্রতি বছর এগুলো পরিস্কার করা হয়।সেই স্মৃতি কোন অদ্ভুত মুহূর্তে মস্তিষ্কে ধাক্কা মেরেছে। ভাসটা হাতে নিয়ে শাশুড়ি মার ঘরে গেল সুচন্দ্রা। “ মা এটা কার দেওয়া। নাকি তুমি কিনেছিলে?” শাশুড়ি মা এক মুখ হেসে বলেন, “ খোকার বাবার বন্ধু , দুগ্‌গা বাবু মিশরের পিরামিড দেখতে গিয়েছিল। সেই এনেছিল। কি সুন্দর কাঁচা হলুদ রঙ ছিল। কিন্তু আমাদের আবহাওয়া তো ভিজে। দ্যাখো না কেমন খয়েরী হয়ে গিয়েছে।” সুচন্দ্রা মনে করতে চাইল এর আগে কি সে এটা জানতো? সবুজ রুমাল ইজিপ্টের কটনের, এটাও ইজিপ্টের। মনোগ্রাম টা ঠিক কোন লিপির সেটা বোঝা যাচ্ছে না!  এই প্রথম সুচন্দ্রা শাশুরিকে না জানিয়ে কোন কিছু নিজের ঘরে নিয়ে এল। ভাস টাকে বিছানার পাশের টেবিলে রাখল। খয়েরী ছোপটা তোলা যাবে কি করে?

আলিপুর থানায় নেমে নীতা একটু হতাশ হল। দুটো মোটে ক্যামেরাম্যান তাও পাতি বাংলা চ্যানেলের। শাড়ি সামলানো নিয়ে একটু এলোমেলো হয়ে গেল সে। ক্যামেরা ,পুলিশ কোনটাতেই  তার ভয় করে না।তবে একটা ভুল হল। উকিল মিঃদত্ত কাছ থেকে একটু জেনে এলে ভালো হত। তারপরেই ফুঁৎকারে সরিয়ে দিল চিন্তা ভাবনা। যা হয়েছিল সব বলে দেবে। থানাটাতে কেমন স্যাঁতসেঁতে গন্ধ। ধুলো ধুলো চারিদিক। এরকম ঝাঁ চকচকে মহিলা দেখার অভ্যাস পুলিশ কর্মীদের খুব একটা নেই।তবে নীতা নিজেই অবাক হয়ে গেল দায়সারা জিজ্ঞাসাবাদে। নাম, ঠিকানা,এডুকেশান, ব্যবসা, পরিবার এইসব জিজ্ঞেস করেই এনকোয়ারি কমপ্লিট।  চেয়ার থেকে উঠেই পেছনে দেখল রাহুল ভাবনানির স্ত্রী কে।

উদ্ভ্রান্ত হয়ে চেয়ে আছেন। এই প্রথম চাক্ষুস দেখা। সকালে টিভিতে চেহারাটা চেনা ছিল। পাশের চেয়ারে গিয়ে বসে নীতা। অত্যন্ত ভদ্র ভাবে হিন্দী তে জানায়, রাহুল জীর মৃত্যু তে তার খুব দুঃখ হয়েছে। রাহুল জী তার বড়ে ভাইয়ার মতো ছিলেন। মনে মনে হাসে, গাধাটা অরিজিনাল কস্তূরী গিফট করবে বলেছিল,সামনের মাসে গ্রীসে নিয়ে যাবে বলছিল। ভদ্রমহিলা কে মিথ্যেটা বোধ হয় আরাম দিল। সেদিন রাহুলজীর গাড়ি টা খারাপ হওয়া তে লিফট দিয়েছিল সে তাও জানালো। পুলিশ আর ভাবনানির পরিবার সামলে  খুব রিলাক্স লাগছে। একটু ধূমপান করতে হত। আজ আর কোথাও যাবে না। ফ্ল্যাটে ফিরে ঘুম। ক্যামেরাম্যান দুটো এগিয়ে এলো। একটু দ্রুত পা চালায় নীতা।গাড়িটা রাস্তার অন্য ফুটে পার্ক করা আছে। “আমার যা বলার আমি পুলিশ কে বলে এসেছি। আপনারা ওখান থেকে জেনে নিন।”এইভাবে উপেক্ষা করতে পেরে খুব আনন্দ হল। আচমকা একজন কে দেখে অবাক হল নীতা। আরে এই ছেলেটা এখানে কেন? স্লিম, শান্ত চোখের মাস্টার মশাই গোছের মুখ, কিন্তু আদতে স্পোর্টস ম্যান। গলফ্‌ ক্লাবে দেখেছে। বিদেশে থাকে। কোনদিন আলাপ হয়নি। সে গভীর দৃষ্টি দিয়ে নীতার দিকে তাকয়ে আছে। নীতার অস্বস্তি করছে। চোখ নামিয়ে ফেলল। গাড়ি স্টার্ট করেও অবাক ভাব কমছে না। এ সাংবাদিক তো নয়। তাহলে?

আধঘণ্টা একটু চোখ বন্ধ করে শুয়ে নিয়ে সুচন্দ্রার একটু আরাম হল। ফোন কল,ভাস সব কিছু একটা মানসিক টানাপড়েন তৈরি করেছে। ফেসবুক ইনবক্সে বাসন্তী সিনহার মেসেজ। বড্ড ঘ্যানঘেনে মহিলা। লিখেছে, “সেদিন তোমার বাড়িতে যা খেলাম না… সত্যি অবাক করে দিয়েছ। এতো ভালো রান্না।” সাথে জিব দিয়ে ঠোঁট চাটা ইমোজি। ভুল করে হাত পরে গেল সুচন্দ্রা। এবার লিখেই যাবে…। এখন এসব বলতে ভালো লাগে না। আবার বাসন্তী লিখছে, “ তোমার পর্দার রঙটাও খুব ভালো।”একটা স্মাইলি দেয় সুচন্দ্রা। “সেদিন  দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলে ছেলে টা আসেনি কেন গো?”সুচন্দ্রা লেখে,“ওর অন্য একটা কাজ ছিল। আসতে পারবে না জানিয়েছিল।” বাসন্তী লেখে, “ আরে ও খুব বেড়াতে যায় তো। আমরা গ্রীস যাব ভাবছিলাম। ওর কাছ থেকে একটু জেনে নিতাম। কোথায় সস্তা শপিং। কিন্তু ওর প্রোফাইল টা পাচ্ছি না।কত খুঁজছি। তোমার কাছে ওর ফোন নম্বর আছে? ” “দেখে বলছি”, লেখে সুচন্দ্রা। ছেলেটাকে বেশ ভালো লাগে সুচন্দ্রার। খুব ভদ্র। টুবুর  থেকে একটু বড় হবে। তাই তো ছবিতে দেখে মনে হয়। রোগা রোগা, শান্ত শান্ত মুখটা। সবাই ওর নাম নিয়ে হাসাহাসি করে। দাদুর মত নাম বলে, তাতে রাগে না। মজা করে উত্তর দেয়। ছবি তোলে অসামান্য। তবে বাংলায় উত্তর দেয় না। ইংরেজিতেই উত্তর দেয়।কিন্তু ফোন নম্বর নেই তো। সব সময় মেসেঞ্জারে অন থাকে তো। ওর নাম লিখে সার্চ করে সুচন্দ্রা। তাই তো। কোথাও খুঁজে পাচ্ছে না। মেসেঞ্জারে এই কদিন আগেও কথা হল। অদ্ভুত তো। কে জানে বাবা। বাসন্তী কে জানিয়ে দেল সুচন্দ্রা। আজ রাতে যে আয়া মাসি আসে সে আসবে না। শাশুড়ি মায়ের শরীর ভালো কিন্তু তাঁর ঘরে ক্যাম্প খাট পাততে হবে। ওটাতে শুলে বড্ড পিঠে ব্যাথা হয় সুচন্দ্রার। টুবু আজকাল কিছুতেই শুতে চায় না ঠাকুমার ঘরে।রাত জেগে তিনি খেলা দেখেন। ল্যাপটপের আলোয় নাতি জেগে আছে দেখে ঠাকুমার ঘুম হয় না। তাই নিয়ে ঝামেলা বাধায়। ফোন আসে,

“সুচন্দ্রা বলছ” অভিজাত গলায় অরিত্রর দাদু কথা বলেন। কণ্ঠস্বরেই মনটা আনন্দ পেল সুচন্দ্রা,উচ্ছসিত স্বরে বলে ওঠে “আমি আপনার ফোনের জন্যে অপেক্ষা করছিলাম।” “শোন ওটা   মিশ্র লিপি কিছুটা সুমেরদের কিউনিফরম আর কিছুটা হরপ্পান স্ক্রিপ্ট।    ” একটু থমকে গেল সুচন্দ্রা, “মানে, ঠিক কি বলছেন বুঝতে পারছি না” “কিন্তু মজার ব্যাপার কি জান। হরপ্পানরা নৌবিদ্যাতে যথেষ্ট উন্নতি করেছিল।তাদের কিছু সিল আর মুদ্রা সুমের আর ল্যাটিন আমেরিকায় পাওয়া যায়। এই দুটোর মিশে যাওয়া একটা মনোগ্রাম। খুব ইন্টারেস্টিং।সে সময় অত দূর দূর ব্যাবসা। এটা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ব্যাবসার জন্যে এগুলো ব্যবহার হত।কি লেখা আছে তাও বলা যাচ্ছে না। এখন এই অক্ষরগুলো মুদ্রার ওপর নাকি, সিলের ওপরে ছিল তা নিয়েও সঠিক বলতে পারছি না।এখনো অতটা এই মুহূর্তে বোঝা যাচ্ছে না।” সকাল থেকে ইজিপ্ট মাথার মধ্যে ঢুকে আছে, সুচন্দ্রা ঢোঁক গিলে জিজ্ঞেস করে, “ওগুলো হায়ারওগ্লিফিক নয়! আপনি সিওর?” ফোনের ওপার থেকে দৃঢ় গলায় উত্তর আসে, “ আমি জ্যোতি প্রকাশ সিনহা বলছি। দায়িত্ব নিয়ে বলছি।” “না না। দেখছেন তো ওই ধরণের রুমাল নিয়ে একটা বাজে ঘটনা ঘটল। একটু চিন্তায় আছি।” “ওটা কাকতালীয় হতে পারে। ও সব নিয়ে চিন্তা কোর না। একদিন তোমার হাতের রান্না খাব।” “নিশ্চয় আসবেন। আমার বাড়ির সকলে খুব আনন্দ পাবে।আর আসলে কি বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ দেবো।”কথা শেষ করার আগেই উনি হাসতে লাগলেন, “ আমার মতো বুড়োলোক গেলে তোমার বাড়ির সবাই আনন্দ পাবে?” আরও কিছু হাল্কা কথা বলে শেষ দুজনের ফোনালাপ। তাপস বাড়ি ফিরে এসেছে।এসেই  টিভি চালিয়েছে।সারাঘর কাঁপিয়ে বাংলা চ্যানেলে ব্রেকিং নিউজ, – নীতা জানিয়েছেন, রাহুল ভাবনানি তার দাদার মতো। তার গাড়ি খারাপ হওয়ার জন্যে সেদিন রাতে তাঁকে লিফট দিয়েছিলেন। রাহুল মদ খাননি। পুলিশের ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে রাহুলের গাড়ি খারাপ ছিল না। কেন রাহুল নীতার সাথে সেদিন বাড়ি গিয়েছিলেন?

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত