অন্য আলোয় দেখা শহর

 

আগষ্ট-২০১৭

গত দু’মাস হলো আমি এই কোম্পানিতে কাজে যোগ দিয়েছি। আটাত্তর বছর পুরোনো, দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে তৈরী হওয়া এই কোম্পানিটি ইন্ডিয়ায় টিকে থাকা পুরোনো বানিজ্যপুঞ্জগুলির অন্যতম।

দেশ স্বাধীনের পর সরকার কোম্পানীর কিছু সেক্টর অধিগ্রহন করে ন্যাশানালাইজড বা জাতীয়করণ করে নেওয়ার পরও বর্তমানে ফোর্থ জেনারেশন এর পারিবারিক ব্যবসা চলছে রম-রমিয়ে। ইন্ডিয়ার কুড়িটি শহর সহ বিশ্বের আঠারোটি দেশে অফিস রয়েছে।
মালিক দেশের অন্যতম ধনী ব্যক্তি। আমি মুম্বই অফিসে যোগ দিয়েছি। দক্ষিণ মুম্বই এর অভিজাত অফিস পাড়া নরিমন পয়েন্টে এদের নিজস্ব বিশাল বিল্ডিং এ অফিস।

তেরো বছরের চাকরী জীবনে এটি আমার প্রথম ভারতীয় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। আগের গুলি, যেগুলিতে কাজ করে এসেছি সবই স্বদেশী বা বিদেশী মালিটিন্যাশনাল কোম্পানী ছিল। জয়েন করেই বুঝেছি ভারতীয় কোম্পানিগুলি ঝাঁ চকচকে দেখনদারিতে আজকাল বিদেশী কোম্পানিগুলিকে পাল্লা দিতে পারবে। যাকে বলে পুরোদস্তুর কর্পোরেট কালচার।

যাইহোক, এক সকালে অফিসে ঢুকে যথারীতি কাজকর্ম শুরু করছি সবে, আমার ঘরে এসে ঢুকলো অফিসের পিওন হরিহর।উত্তরপ্রদেশের এই যুবকটি অফিসের কাজকর্মে বেশ চটপটে এবং আমার ডিপার্টমেন্টে পিওন হিসেবে কাজ করে। হাতে তার একটি অ্যাপলিকেশন যাতে সে আমার অ্যাপ্রুভাল নিতে সে এসেছে।অ্যাপলিকেশনটি হলো আগামী মাসের স্যালারি থেকে সে অ্যাডভান্স নিতে চায়।

এই কোম্পানি খুবই মানবিক বলে নিজেদের পরিচয় দেয়। চাকরীর প্রথমদিন ইনিডাকশন বা পরিচিতি পর্বে আমাকে জানানো হয়েছিল, কোম্পানীর কাছে ব্যবসার থেকে বড় দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং কোম্পানির প্রতিটি এমপ্লয়ী। এমপ্লয়ীদের ব্যক্তিগত সুবিধে অসুবিধে, শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যর বিশেষ খেয়াল রাখা হয়। কোম্পানীর হিউমান রিসোর্স পলিসি ও সেভাবেই তৈরী।

সুতরাং কোন্ অসুবিধেতে পরে আমার ডিপার্টমেন্টের কেউ আগামী মাসের মাইনে থেকে অগ্রিম নিতে চায় সেটার কারণ ভালো করে জানা দরকার আমার।

হরিহর জানালো, তার বারো বছরের ছেলে গত বেশ কিছুদিন ধরেই জ্বরে ভুগছে, দুই দফায় ডাক্তার দেখিয়ে আর কিছু প্রাথমিক টেস্ট করিয়ে জ্বর সারেনি বলে এবারে আরো কিছু বিশেষ টেস্ট করাতে হবে যার খরচ প্রায় পনেরো হাজার টাকা। অলরেডি চিকিৎসায় বেশ খরচ হয়ে গেছে। হাজার পনেরো খরচ এ’মাসে তার পক্ষে অসম্ভব, আবার অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসা আগামী মাসের মাইনে পাওয়ার অপেক্ষায় ফেলেও রাখা যায় না। তাই এই আগাম বেতনটি তার দরকার।

কোম্পানী থেকে প্রত্যেক এমপ্লয়ীকে গোটা পরিবারসহ মেডিক্লেম কভারেজ দেওয়া আছে কিন্তু হরিহর যে গ্রেডে কাজ করে তাতে শর্ত অনুযায়ী হসপিটালে ভর্তি না হলে, চিকিৎসার কোনো টাকা পয়সা মেডিক্লেম কোম্পানী থেকে পাওয়া যায় না।

আমি হরিহরকে বললাম
-তুমি কেন তোমার কিছু প্রিভিলেজ লিভ সারেন্ডার করে তার বিনিময়ে দরকারের টাকা তুলছ না? এই রকম সিস্টেম কোম্পানীতে তো রয়েছে।’
হরিহর ম্লান হাসে ।
বলে,
-ম্যাডাম, গ্রামের সবাই জানে হরি মুম্বইতে বড় কোম্পানীতে চাকরি করে। মাস গেলে ভালো মাইনে, তাই গ্রামে কেউ কোনো অসুবিধায় পরলেই আমার কাছে টাকা চেয়ে পাঠায়। কখনও বোনজামাই অসুস্থ টাকা পাঠাও কখনো ঝড়ে মায়ের ঘরের চাল ভেঙে গেছে তাই টাকা পাঠাও। এবছর প্রিভিলেজ লিভ স্যারেনডার করে তার টাকা পুরোটাই তুলে নেওয়া হয়ে গেছে। এরপর আর কথা চলে না। অ্যাপ্রুভাল দিতেই হয়, তবু নিয়ম অনুয়ায়ী এইচআর অ্যাক্সেস পোর্টালে হরিহরের মাইনে চেক করতে গিয়ে বেশ অবাক হলাম।
টিপটপ পোষাকে থাকা, বেশ ইংরেজী বলতে পারা অফিস পিওন হরিহর যা মাইনে পায় মুম্বই শহরে বউ-ছেলেপুলে নিয়ে একার রোজগারে তা দিয়ে নিম্ন-মধ্যবিত্ত জীবন যাপন চলতে পারে বড়জোর। অন্য শহর হলে অবশ্য অন্য কথা ছিল। অভাবের কারণটা স্পষ্ট হলো এবার আমার কাছে।
তাই ফটাফট অ্যাপ্রুভ করে হরিহরের অ্যাপিলেকেশনটি ই-মেইল করে ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টে ফরোয়ার্ড করে দেই। যাতে টাকাটা সে তাড়াতাড়ি পেয়ে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে পারে।

এর দিন পাঁচ ছয় পরের কথা।
শুক্রবার – এইদিনটিতে মনটা বেশ ফুরফুরে থাকে। শনিরবি উইকএন্ড। সেদিন লাঞ্চটাইমে বাইরে যাচ্ছি লাঞ্চ করতে, লিফটের মুখে হরিহরের সাথে দেখা। আমাকে দেখে দাঁড়ায় সে। তার ছেলের খোঁজ খবর করি, কেমন আছে সে এখন জানতে চাই। সাথে টুকিটাকি ব্যক্তিগত কথাও উঠে আসে।

হরিহর জানায় রিপোর্ট সব ভালো এসেছে, জ্বরটাও নেই কিন্তু ছেলে খুব দুর্বল, ডাক্তার ওষুধ দিয়ে বলেছে সাথে পুষ্টিকর খাবার আর মরশুমী ফল খাওয়াতে বেশী করে বেশ কয়েক মাস।

ছেলের মুখে রুচি নেই। বাবার কাছে সে আপেল খেতে চেয়েছে। আপেলের সিজন এসে গেছে কিন্তু বাজারে আপেলের দাম এখনও আগুন। যা পাওয়া যাচ্ছে কোল্ড স্টোরেজের অসময়ের বিদেশী ব্রিড। এই সিজেনের ইন্ডিয়ান আপেল এখনও বাজারে আসেনি।
অসুখ জ্বালায় হাতের পয়সা সবই জলের মতো বেরিয়ে গেছে, তাই আপেল কিনতে গিয়ে দুশো টাকা শুনে হাফ ডজন খানেক কলা, আধ কিলো আপেল আর সবেদা নিয়েই গতকাল বাড়ি ফিরতে হয়েছে হরিহরকে। সেই কলা আর সবেদা ছেলে তার ছুঁয়ে দেখেনি।

হরিহর তবে হাল ছাড়েনি। অফিসের অল্প দূরে মুম্বই এর বিখ্যাত ক্রোফোর্ড মার্কেটে বিশাল ফলের আড়ত আছে। সেখান থেকে শহরেরে ধনী মানুষেরা হাজার হাজার টাকার ফল কেনে। ছাটের ফল দুপুরের দিকে গেলে নাকি সস্তায় পাওয়া যায়, হরিহর তাই লাঞ্চটাইমে সেখানেই চলছে বেশী করে কিছু আপেল কিনতে পারবে সে আশায়।
অফিসের কাজের প্রয়োজনের বাইরে এত বেশী কথা হরিহর আর আমার মধ্য হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কোনো কোনো মুহুর্তে মানুষ কিছু কথা দূরের মানুষের সাথেও ভাগ করে নিয়ে হালকা হয়। যে শোনে সেও তাকে থামতে বলতে পারে না।

লাঞ্চ সেরে ফিরছি।
লাঞ্চ ছিল শহরেরে একজন বিশিষ্ঠ সমাজসেবীর সাথে। আমাদের কোম্পানী এ বছর গোল্ডেন পিকক্ পুরস্কারের জন্য নমিনেশন অ্যাপ্লাই করছে। দেশের প্রতি সমাজসেবামূলক অবদানের জন্য ক্যাটাগরিতে। বহু বছর ধরে আমাদের কোম্পানী চুপচাপ সমাজসেবা করে আসছে। তাই একটা স্বীকৃতি তো দরকার। একটা পুরস্কার আসবে। মিডিয়া বিভিন্ন বিজনেস ম্যাগজিনে ফলাও করে সে খবর ছাপবে তবে না কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে খ্যাতি আরো বাড়বে। তাই পুরস্কারটি দরকার।

এটি একটি অত্যন্ত সম্মানজনক পুরস্কার। কোম্পানী আমাকে মিটিং ও লাঞ্চ রাখতে বলেছিল ওই সমাজসেবীর সাথে যাতে তার থেকে গোল্ডেন পিকক পুরস্কার প্রাপ্তির আঁটঘাটটি একটু বুঝে নেওয়া যায়।

ফোর্ট অঞ্চলের একটি বিখ্যাত সি ফুড রেস্টোরেন্টে লাঞ্চ ও মিটিং হলো। যেখানে একজন খাওয়ার মতো সি-ফিশ ফিউশন বিরিয়ানির মূল্য দু’হাজার দুশো টাকা। তবে কোম্পানীর কাছে এসব তুচ্ছ ব্যাপার, গন্যমান্য লোকেদের জন্য পয়সা খরচ করতে চিন্তা করে না।

ফেরার সময় আবার হরিহরের সাথে দেখা। সে ও আপেলের খোঁজ সেরে ফিরছে। ক্রোফোর্ড মার্কেটেও সে সস্তায় আপেল পায়নি। খালি হাতেই ফিরে আসা। রোদের তাপে আর নোনা বাতাসে ঈষৎ ঝলসে যাওয়া তার মুখটা যেন খানিক হতাশ দেখাচ্ছিল।

আমি যেন এক মুহুর্তের জন্য হরিহরের ছেলের রোগক্লিষ্ট ম্লান মুখটা কল্পনায় দেখতে পাই, সে বাবা অফিস থেকে আপেল নিয়ে ফেরার অপেক্ষায় শুয়ে আছে বিছানায়, দরজায় দিকে চোখ রেখে।

মুম্বই এর মতো দেশের প্রথম সারির শহরে, সমুদ্র থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ঝাঁ চকচকে অফিসবিল্ডিং গর্বে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে, মুহুর্তে মুহুর্তে এসে দাঁড়াচ্ছে শত লক্ষাধিক টাকার পৃথিবী বিখ্যাত ব্রান্ডেড গাড়ি, কর্পোরেট লাইফ, এমপ্লয়ি ফ্রেন্ডলি ওয়ার্ক পলিসি সব যেন হাস্যকর আর ফাঁপা মনে হয়- কি লাভ এই ঝকঝকে কর্পোরেট জবের যেখানে নীচু লেভেলে কাজ করা একজন বাবা তার সন্তানের ছোটো ইচ্ছে পূর্ণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রদীপের তলায় চিরকাল অন্ধকারই রয়ে যায়।

যাইহোক শনি-রবির জম্পেশ উইকএন্ড কাটিয়ে সোমবার সকালে অফিসে পৌঁছলাম। ঢুকেই টের পেলাম অফিসের ভেতরটা কেমন একটা মিষ্টি গন্ধে ভরে আছে। কাঁচের বন্ধ দরজা জানালায় ধাক্কা খেয়ে, এয়ারকন্ডিশনের শীতল বাতাসে যে গন্ধটি ভাসছে তা কোনো এয়ার ফ্রেশনার নয়। অনেকটা ছাতিমফুলের মতো, তবে আরো মৃদু।

কফি হাতে বাইরে বেরিয়ে এসে আরো দু’একজনকে কলিগকে জানতে চাইলাম
-আচ্ছা কিসের গন্ধ বলতো? তোমরা পাচ্ছ কি?

আমায় একজন বললো
-তুমি জানো না বোধহয়, আপেল এসেছে। প্রতি বছর আসে। এ বছর একটু বেশী আগেই এসে গেছে। প্রচুর আপেল একসাথে বদ্ধ জায়গায় থাকার জন্য ওমন মিষ্টি গন্ধ বেরোচ্ছে।

আমি প্যানট্রি স্টোরে গিয়ে দেখি থরে থরে আপেলের বাক্স রাখা। প্রতিটি বাক্স খোলা। সব মিলে অন্তত একশো কেজি হবেই। দু’জন প্যানট্রিবয় হাতে প্লাস্টিক গ্লোভ্স পরে প্রতিটি আপেল পরীক্ষা করছে।

কোম্পানীর ওনারের হিমাচল প্রদেশের বিশাল আপেল বাগিচা থেকে প্রতি বছরই আপেল আসে। হ্যান্ডপিকড, অরগ্যানিক, মোমপালিশ ছাড়া আপেল। সে আপেল এয়ার কন্ডিশন্ড ছোট কনটেইনার ভ্যান করে পৌঁছে যায় দিল্লী কলকাতা মুম্বই শহরের অফিসে।

ডিজাইনার দিয়ে ডিজাইন করা প্লাস্টিকলেস মজবুত কাগজের সুদৃশ্য বাক্সে সে আপেলগুলিকে বন্দী করা হয়। এক একটি বাক্সে সাত থেকে আট কিলো করে আপেল থাকে আর থাকে ডিরেক্টরের নিজে হাতে লেখা কার্ড। কার্ডটিও বিশেষভাবে তৈরী এলিফ্যান্ট পুপ অর্থাৎ হাতির বিষ্ঠা দিয়ে। সে কার্ডটি বাজার চলতি যেকোন কাগজের কার্ড থেকে দশগুন দাম বেশী। কোম্পানী আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের খুব খেয়াল রাখে তাই এই বিশেষ জিনিসগুলি বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার করে।

এবারে সেই বাক্স বিশেষ যত্ন নিয়ে, দেরী হলে পচতে শুরু হতে পারে তাই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উপহার পাঠানো হয় মুম্বই শহরের প্রথম সারির বিশিষ্ট মানুষজনের বাড়িতে। তাদের মধ্য কে না রয়েছেন- বিশ্বের প্রথম দশজন বিত্তবানদের একজন, বলিউড সম্রাট, মুম্বই এর প্রথম সারির রাজনৈতিক পরিবার, ভারতের সবচেয়ে পুরোনো ও বিশাল ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর অধিপতি-আরো কত কে!

এইকটা আপেল আনতে আর প্যাকিং এ যা খরচ হয় তাতে তার পাঁচগুণ আপেল বাজার থেকে কেনা যায় কারণ পাইকারী ফল ব্যবসায়ীরা এর দশগুণ পরিমান আপেল আনেন তাতে পরিবহন খরচ কমে, দামও কমে।

তবু এ হল কোম্পানীর সম্মানের প্রশ্ন, বনেদিয়ানা দেখানোর প্রশ্ন। নিজের বাগানের আপেল উপহার দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া তুমি আমায় মনে রেখো কারণ আমি তোমায় কাছের লোক বলে মনে করি।

এইবছর এসি কনটেইনার মাঝ রাস্তায় একদিন খারাপ হয়ে পড়ে ছিল তাই নির্দেশ এসেছে সব বাক্স খুলে প্রতিটি আপেল যেন পরীক্ষা করা হয়। আপেলের গা একটু নরম হলেই তা যেন সাথে সাথে বাতিল করা হয়।

এভাবে প্রায় কুড়ি কেজি আপেল বাতিল হয়ে গেল। বাকী শ্রেষ্ঠ আপেল বাক্সে ঢুকে চলে গেল ভিআইপির অন্দর মহলের উদ্দেশ্য। সেদিন বিকেলে অফিস থেকে বেরোচ্ছি, হরিহরের হাতে ঝোলায় ভরা বেশ কিছু বাতিল আপেল। বাতিল আপেল হাউসকিপিং স্টাফ, সিকিউরিটি স্টাফ, পিওন এদের মধ্যে ভাগ করে দিতে বলা হয়েছে। হরিহর আজ খুব খুশী, সেও তিন চার কিলো আপেল পেয়েছে।

আত্মীয় প্রতিবেশীরা জানে হরিহর কর্পোরেটে খুব বড় কাজ করে, তার কোম্পানী তার প্রতি কত খেয়াল রাখে।

মাইনের টাকায় আপেল কেনার সামর্থ কোম্পানী দেয়নি তো কি হয়েছে, তবু তো সে আজ অসুস্থ ছেলের জন্য আপেল নিয়ে যেতে পারলো হোক না সে বিত্তবানদের বাতিল করা আপেল। আমি আবার এক মুহুর্তের জন্য যেন দেখতে পাই, হরিহরের অসুস্থ ছেলে বিছানায় শুয়ে দরজার দিকে চেয়ে আছে আর বাবার হাতের আপেলের প্যাকেট দেখে খুশিতে তার রোগক্লিষ্ট মুখটা ঝলমল করে উঠছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত