যুগল কবিতা

প্রক্সি 

আমি নিজেকে একটা ডাকনাম দিয়েছি
এমন নয় ডাকনাম ছিলোনা আমার।
এমন নয় সেসব নামে ডাকার লোকের অভাব পড়েছে। এই একান্ত অনুভববেদ্য নাম অন্যের পক্ষে দেওয়া অসম্ভব। ভ্যান্তারা ছেড়ে আসল কথায় আসি আমি আমাকে ‘প্রক্সি’ বলে ডাকি আস্ত জন্ম খরচা করে ফেললাম এই ড্যাশ এর প্রক্সি দিতে দিতে।

“রণে বনে জলে জঙ্গলে যখনি বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও, আমি রক্ষা করিব”

যেন এই অদৃশ্য বোর্ডটা কবচ কুণ্ডল করে জন্মেছিলাম। সব সময়ই কারুর না কারুর ভুলভাল ইক্যুয়েশান আমি ফলত আমার ইক্যুয়েশানও ভুলভাল প্রেমের হাটে ত্রিভুজের অন্যতম ক্লিশে শীর্ষবিন্দু খেলার মাঠে রিজার্ভ বেঞ্চ রাজদ্বারে বিস্মরণের তালিকায় শ্মশানে এখনও অপরীক্ষিত
ভয়ে ভয়ে আছি, মৃতদেহেরও প্রক্সি দিতে হবে কিনা !
অবশ্য বেশ রোম্যান্টিক ভাবে মরেই থাকি সবসময়
এর তার বা অন্যকারুর জন্য প্রেমিক স্বভাব এই এক জায়গাতেই প্রক্সির ধার ধারে না …।

তথাগতকে

তথাগত হে ,

তোমারও প্রত্যাশা ছিল তবে ?
কবে কে সুজাতা এসে পরমান্ন তুলে দেবে মুখে?
ঠোঁটে সেই স্মিত হাসি নির্বাণ নিশান নয় ?
নয় সে মৃত্যু জয়ী জরা ব্যাধি শোক তাপ ভয় ?
আমরাতো সামান্য জনতা চেয়ে থাকি তোমাদের মুখ
তোমরা অভয় দেবে তোমরা দেখাবে পথ অধম মূঢ়কে।
তবে কার কাছে যাই ? কার কাছে পায়েসান্ন চাই ?
কার কাছে ঋজুরেখ আলোর মশাল? চকমকি জ্বলে?

তথাগত হে , লুকোও শোক লুকোও ব্যক্তিগত ক্রোধ
লুকোও ক্লিষ্ট মুখ বিষাদের হাসি পর অজেয় মুখোশ
তথাগত হে , হস্ত পদ প্রসারিত লতাজন্মে শালপ্রাংশু হয়ো।

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত