সামনে জামাইষষ্টীতে সাবধান

অনেকদিন বাদে জামাই এসেছে শ্বশুরবাড়ি সকালবেলায় ।
শ্বশুর – এসো এসো বাবাজীবন । তা এত সকালে যে ? চা খেয়ে এসেছো তো ?
জামাই – হ্যাঁ বাবা আপনার মেয়ে সকালবেলায় পেট ভরে চা খাইয়ে পাঠিয়েছে ।
শ্বশুর – তাতে কি হয়েছে এই নাও বাবা চা ।আমার মনটা বলছিল তুমি আসবে তাই আগে থেকেই চা বানিয়ে রেখেছিলাম ।
(জামাই খুব খুশী হয়ে চা খেতে শুরু করল )
তা বাবা চা কেমন খেলে ?
জামাই – চা খুব ভালো হয়েছে তবে একটু চিনি কম হয়েছে আর চা-পাতা বেশী পড়ে গেছে মনে হয় ।
শ্বশুর- এমন চা’ই তো বেশ শরীর তরতাজা করে।
কাজের মেয়ে- আরে দাদাবাবু আপনি এই চা খাচ্ছেন ? কাকু তোমাকে না বলেছি সন্ধ্যায়  চা খেতে ইচ্ছা না করলে ফেলে দেবে ,ফ্রীজে রেখে দেবে না । সকালে এসে আমি চা বানিয়ে দেব ।
শ্বশুর- চা দুধ কি তোর বাপ দেবে রে ? শুধু অপচয় । আমি একদম অপচয় পছন্দ করি না ।
জামাই – এই নিন বাবা আপনার মেয়ে আপনার জন্য পায়েশ করে পাঠিয়েছে ।
শ্বশুর- দাও দাও বাবা আমি পায়েশ যে কি ভালো খাই ।
জামাই – খান বাবা আপনার মেয়ে আমাকে দিয়েছিল আমি না খেয়ে আপনার জন্য নিয়ে এসেছি ।
(শ্বশুর খুব আনন্দ পেয়ে খেতে শুরু করল । কিন্তু পায়েশের মধ্যে সাদা সাদা লোম দেখে )
শ্বশুর – বাবা আমার মেয়ের মাথার চুল কি সব পেকে গেছে ?
জামাই – কই না তো বাবা ।
শ্বশুরের সন্দেহ হওয়াতে চুপি চুপি মেয়ের কাছে ফোন করল । মেয়ে শুনে বলল ” আর বোলো না বাবা কাল বিকেলে ছেলের দুধের মধ্যে বিড়াল মুখ দিয়েছিল ,ফেলে দেব ?তাই বাসি ভাত দুধে  ফুটিয়ে সকালে তোমার জামাইকে দিলাম , ও মিনসে বলল রেখে দাও অফিসে টিফিন নিয়ে যাবো । অফিসে না গিয়ে মিনসে তোমার কাছে নিয়ে গেছে ! “

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত